প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাত্র ১২ বছর বয়সেই মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার ছোট্ট শিশু আব্দুল্লাহ আন নাফিস। যে বয়সে তার হাসি-আনন্দ এবং খেলাধুলায় কাটানোর কথা, সেই বয়সে হাসপাতালের বিছানায় দিন কাটাতে হচ্ছে তাকে।
নাফিস উপজেলার ডুমুরিয়া নেছারিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক মো. মুজিবুর রহমানের সন্তান। চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি তার শরীরে ব্লাড ক্যান্সার শনাক্ত হয়। প্রথমে রাজধানীর পিজি হাসপাতালে তার চিকিৎসা শুরু করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের ভেলোরের সিএমসি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, নাফিসের সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় রেডিয়েশন থেরাপি, উচ্চ ডোজ কেমোথেরাপি এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা করা প্রয়োজন। এই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। পাশাপাশি, চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে অন্তত ৯ থেকে ১০ মাস অবস্থান করতে হতে পারে।
সন্তানের চিকিৎসার খরচ জোগাতে ইতোমধ্যে জমি-জমা ও সঞ্চয় বিক্রি করে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন নাফিসের বাবা। এখন তার পরিবারের আর চিকিৎসার ব্যয় বহন করার সামর্থ্য নেই। সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান এবং হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
কান্নায় ভেঙে পড়া নাফিসের বাবা বলেন, “আমার ছেলেটাকে বাঁচাতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।” নাফিসের চিকিৎসায় সহায়তা করার জন্য সমাজের বিত্তবান এবং হৃদয়বান ব্যক্তিরা, প্রবাসী বাংলাদেশিরা, বিভিন্ন সামাজিক এবং মানবিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষের প্রতি সহায়তা এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তার পরিবার। তাদের আশা, সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমে ফিরে আসবে ছোট্ট নাফিসের মুখে হাসি।
সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম সোনালী ব্যাংক: ০৫০৬৬০১০২৬০৪৯, ইসলামী ব্যাংক: ২০৫০৩১৬০২০০০২৬৫১১।
অর্থের অভাবে যেন একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন থেমে না যায়, ছোট্ট নাফিসের চিকিৎসায় যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তার পরিবার।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন