বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৯ পি.এম
‘দৃশ্যম’ পরিবারের জন্য এবার খুনের রহস্যের সমাধানই যেন সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। বিজয় সালগাওকার, যিনি এক দশক ধরে রহস্যের জাল বুনে চলেছেন, তৃতীয় কিস্তিতে এসে সেই জালে আটকে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘দৃশ্যম ৩ : দ্য কনক্লুশন’-এর ট্রেলার। ট্রেলারে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, অজয় দেবগন এবার আর সহজে পুলিশকে বোকা বানাতে পারবেন না।
২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দৃশ্যম’-এ দেখা গিয়েছিল, কিশোরী মেয়েকে উত্ত্যক্ত করা এক কিশোরকে দুর্ঘটনাবশত হত্যার পর বিজয় সালগাওকার পরিবারকে বাঁচানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। এরপর তিনি স্ত্রী নন্দিনী ও দুই মেয়েকে নিয়ে একের পর এক পরিকল্পনা সাজান যাতে পুলিশকে ধোঁকা দিতে সক্ষম হন।
দ্বিতীয় কিস্তিতেও সেই বুদ্ধির লড়াই চলমান ছিল। কিন্তু তৃতীয় ছবিতে এসে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
নতুন ট্রেলারের শুরুতেই তাবুর চরিত্র মীরা দেশমুখকে দেখা যায়। নিহত কিশোরের মা মীরা বছরের পর বছর ধরে বিজয়ের পেছনে ছুটছেন।
বিজয় এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত—এ বিষয়ে তাঁর সন্দেহ কখনো দূর হয়নি। তবে এতদিন তাঁর কাছে পোক্ত প্রমাণ ছিল না। এবার মীরার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন আরো দুই শক্তিশালী চরিত্র।
প্রকাশ রাজকে দেখা যাবে একজন আইনজীবীর ভূমিকায়। অন্যদিকে জয়দীপ আহলাওয়াত অভিনয় করেছেন অপরাধ দমন শাখার পুলিশ সুপারের চরিত্রে।
মীরার সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই দুই চরিত্র এবার বিজয় ও তাঁর পরিবারকে এমনভাবে ঘিরে ফেলতে চাইছে, যাতে এক দশকের পুরনো সত্য প্রকাশিত হয়।
ট্রেলারে তাবুকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি আর বিচার চাই না, প্রতিশোধ চাই।’
প্রকাশ রাজের চরিত্রকেও বিজয় সম্পর্কে সতর্ক থাকতে দেখা যায়। তাঁর বক্তব্য, বিজয় হয়তো খুব বেশি শিক্ষিত নন, কিন্তু মোটেও বোকা নন। তাই তাঁকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না।
অন্যদিকে পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পারছেন বিজয়ও। অজয় দেবগনের চরিত্রটি উপলব্ধি করছে যে, তাঁর স্বাধীনতার দিন হয়তো শেষের পথে। তাই স্ত্রী নন্দিনী, বড় মেয়ে অঞ্জু ও ছোট মেয়ে অনুকে সতর্ক করে তিনি জানান, এবার আর এটি বুদ্ধির লড়াই নয়, বরং ভাগ্যের খেলা। ফলে সামনে কী অপেক্ষা করছে, তা আগে থেকে কোনোভাবেই প্রস্তুত করা সম্ভব নয়।
‘দৃশ্যম ৩’কে দশকব্যাপী হত্যারহস্যের ‘মহাকাব্যিক সমাপ্তি’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমাটি আগামী ২ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। ‘দৃশ্যম’-এর গল্পে ২ অক্টোবর তারিখটির বিশেষ গুরুত্ব থাকায় মুক্তির তারিখ নির্বাচন নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই তারিখকে ঘিরে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি নিয়ে এর আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য মিম তৈরি হয়েছে।
সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অভিষেক পাঠক। এর আগে ‘দৃশ্যম ২’-ও নির্মাণ করেছিলেন তিনি। প্রথম কিস্তির পরিচালক নিশিকান্ত কামাত ২০২০ সালের আগস্টে মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় কিস্তির দায়িত্ব নেন অভিষেক।
এবার ‘দৃশ্যম’ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে নতুন সংযোজন প্রকাশ রাজ ও জয়দীপ আহলাওয়াত। তবে দ্বিতীয় কিস্তিতে দেখা যাওয়া অক্ষয় খান্না এবার আর থাকছেন না। শুটিং শুরুর কিছুদিন আগে সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।
সব মিলিয়ে ‘দৃশ্যম ৩’-এর ট্রেলার বলছে, এবার বিজয় সালগাওকারের সামনে শুধু পুলিশ নয়, প্রতিশোধপরায়ণ মীরা, অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং অপরাধ দমন শাখার দক্ষ কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
ফলে এক দশক ধরে যে বুদ্ধির খেলায় বিজয় এগিয়ে ছিলেন, তার শেষ অধ্যায়টি যে আরও ভয়ংকর হতে চলেছে, ট্রেলারেই মিলেছে সেই ইঙ্গিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সাহিওয়াল জেলায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরকে সংঘবদ্ধভাবে বলাৎকারের অভিযোগে চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, টিকটক তারকা বানানোর লোভ দেখিয়ে ওই কিশোরকে ডেকে নিয়ে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা কয়েক বছর আগে মারা যান এবং এরপর থেকে সে তার মায়ের সঙ্গে বসবাস করছিল। ডন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই কিশোর নিয়মিতভাবে নিজের টিকটক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন ভিডিও আপলোড করত। প্রায় এক মাস আগে, এক ব্যক্তি তার কাছে ফোন করে। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ওই ব্যক্তি কিশোরকে টিকটক তারকা বানানোর প্রতিশ্রুতি দেন।
মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই ব্যক্তি কিশোরের সাথে যোগাযোগ করার পর সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) তার সঙ্গে সরাসরি দেখা করার জন্য সময় নির্ধারণ করেন। নির্ধারিত সময়ে দেখা করার পর, ওই ব্যক্তি কিশোরকে নিয়ে একটি বাসায় যান। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে ওই ব্যক্তি এবং তার এক সহযোগী অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে কিশোরকে মাদক সেবনে বাধ্য করেন। পরে আরও দুই ব্যক্তি তাদের সঙ্গে যোগ দেন। তারা কিশোরের মোবাইল ফোন নিয়ে নেন এবং কোমল পানীয়ের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে তাকে পান করতে দেন।
ভুক্তভোগী কিশোর পুলিশকে জানায়, নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ার পর উপস্থিত চার ব্যক্তি মিলে তাকে বলাৎকার করেন। একপর্যায়ে সে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সেখান থেকে চলে যান এবং তাকে ফেলে রেখে চলে যায়।
কিশোরটি পরে বাসায় ফিরে তার মাকে পুরো ঘটনাটি জানায়। ছেলের কাছ থেকে ঘটনা জানার পর তার মা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং বিষয়টি তাদের অবহিত করেন। পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন চারজনকে আসামি করে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেলটাউনে একদিনে তিন জায়গায় গোলাগুলি, কিশোরসহ নিহত ৩
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের সিয়াটল শহরের বেলটাউন এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনটি আলাদা গুলির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এই ঘটনায় ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরসহ মোট তিনজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। পুলিশ তদন্ত করছে, ঘটনার পেছনে কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না।
প্রথম গুলির ঘটনা ঘটে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে ডেনি ওয়ে ও ক্লে স্ট্রিট এলাকায়। সেখানে তিনজনের মধ্যে হাতাহাতির সময় গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। এতে দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। একই ঘটনার পর আরও এক পুরুষ ও এক নারী হাসপাতালে ভর্তি হন গুলিবিদ্ধ অবস্থায়। ফলে এই ঘটনায় মোট চারজন গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনার কিছুক্ষণ আগে এলাকায় স্ট্রিট রেসিং চলছিল, তবে পুলিশ জানিয়েছে যে, এর সঙ্গে গুলির ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই।
দুই ঘণ্টা পর, থার্ড অ্যাভিনিউ ও ব্ল্যানচার্ড স্ট্রিট এলাকায় দ্বিতীয় গুলির ঘটনা ঘটে। সেখানে পার্ক করা একটি গাড়ির ভেতর থেকে এক নারীকে গুরুতর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। পুলিশ জানায়, অজ্ঞাত এক ব্যক্তি গাড়িতে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়।
সবশেষ ঘটনাটি ঘটে রোববার রাত ১১টা ৪৪ মিনিটের পর, এলিয়ট অ্যাভিনিউ ও বেল স্ট্রিট এলাকায়। গুলির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এক কিশোর ও ২১ বছর বয়সী এক যুবককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে। চিকিৎসকরা ১৭ বছর বয়সী কিশোরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত যুবকটি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, গুলির ঘটনার পূর্বে সেখানে একটি হাতাহাতি হয়েছিল।
পুলিশ আপাতত মনে করছে, পর পর ঘটে যাওয়া এই তিনটি ঘটনার মধ্যে কোনো পারস্পরিক সম্পর্ক নেই। তবে একই এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনটি ঘটনার জন্য তদন্তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত এই ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার বা চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি এবং হামলার সুনির্দিষ্ট কারণও জানা যায়নি। ঘটনার বিষয়ে তথ্য থাকলে ২০৬-২৩৩-৫০০০ নম্বরে যোগাযোগ করে পুলিশকে সহায়তা করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে প্রবেশ করে কয়লা সংগ্রহের সময় প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশি যুবক ইউনুছ আলী।
