ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘কোনো দেশের ওপর হামলায় ইরাকের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না’


‘কোনো দেশের ওপর হামলায় ইরাকের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না’

ইরাকের প্রেসিডেন্ট নিজার আমিদি বলেছেন, কোনো দেশের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে ইরাকের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। তিনি এই বিষয়ে উল্লেখ করেছেন যে, বাগদাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ইরাককে আঞ্চলিক চলমান সংঘাতে জড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা করা।

অষ্টম বাগদাদ ডায়ালগ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে প্রদত্ত বক্তব্যে আমিদি বলেছেন, ইরাকের ভিতর থেকে আঞ্চলিক কোনো দেশের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। এই বক্তব্যের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরাকের প্রেসিডেন্ট আরও উল্লেখ করেছেন, দেশের অধিকাংশ সশস্ত্র গোষ্ঠী অস্ত্র রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে এবং এখন মাত্র দুই বা তিনটি সশস্ত্র গোষ্ঠী অস্ত্র হস্তান্তর করেনি। এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘এখানে ন্যায়বিচার নেই’ বলে মন্তব্য সিজেপির সৌরভ দাসের

আমিদি আরও বলেন, ইরাকের সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রের হাতে থাকতে হবে। এ বিষয়ে দেশটির নাজাফের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষও একই অবস্থান সমর্থন করে।

তিনি আরও বলেন, কেউ চান না যে, আঞ্চলিক চলমান যুদ্ধে ইরাককে টেনে নেওয়া হোক, কারণ এই সংঘাতের প্রভাব ইতোমধ্যে ইরাকের ওপর অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

ইরাকি প্রেসিডেন্ট হরমুজ প্রণালি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি শুধুমাত্র ইরাক নয়, পুরো বিশ্বকেই প্রভাবিত করে।

আমিদি জানান, তিনি বাগদাদের সঙ্গে ইরান সরকারের আলোচনা করছেন হরমুজ প্রণালী নিয়ে। তিনি বিষয়টিকে একটি জটিল সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন: ভোটার স্থানান্তরের আবেদন নিষ্পত্তির শেষ সময় ৫ নভেম্বর

তিনি আরও বলেন, ইরাকি তেল বহনকারী বেশ কয়েকটি জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে সহযোগিতা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তাঁর বিশ্বাস, চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি ও রিজভী ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ায় রংপুরে বিএনপির আনন্দ মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি ও রিজভী ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ায় রংপুরে বিএনপির আনন্দ মিছিল

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি এবং রুহুল কবির রিজভীকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় রংপুর মহানগর বিএনপি তাদের স্বাগত জানিয়ে একটি শুভেচ্ছা মিছিল করেছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) সকালবেলায়, দলীয় কার্যালয় থেকে মিছিলটি বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর উপর দিয়ে প্রদক্ষিণ করে।

মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু এবং সদস্য সচিব ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী ডন।

মিছিল শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশের সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা আনন্দিত যে উত্তরবঙ্গের কৃতিসন্তান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন এবং ত্যাগী নেতা রুহুল কবির রিজভী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। আমরা মনে করি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যোগ্য ও ত্যাগী ব্যক্তিদের জন্য যথাযথ স্থান নির্ধারণ করেছেন। রংপুর দীর্ঘকাল ধরে উন্নয়নবঞ্চিত রয়ে গেছে। এই অঞ্চলে বেকারত্বের হার বেশি। তাই আমরা আশা করি আগামী দিনে রাষ্ট্র ও দলের শীর্ষ দুই ব্যক্তি রংপুরের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাড়াহুড়া নয়, জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে উপযুক্ত সময়ে ভারত সফর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


তাড়াহুড়া নয়, জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে উপযুক্ত সময়ে ভারত সফর

তাড়াহুড়া করে নয়, ভারতের সঙ্গে আলোচনা হলে এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে অগ্রগতি হলে উপযুক্ত সময়ে ভারত সফর করা হবে বলে জানান নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য হলো, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে একটি ইতিবাচক ও কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখা। তবে কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে আপস করে সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

