বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৭ পি.এম
জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে নগরবাসীকে বিকল্প সড়কে চলাচলের জন্য অনুরোধ করেছে ডিএমপি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আকতার হোসেন এই তথ্য জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, শোভাযাত্রাটি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়ে বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হবে।
শোভাযাত্রা চলাকালীন সময়ে বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নগরবাসীকে পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
শোভাযাত্রার নির্ধারিত রুট হলো শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, পলাশী বাজার, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, বঙ্গবাজার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ভবন, গোলাপশাহ মাজার, গুলিস্তান মোড়, নবাবপুর রোড, রায় সাহেব বাজার মোড় হয়ে বাহাদুর শাহ পার্ক পর্যন্ত।
ডিএমপি জানিয়েছে, শোভাযাত্রার রুটে কোনো ধরনের যানবাহন পার্কিং করা যাবে না। উচ্চস্বরে পিএ বা সাউন্ড সিস্টেম বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের ইচ্ছুকদের শুরুতেই এতে মিলিত হতে হবে এবং কোনোভাবেই মাঝপথে শোভাযাত্রায় যোগ দেওয়া যাবে না।
তিনি আরো জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে হ্যান্ডব্যাগ, ট্রলি, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, পোটলা, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, অস্ত্র, কাঁচি, ক্ষয়কারক তরল, ব্রেড, দিয়াশলাই, গ্যাসলাইটার ইত্যাদি নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করা যাবে না। শোভাযাত্রা চলাকালীন রুটে কোনো ধরনের ফলমূল ছোড়া যাবে না। রাস্তায় অহেতুক দাঁড়িয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা বস্তু পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিক নিকটস্থ পুলিশকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া, শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের স্বেচ্ছাসেবক ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
ব্যারিকেড, পিকেট ও আর্চওয়ে ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পুলিশকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে।
তিনি জানান, শোভাযাত্রা চলাকালীন নগরবাসীকে পুলিশের নির্দেশিত বিকল্প সড়কে চলাচল করতে অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি। জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডেনমার্কের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান সতর্ক করেছেন যে, রাশিয়া বিশেষভাবে দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক অভিযান চালানোর জন্য ‘সক্রিয়ভাবে’ প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই তথ্যটি তিনি বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন।
কোপেনহেগেন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে এবং নতুন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে, যখন জার্মানিতে বিস্ফোরক বোঝাই একটি ড্রোন খুঁজে পাওয়া যায়। ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান মন্তব্য করেছেন যে, ওই ঘটনায় ‘রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদের’ আলামত রয়েছে।
২০২২ সালে ক্রেমলিনের ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে, রুশ বাহিনী অগ্রগতির থমকে যাওয়ার মধ্যে ইউরোপের ইউক্রেনপন্থী দেশগুলোর বিরুদ্ধে নাশকতামূলক হামলা বাড়ানোর জন্য রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
গ্রেসহোম সংবাদপত্র বের্লিংস্কেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন, ‘রাশিয়ানরা ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা শিল্পকে লক্ষ্যবস্তু করে নাশকতামূলক অভিযান চালানোর জন্য সক্রিয়ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
তিনি সম্প্রচারমাধ্যম টিভি২-কে বলেন, ‘প্রতিরক্ষা শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের জন্য, ব্যাপক অর্থে, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে তারা নিজেদের সুরক্ষা দিতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই খাতের অনেক প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে এ বিষয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।’
গ্রেসহোমের মতে, রাশিয়ার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো নাশকতামূলক অভিযানের জন্য ‘একেবারে সাধারণ ডেনমার্কের নাগরিকদের’ নিয়োগের চেষ্টা করছে। এসব অভিযানের মধ্যে কোনো স্থাপনার ছবি তোলা, সেখানে প্রবেশের সুযোগ এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও তা জানানো থাকতে পারে। তিনি বের্লিংস্কেকে বলেন, ‘আমরা এসব পদ্ধতির কথা বলছি, কারণ এগুলো কোনো গুপ্তচরবৃত্তির সিনেমার দৃশ্যের মতো দেখতে হবে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ীতে মাদকবিরোধী র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মধুপুর থানা ও ৫ নম্বর গোলাবাড়ী ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশের উদ্যোগে আয়োজিত র্যালিটি ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে হাতে মাদকবিরোধী ব্যানার ও বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।
