ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুই বান্ধবীর ‘গভীর আকর্ষণ’: বাধা দেয়ায় মাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ৩ কিশোরীর পলায়ন!


দুই বান্ধবীর ‘গভীর আকর্ষণ’: বাধা দেয়ায় মাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ৩ কিশোরীর পলায়ন!

দুই বান্ধবীর মধ্যে ‘গভীর আকর্ষণ’ তৈরি হয়েছিল। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে সম্পর্কটিতে বাধা দেওয়া হয় এবং তার ফলে ঘটে যায় এক অবিশ্বাস্য ঘটনা! কিশোরীটি নিজের মাকে কোকের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে, এবং ছোট বোন ও বান্ধবীকে নিয়ে ঘর ছাড়ে। এরপর মোহাম্মদপুরের একটি ভাড়া বাসায় তারা নতুন জীবন শুরু করে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি; প্রযুক্তির সহায়তায়, টানা তিন দিন পর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পল্লবী থানার পুলিশ অভিযানের মাধ্যমে তিন কিশোরীকেই উদ্ধার করে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দিবাগত রাত ৩টা ৫ মিনিটের দিকে মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২ জুন) একজন ব্যক্তি পল্লবী থানায় হাজির হয়ে তার মেয়েটি নিখোঁজ হওয়ার ডায়েরি (জিডি) করেন। তিনি জানান, তার মেয়ে গত সোমবার (১ জুন) বিকেল ৪টার দিকে তার বান্ধবী এবং বান্ধবীর ছোট বোনকে নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল কিন্তু ফিরে আসেনি। একই দিন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় অন্য কিশোরীর পরিবারের পক্ষ থেকে আরও দুটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, উদ্ধার হওয়া দুই কিশোরী একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তাদের কলেজ জীবনের শুরু থেকেই একে অপরের প্রতি গভীর আকর্ষণের অনুভূতি তৈরি হয়। বিষয়টি দুই পরিবারও টের পেয়েছিল এবং তাদের মধ্যে মেলামেশা ও যোগাযোগে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।

এখন, পরিবারের নিষেধাজ্ঞার কারণে নিজেদের মতো করে থাকার জন্য এক কিশোরী ভয়ংকর পরিকল্পনা করে। গত ১ জুন দুপুরে সে কৌশলে নিজের মাকে কোকের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে দেয়। মা যখন ঘুমিয়ে পড়ে, তখন সে ঘরের নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার এবং কাপড়-চোপড় একটি ব্যাগে ভরে নেয়। এরপর, ১৩ বছর বয়সি ছোট বোনকে সাথে নিয়ে সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়। পরে, বান্ধবীকে নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকায় একটি বাসা ভাড়া করে তারা সেখানে আত্মগোপন করে।

তিনটি নিখোঁজ ডায়েরির ভিত্তিতে পল্লবী থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় নিখোঁজ কিশোরীদের অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। শুক্রবার গভীর রাতে ঢাকা উদ্যানের সেই ভাড়াটিয়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে উদ্ধার করা হয়।

পল্লবী থানা পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত তিন কিশোরীকে আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর তাদের নিজ নিজ পরিবারকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: দেশে ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক মাস আগে বিয়ে করা যুবকের মৃত্যু হলো মোটরসাইকেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৪ পি.এম


এক মাস আগে বিয়ে করা যুবকের মৃত্যু হলো মোটরসাইকেলে

নেত্রকোনায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আলবার খান সামী (২৪) নামে একজন যুবক নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) রাত সাড়ে ১২টার দিকে শহরের নতুন বাইপাসের দুধকুড়া নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহত সামী নেত্রকোনা শহরের চকপাড়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবা ইসলাম উদ্দিন খান জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, এবং মা মনিরা সুলতানা, শহরের ওয়াসিম-বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষক। সামী ছিল তাদের একমাত্র সন্তান।

সামীর মামা ও নেত্রকোনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খালিদ সাইফুল্লাহ মুন্না জানিয়েছেন, মাসখানেক আগে সামীর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল। শনিবার (৬ জুন) বাদ জোহর শহরের বারহাট্টা রোডের জামিয়া মিফতাহুল উলুম মাদ্রাসায় তার জানাজার অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরে পৌর কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে।

তরুণ এই প্রাণহানির ঘটনায় জেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা গভীরভাবে শোক প্রকাশ করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এর আগে ২০২২ সালেও একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে কোমায় চলে গিয়েছিলেন সামী। দীর্ঘদিন পিজি হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) আইসিইউতে থাকার পর সেবার সুস্থ হয়ে ফিরলেও, শুক্রবার রাতের সড়ক দুর্ঘটনায় শেষ পর্যন্ত প্রাণ গেল এই তরুণের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরবরাহ বাড়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাইকারি বাজারে কমেছে মাছের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৬ পি.এম


সরবরাহ বাড়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাইকারি বাজারে কমেছে মাছের দাম

সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি মাছের বাজারে কমেছে মাছের দাম।

সরেজমিনে গিয়েও দেখা যায়, শনিবার (৬ জুন) ভোরের আলো ফোটার আগেই আনন্দবাজারের পাইকারি মাছের হাটে ব্যস্ত হয়ে ওঠে। পাইকার, খুচরা বিক্রেতা ও ক্রেতাদের ভিড়ে সকাল থেকেই প্রাণচাঞ্চল্যে পূর্ণ হয়ে ওঠে জেলার এই গুরুত্বপূর্ণ মাছের বাজার।

জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও প্রত্যন্ত এলাকার পুকুর, দিঘি এবং জলাশয় থেকে আনা চাষের মাছ এখানে বিক্রির জন্য তোলা হয়। ফলে, এই মাছের বাজারে প্রতিদিনই বড় পরিমাণ মাছের সরবরাহ থাকে। কেবল চাষের মাছই নয়, নদী-নালা, খাল-বিলের মাছও আসে এই পাইকারি বাজারে।

এছাড়া, হিমায়িত ইলিশ, চিংড়ি ও রূপচাঁদা মাছও পাইকারি এবং খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করা হয়। আড়তদার মো. জাফর মিয়া জানান, এই বাজার থেকে মাছ কিনে জেলার মেড্ডা বাজার, পীরবাড়ী বাজার, ফারুকী বাজার, বর্ডার বাজার, কাউতলী বাজার, ভাদুঘর বাজার, রাধিকা বাজার ও রামরাইল বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করা হয়।

তিনি আরও জানান, বাজারে পাইকারিতে কাতল মাছ প্রতি কেজি ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, সিলভার কার্প ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা, গ্রাসকার্প ২২০ থেকে ২৩৫ টাকা, মাঝারি আকারের রুই মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং চাষের কৈ মাছ ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আরেক আড়তদার বদন মিয়া জানান, তীব্র গরমের কারণে অনেক পুকুর ও দিঘিতে মাছ ভেসে উঠছে। ফলে বাজারে মাছের সরবরাহ বেড়েছে এবং দামও কিছুটা কমেছে।

পাইকার পারভেজ সরকার বলেন, এই বাজার থেকে মাছ কিনে কসবাসসহ বিভিন্ন এলাকার বাজারে বিক্রি করি। বাজারে দামের ওঠানামার ওপর নির্ভর করেই এলাকায় মাছ কেনাবেচা হয়।

খুচরা বিক্রেতা ভূষণ দাস জানান, পাইকারি বাজার থেকে মাছ কিনে খুচরা পর্যায়ে বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করেন। কম দামে কিনতে পারলে কম দামে বিক্রি করা হয়, আর বেশি দামে কিনলে সে অনুযায়ী দাম রাখতে হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের সংক্রমণ: ঈদের ছুটি শেষে স্কুল খোলা নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


হামের সংক্রমণ: ঈদের ছুটি শেষে স্কুল খোলা নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে উদ্বেগ

ঈদের ছুটি শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে যাচ্ছে। আর এই কারণে হামের সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, বিদ্যালয়ে অধিক সংখ্যক ছাত্রছাত্রী সমাগমের ফলে হাম ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি গরম আবহাওয়ার কারণে শিশুদের চিকেনপক্স এবং ডায়ারিয়ার কারণে তাদের উদ্বেগও বৃদ্ধি পাচ্ছে। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন, অসুস্থ শিশুদের পুরোপুরিভাবে আইসোলেশনে রেখে বাসায় চিকিৎসা করতে।

দেশে নিয়ন্ত্রিত হাম এবারে লাগামহীনভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। মাত্র তিন মাসের কম সময়ের মধ্যে এই সংক্রামক রোগটি ছয় শতাধিক প্রান কেড়ে নিয়েছে এবং প্রায় ৯০ হাজার মানুষকে আক্রান্ত করেছে।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়া অধিকাংশ শিশু তাদের পরিবারের সদস্যদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। আবার কিছু শিশু হাসপাতাল থেকেই সংক্রমিত হয়েছে।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে গেলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। ঈদের ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে তাই চিকিৎসকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা উদ্বিগ্ন যে, এর ফলে হামের সংক্রমণ আবারও বৃদ্ধি পেতে পারে।

