ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুড়িগ্রামে নতুন উদ্যোক্তা উদ্যোগে সাড়া, দেশীয় ছোট মাছ এখন ‘রেডি টু কুক


কুড়িগ্রামে নতুন উদ্যোক্তা উদ্যোগে সাড়া, দেশীয় ছোট মাছ এখন ‘রেডি টু কুক

 

দেশীয় ছোট মাছ পরিষ্কার ও প্রস্তুত করার ঝামেলা ছাড়াই বর্তমানে কুড়িগ্রামের মানুষ সরাসরি রান্নার জন্য মাছ কিনতে পারছেন। জেলার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে ‘রেডি টু কুক ফিস’ বা রান্না উপযোগী মাছ বিক্রয়ের কার্যক্রম। এ উদ্যোগ ইতোমধ্যেই সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা রেলস্টেশন এলাকায় ‘জান্নাতি ফ্রেশ অ্যান্ড ফ্রোজেন মৎস্য পণ্য বিক্রয় কেন্দ্র’ নামে একটি উদ্যোগ চালু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা বাবলু মিয়া ও তাঁর স্ত্রী পেয়ারা বেগম। এখানে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছগুলো পরিষ্কার, কাটা-বাছাই ও ধোয়ার পর স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্যাকেটজাত করে হিমায়িত অবস্থায় বিক্রি করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বিশ্বের ১০০ জনের মধ্যে বাংলাদেশের একমাত্র নারী! ঠাকুরগাঁওয়ের বিলকিস ইতালিতে পেলেন আন্তর্জাতিক সম্মাননা

দোকানটিতে মলা, দারকিনা, পুটি, ট্যাংরা, শিং, মাগুর, চাপিলা, খলিসা, টাকিসহ নানা ধরনের দেশীয় মাছ পাওয়া যাচ্ছে। বাজারের চাহিদা অনুযায়ী মাছগুলো সংগ্রহ করে সেগুলোকে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এছাড়াও অনলাইন অর্ডার ও হোম ডেলিভারির ব্যবস্থাও রয়েছে। মাছের ধরন ও ওজনভেদে প্রতি কেজির দাম ৪০০ থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যে রাখা হয়েছে।

উদ্যোক্তা বাবলু মিয়া জানান, আগে তিনি খাদ্য গুদামে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। বয়সের কারণে ভারী কাজ করা তাঁর পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ায় বেসরকারি সংস্থা আরডিআরএস বাংলাদেশের সহায়তায় স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে প্রায় দুই মাস আগে এই ব্যবসা শুরু করেন। বর্তমানে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১০ কেজি দেশীয় মাছ বিক্রি হচ্ছে।

পেয়ারা বেগম বলেন, প্রতিদিন সকালে বিভিন্ন বাজার থেকে মাছ সংগ্রহ করে সেগুলো পরিষ্কার ও প্রস্তুত করা হয়। সীমিত লাভে বাজারদরেই মাছ বিক্রি করা হচ্ছে এবং প্রতিদিনই ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

দেশী মাছ কিনতে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, দেশী জাতের মাছ এখন অহরহ পাওয়া যায় না। অন্যদিকে কর্মব্যস্ত জীবনের কারণে ছোট মাছ পরিষ্কার ও প্রস্তুত করতে সময়সাপেক্ষ হওয়ায় অনেকেই দেশীয় মাছ কিনে বাড়িতে নিয়ে যেতে চান না। ফলে, স্বাদ ও পুষ্টিগুণ থাকা সত্ত্বেও এসব মাছ অনেক সময় খাদ্যতালিকা থেকে বাদ পড়ে যায়। অদূর ভবিষ্যতে বাজারে ‘রেডি টু কুক ফিস’ এর মাধ্যমে সেই সমস্যা অনেকটাই দূর হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এখন কোনো ঝামেলা ছাড়া স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্রস্তুত মাছ কিনে সরাসরি রান্না করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: দৃষ্টিনন্দন বনায়ন: রাঙ্গামাটিতে ১০ একর জমিতে ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের ১০ হাজার বৃক্ষরোপণ