শপথ নেওয়ার পর শনিবার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

ভারত সফরের বিষয়ে তার বক্তব্য ছিল, একটু অগ্রগতি হলে এবং আলোচনা যদি জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে হয় তাহলে অবশ্যই ভারত সফর করব, যখন সময়টা উপযুক্ত হবে।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, আমরা ভারতের সঙ্গে একটি ইতিবাচক সম্পর্ক চাই। কেন রাখব না? তারা আমাদের প্রতিবেশী এবং আমাদের একটি কার্যকর সম্পর্ক থাকা উচিত।

তবে তিনি জানান, জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। শুধু ভারত নয়, কোনো দেশের সঙ্গেই আমাদের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে আপস করে কিছু করা সম্ভব নয়।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর দেড় হাজার মানুষ হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসী হিসাবে ভারতে গেছেন। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার ফল এসেছে এবং আরও অনেক মামলা বিচারাধীন।

তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের প্রত্যর্পণ চুক্তি আছে। সুতরাং এগুলো নতুন শর্ত নয় এবং নতুন কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার বিষয় নয়; এগুলো চলমান বিষয়।

ভারতে পালিয়ে থাকা শেখ হাসিনাসহ অন্য অপরাধীদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা রয়েছে। হুমায়ুন কবির বলেন, আরও অপরাধী আছেন যারা ভারতে পালিয়ে আছেন। এটি বাংলাদেশের মানুষের স্বাভাবিক দাবি এবং তাদের অনুভূতির বিষয়। সেই প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দিয়েই ভারতসংযুক্ত হতে চাই।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হব এবং একটি ইতিবাচক সম্পর্ক চাই। তবে তা করতে হবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই।

ভারত সফরে কোনো তাড়াহুড়া নেই জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যদি আমরা আগামীকাল জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে একটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারি, তাহলে আগামী সপ্তাহে যেতে পারি অথবা পরের সপ্তাহেও যেতে পারি। এখানে কোনো তাড়াহুড়া নেই।

প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের সফরের আগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং আলোচনা দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, আলোচনা এবং প্রস্তুতির বিষয়টি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের সফর হঠাৎ করে হয়ে যায় এমন নয়। এটি কোন খেলার বিষয় নয়।

তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারপ্রধানের বৈঠকের আগে কিছু প্রস্তুতি ও ভিত্তি তৈরি প্রয়োজন। আমরা সেটিই করছি।

ভারতের পক্ষ থেকে ইতিবাচক মনোভাব ও সদিচ্ছার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে; হুমায়ুন কবির বলেন, সেখান থেকে ইতিবাচক মনোভাব ও সদিচ্ছার ইঙ্গিত আসছে।

বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতির বিষয়টি ভারতও স্বীকার করেছে। তিনি বলেন, আপনারা দেখছেন, ভারত থেকেও এ বিষয়ে বক্তব্য আসছে। তারা স্বীকার করেছে, বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে বিশেষ করে ৫ আগস্টের পলাতক শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশি মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তারা বিষয়টি লক্ষ্য করেছে।

প্রতিমন্ত্রী এটিকে 'একটি ভালো সূচনা' হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এখন আমরা দেখি, বাকি আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হয় কি না। আলোচনা এবং আমাদের জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সময় উপযুক্ত হলেই আমরা অবশ্যই ভারত সফরে যাব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন দেশের স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জনগণের প্রশ্নে এবং দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে যাওয়ার সময় এসেছে।

শনিবার (২২ আগস্ট), তিনি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) অডিটোরিয়ামে ‘গণ-অভ্যুত্থান-উত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি কোন পথে’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এ কথা বলেন।

ড. মাহদী আমিন বলেন, গণ-অভ্যুত্থানে মানুষের প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিল মানবাধিকার ও বাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। তিনি উল্লেখ করেন, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে সরকারের উচিত জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকা।

