ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তাওবা মানুষকে পরকালের শাস্তি থেকে মুক্তি দেয়


তাওবা মানুষকে পরকালের শাস্তি থেকে মুক্তি দেয়

 

ইবনু আবি মুলায়কাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করা হয়েছে যে, দুজন নারী একটি ঘর কিংবা একটি কক্ষে সেলাই করছিল। এর মধ্যে হাতের তালুতে সুই বিদ্ধ হয়ে তাদের একজন বেরিয়ে পড়ল এবং অপর একজনের বিরুদ্ধে সুই ফুটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে।

বিষয়টি ইবনু আব্বাস (রা.)-এর কাছে পেশ করা হলে তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যদি শুধু দাবির ওপর ভিত্তি করে মানুষের দাবি পূরণ করা হয়, তাহলে তাদের জান ও মালের নিরাপত্তা কোনোভাবেই থাকবে না। সুতরাং তোমরা বিবাদীদের আল্লাহর নামে শপথ করাও এবং এ আয়াত (আলে ইমরানের ৭৭ নম্বর আয়াত) তার সম্মুখে পাঠ করো।

আরও পড়ুন: ঘোষণা দিয়েও নিরাপত্তার কারণে ঢাকা-রিয়াদ সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে পারল না সৌদি এয়ারলাইন্স

এরপর তারা তাকে শপথ করানোর পর সে নিজ দোষ স্বীকার করল। ইবনু আব্বাস (রা.) বললেন যে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, শপথ বিবাদীকে করতে হবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৪৫৫২)।

হাদিসে উদ্ধৃত আয়াতটি হলো- ‘যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে পরকালে তাদের কোনো অংশ নেই। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের দিকে চাইবেন এবং তাদের পরিশুদ্ধ করবেন না; তাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি রয়েছে।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ৭৭)।

হাদিসের শিক্ষা

উল্লিখিত হাদিসের আলোকে প্রাজ্ঞ আলেমরা কয়েকটি শিক্ষা ও বিধান বর্ণনা করেন। যা হলো-

আরও পড়ুন: সরকারের সমালোচনা করলেই গ্রেপ্তার মানবাধিকারের লঙ্ঘন: আখতার হোসেন

১. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের অধিকার রক্ষা করা আবশ্যক।

২. অভিযোগ অন্যায় প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়, বরং সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে তা প্রমাণিত হওয়া আবশ্যক।

৩. যথাযথভাবে অনুসন্ধান করার পর বিচারক রায় দেবেন। কেবল অভিযোগ শুনেই তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন না।

৪. বিচার ও সালিসের জন্য প্রাজ্ঞ লোকদের বেছে নেওয়া আবশ্যক। যেভাবে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-কে বেছে নেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমনকে ৭ দিনের রিমান্ডে পাঠাল আদালত

৫. হাদিস দ্বারা বোঝা যায়, নারীদ্বয় পৃথক ঘরে কাজ করছিল। সুতরাং ইসলামী সমাজে নারীর কর্মক্ষেত্র পৃথক হবে। যেখানে নারী-পুরুষের মিশ্রণ নেই এবং পরিবেশ নিরাপদ সেখানে নারী কাজ করতে পারে।

৬. শুধু পার্থিব শাস্তির ভয় নয়, বরং অভিযুক্ত ব্যক্তির ভেতর আল্লাহভীতি জাগিয়ে তোলাও প্রয়োজন।

৭. শরিয়তে শপথ দাবি প্রমাণের একটি মাধ্যম। শর্ত হলো শপথকারী মিথ্যাবাদী হবে না।

৮. আল্লাহর অবাধ্য হওয়া তার সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার ভঙ্গের শামিল। কেননা রুহের জগতে সবাই আল্লাহর আনুগত্যের অঙ্গীকার করেছিল।

আরও পড়ুন: আইইডিসিআর কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে মারধরের অভিযোগ

৯. মিথ্যা শপথের প্রতিবিধান হলো তাওবা ও কাফফারা প্রদান করা।

১০. তাওবা মানুষকে পরকালের শাস্তি থেকে মুক্তি দেয়। গুনাহের পর তাওবা না করলে পরকালে শাস্তি ভোগ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবি নিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদের মন্তব্যের নিন্দা ছাত্রদলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪০ এম


ঢাবি নিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদের মন্তব্যের নিন্দা ছাত্রদলের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিষয় করে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, তার জন্য নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

সাংগঠনিক সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের একটি অনুষ্ঠানে ফুয়াদের দেওয়া বক্তব্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এর ইতিহাস ও শিক্ষার্থীদের প্রতি অবমাননাকর ও ঘৃণাপূর্ণ বলেছে তারা। ছাত্রদল ওই অনুষ্ঠানের আয়োজকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান করেছে।

রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতির মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন যৌথভাবে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ডাকসু আয়োজিত একটি আলচনাসভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে ‘ঘৃণাপূর্ণ’ বক্তব্য প্রদান করেন।

এতে আরো বলা হয়েছে, ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও সর্বশেষ ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানসহ দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরা হয়।

ছাত্রদল দাবি করে, ফুয়াদের বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে ব্যাপক নিন্দা ও প্রতিবাদ দেখা যায়, তবে পাঁচ দিন পার হয়ে গেলেও ডাকসুর পক্ষ থেকে এ সম্পর্কে কোনো বিবৃতি বা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। বরং তারা অভিযোগ করেছে যে, ওই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলকে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে ‘মিথ্যাচার’ করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে যোগ করা হয়েছে, এই ধরনের ঘটনায় ডাকসুর নীরবতা তাদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। ছাত্রদল অভিযোগ করেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এমন একজন বক্তাকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এবং সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানের আয়োজকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

অভিবাসন নীতি ঘিরে ক্ষমতার রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫০ এম


অভিবাসন নীতি ঘিরে ক্ষমতার রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ

 

 

 

 

ফ্রান্সে ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র ফ্রান্সে এই নির্বাচন কেবল নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিষয় নয়, বরং রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অভিবাসন নীতি, অর্থনৈতিক দিক নির্দেশনা এবং সামাজিক কাঠামোর ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ টানা দুই মেয়াদ পূর্ণ করায় সংবিধান অনুযায়ী তিনি আর ২০২৭ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। তাই ক্ষমতার শীর্ষ পদে নতুন নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার জন্য ফ্রান্স এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। এই পরিবর্তনের সম্ভাবনা ঘিরে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো তাদের অবস্থান, কৌশল এবং নীতিগত অগ্রাধিকার পুনর্গঠন করছে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সাধারণত দুই দফায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফায় একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, এবং যদি কোনো প্রার্থী সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট না পান, তাহলে শীর্ষ দুই প্রার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় দফা ভোট অনুষ্ঠিত হয়। সেই ভোটেই চূড়ান্তভাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। এই কাঠামো ফ্রান্সের রাজনৈতিক প্রতিযোগিতাকে আরও জটিল এবং বহুমাত্রিক করে তোলে।

বর্তমান সাংবিধানিক সময়সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের প্রথম দফা ভোট ১৮ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফা ভোট ২ মে অনুষ্ঠিত হবার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণ প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হয়নি, তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে জল্পনা-কল্পনা এবং জরিপভিত্তিক বিশ্লেষণ ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।

নির্বাচনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে অভিবাসন ইস্যু। ফ্রান্সে দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসন একটি রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউরোপ জুড়ে অভিবাসন প্রবাহ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক চাপ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ এই ইস্যুকে আরও জোরালো করেছে।

সরকারি পর্যায়ে ইতোমধ্যে অভিবাসন ব্যবস্থায় কঠোরতা দেখা গেছে। ভিসা প্রক্রিয়া আরও যাচাইভিত্তিক করা, আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ি এবং অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে নজরদারি বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউরোপীয় বিশ্লেষকদের মতে, এসব পদক্ষেপ শুধুমাত্র প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয় বরং রাজনৈতিক চাপ এবং জনমতের প্রতিফলনও।

এই প্রেক্ষাপটে ডানপন্থি রাজনৈতিক শক্তি ন্যাশনাল র‍্যালি অভিবাসন ইস্যুকে তাদের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ডা হিসেবে সামনে এনেছে। দলটি নতুন অভিবাসন কমানো, পরিবার পুনর্মিলনের শর্ত কঠোর করা, নাগরিকত্ব অর্জনের প্রক্রিয়া আরও জটিল করা এবং অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাদের যুক্তি অনুযায়ী, রাষ্ট্রের সামাজিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক চাপ নিয়ন্ত্রণে এসব পদক্ষেপ প্রয়োজন।