পুষ্টি আপা নামে পরিচিত এক ব্যক্তি, যিনি দিনাজপুরের বাসিন্দা, জানান, বাংলাদেশের মানুষের জন্য আমিষের অন্যতম প্রধান উৎস হচ্ছে মাছ। বিশেষ করে দেশীয় ছোট মাছ ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়রন, ফসফরাসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ। তাই এ ধরনের উদ্যোগ মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

স্থানীয়দের অভিমত, বাজারে বড় মাছ কাটার ব্যবস্থা থাকলেও ছোট মাছ প্রস্তুত করে বিক্রির তেমন সুযোগ নেই। এ কারণে রান্না উপযোগী ছোট মাছের বাজার তৈরি হলে একদিকে ক্রেতারা সুবিধা পাবেন, অন্যদিকে নারীদের কর্মসংস্থান ও মৎস্য খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পাবে।

আরডিআরএস বাংলাদেশের মৎস্য টেকনিক্যাল অফিসার মোজাম্মেল হক বলেন, আরডিআরএস বাংলাদেশ ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে কাজ করা হচ্ছে। কুড়িগ্রামে প্রথমবারের মতো এ উদ্যোগ চালু হলে ভবিষ্যতে জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও এটি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজারহাট উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এমদাদুল হক জানান, উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও বাজার ব্যবস্থাপনায় মৎস্য বিভাগ সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: পোরশায় রিং জাল বসানো নিয়ে সংঘর্ষ, মাথায় আঘাতে যুবকের মৃত্যু।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘কালিমা’ থাকায় সম্মান রক্ষায় মাটিতে নামানো হয়নি সৌদির পতাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ পি.এম


‘কালিমা’ থাকায় সম্মান রক্ষায় মাটিতে নামানো হয়নি সৌদির পতাকা

২০২৬ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত যে কয়টি দেশ অংশ নিয়েছে, তাদের মধ্যে কেবল দুটি দেশের পতাকাতেই আল্লাহর নাম লেখা রয়েছে। সৌদি আরবের পতাকায় কালেমা তাইয়্যিবা লেখা আছে এবং ইরাকের পতাকায় লেখা রয়েছে আল্লাহু আকবার।

ইরাক এখনও পর্যন্ত মাঠে নামেনি, তবে সৌদি আরব ইতোমধ্যে তাদের প্রথম ম্যাচটি খেলেছে। উরুগুয়ের বিপক্ষে খেলায় তারা ১-১ গোলে ড্র করেছে।

নিয়ম অনুযায়ী, ওই ম্যাচের শুরুতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার পূর্বে দুই দেশের পতাকা মাঠে প্রদর্শন করার কথা থাকে; কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে দেখা যায় যে সৌদি আরবের পতাকা মাটিতে নামানো হয়নি। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের যে কয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে, সবগুলোতেই জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় পতাকা মাটিতে নামানো হয়েছিল।

শুধুমাত্র এই ম্যাচেই ব্যতিক্রম দেখা গেল। সৌদি আরবের পতাকা মাটিতে নামানো হয়নি। আবার একজন দেশের পতাকা মাটিতে নামানোর সঙ্গে অন্য দেশের পতাকা উঠানোর বিতর্ক এড়িয়ে চলার জন্য উরুগুয়ের পতাকাও ওপরে রাখা হয়।

সৌদি আরবের নিয়ম অনুযায়ী, কালিমা লেখা থাকায় দেশটির পতাকাকে কোনও সময় মাটিতে নামানো যাবে না। মূলত, ফিফা তাদের এই স্পিরিটকে সম্মান দেখিয়ে পতাকা মাটিতে নামানোর বদলে হাতে উঁচিয়ে রেখেছিল। সৌদি আরবের অনুরোধে ফিফা এমন সম্মান প্রদর্শন করেছে। এর ফলে ফিফা বাহবাও পাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রাম সীমান্তের শূন্য রেখায় বাকশূন্য ৯ জনের অনিশ্চয়তার জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ পি.এম


কুড়িগ্রাম সীমান্তের শূন্য রেখায় বাকশূন্য ৯ জনের অনিশ্চয়তার জীবন

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্ত পয়েন্টে কাঁটাতারের বাইরে, শূন্যরেখায় তিন দিন ধরে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন পুশইনের শিকার ৯ বাংলাদেশি নাগরিক। অভিযোগ উঠেছে যে, রোববার (১৪ জুন) ভোররাত ৪টার দিকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) রৌমারীর গয়টাপাড়া ও ভুন্দুর সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা শূন্যরেখায় আটকা পড়েছেন।

