ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এক বছর পর বাড়ি ফিরলেন ৯০ বছর বয়সী বৃদ্ধ


এক বছর পর বাড়ি ফিরলেন ৯০ বছর বয়সী বৃদ্ধ

দীর্ঘ এক বছর পর পরিবারের কাছে ফিরে আসলেন মতিউর রহমান, যিনি প্রায় ৯০ বছর বয়সি। চোখে দেখতে না পাওয়া এবং চলাফেরায় অক্ষম এই বৃদ্ধ জনাব কীভাবে দিনাজপুরের হাকিমপুরে পৌঁছেছিলেন, সে বিষয়ে নিজেও কিছু বলতে পারেননি।

গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রচার হওয়ার পর তার পরিবারের সদস্যরা খোঁজ পান। পরবর্তী সময়ে শুক্রবার রাতে ছেলের হাতে তাকে পুলিশ এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তুলে দেয়।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৯টার দিকে হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মতিউর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে তার ছেলে রহিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নেস্টের সভাপতি মো. ফয়সাল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ডা. আ. মালেক, থানার এসআই লক্ষীকান্ত রায়সহ অন্যান্যরা।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

স্থানীয়দের কাছে শোনা যায়, বুধবার দুপুর ২টার দিকে হাকিমপুরের হিলি চারমাথা মসজিদের সামনে একটি দোকানের সামনে একটি অটোরিকশা এসে বৃদ্ধকে নামিয়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা প্রথমে তাকে মসজিদের ভেতরে আশ্রয় দেন। পরে তিনি মসজিদের ফটকের সামনে বসে থাকতেন।

কেউ কিছু জানতে চাইলে তিনি শুধুমাত্র বলতেন যে, তিনি রংপুর থেকে এসেছেন এবং পাঁচবিবি বড় মসজিদে যাবেন। এর বাইরে আর কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

বৃদ্ধের ছেলে রহিদুল ইসলাম বলেন, তাদের বাড়ি রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলায়। প্রায় এক বছর আগে তার বাবা নিখোঁজ হন। তিনি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ছিলেন। গণমাধ্যমের সংবাদ ও ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারেন যে তার বাবা হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন। এরপর শুক্রবার সকালে তিনি অবস্থান করেন এবং বাবাকে শনাক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, রাতে ওসি জাকির হোসেন এবং নেস্ট স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা তার বাবাকে তার কাছে হস্তান্তর করেন। এছাড়া বাড়ি ফেরার জন্য ওসি ব্যক্তিগতভাবে ১ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

হাকিমপুর থানার ওসি মো. জাকির হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি খবর পান যে এক অন্ধ বৃদ্ধকে হিলি চারমাথা মোড়ে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়েছে। এরপর পুলিশ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নেস্টের সহযোগিতায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তিনি আরও জানান, শুক্রবার বৃদ্ধের ছেলে হাসপাতালে উপস্থিত হলে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাকে তার ছেলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাথরুমের গোপন সুড়ঙ্গ থেকে চিত্রনায়িকা ববির স্বামী গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


বাথরুমের গোপন সুড়ঙ্গ থেকে চিত্রনায়িকা ববির স্বামী গ্রেফতার

বাথরুমে বিশেষ কায়দায় তৈরি ফলস সিলিংয়ে লুকিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টা শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানের পর গ্রেফতার হয়েছেন চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববির স্বামী মির্জা আবুল বাশার মামুন। পুলিশ বলছে, তার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় প্রতারণাসহ অসংখ্য মামলা রয়েছে।

শুক্রবার রাতে মামুনকে গ্রেফতারে অভিযানে নামে পুলিশ। শনিবার (২০ জুন) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আল আমিন হোসেন এ তথ্য জানান।

গুলশান থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় সন্ধ্যার পর মামুনের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। রাত গড়িয়ে সকাল হলেও তার কোনো হদিস মিলছিল না। গুলশানের পুরো ফ্ল্যাট তন্ন তন্ন করে খোঁজার পরেও তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর পুলিশের সন্দেহ হয় বাথরুমের ওপর। তল্লাশি করতেই চোখ কপালে ওঠার মতো দৃশ্য! বাথরুমের দেয়ালের পেছনে বিশেষ কায়দায় তৈরি করা হয়েছে একটি গোপন সুড়ঙ্গ। আর সেখানেই আত্মগোপনে ছিলেন মামুন।

অভিযোগ রয়েছে বিটিএল গ্রুপের মালিক মির্জা আবুল বাশার মামুন বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতেন। জমির ব্যবসা, চাল কিংবা তেলের ডিলারশিপ দেয়ার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোটি কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যেতেন তিনি।

পুলিশ বলছে, চিত্রনায়িকা ববির স্বামী মামুনের বিরুদ্ধে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে প্রতারণাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। এসব প্রতারণার সঙ্গে নায়িকার কোনো সম্পর্ক থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত কবি আল মুজাহিদী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১২ পি.এম


বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত কবি আল মুজাহিদী

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও গার্ড অব অনার প্রদান শেষের পর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী।

শনিবার বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার মরদেহ নিয়ে আসা হলে ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

এর আগে জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের আয়োজনে কবির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে তার দীর্ঘদিনের বন্ধু, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা শ্রদ্ধা জানান। বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠিত হয়।

কবিকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, কবি আবদুল হাই শিকদার, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম, শাহীন রেজা, তপন বাগচী, রাজু আলীম ও আবিদ আজমসহ আরও অনেকেই।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, আল মুজাহিদী বাংলাদেশের সাহিত্যের জগতে দীর্ঘদিন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছেন। কবিতা, গল্প, উপন্যাস এবং অনুবাদসহ সাহিত্যের নানা শাখায় তার অবাধ বিচরণ ছিল। সংস্কৃতিমনস্ক জাতি গঠনে তার অবদান দেশবাসী দীর্ঘদিন মনে রাখবে।

আবদুল হাই শিকদার বলেন, আল মুজাহিদী আমাদের মাথার ওপর একজন অভিভাবক ছিলেন। ষাটের দশকের ছাত্রনেতা, একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা, একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও বরেণ্য সাংবাদিক আল মুজাহিদীর মৃত্যু আমাদের জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি।

পরে, দুপুর ১২টায় আল মুজাহিদীর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় তার দীর্ঘদিনের স্মৃতিবিজড়িত জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে। সেখানে কবির ইচ্ছা অনুযায়ী জানাজা পরিচালনা করেন মাওলানা মাসুম বিল্লাহ। পরে সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এরপর বিকালে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্ধুর গর্ভস্থ সন্তান ছিনিয়ে নিতে ভয়াবহ পরিকল্পনা নারীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৩ পি.এম


বন্ধুর গর্ভস্থ সন্তান ছিনিয়ে নিতে ভয়াবহ পরিকল্পনা নারীর

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে বন্ধুত্বের আড়ালে লুকিয়ে থাকা একটি ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে। ১০ মাস ধরে গর্ভবতী হওয়ার ভান করা এক নারীর উদ্দেশ্য ছিল, নিজের বন্ধুকে হত্যা করে তার গর্ভস্থ সন্তানকে ছিনিয়ে নেওয়া, যা তদন্তে উঠে এসেছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে সম্প্রতি নেটফ্লিক্সের ট্রু-ক্রাইম প্রামাণ্যচিত্র “Maternal Instinct” নির্মিত হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, টেইলর পার্কার নামে ওই নারী ২০২০ সালে ২১ বছর বয়সী রেগান সিমন্স-হ্যানকককে হত্যা করেন। সেই সঙ্গে তার গর্ভের অনাগত কন্যাশিশুকে জোরপূর্বক বের করে নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়। শিশুটি পরে মারা যায় এবং ২০২২ সালে পার্কারকে দোষী সাব্যস্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তদন্তের তথ্য অনুযায়ী, রেগান সিমন্স-হ্যানকক পার্কারকে অত্যন্ত বিশ্বাস করতেন। তিনি ছিলেন তার বন্ধু এবং বিয়ের ফটোগ্রাফার। এছাড়া, পার্কার নিজেকে গর্ভবতী বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। রেগান মনে করেছিলেন, তারা দুজন মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিচ্ছেন। কিন্তু বাস্তবে, পুরো বিষয়টি ছিল একটি পরিকল্পিত প্রতারণা।

তদন্তকারীদের মতে, বহু বছর আগে পার্কারের জরায়ু অপসারণের অস্ত্রোপচারটি হয়েছিল। সেক্ষেত্রে, তার গর্ভধারণের কোনো সম্ভাবনা ছিল না। কিন্তু বিষয়টি গোপন রেখে তিনি কৃত্রিম বেবি বাম্প ব্যবহার করেন, ভুয়া আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট দেখান, সামাজিক মাধ্যমে গর্ভধারণের ছবি প্রকাশ করেন এবং এমনকি শিশুর লিঙ্গ জানিয়ে একটি অনুষ্ঠানও আয়োজন করেন।

অতিরিক্তভাবে, তদন্তে প্রকাশ পায় যে, প্রেমিকের সাথে সম্পর্ক ধরে রাখার জন্য তিনি এই ভুয়া গর্ভধারণের নাটক শুরু করেছিলেন। সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে পড়লে তিনি মরিয়া হয়ে ওঠেন।

২০২০ সালের ৯ অক্টোবর গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে থাকা রেগানকে তার বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তদন্তকারীদের দাবি, তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিকবার আঘাত করা হয় এবং পরে তার গর্ভ থেকে শিশুটিকে বের করে নেওয়া হয়।

একই দিন, পুলিশ পার্কারকে সন্দেহজনকভাবে গাড়ি চালানোর সময় আটক করে। সে সময় তিনি দাবি করেন, রাস্তার পাশেই তিনি সন্তান জন্ম দিয়েছেন। কিন্তু চিকিৎসকেরা নিশ্চিত হন, তিনি সম্প্রতি সন্তানের জন্ম দেননি। পরবর্তী ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত হয় যে, শিশুটি পার্কারের নয়, নিহত রেগানের সন্তান।

বর্তমানে, ৩৩ বছর বয়সী টেইলর পার্কার টেক্সাসে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে কারাগারে রয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্রের পরিচালক জেসিকা ডিমক বলেন, সব বিপদ বাইরে থেকে বোঝা যায় না। অনেক সময় তা আমাদের পরিচিত মানুষের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে। সূত্র: ইয়াহু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিকন্ডিশন্ড ও হাইব্রিড গাড়িতে বাড়তি কর প্রত্যাহারের দাবি বারভিডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


রিকন্ডিশন্ড ও হাইব্রিড গাড়িতে বাড়তি কর প্রত্যাহারের দাবি বারভিডার

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রিকন্ডিশন্ড ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির উপর কর প্রত্যাহারের দাবি বাংলাদেশ রিকন্ডিশন ভেহিকেলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা) জানিয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বারভিডা সভাপতি আবদুল হক এসব দাবি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ১ থেকে ১ হাজার ৫০০ সিসি ইঞ্জিন ক্ষমতাসম্পন্ন গাড়ির শ্রেণিবিন্যাস পরিবর্তন করে ১ থেকে ১ হাজার ২০০ সিসি এবং ১ হাজার ২০১ থেকে ১ হাজার ৬০০ সিসি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে এসব গাড়ির আমদানির ওপর বিদ্যমান সামগ্রিক করভার প্রায় ১৩২ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৫৯ দশমিক ৮০ শতাংশে উন্নীত হবে।

তিনি আরও বলেন, এতে সবচেয়ে বেশি চাহিদাসম্পন্ন, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী মূল্যের রিকন্ডিশন্ড গাড়ির দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। একটি রিকন্ডিশন্ড প্রিমিও গাড়ির মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা এবং একটি অ্যাক্সিও গাড়ির মূল্য প্রায় আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। এতে মধ্যবিত্ত ক্রেতারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও প্রত্যাশিতভাবে বাড়বে না।

বারভিডা নেতারা বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ২ হাজার সিসি ইঞ্জিন ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ি আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক কমানো হয়েছে এবং ১ হাজার ৮০০ সিসি পর্যন্ত নতুন গাড়ির ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। কিন্তু রিকন্ডিশন্ড গাড়ির ক্ষেত্রে উভয় ক্ষেত্রেই ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রক শুল্ক বহাল রাখা হয়েছে, যা বৈষম্যমূলক বলে মনে করে সংগঠনটি।

তারা রিকন্ডিশন্ড ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক ও নিয়ন্ত্রক শুল্ক সমন্বয়ের দাবি জানান। বারভিডার মতে, প্লাগ-ইন হাইব্রিডের তুলনায় হাইব্রিড গাড়ি দেশের বাস্তবতায় বেশি অর্থনৈতিক ও কার্যকর। হাইব্রিড গাড়িগুলো প্রায় ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ ও ২০ শতাংশ ব্যাটারি-নির্ভর প্রযুক্তির সুবিধা ব্যবহার করে জ্বালানি সাশ্রয় করে। ফলে প্লাগ-ইন হাইব্রিডের মতো শুল্ক সুবিধা হাইব্রিড গাড়ির ক্ষেত্রেও দেওয়া উচিত।

বারভিডা জানায়, প্রায় চার দশক ধরে সংগঠনটি বাংলাদেশে উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন রিকন্ডিশন্ড মোটরযান আমদানি ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে পরিবহন খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি এবং উৎপাদক দেশগুলোতে গাড়ির মূল্য বৃদ্ধির কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ খাত নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।

সংগঠনটির নেতারা জানান, ২০২৪ সালের আগস্টের পর দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবে গাড়ি বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। একই সঙ্গে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে আমদানিকৃত গাড়ির দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেক ক্রেতার ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। ফলে মোটরযান বিক্রি ও আমদানি উভয়ই হ্রাস পেয়েছে।

বারভিডা সভাপতি আবদুল হক বলেন, মোটরযান খাত দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। এ খাতের বিক্রি কমে যাওয়া মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাসের প্রতিফলন। তাই ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব বাজেট বাস্তবায়নের পাশাপাশি মোটরযান খাতের টেকসই বিকাশে সহায়ক নীতি গ্রহণ প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে বারভিডার সেক্রেটারি জেনারেল রিয়াজ রহমান, ভাইস প্রেসিডেন্টবৃন্দ, সাবেক সভাপতি ও সংগঠনের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%