তিনি বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানে প্রত্যেকের একটাই চাওয়া ছিল—মানবাধিকার ও বাক্‌স্বাধীনতা। শিক্ষার্থীদের কাছেও বাক্‌স্বাধীনতা ছিল একটি বড় আকাঙ্ক্ষা। গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ছিল এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করবে।’

রাজনৈতিক আদর্শে ভিন্নতা থাকতেই পারে বলে উল্লেখ করেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, জনগণের প্রশ্নে ও দেশের স্বার্থে সবাইকে এক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সমালোচনার সুযোগ দেয়, তবে সেই সমালোচনা যৌক্তিক হতে হবে। ব্যক্তিগত চরিত্রহননও করা উচিত নয়।

বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েও উল্লেখ করেন তিনি। মাহদী আমিন বলেন, ‘বিরোধী দলকে উপলব্ধি করতে হবে, সবকিছুর বিরোধিতা করা কাম্য নয়।’ তিনি আরো বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেই স্থানে আবার ফিরে যেতে হবে। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতিনির্ধারণও করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী নন্দা মালিনী আর নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী নন্দা মালিনী আর নেই

শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী নন্দা মালিনী আর নেই। তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সামাজিক ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে গান গেয়ে তিনি দেশটির মানুষের কাছে ‘প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর’ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। নন্দা মালিনী ২০ আগস্ট নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৮২ বছর। আগামী ২৩ আগস্ট তিনি ৮৩ বছরে পা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

নন্দা মালিনীর গান শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটের সময়ে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠেছিল। বিশেষ করে ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে সামাজিক বৈষম্য, দুর্নীতি, নিপীড়ন এবং জাতিগত ও ধর্মীয় বিভেদের বিরুদ্ধে তাঁর গান ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

আশির দশকের উত্তাল সময়ে তাঁর আলোচিত ‘পবনা’ অ্যালবামের গানগুলো জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। অ্যালবামের গানগুলোতে সামাজিক নানা সমস্যা তুলে ধরার পাশাপাশি অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়। সরকারি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তাঁর গান মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়তা হারায়নি। বরং কনসার্ট ও ব্যক্তিগতভাবে তাঁর গান শুনতে ভক্তদের আগ্রহ আরও বেড়ে যায়।

১৯৪৩ সালের ২৩ আগস্ট নন্দা মালিনীর জন্ম শ্রীলঙ্কার কালুতারা জেলার একটি গ্রামে। তাঁর স্কুলজীবন কাটে কলম্বোয়। ১৯৫৬ সালে একটি কবিতা আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার মাধ্যমে সংগীতজগতে তাঁর পথচলার শুরু হয়।

পরবর্তী সময়ে সামাজিক ন্যায়বিচারকে কেন্দ্র করে গান গেয়ে দেশে পরিচিতি অর্জন করেন তিনি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যঙ্গাত্মক গান থেকে শুরু করে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান, সবকিছু তাঁর গানের বিষয়বস্তুতে উঠে এসেছে শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা।

শ্রীলঙ্কার ইতিহাসের এক অস্থির সময়ে তাঁর সংগীত আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বেকারত্ব ও সামাজিক বৈষম্য নিয়ে বামপন্থী আন্দোলন, জাতিগত উত্তেজনা এবং পরবর্তী সময়ে ১৯৮৩ সালে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধ—সবকিছুর প্রভাব তাঁর গানেও প্রতিফলিত হয়েছে। মানবাধিকার ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন নিয়ে তাঁর ‘পবনা’ অ্যালবাম শ্রীলঙ্কার সংগীত ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।

জীবনের শেষ দিকেও সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে তিনি সক্রিয় ছিলেন। ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কার ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হলে তিনি প্রকাশ্যে সেই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানান। একটি সমাবেশে গান পরিবেশন করেন। কয়েক মাসের ওই গণবিক্ষোভের পর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন।

নন্দা মালিনীর মৃত্যুতে শ্রীলঙ্কা সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রদত্ত এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে গভীর শোক প্রকাশ করে তাঁকে ‘আমাদের সময়ের সত্যিকারের এক সংগীত কিংবদন্তি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%