পুশইনের সময় ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় নারী ও শিশুরা চরম আতঙ্কে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একদিকে কাঁটাতারের বেড়া এবং অন্য দিকে শূন্যরেখা, দুই পক্ষের ঠেলাঠেলির মধ্যে এসব অসহায় মানুষগুলো সময় কাটাচ্ছে।

গয়টাপাড়া সীমান্তে অবস্থানরত ছয়জনের মধ্যে সন্তানসহ রয়েছেন দুই শিশুর পাশাপাশি এক নারী এবং দুই পুরুষ। তাদের একজন সুমি আক্তার জানান, “তিন দিন ধরে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে এখানে পড়ে আছি। আমার কোলে ছয় মাস বয়সী একটি শিশু এবং সঙ্গে চার বছরের আরেকটি সন্তান রয়েছে। খাবার নেই, বিশুদ্ধ পানি নেই, মাথার ওপর কোনো ছাদও নেই। বাচ্চারা কান্নাকাটি করছে, কিছুই খাওয়াতে পারছি না। স্থানীয়রা মাঝে মাঝে বিস্কুট ও রুটি দিচ্ছেন, তা দিয়েই কোনোরকম দিন পার করছি।”

তিনি আরও জানান, প্রায় ২৭ দিন আগে বাবা-মাসহ কাজের সন্ধানে অবৈধ পথে সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। পরে ভারতীয় পুলিশ তাদের ধরে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে।

সুমির স্বামী বেলাল বলেন, “ছোট ছোট সন্তান নিয়ে খুব কষ্টে আছি। এখানে পানি নেই, শৌচাগার নেই। দিনের প্রচণ্ড গরমে দুই শিশুই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। জীবনে বড় ভুল করেছি। বেঁচে থাকলে আর কখনো এমন কাজ করব না। আমাদের বাঁচান।”

গয়টাপাড়া সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিরা দাবি করেন, তারা ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের কংশেরকুল গ্রামের বাসিন্দা।

এদিকে রোববার(১৪জুন) সকালে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বিএসএফ পুশইনের অভিযোগ অস্বীকার করায় কোনো সমাধান ছাড়া বৈঠক শেষ হয়। বিজিবি শূন্যরেখায় অবস্থানরত ৯ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানালেও তিন দিন পেরিয়ে গেলেও বিএসএফ তাদের গ্রহণ করেনি।

স্থানীয় বাসিন্দা ছক্কু মিয়া বলেন, “তিন দিন ধরে দুই দেশের কেউই তাদের দায়িত্ব নিচ্ছে না। নারী ও শিশুসহ তারা চরম ঝুঁকির মধ্যে দিন-রাত কাটাচ্ছে। মানবিক দিক বিবেচনায় দ্রুত বিষয়টির সমাধান হওয়া প্রয়োজন।”

শৌলমারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সোনা মিয়া বলেন, “কোলের শিশুসহ মানুষগুলো খোলা আকাশের নিচে খুব কষ্টে আছে। গরমে শিশুরা কান্নাকাটি করছে। পর্যাপ্ত খাবার, পানি কিংবা টয়লেটের ব্যবস্থা নেই। রাতে সাপ-বিচ্ছুর ভয়, মশার উপদ্রবও রয়েছে। দ্রুত সমাধান না হলে শিশুদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।”

জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, “বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। দ্রুত সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে কালিয়াকৈর পৌরবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০০ পি.এম


জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে কালিয়াকৈর পৌরবাসী

গাজীপুরের কালিয়াকৈর, যা দেশের প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে পরিচিত, তথাপি এখানে এরকম শর্তে অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পানি নিষ্কাশনের সংকটের কারণে পৌরবাসীর দুর্ভোগ যেন শেষ হচ্ছে না। সোমবার (১৫ জুন) রাত থেকে শুরু হওয়া অতিবৃষ্টি পুরো পৌরসভাকে পানিবন্দি করে ফেলেছে। জলাবদ্ধতার কারণে অনেক শিল্পকারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে এবং জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বৃষ্টিতে অসংখ্য সড়ক, বাসাবাড়ি ও দোকানপাট তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও পানি কোমরসমান উচ্চতায় পৌঁছে গেছে। অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং দীর্ঘদিনের ড্রেনেজ সমস্যা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। মাত্র দুই ঘণ্টার বৃষ্টির পরিাবেশেই এমন পরিণতি এসেছে।

জানা যায়, ২০০১ সালে ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠন করা প্রথম শ্রেণির এই পৌরসভায় বর্তমানে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের বসবাস করছে। এখানে প্রায় তিন শতাধিক শিল্প-কারখানাও রয়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকে পৌরসভাটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে পৌরবাসীরা প্রশাসনের দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ তুলছেন। তারা বলছেন, এই গাফিলতির কারণে জলাবদ্ধতা প্রকট হয়ে উঠেছে।

ভোর থেকে টানা দুই ঘণ্টার বৃষ্টিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সংলগ্ন পল্লীবিদ্যুৎ, হরিণহাটি ও বিশ্বাসপাড়াসহ আশপাশের বাজার এলাকার বসতবাড়ি এবং বিপণিবিতান পানিতে তলিয়ে যায়। সড়ক ডুবে যাওয়ার ফলে শ্রমিকরা কাজে যোগদান করতে না পারায় বেশ কিছু পোশাক কারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে কর্তৃপক্ষের দ্বারা।

অন্যদিকে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ডাইনকিনি, হরতকিতলা ও মাইওয়ান মোড়ের প্রধান সড়ক, দোকানপাট এবং স্কুল পানিতে ডুবে গেছে। এতে ব্যবসায়ীদের মূল্যবান মালামাল নষ্ট হয়েছে। কিছু এলাকায় ড্রেনের পানির সঙ্গে ডাইং কারখানার দূষিত বর্জ্য মিশে গিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকির সৃষ্টি করেছে।

৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জাহিদ বলেন, “ভোরে বৃষ্টি শুরু হওয়া মাত্রই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিছু মিনিটের মধ্যে ঘরের সামনে পানি চলে আসে। বাজার করা বা রান্নার সুযোগ নেই, অফিসে যেতেও পারছিনা। বছরে একাধিকবার এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছি কিন্তু স্থায়ী সমাধানে কিছুই দেখা যাচ্ছে না।”

এ বিষয়ে কালিয়াকৈর পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.এইচ.এম. ফখরুল হোসাইন বলেন, "ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিষ্কারের ক্ষেত্রে কারো গাফিলতি থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জলাবদ্ধতা নিরসনে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূরুঙ্গামারীতে ফ্যানের সুইচে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নারী ইউপি সদস্যের মৃত্যু”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০১ পি.এম


ভূরুঙ্গামারীতে ফ্যানের সুইচে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নারী ইউপি সদস্যের মৃত্যু”

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে একটি ফ‍্যানের সুইচ দেওয়ার সময় বিদ‍্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রুমানা বেগম কমলা (৩৮) নামের এক নারী ইউপি সদস‍্যের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ওই নারী ইউপি সদস‍্য উপজেলার আন্ধারিঝাড় ইউনিয়নের চর ধাউরারকুটি গ্রামের মুকুল হোসেন চকলেট'র স্ত্রী। তিনি ওই ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের সদস‍্য ছিলেন। পরিবারের বরাত দিয়ে ইউপি সদস‍্য আব্দুর রাজ্জাক জানান, সোমবার দুপুরে ওই নারী ইউপি সদস্য নিজ ঘরে ফ‍্যানের সুইচ দিতে গিয়ে হাতের আঙ্গুল সুইচ বোর্ডে আটকে যায়। এর ফলে তিনি বিদ‍্যুতায়িত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আন্ধারিঝাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাবেদ আলী মন্ডল ঘটনাটির সত‍্যতা নিশ্চিত করেছেন। ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন জানিয়েছেন, আমি জরুরি কাজে কুড়িগ্রামে আছি। বিষয়টি জানা নেই, তবে আমি খোঁজ নিচ্ছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%