অন্যদিকে মধ্যপন্থি রাজনৈতিক শিবির তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখার কথা বলছে। তারা দক্ষ কর্মী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং বৈধ অভিবাসীদের জন্য ফ্রান্সের শ্রমবাজার উন্মুক্ত রাখার পক্ষে, তবে একই সঙ্গে অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তাও স্বীকার করছেন। বামপন্থি দলগুলো আবার অভিবাসনকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার পক্ষে অবস্থান নিয়ে সামাজিক সুরক্ষা ও শ্রম অধিকারের ওপর জোর দিচ্ছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে ডানপন্থি শিবিরের নেতৃত্ব নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মেরিন ল্য পেন বর্তমানে একটি আইনি আপিল প্রক্রিয়ার রায়ের অপেক্ষায় আছেন। ওই রায়ের ওপর নির্ভর করছে তিনি ২০২৭ সালের নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না। যদি আদালত তাকে অযোগ্য ঘোষণা করে, তাহলে দলটির সম্ভাব্য নেতৃত্ব হিসেবে জর্দান বারদেলার নাম সামনে আসছে।

এই রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ফ্রান্সের নির্বাচনি সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন প্রার্থী নির্ধারণ এবং দলীয় কৌশল চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র স্পষ্ট হবে না।

ফ্রান্সে বসবাসরত অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যেও এই নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ ও আগ্রহ বাড়ছে। বিশেষ করে রেসিডেন্স পারমিট, নাগরিকত্ব, পরিবার পুনর্মিলন এবং কর্মসংস্থান সংক্রান্ত নীতিতে সম্ভাব্য পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে আলোচনা চলছে।

তবে প্রশাসনিক সূত্রগুলো স্পষ্ট করে বলছে, বর্তমানে কার্যকর অভিবাসন নীতি অব্যাহত রয়েছে এবং কোনো পরিবর্তন হলে তা আইন প্রণয়ন, সংসদীয় অনুমোদন এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ফ্রান্সের ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এখন কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রতিযোগিতা নয় বরং রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নীতি কাঠামো নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। যেখানে অভিবাসন ইস্যু রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল-নরওয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০২ এম


প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল-নরওয়ে

 

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে, শুরু থেকেই ব্রাজিল ও নরওয়ের লড়াই জমে উঠেছে। দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে, তবে একাধিক সুযোগ নষ্ট হওয়ার কারণে প্রথমার্ধ শেষে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি।

ম্যাচের শুরু থেকেই নরওয়ে ব্রাজিলকে চাপের মধ্যে রেখেছে। তৃতীয় মিনিটে প্যাট্রিক বার্গ তার শট জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। এরপর আলেকজান্ডার সোরলোথ ও আর্লিং হালান্ডকে সামনে রেখে তারা একের পর এক আক্রমণ চালাচ্ছিল।

তবে সবচেয়ে বড় সুযোগটি ব্রাজিলের জন্য আসে। ১৫ মিনিটে মাতেউস কুনিয়ার বিরুদ্ধে ফাউল হলে প্রথমে রেফারি খেলা চালিয়ে যেতে বলেন, কিন্তু পরে ভিডিও সহকারী রেফারির সাহায্যে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। স্পটকিক নিতে আসেন ব্রুনো গিমারাইস। কিন্তু তার শট অসাধারণভাবে ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক অরিয়ান নিল্যান্ড। এভাবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের নিশ্চিত গোলের সুযোগ হাতছাড়া হয়।

পেনাল্টি সেভ করার পর নরওয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে। তারা বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে ধীরে ধীরে আক্রমণ গড়ে তুলতে থাকল। প্রথমার্ধে প্রায় ৬০ শতাংশ সময় বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল নরওয়ের কাছে। তবে আক্রমণের শেষ মুহূর্তে বারবার ভুল পাস এবং বল হারানোর কারণে তারা সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।

