বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩৬ পি.এম
আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে জামায়াতের ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত বিতর্কিত এমপি গাজী নজরুল ইসলামের আপস রফা হওয়ার বিষয়টি আইনজীবী মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন। আদালতে ভুক্তভোগীর পরিবারের একটি আপসনামাও দাখিল করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহের আদালতে এই বিষয়টি তুলে ধরেন আইনজীবী। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী জানিয়েছেন, আদালত এটি আমলে নেননি।
মরিয়ম আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলায় বাদীপক্ষের সঙ্গে আসামিপক্ষের আপস মীমাংসা হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী জানালেন, আদালত এটি আমলে নেননি।
এদিন গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত বয়স ও নারী বিবেচনায় শুধু মাকছুদার জামিন মঞ্জুর করেন।
শুনানিতে মামলার বাদী ও মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ জানান, গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিনে তার কোনো আপত্তি নেই। তবে আদালত মাকছুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করলেও গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান বলেন, আপসের শর্তে গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের জামিন চাওয়া হয়েছিল। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। বাদীপক্ষের সঙ্গে আপস মীমাংসা হয়ে গেছে। শুনানিতে বাদী উপস্থিত থেকে দুই আসামির জামিনে তার কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, আদালত শুনানি শেষে মাকছুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেছেন, কিন্তু গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।
আপসনামায় যা আছে-
আপসনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, মরিয়ম গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন। বিয়ের পর মরিয়ম গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের সঙ্গে হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে সংসার করে আসছিলেন।
আপসনামা অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর ৩টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টার মধ্যে ঢাকায় নিজ বাসভবনে মরিয়ম আত্মহত্যা করেন। পরে গাজী নজরুলের ফোন পেয়ে বিকাল সাড়ে ৬টার দিকে বাসায় গিয়ে মেয়ের আত্মহত্যার বিষয়টি জানতে পারেন তার বাবা।
মেয়ের জামাইয়ের বাসায় ঘটনাটি ঘটায় সন্দেহের বশে মরিয়মের বাবা গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় মামলা করেন।
পরে দুই পক্ষের মধ্যে আপস হয়। আপসনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে বাদী বা তার পরিবারের কারও কোনো আপত্তি নেই। উভয়পক্ষ হৃদ্যতাপূর্ণ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া বিচারাধীন মামলায় উভয়পক্ষ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে বলে আপসনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। নথিতে বলা হয়েছে, উভয়পক্ষ স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে এবং কারও প্ররোচনা ছাড়া আপসনামায় স্বাক্ষর করেছে।
আপসনামাটি ২৯ সেপ্টেম্বর নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সত্যায়িত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ শহরে লাইসেন্সবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনার অপরাধে জেলা প্রশাসন ৭টি পশু খাদ্যের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে নগদ জরিমানা করা হয়েছে এবং অপর ২টি প্রতিষ্ঠানকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় নওগাঁ সদর উপজেলার ধর্মতলা রোড ও আটাপট্টি এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন নওগাঁ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নুরে আলম সিদ্দিক। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রাণিসম্পদ ও উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শহরের বিভিন্ন পশু খাদ্য ও ফিডের দোকানে নিয়মিত মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দেখা যায়, অনেক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের বৈধ লাইসেন্স নবায়ন না করেই পশুখাদ্য ও মুরগির খাবার বিক্রি করছিলেন। আইন অমান্য করায় ভোক্তা অধিকার ও সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১২ হাজার জরিমানা করা হয়। শ্রী রতন লাল চৌধুরীকে ১৫০০ টাকা, সরদার টেডার্সকে ২০০০ টাকা, আলহাজ্ব ফিড অ্যান্ড চিকেন সেন্টারকে ৪০০০ টাকা, মেসার্স জে এস এন্টারপ্রাইজকে ১৫০০ টাকা এবং ময়েজ পোল্ট্রি ফিডকে ৩০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়াও অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় জনি সাহা এবং দ্বিপ খাদ্য ভাণ্ডার নামের দুটি প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতে নিয়মের বাইরে না যাওয়ার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নুরে আলম সিদ্দিক গণমাধ্যমকে জানান, লাইসেন্স নবায়ন না করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বৈধ কাগজপত্র ও লাইসেন্স নবায়ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান বাজারে পশুখাদ্য ও বিভিন্ন পণ্যের মূল্য নিয়ে যাতে কোনো ধরনের কারসাজি না হয়, সে বিষয়েও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। ক্রেতাদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দাম আদায় না করার জন্য কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, প্রশাসনের এমন সময়োপযোগী ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে বাজারে যেমন শৃঙ্খলা ফিরে আসবে, তেমনি খামারি ও সাধারণ ক্রেতারা অতিরিক্ত দামের হাত থেকে রক্ষা পাবেন। প্রাণিসম্পদ খাতের সুরক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. আমিনুল ইসলাম সহ প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আজ বুধবার ঢাকা সেনানিবাসস্থ বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে ২০২৫ সালের শ্রেষ্ঠ বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার) সদস্যদের মধ্যে ট্রফি ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, যিনি শ্রেষ্ঠ বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার) সদস্যদের মধ্যে সনদপত্র ও ট্রফি বিতরণ করেন।