র্যালিতে গোলাবাড়ী ইউনিয়নের কমিউনিটি পুলিশিংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই আসাদুল ইসলাম আসাদ, সহকারী পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই আব্দুল হান্নান, বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেয়র অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক, মধুপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ও গোলাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান মো. মমিনুল ইসলাম, গোলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, কমিউনিটি পুলিশের সদস্য ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
পরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই ধ্বংস করে না; এর প্রভাব পড়ে পরিবার ও সমাজের ওপরও। মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
বক্তারা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, প্রয়োজন সামাজিক প্রতিরোধ। তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, শিক্ষা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
কর্মসূচিতে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার করতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন। মাদকের কোনো তথ্য পেলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।
আয়োজকেরা বলেন, একটি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণই পারে মাদকের বিস্তার রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রিজভী বলেছেন, "একটি দল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব নিজেদের পক্ষে নিতে চায়, যা জাতীয়তাবাদী দলের ত্যাগকে তুচ্ছ করার চেষ্টা।" তিনি এই মন্তব্যটি আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ছাত্রদলের ডিজিটাল প্লাটফর্ম ও ওয়েবসাইটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে করেছেন।
রিজভী আরও বলেন, "ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিকদলসহ প্রায় সাড়ে চার শো নেতা-কর্মী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মাহুতি দিলেও একটি দল এ আন্দোলনে একক কৃতিত্ব নিতে চায়, যা শহীদদের সাথে বেইমানি করা হবে।"
তিনি উল্লেখ করেন, ছাত্রদলের গৌরবান্বিত ইতিহাস রয়েছে। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্ম সংগঠনটির সংগ্রাম ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবে। ছাত্রদলের সংগ্রাম, ইতিহাস ও ত্যাগ যেন দেশ তথা বিশ্বের বাঙালি সমাজ জানতে পারে।
অনুষ্ঠানে ডিজিটাল প্লাটফর্ম তথা ওয়েবসাইট উদ্বোধন ছাড়াও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ১৪২ জন শহীদের তালিকা এবং দীর্ঘ ১৭ বছর নির্যাতিত গুম খুনসহ হত্যার শিকার নেতা-কর্মীদের তালিকাসহ চারটি বুকলেটের উদ্বোধন করা হয়।
বর্তমান ও আগামীর প্রতিশ্রুতি সম্বলিত একটি বুকলেট এবং আরেকটি বুকলেট দল-দীপশিখায় উঠে আসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আবু সাঈদ, মুগ্ধসহ অন্যান্যের আন্দোলনের বিস্তারিত উপাখ্যান।
অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ অন্যান্য বক্তারা বক্তব্য রাখেন। তারা তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের নানা নির্যাতনের কথা তুলে ধরেন।
প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৬
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহ, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ঝিনাইদহের উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাড. এম এ মজিদ।
এ উপলক্ষে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা শহরের পার্শ্ববর্তী নবগঙ্গা নদীতে বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
এ সময় জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহ সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন, জেলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া জেলা মৎসজীবী দলের নেতা-কর্মীসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
জেলা বিএনপি’র সভাপতি অ্যাড. এম এ মজিদ বলেন, "খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে দেশের প্রতিটি উন্মুক্ত জলাশয় ও পতিত জমির সঠিক ব্যবহারের বিকল্প নেই। মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে সরকার উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সেই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঝিনাইদহ জেলার সকল নদ-নদী, খাল-বিল ও উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার পরিকল্পনা আমরা হাতে নিয়েছি। ‘মাছে ভাতে বাঙালি’ প্রবাদের ঐতিহ্য আমরা ফিরিয়ে আনতে নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