মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:২৭ পি.এম
ডেমরা ডিআরএসের আউটলেট ভালভ প্রতিস্থাপন কাজের জন্য আগামীকাল বুধবার ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের কয়েকটি এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে, এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি কর্তৃপক্ষ।
আজ মঙ্গলবার সকালে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিতাস এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ডেমরা ডিআরএস এর আউটলেট ভালভ প্রতিস্থাপন কাজের জন্য বুধবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় প্রায় সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এলাকাগুলো অন্তর্ভুক্ত—বেঙ্গল গ্লাস, শুকরশী, শিমরাইল এবং শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিমাংশের সান্দিরা বালুঘাট থেকে কাঁচপুর সেতুর পশ্চিম পাশের এলাকা।
গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে পুলিশ তিনজন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা পাবনার ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের প্রিয়াঙ্কা কমিউনিটি সেন্টারের পাশে অবস্থিত একটি ভবনের পঞ্চম তলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান মিন্টু, ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ আবুল কালাম আজাদ মিন্টু এবং আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র শহিদুল ইসলাম রতন।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দেখা গেছে যে, গ্রেপ্তার তিন নেতার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের মোবাইল ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। এছাড়া, ঢাকায় অবস্থান করে তারা দলীয় কার্যক্রম জোরদারের জন্যও তৎপর ছিলেন বলে জানা গেছে।
এদিকে, তিন নেতার গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম বলেন, ‘গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ঈশ্বরদী থানায় হস্তান্তর করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের রাজধানী কলম্বাসে একটি মসজিদের সংলগ্ন আবাসিক এলাকায় গুলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, গোলাগুলির ঘটনায় মসজিদ বা সেখানে উপস্থিত মুসল্লিদের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। খবরটি এনডিটিভি থেকে পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সময় সোমবার (১৯ অক্টোবর) গুলির ঘটনার পর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালকোহল, তামাক, আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরকবিষয়ক ব্যুরো (এটিএফ)ও সেখানে উপস্থিত ছিল।
পুলিশ পরে জানায়, গোলাগুলি মসজিদের ভিতরে নয়, বরং এর পাশের একটি অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সের পার্কিং এলাকা থেকে সংঘটিত হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা সার্জেন্ট জেমস ফুকুয়া বলেন, "দুর্ভাগ্যজনকভাবে, মসজিদে তখন একটি অনুষ্ঠান চলছিল, যার বাইরের ঘটনার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছিল না।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "বিষয়টি স্পষ্ট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, এই গোলাগুলি মসজিদে হামলার কোনো ঘটনা ছিল না।"
এ ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য যোগাযোগ করা হলেও, এটিএফ তাৎক্ষণিকভাবে কোন মন্তব্য করেনি। গোলাগুলির কারণ বা এ ঘটনায় কেউ আটক হয়েছেন কি না, সে সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুদানের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন হামলার ফলে সাম্প্রতিক কয়েকদিনে ১৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
এ তথ্য চিকিৎসাকর্মী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সূত্রে জানা যায়।
নিহতদের মধ্যে শিশু এবং বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে চলমান সংঘর্ষে ড্রোনের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে।
সোমবার রাজধানী খার্তুমে ড্রোন হামলায় তিনটি শিশু নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে ‘ইমার্জেন্সি লইয়ার্স’। এই সংগঠনটি সুদানের গৃহযুদ্ধে বেসামরিক মানুষের ওপর সহিংসতার ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে।
তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার থেকে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে ড্রোন হামলায় ১৬০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
এই হামলার জন্য সেনাবাহিনী এবং আরএসএফ—দুই পক্ষকেই দায়ী করা হয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘাত চলছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ড্রোন হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বেসামরিক মানুষের হতাহতের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সাম্প্রতিক হামলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘটনাটি ঘটে রোববার সন্ধ্যায়। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় পশ্চিম কোরদোফান রাজ্যের আল-দিবাব শহরের একটি বাজারের কাছে এই হামলা হয়। এলাকাটি আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও চিকিৎসাকর্মীদের মতে, বাজারের দিন শেষে গ্রামের মানুষ বাড়ি ফেরার জন্য যানবাহনের অপেক্ষায় একটি পরিবহনকেন্দ্রে জড়ো হয়েছিলেন। সেখানে ড্রোন হামলায় ৮০ জন নিহত হন।
বার্তা সংস্থা এএফপির সূত্রে জানা যায়, আহত ৪৭ জনকে কাছের আল-মুজলাদ শহরে নেওয়া হয়। পরে তাদের মধ্যে ৩০ জন মারা যান।
