১০:৩৯ পি.এম
কয়রায় বিএনপি নেতাকে ফাঁসানোর লক্ষ্যে মৎস্য ঘেরের ঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেছে প্রতিপক্ষরা। এই ঘটনার প্রতিবাদে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ঘের মালিক। কয়রার উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের নয়ানী গ্রামে এমন একটি ঘটনা ঘটে। ঘের মালিক আব্দুল লতিফ অভিযোগ করেছেন, তিনি চাঁদা না দেওয়া কারণে তার মৎস্য ঘেরের ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুর ১২ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার লুৎফর রমানের পুত্র আব্দুল লতিফ বলেন, 'আমি মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের নয়ানী গ্রামে জমির মালিকদের নিকট হতে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারী থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত ডিড নিয়ে বাসা-বাড়ি তৈরি করে মাছ চাষ করে আসছি।' তিনি আরও জানান, গত ১৭ জুন আনুমানিক বেলা ২ টার দিকে প্রতিপক্ষ এবাদুল গাজীর ছেলে ফিরোজ গাজী, হালিম শেখের ছেলে সেলিম শেখ, মিন্টু শেখের ছেলে লাভলু শেখ, ডালিম শেখের ছেলে শিমুল ও এবাদুল গাজীসহ অনেকে প্রকাশ্য দিবালোকেই তার মৎস্য ঘেরের বাসা পুড়িয়ে দেয়। এই ঘটনায় তার ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে, যা তার কাছে প্রমাণ হিসেবে রয়েছে। আব্দুল লতিফ বলেন, 'ওই এলাকায় ঘের করতে হলে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দিতে হবে বলে চাপপ্রয়োগ করা হচ্ছে। আমি ইতিমধ্যে ৫১ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি, যার সাক্ষী-প্রমাণ রয়েছে।' তিনি জানান, এরপরেও তারা তার কাছে চাঁদার জন্য পরবর্তী সময়ে হুমকি-ধামকি অব্যাহত রেখেছিল। 'চাঁদা না দেওয়ার কারণে তারা আমার ঘেরে আগুন সেটেছে,' বলেন তিনি। এ ঘটনার বিষয়ে আব্দুল লতিফ জানিয়েছেন যে একটি মহল এই ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। সম্প্রতি একটি পত্রিকায় বলা হয়েছে, 'এই ঘটনার পিছনে বিএনপি নেতা নাজমুল হুদার নেতৃত্ব রয়েছে,' যা তিনি নিশ্চিতভাবে অস্বীকার করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, 'প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে কিছু লোক তাঁর উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। বিএনপি ও তাদের সহযোদ্ধাদের মধ্যে কেউ তার ঘেরে আগুন দেয়নি এবং এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।' আব্দুল লতিফ দাবি করেন যে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কোনো সদস্য এর সঙ্গে নেই। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন