ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বেলাবতে ৫৪৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার


বেলাবতে ৫৪৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

নরসিংদীর বেলাবতে অভিযান চালিয়ে ৫৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ ২৩ হাজার ৮৯০ টাকাসহ মো. সুমন মিয়া (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে বেলাব থানা পুলিশ।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বেলাব থানাধীন নারায়ণপুর ইউনিয়নের মরিচাকান্দি এলাকায় গ্ৰেফতার কৃত আসামির নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার সুমন মিয়া মরিচাকান্দা এলাকার মৃত আলকাছ মিয়ার ছেলে। অভিযানে তার কাছ থেকে ৫৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়া মাদক বিক্রির নগদ ২৩ হাজার ৮৯০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় গ্রেফতার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বনাথে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৩ পি.এম


বিশ্বনাথে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা গ্রেপ্তার

সিলেটের বিশ্বনাথে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের হওয়া মামলায় আবদুল কাইয়ুম (৪০) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার রাতে মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আবদুল কাইয়ুম, যিনি অলংকারী ইউনিয়নের অলংকারী গ্রামের মৃত তজম্মুল আলীর ছেলে, বর্তমানে বিশ্বনাথ পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসাবে পরিচিত।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতার হওয়া আসামির পাশাপাশি কার্যক্রম নিষিদ্ধ একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে শুক্রবার রাতেই বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করেন অলংকারী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি ইরন মিয়া।

নতুন এই মামলায় বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে বর্তমান সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্র, ত্রাস সৃষ্টি, এবং সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নাশকতার পরিকল্পনার বিষয়ও রয়েছে। অভিযানে অংশ নিয়ে রাতে গ্রেফতার করা হয় আবদুল কাইয়ুমকে, বর্তমানে তিনি পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক। পরে আজ দুপুরে তাকে সোর্পোদ করা হয় সিলেট আদালতে।

এই বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ গাজী মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এই মামলায় আবদুল কাইয়ুম নামে একজনকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১ হাজার ৭৩২ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১ হাজার ৭৩২ মামলা

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ১৭৩২টি মামলা করেছে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৮টি বাস, ২টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ৯টি সিএনজি ও ৩৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৪৪টি মামলা হয়েছে। একইভাবে, ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ৮টি বাস, ৭টি ট্রাক, ৪টি কাভার্ডভ্যান, ১৩টি সিএনজি ও ১০১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৬টি মামলা হয়েছে।

এছাড়া, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২৫টি বাস, ১টি ট্রাক, ২২টি কাভার্ডভ্যান, ৬৮টি সিএনজি ও ১৫৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩২২টি মামলা দায়ের হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩৫টি বাস, ১৯টি ট্রাক, ৫টি কাভার্ডভ্যান, ৭টি সিএনজি ও ৩১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩৫টি মামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১২টি বাস, ২টি ট্রাক, ৪টি কাভার্ডভ্যান, ১৫টি সিএনজি ও ৭৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৫টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ১৯টি বাস, ৩১টি ট্রাক, ৪৬টি কাভার্ডভ্যান, ২৯টি সিএনজি, ১৪৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৬৯টি মামলা নিবন্ধিত হয়েছে।

ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৩৮টি বাস, ১৪টি ট্রাক, ২৩টি কাভার্ডভ্যান, ৩০টি সিএনজি ও ৭১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৫২টি মামলা হয়েছিল। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৫৭টি বাস, ৩টি ট্রাক, ৪টি কাভার্ডভ্যান, ১৮টি সিএনজি ও ৪৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯৯টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

এছাড়াও, অভিযানকালে মোট ৫৪৩টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৩৪৫টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

বুধবার ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানের সময় এসব মামলা করা হয়।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হিন্দু-শিখ-জৈনদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হিন্দু-শিখ-জৈনদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত

বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে যাওয়া হিন্দু, শিখ ও জৈন শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগামী ছয় মাসের মধ্যে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে অবৈধভাবে বসবাসকারী অভিবাসীদের শনাক্ত করে তাদের সরিয়ে দেওয়ার জন্যও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

শনিবার, পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে ভারতের তিনটি নতুন ফৌজদারি আইন নিয়ে আয়োজিত এক প্রদর্শনীতে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন অমিত শাহ। তিনি জানান, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর আওতায় নাগরিকত্বের আবেদন প্রক্রিয়া ও চূড়ান্ত করার জন্য পশ্চিমবঙ্গের আটটি জেলার জেলা প্রশাসকদের বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

অমিত শাহ বলেন, “বাংলাদেশ থেকে বাধ্য হয়ে পালিয়ে আসা সব হিন্দু, শিখ ও জৈন শরণার্থীকে অবশ্যই মর্যাদার সঙ্গে এখানে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।” তিনি দাবি করেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যেই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ভারতে যাওয়া নির্দিষ্ট ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ তৈরি হয়েছে। আইনটির আওতায় হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের যেসব মানুষ নির্যাতন বা নিপীড়নের কারণে ওই তিন দেশ থেকে ভারতে এসেছেন এবং ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তারা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন।

এই আইন নিয়ে ভারতের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়কে এর আওতায় না রাখার বিষয়টি নিয়ে বিরোধী দল ও বিভিন্ন সংগঠন আপত্তি জানিয়েছেন। অন্যদিকে বিজেপি সরকারের দাবি, প্রতিবেশী তিন দেশে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্যই এই আইন করা হয়েছে।

শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়টির পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন অমিত শাহ। তিনি জানান, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সরকার ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’- অর্থাৎ শনাক্ত করা, তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং দেশ থেকে ফেরত পাঠানোর নীতি অনুসরণ করবে।

পশ্চিমবঙ্গের জনগণের উদ্দেশে অমিত শাহ বলেন, “আমি আবারও বাংলার মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিতে চাই- প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে শনাক্ত করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে।” তার এই মন্তব্যে পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অভিবাসীদের নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত থাকায় পশ্চিমবঙ্গে সীমান্ত পারাপার ও অভিবাসনের বিষয়টি বহু বছর ধরেই অত্যন্ত স্পর্শকাতর রাজনৈতিক ইস্যু। বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অভিবাসন ঠেকানো এবং সিএএ কার্যকর করার বিষয়কে রাজনৈতিক প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তুলে ধরেছে। অন্যদিকে রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ বিরোধীরা সিএএ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আপত্তি জানিয়েছেন।

শিলিগুড়ির বক্তব্যে মমতা বন্দ্যোপাধায়কেও সরাসরি আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, “মমতা দিদি, আপনি এটি গ্রহণ করেননি। কিন্তু আপনার সরকারও নেই, আপনিও নেই। এখন ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার।” অমিত শাহের এই বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সিএএ, নাগরিকত্ব, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং অব illegal অভিবাসন- এই চারটি ইস্যু নতুন করে সামনে চলে আসতে পারে।

অমিত শাহের বক্তব্য অনুযায়ী, সিএএর অধীনে নাগরিকত্বের আবেদন দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ ও চূড়ান্ত করার জন্য পশ্চিমবঙ্গের আটটি জেলার জেলা প্রশাসকদের বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর ফলে আবেদনকারীদের নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই উদ্যোগ বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হিন্দু, শিখ ও জৈন সম্প্রদায়ের যেসব মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করছেন, তাদের মধ্যে নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রত্যাশা বাড়াতে পারে। তবে নাগরিকত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইনের শর্ত, আবেদনকারীর যোগ্যতা এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাইয়ের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ থাকবে।

অমিত শাহের বক্তব্যে একই সঙ্গে দুটি পৃথক নীতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে- একদিকে সিএএর আওতায় যোগ্য শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত করা, অন্যদিকে অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে এই দুই বিষয়কে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত নিরাপত্তা ও জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত করে রাজনৈতিকভাবে তুলে ধরে আসছে। ফলে আগামী দিনে রাজ্যে নাগরিকত্বের আবেদন, সিএএ বাস্তবায়ন এবং অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিষয়গুলো রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

অমিত শাহ এসব মন্তব্য করেন শিলিগুড়িতে ভারতের তিনটি নতুন ফৌজদারি আইন নিয়ে আয়োজিত একটি প্রদর্শনীতে। আইন তিনটি হলো- • ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) • ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস) • ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম (বিএসএ) পুরোনো ভারতীয় দণ্ডবিধি, ফৌজদারি কার্যবিধি ও ভারতীয় সাক্ষ্য আইনের পরিবর্তে নতুন এই তিন আইন কার্যকর করেছে ভারত সরকার। প্রদর্শনীতে এসব আইনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন ইস্যুতেও নিজের সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার বক্তব্যে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া নির্দিষ্ট ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ তৈরি করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাল বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


কাল বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগামী রবিবার (২৩ আগস্ট) বঙ্গভবনে উঠবেন। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এই তথ্য জানিয়েছে।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা করবেন রাষ্ট্রপতি। বঙ্গভবনে যাওয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার আনুষ্ঠানিক বাসভবনে ওঠার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এর আগে শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

দীর্ঘকাল ধরে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্বে থাকা মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর দলীয় পদ থেকে সরে দাঁড়ান। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে তিনি নির্বাচিত হন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে শপথ নেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল।

শপথ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%