বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:০২ পি.এম
৫০তম বিসিএস এর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ পরীক্ষায় ৬ হাজার ১৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন, তা দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে এই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পিএসসি জানিয়েছে, ৫০তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২৫ এর লিখিত পরীক্ষা ৯ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত ৮টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরীক্ষায় মোট ৬,১৬৫ জন প্রার্থী কমিশনের অনুমোদনক্রমে সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন।
কমিশনের পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ও প্রাসঙ্গিক তথ্যাবলি কমিশনের ওয়েবসাইটে (www.bpsc.gov.bd) পাওয়া যাবে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুক্তিসংগত কারণে কোনো সংশোধনের প্রয়োজন হলে কমিশন তা সংশোধনের অধিকার সংরক্ষণ করে।
৫০তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশের জন্য একটি সম্ভাব্য ক্যালেন্ডার পিএসসির পক্ষ থেকে আগে থেকেই নির্ধারণ করা হয়েছিল। ঘোষিত সেই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, চলতি মাসের ৩০ তারিখ (৩০ জুলাই ২০২৬) ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের নির্ধারিত তারিখ ছিল। তবে তার আগেই ফল প্রকাশিত হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের নাম, পরিচয় ও ছবি ব্যবহার করে একাধিক ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
এসব ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ সম্পর্কে সক্রিয়ভাবে সতর্ক থাকতে বলেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের নাম, পরিচয় ও ছবি ব্যবহার করে একাধিক ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
এসব ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে মন্ত্রীর অনুমোদনহীন বক্তব্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও কনটেন্ট প্রচার করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি ও নীতিহীন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের নিজ নামে একটিমাত্র ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট (ব্লু ব্যাজ) রয়েছে। এর বাইরে অন্য কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বা পেজের সাথে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা বা অনুমোদন নেই।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সবাইকে এসব পেজ থেকে প্রচারিত কন্টেন্ট আমলে না নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের বিশিষ্ট গণসংগীতশিল্পী, মুক্তিযুদ্ধের শব্দসৈনিক এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ফকির আলমগীরের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (২৩ জুলাই)। ২০২১ সালের এই দিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা শহরের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
গানে, সংগ্রামে এবং মানুষের অধিকারের পক্ষে আজীবন সোচ্চার থাকা এই শিল্পীকে আজ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন তার পরিবার, সহকর্মী, ভক্ত-শ্রোতা এবং দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষ।
ফকির আলমগীর ১৯৫০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জগন্নাথ কলেজ থেকে স্নাতক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন তিনি। ষাটের দশক থেকেই তিনি গণসংগীতের সঙ্গে যুক্ত হন। এরপর থেকে ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী ও গণশিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গান গেয়ে মানুষের মধ্যে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছেন।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রে শব্দসৈনিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ, গণ-অভ্যুত্থান এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার গান মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।
গণসংগীতের পাশাপাশি পপ, লোক ও আধুনিক গানেও তিনি সমান জনপ্রিয় ছিলেন। তার গাওয়া ‘ও সখিনা’, ‘সান্তাহার জংশনে দেখা’, ‘বনমালী তুমি’, ‘মায়ের একধার দুধের দাম’, ‘কালো কালো মানুষের দেশে’ ও ‘আহা রে কাল্লু মাতব্বর’সহ অসংখ্য গান আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে একটি বিশেষ জায়গা করে আছে।
গান ছাড়াও তিনি ছিলেন একজন লেখক ও সংগঠক। তার লেখা ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান’, ‘গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান’, ‘আমার কথা’ ও ‘যাঁরা আছেন হৃদয়পটে’সহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন সাংস্কৃতিক সংগঠন ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী এবং বাংলাদেশ গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সংগীত ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ফকির আলমগীর একুশে পদক, বাংলা একাডেমি সম্মানসূচক ফেলোশিপসহ দেশ-বিদেশের বহু পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
এ তথ্য বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম আরও বলেন, আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আমন্ত্রণপত্র এসেছে। আমরা সেটি প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠিয়েছি।
আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যদিও বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার নদ-নদী ও খাল-বিলে অবাধে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব নিষিদ্ধ জালে প্রতিনিয়ত ধরা হচ্ছে বোয়াল, রুই, কাতলা, মৃগেল, টেংরা, পুঁটি, শিং, কৈ, চিংড়ি সহ নানা প্রজাতির দেশি মাছের পোনা। এর ফলে একদিকে যেমন মাছের উৎপাদন কমছে, তেমনি বিলুপ্তির মুখোমুখি হয়ে পড়ছে বহু দেশীয় প্রজাতির মাছের ভাণ্ডার। এই অবস্থায় হারিয়ে যেতে বসেছে কিছু দুর্লভ প্রজাতির মাছ। উপজেলার উল্লেখযোগ্য করতোয়া, হুরাসাগর এবং ধলাই নদীতে এখন আর আগের মতো দেশীয় প্রজাতির মাছের দেখা পাওয়া যায় না।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, পোনা মাছ নিধন ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান চালানো এবং নিষিদ্ধ জালের বিক্রি বন্ধ করতে হবে, পাশাপাশি জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনার কোনো বিকল্প নেই। অন্যথা একদিন হয়তো দেশীয় প্রজাতির মাছ কেবল স্মৃতিতে রূপান্তরিত হবে।
উপজেলার রাউতারা, রেশমবাড়ি, রতন কান্ধি, পোরজনা, জামিরতা, কাদইসহ বিভিন্ন এলাকার সচেতন নাগরিকদের দাবি, বর্ষা এলেই পোনা মাছ নিধন শুরু হয়। চায়না দোয়ারি, কারেন্ট, রিংজাল সহ নানা নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করছেন মৎস্য শিকারিরা। মৎস্য অফিসের তেমন কোনো তদারকি নেই, ফলে দিন দিন মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ দেশীয় মাছের পোনা প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন বাজারে। মা মাছও ধরা হচ্ছে এসব নিষিদ্ধ জালে। এভাবে চলতে থাকলে দেশীয় মাছ ভবিষ্যতে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
এলাকার সচেতন মহলের দাবি, পোনা মাছ নিধন রোধে প্রশাসন নিয়মিত তদারকি করলে এটি অবশ্যই রোধ পাবে এবং দেশীয় প্রজাতির মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইলোরা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, পোনা মাছ নিধন রোধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এটিকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, "যদি কেউ নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