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন বলেছেন, ‘অতিরিক্ত গরমের কারণে হামের পাশাপাশি শিশুদের চিকেনপক্স এবং ডায়ারিয়া নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। সংক্রমণ পুরোপুরি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনে শিশুদের আইসোলেশনে রাখতে হবে।’

হামে আক্রান্ত শিশুদের সঠিক আইসোলেশনে রেখে বাসায় চিকিৎসা নেওয়া হলেও, বেশ কিছু শিশু সুস্থ হয়ে উঠছে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত সারা দেশে হাম এবং এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৬১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯১টি শিশু এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৫১৯ জন মারা গেছে।

১৫ মার্চ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৬ হাজার ৮৭৬ জন। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৫০৩ জন। এর মধ্যে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছে মোট ৬২ হাজার ২৩৭ রোগী, যাদের মধ্যে ৫৮ হাজার ১৫৪ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরেই দিতে হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরেই দিতে হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবা

চাঁদপুরে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে চিকিৎসাসেবা দিতে হয়। একটি কক্ষে গাদাগাদি করে বসে একাধিক চিকিৎসক রোগীদের চাপ সামাল দেন। নারীরা, শিশুরা এবং পুরুষ ওয়ার্ডের অবস্থাও একই রকম। চালকের অভাবে দুটি অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ থাকায় অচল হয়ে পড়ে।

এ ছাড়া, হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নেই। অবকাঠামোগত নানা সমস্যার কারণে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তবে স্থানীয় সংসদ সদস্য সংকটের সমাধানে আশা দিচ্ছেন।

হাইমচর হল মেঘনাপাড়ের জনপদ। এই উপজেলার বেশিরভাগ নিটে মানুষ দুর্গম চরে বাস করে। বিশেষ করে ঈশানবালা, নীলকমল, মাঝেরচরসহ আশপাশের চরগুলোতে কোনো ক্লিনিক বা হাসপাতাল নেই। ফলে চিকিৎসাসেবা নিতে তাদের মেঘনা নদী পার করতে হয়। কিন্তু মূল ভূখণ্ডের সরকারি হাসপাতালটিরও দুরাবস্থা।

পুরনো জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে চলছে স্বাস্থ্যসেবা। ছোট ছোট কয়েকটি কক্ষে একাধিক চিকিৎসককে বসতে হচ্ছে। নেই একটি এক্স-রে মেশিন, অস্ত্রোপচার বা প্রসূতি ডেলিভারি কক্ষ। টিনের চালায় ফুটো হওয়ার কারণে বৃষ্টির সময় দুর্ভোগ বাড়ে। সাধারণ মানুষ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেক সময় চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার জন্য রোগীর মৃত্যু ও নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

রোগীদের পাশাপাশি চিকিৎসকরাও কষ্টের কথা জানান। ছোট একটি কক্ষে বসে এক দিনে বহির্বিভাগের অন্তত ২৫০ থেকে ৩০০ রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিতে হয় তাদের। এর ফলে স্বাভাবিক স্বাস্থ্যসেবা দেয়া ব্যাহত হয়। তাছাড়া নারী, শিশু ও পুরুষ ওয়ার্ডের অবস্থা আরো শোচনীয়। নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকছে না, পানির ব্যবস্থাও নেই। এতে ভর্তি হওয়া রোগীদের কষ্ট অনেক বেড়ে যায়। এসব সমস্যা সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুন নবী মাসুম।

হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমন বেহাল অবস্থার সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীন। হাসপাতালের এমন দুর্দশা স্বীকার করে তিনি বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগের নজরে এনেছেন।

স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, ‘গুরুতর সমস্যাগুলো ইতোমধ্যে চিহ্নিত করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর জন্য জরুরি আর্থিক বরাদ্দও দেয়া হবে। এছাড়া ৫০ শয্যা থেকে বাড়িয়ে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে হাইমচরে মানসম্মত একটি সরকারি হাসপাতাল গড়ে উঠবে।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চার বছর আগে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার আগে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে অভ্যুত্থানের পরে ঠিকাদার পালিয়ে যান। তারপর থেকে মূল ভবনসহ আরও কয়েকটি স্থাপনার নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। এ কারণে পুরোনো ও জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে অব্যাহত রয়েছে উপজেলার চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%