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে কয়লা সংগ্রহের সময় মাটি ধসে ইউনুছ আলী (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু ঘটে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে, সীমান্তবর্তী তাহিরপুর উপজেলার চারাগাঁও সীমান্তের নিকটবর্তী একটি কয়লা কোয়ারিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ইউনুছ আলী তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের লালঘাট গ্রামের ছমির উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরের দিকে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি শ্রমিক দল কয়লা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে চারাগাঁও সীমান্তের গোপন পথ দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। পরে তারা ভারতের অভ্যন্তরে একটি কয়লা কোয়ারির গুহায় প্রবেশ করে কয়লা সংগ্রহ করতে থাকে। এক পর্যায়ে মাটি ধসে ইউনুছ আলী নিচে চাপা পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
এ সময় তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য শ্রমিকরা গুহা থেকে বের হয়ে বাংলাদেশে ফিরে এসে ইউনুছের পরিবারের সদস্যদের তার মৃত্যুর খবর জানান। পরে, স্বজন ও তার সঙ্গে থাকা শ্রমিকদের সহযোগিতায় দুপুর ১২টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
এ বিষয়ে তাহিরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ বলেন, "পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
সুনামগঞ্জ বিজিবি ব্যাটালিয়ন-২৮ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাকারিয়া কাদির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "নিহতের সঙ্গে থাকা অন্যদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করা হচ্ছে। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী ২৮০ জন ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিতকে সম্মানি দেবেন
আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার ২৭০ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এবং ১০ জন পুরোহিতকে সম্মানি প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সভা শেষে এই তথ্য জানান বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
জনপ্রশাসন উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার ২৭০ জন মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এবং ১০ জন পুরোহিতকে সম্মানি প্রদান করবেন। সচিবালয়ে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য মাসিক সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কর্তৃক গঠিত সেলের ৮ম সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
তিনি জানান, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানি প্রদানে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রথম বছরে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন সুবিধাভোগীকে এই ভাতা প্রদান করা হবে।
এছাড়াও আগামী ৪ বছরের মধ্যে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এই সম্মানির আওতায় আসবে।
মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, সম্মানি প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা কোনো ধরনের হয়রানি বা অনিয়ম ছাড়াই যথাসময়ে তাদের প্রাপ্য সম্মানি পান।
ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও জানান, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের কাছে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সম্মানি ভাতা পৌঁছে দিতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এর আওতায় ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম সফটওয়্যার ব্যবহার করে জি-টু-পি পদ্ধতিতে সম্মানি ভাতা প্রদান করা হবে।
মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও ইনপুটের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী মাসের প্রথমার্ধে সম্মানিভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে সম্মানি ভাতা (গত জুলাই থেকে) পৌঁছে দেওয়া হবে।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা-হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক) বিজন কান্তি সরকার, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (সচিব) এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য যে, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ অনুযায়ী ইতিমধ্যে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে (হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান) কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য মাসিক সম্মানি, উৎসব ভাতা প্রদান এবং দক্ষতা-উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অধিকতর আয়ের পথ সুগম করতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য সম্মানি ও কল্যাণ সহায়তা প্রদান নীতিমালা ২০২৬’ এর গেজেট জারি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