বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:০৪ পি.এম
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের নাম, পরিচয় ও ছবি ব্যবহার করে একাধিক ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
এসব ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ সম্পর্কে সক্রিয়ভাবে সতর্ক থাকতে বলেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের নাম, পরিচয় ও ছবি ব্যবহার করে একাধিক ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
এসব ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে মন্ত্রীর অনুমোদনহীন বক্তব্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও কনটেন্ট প্রচার করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি ও নীতিহীন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের নিজ নামে একটিমাত্র ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট (ব্লু ব্যাজ) রয়েছে। এর বাইরে অন্য কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বা পেজের সাথে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা বা অনুমোদন নেই।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সবাইকে এসব পেজ থেকে প্রচারিত কন্টেন্ট আমলে না নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের বিশিষ্ট গণসংগীতশিল্পী, মুক্তিযুদ্ধের শব্দসৈনিক এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ফকির আলমগীরের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (২৩ জুলাই)। ২০২১ সালের এই দিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা শহরের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
গানে, সংগ্রামে এবং মানুষের অধিকারের পক্ষে আজীবন সোচ্চার থাকা এই শিল্পীকে আজ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন তার পরিবার, সহকর্মী, ভক্ত-শ্রোতা এবং দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষ।
ফকির আলমগীর ১৯৫০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জগন্নাথ কলেজ থেকে স্নাতক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন তিনি। ষাটের দশক থেকেই তিনি গণসংগীতের সঙ্গে যুক্ত হন। এরপর থেকে ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী ও গণশিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গান গেয়ে মানুষের মধ্যে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছেন।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রে শব্দসৈনিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ, গণ-অভ্যুত্থান এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার গান মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।
গণসংগীতের পাশাপাশি পপ, লোক ও আধুনিক গানেও তিনি সমান জনপ্রিয় ছিলেন। তার গাওয়া ‘ও সখিনা’, ‘সান্তাহার জংশনে দেখা’, ‘বনমালী তুমি’, ‘মায়ের একধার দুধের দাম’, ‘কালো কালো মানুষের দেশে’ ও ‘আহা রে কাল্লু মাতব্বর’সহ অসংখ্য গান আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে একটি বিশেষ জায়গা করে আছে।
গান ছাড়াও তিনি ছিলেন একজন লেখক ও সংগঠক। তার লেখা ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান’, ‘গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান’, ‘আমার কথা’ ও ‘যাঁরা আছেন হৃদয়পটে’সহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন সাংস্কৃতিক সংগঠন ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী এবং বাংলাদেশ গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সংগীত ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ফকির আলমগীর একুশে পদক, বাংলা একাডেমি সম্মানসূচক ফেলোশিপসহ দেশ-বিদেশের বহু পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
এ তথ্য বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম আরও বলেন, আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আমন্ত্রণপত্র এসেছে। আমরা সেটি প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠিয়েছি।
আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যদিও বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার নদ-নদী ও খাল-বিলে অবাধে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব নিষিদ্ধ জালে প্রতিনিয়ত ধরা হচ্ছে বোয়াল, রুই, কাতলা, মৃগেল, টেংরা, পুঁটি, শিং, কৈ, চিংড়ি সহ নানা প্রজাতির দেশি মাছের পোনা। এর ফলে একদিকে যেমন মাছের উৎপাদন কমছে, তেমনি বিলুপ্তির মুখোমুখি হয়ে পড়ছে বহু দেশীয় প্রজাতির মাছের ভাণ্ডার। এই অবস্থায় হারিয়ে যেতে বসেছে কিছু দুর্লভ প্রজাতির মাছ। উপজেলার উল্লেখযোগ্য করতোয়া, হুরাসাগর এবং ধলাই নদীতে এখন আর আগের মতো দেশীয় প্রজাতির মাছের দেখা পাওয়া যায় না।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, পোনা মাছ নিধন ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান চালানো এবং নিষিদ্ধ জালের বিক্রি বন্ধ করতে হবে, পাশাপাশি জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনার কোনো বিকল্প নেই। অন্যথা একদিন হয়তো দেশীয় প্রজাতির মাছ কেবল স্মৃতিতে রূপান্তরিত হবে।
উপজেলার রাউতারা, রেশমবাড়ি, রতন কান্ধি, পোরজনা, জামিরতা, কাদইসহ বিভিন্ন এলাকার সচেতন নাগরিকদের দাবি, বর্ষা এলেই পোনা মাছ নিধন শুরু হয়। চায়না দোয়ারি, কারেন্ট, রিংজাল সহ নানা নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করছেন মৎস্য শিকারিরা। মৎস্য অফিসের তেমন কোনো তদারকি নেই, ফলে দিন দিন মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ দেশীয় মাছের পোনা প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন বাজারে। মা মাছও ধরা হচ্ছে এসব নিষিদ্ধ জালে। এভাবে চলতে থাকলে দেশীয় মাছ ভবিষ্যতে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
এলাকার সচেতন মহলের দাবি, পোনা মাছ নিধন রোধে প্রশাসন নিয়মিত তদারকি করলে এটি অবশ্যই রোধ পাবে এবং দেশীয় প্রজাতির মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইলোরা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, পোনা মাছ নিধন রোধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এটিকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, "যদি কেউ নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন ইন্টারন্যাশনাল ম্যাথমেটিকাল অলিম্পিয়াড (আইএমও)-এ এতকাল শতভাগ নম্বর অর্জন ছিল হাতে গোনা কিছু মেধাবী শিক্ষার্থীর প্রতিভা। তবে এবার এটি ঘটল প্রথমবারের মতো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও (এআই) পূর্ণ নম্বর অর্জন করেছে।
চীনের দুইটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, হুয়াওয়ে ও শিয়াওহংশু জানিয়েছে, তাদের এআই মডেল এবছরের আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে (আইএমও) মানব প্রতিযোগীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নে শতভাগ নম্বর লাভ করেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি সাংহাই থেকে এ খবর জানিয়েছে। এআই গবেষণাগারগুলোর মধ্যে তারা প্রথম যারা নিজেদের ফলাফল প্রকাশ করেছে।
শিয়াওহংশু এ সপ্তাহে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘এই ফলাফল আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দকর।’
প্রতিষ্ঠানটি আরও উল্লেখ করেছে, ‘এর আগে আইএমওর আনুষ্ঠানিক মূল্যায়ন পদ্ধতিতে কোনো বৃহৎ ভাষা মডেল কখনও শতভাগ নম্বর অর্জন করতে সমর্থ হয়নি।’ বড় ভাষা মডেলটিই এআই টুল পরিচালনার মূল প্রযুক্তি।
২০২৫ সালে গুগল ও ওপেনএআই-এর তৈরি মডেল প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক-সমমানের নম্বর লাভ করেছিল; তবে তারা শতভাগ নম্বর পাওয়া পাঁচজন মানব প্রতিযোগীর সমকক্ষ হতে পারেনি।
-এআইয়ের নতুন মাইলফলক-
এ বছর সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত আইএমওতে বিভিন্ন দেশের ৬৬৬ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। আইএমও’র আনুষ্ঠানিক স্কোরবোর্ড অনুযায়ী, তাদের মধ্যে মাত্র সাতজন পূর্ণ নম্বর অর্জন করেন।
প্রতি বছর ভিন্ন ভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতা শুধুমাত্র ২০ বছরের নিচে বয়সের অংশগ্রহণকারীদের জন্য সীমাবদ্ধ।
হুয়াওয়ে বুধবার জানিয়েছে, তাদের এআই সিস্টেম ‘সেলিয়া’ গণিতের নানা শাখায় ‘সমন্বিত সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা’ প্রদর্শন করে।
ইংরেজিতে ‘রেডনোট’ নামে পরিচিত শিয়াওহংশু জানায়, তাদের ‘ডটস-নোট ৩.০’ মডেল এই বছর প্রথমবারের মতো আইএমওতে অংশগ্রহণ করেছে।
শিয়াওহংশু আমন্ত্রণ জানিয়ে জানায়, ‘পরীক্ষার সময় কোনো ধরনের মানবীয় হস্তক্ষেপ কঠোরভাবে নিষেধ ছিল।’ পরে এআইয়ের সমাধান মূল্যায়নের জন্য আইএমও আয়োজকদের কাছে জমা দেওয়া হয়।
২০২৪ সালের আইএমওতে গুগলের এআই ছয়টির মধ্যে চারটি প্রশ্ন দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে সমাধান করে রৌপ্যপদক-সমমানের নম্বর অর্জন করেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