২০২৫ সালের জন্য নির্বাচিত সাত জন শ্রেষ্ঠ বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার) সদস্যকে অসাধারণ পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ ট্রফি ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
ট্রফি ও সনদপত্র বিতরণ শেষে, বিমান বাহিনী প্রধান সবার উদ্দেশ্যে মূল্যবান দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি শ্রেষ্ঠ বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার) এর ট্রফি ও সনদপত্রপ্রাপ্ত সদস্যদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের এই সম্মাননা কর্মক্ষেত্রে সফলতার স্বীকৃতিস্বরূপ, যা অন্যদের মধ্যে অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে সহকারী বিমান বাহিনী প্রধানগণ, ঘাঁটি ও ইউনিটের এয়ার অধিনায়ক, বিমান সদরের পরিচালক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মন্তব্য করেছেন, সিনিয়র আইনজীবীদের আদালতে কথা বলার পদ্ধতি এবং মামলার ড্রাফট লেখার কৌশল অনুসরণ করলে শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা দক্ষ হয়ে উঠতে সক্ষম হবেন।
মেয়র বলেন, "আপনার সিনিয়র কিভাবে শুনানি করছেন, কিভাবে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছেন এগুলো যদি আপনি অনুসরণ করতে পারেন এবং নিজে রপ্ত করে প্রয়োগ করতে পারেন তাহলে আপনি একজন দক্ষ আইনজীবী হতে পারবেন।"
আজ সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি আয়োজিত শিক্ষানবীশ আইনজীবীদের পেশাগত আচরণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
এই কর্মশালার আয়োজন করা হয় জেলা আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরও জানান, "বিগত প্রায় পঁচিশ বছর ধরে আইনজীবী কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে আসিনি, বোধহয় এমন দিন কম ছিল। প্রায় ১১৮টির বেশি মামলা ছিল আমার বিরুদ্ধে। ২০২৪-এর ৫ আগস্ট না হলে আমার প্রায় ১৫/২০টি মামলা রেডি হয়ে গিয়েছিল সাজানো সাজা দেয়ার জন্য।"
আদালত প্রাঙ্গণে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত এডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে স্মরণ করে মেয়র বলেন, "পাঁচ আগস্টের পরে আমরা মনে করেছিলাম যে এই আইনজীবীদের হাত ধরেই আমরা নতুন পথের সন্ধান পাব। কিন্তু আমরা আইনজীবী আলিফের রক্তাক্ত মরদেহ এই কোর্ট বিল্ডিংয়ের সামনেই পড়ে থাকতে দেখেছি।"
শিক্ষানবীশ আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে মেয়র বলেন, "কোন আইনজীবী যখন তার শিক্ষানবিশ কার্যক্রমে প্রবেশ করেন, তখন তিনি ভবিষ্যৎ সাফল্যের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যান।"
এ সময় ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, "আমি মেয়র হলেও একজন চিকিৎসক। আপনারা একইভাবে আইনজীবী। আমরা সবাই প্রফেশনাল।"
তিনি উল্লেখ করেন, "সিনিয়ররা কিভাবে কথা বলেন, কিভাবে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন, কিভাবে বিচারকদের সাথে কথা বলতে হয়, তাদেরকে কনভিন্স করতে হয়, এগুলো শেখার একটা বিশেষ সুযোগ আছে। এখানে ফাঁকি দেওয়ার কোন সুযোগ নেই।"
চসিক মেয়র আরও বলেন, "এই সময়টাকে যে যতবেশি কাজে লাগাতে পারবে, সে ততবেশি দক্ষ ও প্রফেশনাল হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে।"
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিক আহমদের সভাপতিত্বে ও সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন।
এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন— আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এনামুল হক, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার ও চট্টগ্রাম জেলার জিপি অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম চৌধুরী প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘আত্মহত্যায় প্ররোচনার’ মামলায় সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের আপস রফা হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান, যিনি মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে এই আপসের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আদালতে এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন শুনানির সময় তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহের আদালতে জামিনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, "গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের আপসের শর্তে জামিন চেয়েছিলাম। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত না। ইতোমধ্যে বাদীপক্ষের সঙ্গে আপস মীমাংসা হয়েছে।" শুনানিতে উপস্থিত মরিয়মের বাবা জানিয়েছেন, দুই আসামির জামিন হলে তার আপত্তি নেই।
এদিকে, শুনানি শেষে বিচারক মাকছুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেছেন। তবে, গাজী নজরুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী।
গত ২০ সেপ্টেম্বর, রাজধানীর সংসদ ভবনের উল্টোদিকের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার পর রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়।
রাতে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
মামলার এজাহারে মাসুম বিল্লাহ অভিযোগ করেছেন, "গত জুনে তার শ্যালক ওবায়দুর রহমানের ‘প্রত্যক্ষ প্ররোচনায়’ সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের সঙ্গে বাদীর বড় মেয়ে মরিয়মের (১৯) বিয়ে হয়।" সংসদ ভবনের বিপরীত পাশে ৫ নম্বর ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর বাসায় নজরুল ও মাকছুদার সঙ্গে মরিয়ম থাকতেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকছুদা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মরিয়ম তার পরিবারকে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল মোবাইল ফোনে বাদীকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে মরিয়মকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন বাবা মাসুম বিল্লাহ।
পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামকে চারদিন ও মাকছুদা বেগমের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। সেদিন রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২৪ সেপ্টেম্বর এমপি নজরুলকে ফের চার দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। পরে ২৮ সেপ্টেম্বর রিমান্ড শেষে এমপি নজরুলকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অপর আসামি মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