ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪ গোলে এগিয়ে রয়েছে স্পেন


দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪ গোলে এগিয়ে রয়েছে স্পেন

প্রথমার্ধে ৩–০ গোলে এগিয়ে থাকা স্পেন দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল পেয়েছে। এবারে সৌদি আরবের জালেই বল জড়িয়েছে। ৪৯ মিনিটে মার্ক কুকুরেয়ার ভলি সৌদি গোলরক্ষক ফিরিয়ে দিলেও হাসান আল তামবাকতির শরীরের সঙ্গে লাগিয়ে বল জালে ঢুকে যায়।

কেপ ভার্ডের বিপক্ষে শুরুতে মাঠে নামতে পারেননি লামিনে ইয়ামাল। শেষ ২০ মিনিট মাঠে থাকলেও তিনি তেমন কিছু করতে পারেননি। ফলস্বরূপ, ম্যাচটি ছিল গোলশূন্য ড্র।

নকআউটে যেতে হলে সৌদি আরবের বিপক্ষে জিততেই হবে। এই কারণে লামিনে ইয়ামালকে রেখেই স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে শুরুর একাদশ সাজান। সঙ্গে তিনি দানি ওলমোকেও রেখেছেন।

আরও পড়ুন: রোনালদোর সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণ জানালেন এরিক টেন হাগ

আটলান্টার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেন সৌদির গোলমুখে তীব্র আক্রমণ সৃষ্টি করে। সৌদি আরবের ফুটবলাররা পুরোপুরি ডিফেন্সিভ হয়ে সেই আক্রমণগুলো ঠেকাতে ব্যস্ত ছিল।

কিন্তু ম্যাচের ১০ মিনিটে সৌদি ডিফেন্স আর সেই আক্রমণ ঠেকাতে পারেনি। লেফট উইং ধরে বল নিয়ে এগিয়ে এসে একটি নিচু ক্রস দেন ওয়ারজাবাল। পোস্টের সামনে মাটি কামড়ে সেই ক্রস পৌঁছে যায় ইয়ামালের পায়ে। দারুণ ক্ষিপ্রতায় বলটি ইয়ামাল জড়িয়ে দেন সৌদি আরবের জালে। ফলে স্পেন ১-০ গোলে এগিয়ে যায়।

২১ মিনিটে স্পেনের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন মিকেল ওয়ারজাবাল। কর্নার কিক থেকে আসা বল বক্সের সামনে ঘুরতে থাকলে ফাঁকায় পেয়ে সৌদির জালে জড়িয়ে দেন তিনি।

তৃতীয় গোল আসতে খুব বেশি সময় লাগল না। একের পর এক আক্রমণে সৌদি রক্ষণকে ব্যস্ত রেখে ২৪ মিনিটেই তারা ৩য় গোল আদায় করে নেয়। এই গোলও করেন মিকেল ওয়াজাবাল। এতে স্প্যানিশরা ৩-০ গোলে এগিয়ে গেল।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে ট্রেনে কাটা প‌ড়ে দুইজনের মৃত্যু

স্পেনের একাদশে ছিলেন: উনাই সিমন (গোলরক্ষক), আইমেরিক লাপোর্তে, মার্ক কুকুরেয়া, পেদ্রো পোরো, পাও কুবার্সি, রদ্রি, পেদ্রি, দানি ওলমো, আলেক্স বায়েনা, লামিনে ইয়ামাল, মিকেল ওয়াজাবাল।

সৌদি আরবের একাদশে ছিলেন: মোহাম্মদ আল-ওয়াইজ (গোলরক্ষক), আলি লাজামি, আবদুলেলাহ আল-আমরি, হাসান তামবাকতি, সৌদ আবদুলহামিদ, মোতেব আল-হারবি, আবদুল্লাহ আল-খাইবারি, নাসের আল-দাওসারি, মুসাব আল-জুয়াইর, সালেম আল-দাওসারি, ফারাস আল-বুরাইকান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এখন পেলের রেকর্ডে ভাগ বসালেন ইয়ামাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ পি.এম


এখন পেলের রেকর্ডে ভাগ বসালেন ইয়ামাল

বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোলের দেখা পেয়েছেন স্প্যানিশ ফুটবলার লামিনে ইয়ামাল। সৌদি আরবের সঙ্গে ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে বাজিমাত করেছেন তরুণ এই স্ট্রাইকার।

এর আগে কেপ ভার্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে ৭১ মিনিট ধরে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন ইয়ামাল। তবে সৌদি আরবের বিপক্ষে তিনি শুরুর একাদশে জায়গা পান। শুরুর একাদশে প্রথমবার সুযোগ পেয়ে ইয়ামাল বাজিমাত করলেন।

ম্যাচের ১০ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলে স্পেনকে শুরুতেই এগিয়ে দেন ইয়ামাল। এই গোলের মাধ্যমে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন এই তরুণ ফুটবলার।

এদিকে, বিশ্ব কাপে ১৮ বছর বা তার কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে ম্যাচের প্রথম গোল করার কীর্তি এতদিন ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলের দখলে ছিল। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ওয়েলসের বিপক্ষে মাত্র ১৭ বছর বয়সে ব্রাজিলের হয়ে ডেডলক ভেঙেছিলেন মহানায়ক পেলে। এত বছর পর, ৬৮ বছর পর পেলের সেই অনন্য রেকর্ডে ভাগ বসালেন ১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথমবার এমপি হয়ে চমক, ইশরাকের ১০০ দিনের অর্জন ও পরিকল্পনা আলোচনায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ পি.এম


প্রথমবার এমপি হয়ে চমক, ইশরাকের ১০০ দিনের অর্জন ও পরিকল্পনা আলোচনায়

দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম শেষে বিএনপির রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর, দেশের রাজনীতিতে যেসব নতুন মুখ দ্রুত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। তিনি ঢাকা-৬ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হওয়ার পরেই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। রাজধানীর নাগরিক সমস্যা সমাধান, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের উত্তরাধিকারকে রাষ্ট্রের মূল ধারায় যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব লাগামহীনভাবে ইশরাকের কাঁধে এসেছে। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১০০ দিনে ইশরাকের কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তিনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পাশাপাশি একটি জাতীয় রাজনৈতিক পরিচয় গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

নাগরিক সমস্যাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইশরাক হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর গ্যাস সংকট, মাদক নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, বাজার তদারকি এবং যানজট নিরসনকে অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি হিসেবে সামনে রেখে আছেন। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে এলাকার সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি নগরজীবনের বাস্তব সমস্যাগুলোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়ায় তিনি একজন মাঠমুখী জনপ্রতিনিধি হিসাবে নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদক, ছিনতাই এবং কিশোর গ্যাং কার্যক্রম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ রয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী, ঢাকা-৬ আসনের মাদক স্পট চিহ্নিতকরণ, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনসম্পৃক্ত নিরাপত্তা কর্মসূচিকে গুরুত্ব দিয়েছেন ইশরাক হোসেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে—নিরাপদ সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি জনগণের অংশগ্রহণও জরুরি।

সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং বিভিন্ন নাগরিক কর্মসূচিতে সরাসরি অংশগ্রহণ ইশরাক হোসেনকে তরুণদের কাছে পরিচিত করে তুলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি সমর্থক ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসাবে, ইশরাক জোর দিয়ে বলে আসছেন, মুক্তিযুদ্ধ কোনো দলীয় সম্পদ নয়, এটি সমগ্র জাতির অহংকার। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং ইতিহাসকে রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে রাখার বিষয়টিকে তিনি অগ্রাধিকার দিয়েছেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার ও জাতীয় ঐক্যের সঙ্গে যুক্ত করে তুলে ধরেছেন তিনি।

ইশরাক হোসেনের অন্যতম আলোচিত পদক্ষেপ হলো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া। যাচাই-বাছাই শেষে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সুপারিশের ভিত্তিতে ৬ হাজারেরও বেশি অমুক্তিযোদ্ধার নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় সরকার আপসহীন থাকবে। একই সঙ্গে বীরশ্রেষ্ঠদের স্মৃতি সংরক্ষণ, স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা ও প্রামাণ্য দলিল সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ইশরাক হোসেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের অবদানকে জাতীয় ইতিহাসের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের আত্মত্যাগকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করেছেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী নীতিগতভাবে যেসব বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তা হলো-

- জুলাই শহীদ ও আহতদের তথ্যভাণ্ডার সংরক্ষণ।

- তাঁদের পরিবারকে রাষ্ট্রীয় সহায়তার আওতায় আনার উদ্যোগ।

- জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস শিক্ষার্থী ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা।

- স্মৃতিফলক, স্মারক ও গবেষণাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা।

- রাষ্ট্রগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে জুলাই যোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের উত্তরাধিকারকে একই ধারাবাহিকতায় উপস্থাপন করার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে ইতিহাসের একটি সেতুবন্ধন তৈরির চেষ্টা করছেন তিনি।

মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বক্তব্য ও নীতিগত অবস্থান থেকে দেখা যাচ্ছে,

- বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার আরও সমৃদ্ধ করা।

- বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ ও আধুনিকায়ন।

- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যক্রম জোরদার করা।

- নতুন প্রজন্মকে ইতিহাসচর্চায় সম্পৃক্ত করতে শিক্ষামূলক উদ্যোগ গ্রহণ।

- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মৃতি সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন।

দেশ-বিদেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা এবং জাতীয় ঐক্যের বার্তা তুলে ধরেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাঁর অংশগ্রহণও আলোচনায় এসেছে।

এখন, বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের বড় অর্জন হচ্ছে, নিজেকে শুধু একটি নির্বাচনী এলাকার এমপি হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে জাতীয় পর্যায়ে সক্রিয় নীতিনির্ধারক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা।

নাগরিক সমস্যা সমাধান, মাদকবিরোধী অবস্থান, মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষা, ইতিহাস সংরক্ষণ এবং জুলাই যোদ্ধাদের অবদানকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির আলোচনায় নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক অবস্থান সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এটি সঠিক যে ১০০ দিন কোনও সরকারের পূর্ণাঙ্গ সফলতা মূল্যায়নের জন্য যথেষ্ট সময় নয়। তবে এই সময়ে ইশরাক হোসেন যে কর্মতৎপরতা, জনসম্পৃক্ততা এবং রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন, তা জনসাধারণের প্রত্যাশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ঘোষিত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিনি কতটা প্রতিফলন ঘটাতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিমান শুধু যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে নয়, এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি : বিমান মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ পি.এম