অন্যদিকে ব্রাজিল মূলত পাল্টা আক্রমণের ওপর নির্ভর করেছে। ৩১ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির বিপজ্জনক ক্রস শেষ মুহূর্তে রুখে দেন নিল্যান্ড। ৩৪ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র দারুণ গতিতে এগিয়ে গেলে বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারায় সুযোগ নষ্ট হয়। এরপর ৪১ মিনিটে বক্সের ভেতরে ভিনিসিয়ুসের ঘুরে নেওয়া শটও নরওয়ের গোলরক্ষক দক্ষতার সঙ্গে ঠেকিয়ে দেন।

নরওয়ের আর্লিং হালান্ডও কয়েকবার ব্রাজিলের রক্ষণে আতঙ্ক ছড়ান। ৩৮ মিনিটে দূর থেকে আলিসনকে পরাস্ত করতে চাওয়া তার শট অলমিস করে। যোগ করা সময়ে হালান্ডের তৈরি করা সুযোগ থেকে মার্টিন ওদেগার্ডের শট আলিসন অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন।

শেষ মুহূর্তে কাসেমিরোর উঁচু পাসে মার্তিনেল্লি প্রায় বলের নাগাল পেয়ে গিয়েছিলেন, তবে সেই সুযোগও কাজে লাগাতে পারেননি।

প্রথমার্ধে রোমাঞ্চ, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ, পেনাল্টি ও বাতিল গোল সবকিছু ছিল। যদিও দুই গোলরক্ষক অরিয়ান নিল্যান্ড ও আলিসনের অসাধারণ দৃঢ়তার কারণে বিরতি সময় গোলশূন্য সমতায় মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল ও নরওয়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন ভিনিসিয়ুস নিজে শট না করে ব্রুনোকে পেনাল্টি দিলেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১১ এম


কেন ভিনিসিয়ুস নিজে শট না করে ব্রুনোকে পেনাল্টি দিলেন?

 

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের মোকাবেলায় ব্রাজিল। ম্যাচ শুরুতেই ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা একটি পেনাল্টির সুযোগ পায়। কিন্তু সেটি মিস করেন ব্রুনো গিমারেস।

তবে পেনাল্টির আগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বল হাতে নিয়ে স্পটের কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টি নিশ্চিত হয়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ভিনি সেই বলটি তুলে দেন ব্রুনো গিমারায়েসের হাতে।

ব্রুনো শট নিতে দৌড়ে এসে ডান পায়ে ডান দিকে শট নেন। কিন্তু গোলরক্ষক সেই শটটি রুখে দেন। এরপর সবার মধ্যে একটি প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, কেন ভিনিসিয়ুস নিজে পেনাল্টি নিলেন না।

এই সিদ্ধান্তটি হয়তো আগে থেকেই পরিকল্পনা করা ছিল, এটি মাঠের মধ্যে হঠাৎ কোন সিদ্ধান্ত বলেই মনে হচ্ছে না। তবে খেলোয়াড়দের মুখ থেকে কিছু না শোনা পর্যন্ত পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাবে না। এখন পর্যন্ত যা স্পষ্ট, সেটি হলো ব্রুনোই এই সুযোগটি অর্জন করেছিলেন।

নিউক্যাসল ইউনাইটেডে ব্রুনো প্রায়ই ফ্রি কিক নেন। ব্রাজিল দলের হয়েও তিনি ফ্রি কিক নিয়ে থাকেন। তার টেকনিক্যাল দক্ষতার জন্য তিনি ভালো সুনাম অর্জন করেছেন।

ক্যারিয়ারে ব্রুনো এর আগে তিনটি পেনাল্টির মধ্যে তিনটিতেই গোল করেছেন। তবে ব্রাজিলের হয়ে এর আগে তিনি কখনো পেনাল্টি নেননি। অন্যদিকে ভিনির ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যান কিছুটা ভিন্ন। মোট ১৯টি পেনাল্টির মধ্যে তিনি গোল করেছেন ১৩টিতে। তবে ব্রাজিলের জার্সিতে তিনি তিনটি পেনাল্টির মধ্যে মাত্র একটিতে গোল করতে পেরেছেন। তার পেনাল্টি না নেওয়ারও একটি কারণ হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%