আরএসএফের স্বঘোষিত প্রশাসন ‘তাসিস’ এবং ইমার্জেন্সি লইয়ার্স এই হামলার জন্য সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে।
বাঁধেও ড্রোন হামলার চেষ্টা
সুদানের পূর্বাঞ্চলে গাদারেফ রাজ্যের আতবারা ও সেটিট বাঁধ লক্ষ্য করে আরএসএফের কয়েকটি ড্রোন পাঠানো হয়েছিল বলে রোববার এক সামরিক সূত্র জানিয়েছে। রাজধানী খার্তুম থেকে প্রায় ৪২০ কিলোমিটার পূর্বে বাঁধ দুটি অবস্থিত।
সামরিক সূত্রটির দাবি, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ড্রোনগুলো প্রতিহত করেছে। এ বিষয়ে আরএসএফ তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
সোমবার ভোরে দক্ষিণ দারফুর রাজ্যের রাজধানী ও আরএসএফের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নিয়ালাতেও ড্রোন হামলা হয়। চিকিৎসা ও আরএসএফ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এ হামলায় ১৭ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আরএসএফের সাতজন কর্মকর্তা রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ২৩ জন।
এর আগে শুক্রবার সুদানের ব্লু নাইল প্রদেশে বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি সমাবেশে আরএসএফের ড্রোন হামলায় ৪১ জন নিহত হন। এলাকাটি ইথিওপিয়ার সীমান্তের কাছে অবস্থিত।
ইমার্জেন্সি লইয়ার্স এ তথ্য জানিয়েছে। সংগঠনটি হামলার নিন্দা জানিয়ে একে মানবিক বিপর্যয় বলে অভিহিত করেছে।
সোমবার এসব প্রাণঘাতী হামলার নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্তেফান দুজারিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশজুড়ে প্রাণঘাতী ড্রোন হামলা অব্যাহত থাকায় আমরা উদ্বিগ্ন। এসব হামলায় শিশুসহ বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবাও ব্যাহত হচ্ছে।’
যুদ্ধে নিহত অন্তত ৫৯ হাজার
সুদানে বর্তমান যুদ্ধ শুরু হয় ২০২৩ সালের এপ্রিলে। দেশটির সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান এবং আরএসএফপ্রধান মোহাম্মদ হামদান দাগালোর মধ্যে বিরোধের জেরে সংঘাত শুরু হয়। হেমেদতি নামে পরিচিত দাগালো তার আধাসামরিক বাহিনীকে সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে বুরহানের সঙ্গে বিরোধে জড়ান।
গত জুনে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় হেমেদতিকে।
যুদ্ধ চতুর্থ বছরে গড়ালেও সংঘাত থামেনি। সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এসিএলইডির হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত ৫৯ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে মানবিক সহায়তা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর ধারণা, প্রকৃত প্রাণহানির সংখ্যা আরো বেশি।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতের কারণে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো এই পরিস্থিতিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট বলে বর্ণনা করছে।
চলতি বছর সুদানে ৩ কোটি ৩৭ লাখ মানুষের জরুরি খাদ্যসহায়তা প্রয়োজন। তাদের মধ্যে ১ কোটি ৭৩ লাখ শিশু। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে প্রায় ৮ লাখ ২৫ হাজার শিশু তীব্র অপুষ্টির ঝুঁকিতে রয়েছে।
এদিকে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে সুদানে মানবিক যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ সৃষ্টি এবং দেশটির ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার পরিধি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণের বিরোধিতা করেছে চীন ও রাশিয়া।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন জাহাজ মালিকদের’ তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধ চলাকালীন সাধারণ নাবিকদের জীবনকে চরম ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেওয়ার জন্য এই মালিকরা দায়ী। তিনি সতর্ক করেছেন যে, পণ্য পরিবহনের জন্য জাল নিবন্ধন ও ভুয়া পতাকা ব্যবহার করে ঝুঁকিপূর্ণ পথ দিয়ে জাহাজ চালানোর ফলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠছে।
ফক্স নিউজ ডিজিটালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, ডমিঙ্গুয়েজ অভিযোগ করেছেন যে, যুদ্ধের পরিস্থিতি সত্ত্বেও কিছু জাহাজ মালিক কেবল ব্যবসা ও মুনাফা সচল রাখতে দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, তারা বাণিজ্যিক জাহাজের সাধারণ নাবিকদের জীবন বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘বাণিজ্যিক জাহাজের নাবিকদের যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়ার কোনো প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না।’
আইএমও প্রধান আরও জানান, বর্তমান সংকটকে আরো জটিল করে তুলছে কিছু মালিকের অপতৎপরতা। অনেক জাহাজ মালিক আইনি কড়াকড়ি ও নজরদারি এড়াতে জাল নিবন্ধন ও ভুয়া পতাকা ব্যবহার করে পণ্য পরিবহন করছেন, যা আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে প্রায় ৬০০০ নাবিক আটকা পড়ে আছেন। ডমিঙ্গুয়েজ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বহু জাহাজ আক্রান্ত হয়েছে এবং এসব হামলায় নাবিকদের প্রাণহানি ঘটছে। এই অবস্থায়, যেকোনো মূল্যে জাহাজ মালিকদের হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে চলার জন্য তিনি আকুল আহ্বান জানান।
তিনি আরও জানান, যুদ্ধে জড়িত সব পক্ষই আকাশ ও সমুদ্রপথে হামলা চালাচ্ছে। ফলে ঠিক কোন পক্ষ নির্দিষ্ট একটি জাহাজে আক্রমণ চালিয়েছে, তা শনাক্ত করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই জাহাজ ও নাবিকদের পাঠানোর আগে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও নিরাপত্তার নিশ্চিত বার্তা পাওয়ার ওপর জোর দেন আইএমও প্রধান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