বিমান শুধু যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে নয়, এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি : বিমান মন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, বিমান পরিবহন বর্তমানে শুধু যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের মাধ্যম নয়, বরং এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির, বাণিজ্য সম্প্রসারণের, পর্যটন বিকাশের, কর্মসংস্থান সৃষ্টির এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি।

তিনি বলেন, একটি আধুনিক, দক্ষ এবং টেকসই বিমান পরিবহন ব্যবস্থা জাতীয় উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। আজ রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সিভিল এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যানিং ওভারভিউ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেছেন।

দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই এবং সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে একটি জাতীয় মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

বেবিচক এবং ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইসিএও)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিমান চলাচল খাতের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিমান মন্ত্রী বলেন, দেশের বিমান চলাচল খাত আগামী দিনে কোথায় অবস্থান করবে, সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট রূপরেখা এই মহাপরিকল্পনায় প্রতিফলিত হতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, সরকার ইতোমধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন খাতের উন্নয়নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর লক্ষ্যে কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের চারটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরকে আধুনিক এবং পূর্ণাঙ্গরূপে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলেন, একই সঙ্গে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে পরিচালনার প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

এই কর্মশালায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেবিচকের চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সংস্থা, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, বিমান পরিবহন খাতের বিশেষজ্ঞরা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রণীতব্য এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যান দেশের বিমানবন্দর উন্নয়ন, আকাশপথ ব্যবস্থাপনা, যাত্রীসেবা বৃদ্ধি, কার্গো পরিবহন সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ জোরদারের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত নির্দেশনা হিসেবে কার্যকর হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতকে আরো আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্নভাবে গড়ে তোলার পথ সুগম হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুকু থেকে উঠে যে দোয়াটি পড়লে ফেরেশতারা সওয়াব লেখার জন্য প্রতিযোগিতা করেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


রুকু থেকে উঠে যে দোয়াটি পড়লে ফেরেশতারা সওয়াব লেখার জন্য প্রতিযোগিতা করেন

দোয়া হলো ইবাদতের একটি অপরিহার্য অংশ। ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য দোয়ার থেকে ভালো কিছু নেই।

এ কারণে বিপদ-আপদ কিংবা দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বা কল্যাণের আবেদন জানাতে সবসময় মুমিনরা সৃষ্টিকর্তার কাছে দু’হাত উঠিয়ে ধরেন। রাসুল (সা.) বলেছেন, সৎকর্ম ছাড়া অন্য কিছু আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি করতে পারে না এবং দোয়া ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে তাকদীর (ভাগ্য) পরিবর্তন সম্ভব নয়। (সুনান ইবনু মাজাহ, হাদিস: ৪০২২)

নামাজ অপরিহার্য ফরজ ইবাদত। পবিত্র কুরআনে ৮২ বার নামাজের কথা উল্লেখ আছে।

ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সালাত মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১০৩)। হাদিসেও নামাজ আদায়ের গুরুত্ব বারবার উল্লেখ হয়েছে। পাশাপাশি ওয়াক্তমতো নামাজ আদায়েও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ’র কাছে যথাসময়ে সালাত আদায় করা অধিক প্রিয় আমল। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫০২)

নামাজ আদায়ের সময় এমন কিছু বিশেষ দোয়া আছে যেগুলোর ফজিলত উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে রুকু শেষে পড়া বিশেষ দোয়ার কথাও এসেছে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে বলা হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, যখন ইমাম ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’ বলেন, তখন তোমরা ‘আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকাল হামদ্‌’ বলবে। কেননা, যার এই উক্তি ফেরেশতাদের সঙ্গে একই সময়ে উচ্চারিত হয়, তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৭৬০)

অন্য একটি হাদিসে রুকু শেষে একটি বিশেষ দোয়া পড়ার কথা উল্লেখ আছে, যা পড়লে ফেরেশতারা বান্দার সওয়াব লেখার জন্য একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা শুরু করেন।

রিফা’আ ইবনু রাফি যুরাকী (রা.) বলেন, একবার আমরা রাসুল (সা.) এর পেছনে নামাজ আদায় করছিলাম। তিনি যখন রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’ বললেন, তখন এক সাহাবী ‘রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ্‌, হামদান কাছিরান তাইয়্যিবান মুবারাকান ফিহি’ বললেন।

পরবর্তীতে নামাজ শেষ করে রাসুল (সা.) জিজ্ঞাসা করলেন, কে এ কথা উচ্চারণ করেছিলেন। তখন ওই সাহাবী বললেন, আমি। জবাব হিসেবে রাসুল (সা.) বললেন, আমি দেখলাম ৩০ জনের বেশি ফেরেশতা এর সাওয়াব কে আগে লিখবেন, তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করছেন। (সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ৭৭০; সহিহ বুখারি, হাদিস: ৭৬৩)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%