বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:১১ পি.এম
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ডাকাতের হামলার নাটক সাজিয়ে বড় জা রিগান আক্তার মিমকে (২৪) শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পারিবারিক কলহের কারণে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছেন তার আপন ছোট জা কাজী সুমাইয়া আক্তার মিনা (২৩)। এরই মধ্যে আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।
গত বুধবার (১৫ জুলাই) গভীর রাতে শাহরাস্তি পৌরসভার বত্তলা নামক এলাকায় নিজের বসতঘরে এ চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে চাঁদপুরের আদালতে জবানবন্দি দিতে গিয়ে মিনা হত্যার আদ্যোপান্ত তুলে ধরেন। জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেন, নানা কারণে বড় জা মিমের সঙ্গে তার বনিবনা হচ্ছিল না। এ কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে রাতে তাকে হত্যার পথ বেছে নেন। জবানবন্দি শেষে মিনাকে চাঁদপুর জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনা সম্পর্কে চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. লুৎফর রহমান জানান, বুধবার রাতে মিম খুন হওয়ার পর তার ছোট জা মিনা দাবি করেন, তাদের বসতঘরে ডাকাতদল হানা দেয়। ডাকাতরা তাকে বেঁধে রেখে মিমকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যায়।
লুৎফর রহমান আরও জানান, ঘটনার পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে পুলিশের সন্দেহ তৈরি হয়। একপর্যায়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিনাকে আটক করে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং আদালতে পুরো ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিনা ও মিম গ্রামের বাড়িতে একসঙ্গে বসবাস করতেন। এর মধ্যে মিমের স্বামী সাইফুল ইসলাম রনী ঢাকায় এবং মিনার স্বামী ইফতেখার আলম রিফাত বিদেশে থাকেন। দুই পরিবারে তিনটি শিশুসন্তানও রয়েছে। তবে একই বসতঘরের আরেকটি কক্ষে বয়োবৃদ্ধ দাদা শ্বশুর নূরুল ইসলাম থাকেন।
এদিকে, মেয়েকে হত্যার অভিযোগ এনে মিমের বাবা কবির হোসেন বাদী হয়ে মিনাকে আসামি করে শাহরাস্তি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শেখেরখীল মাছঘাট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড একটি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট, প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা মূল্যের ট্রলিং জাল ও ২ হাজার ১০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ জব্দ করেছে। এ সময় ১৩ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার এই অভিযান পরিচালিত হয়। বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি উপস্থাপন করে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড কন্টিনজেন্ট বাঁশখালী শেখেরখীল মাছ ঘাটসংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। এই অভিযানে একটি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট জব্দ করা হয়। পরে বোটটির তল্লাশি চালিয়ে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা মূল্যের ৭টি ট্রলিং জাল, ২ হাজার ১০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ এবং ১৩ জন জেলেকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, জব্দ করা আর্টিসানাল ট্রলিং বোট, ট্রলিং জাল ও সামুদ্রিক মাছ এবং আটক জেলেদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা আরো বলেন, দেশের সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান চালায়। ভবিষ্যতেও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় তিনি দুর্গত পরিবারের খোঁজখবর নেন, ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে প্রতিমন্ত্রী খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পাশাপাশি দীঘিনালা উপজেলার কবাখালী ইউনিয়নের বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এর পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির সার্বিক চিত্র সম্পর্কে অবগত হন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নিতে এখানে এসেছি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট আমরা উপলব্ধি করি। কেউ নিজেকে একা মনে করবেন না—নির্বাচিত সরকার আপনাদের পাশে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, বন্যার শুরু থেকেই জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপির নেতাকর্মীরা দুর্গত মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা করে আসছেন এবং এই সহায়তা প্রয়োজন অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে।
পরিদর্শনকালে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রয়োজন দ্রুত নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স অভিযোগ করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান আলোচনাকে ভণ্ডুল করার জন্য ইসরাইলের পক্ষ থেকে অর্থায়ন করা একটি প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) মার্কিন ক্রীড়া ভাষ্যকার, কৌতুক অভিনেতা, অভিনেতা এবং সাবেক টেলিভিশন উপস্থাপক জো রোগানের জনপ্রিয় দ্য জো রোগান এক্সপেরিয়েন্স পডকাস্টে ভ্যান্স বলেন, ‘আপনারা একটি অত্যন্ত গোপনীয় এবং বিপুল অর্থায়নে পরিচালিত প্রচারণা দেখতে পাচ্ছেন, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে আলোচনা এবং সম্ভাব্য চুক্তিকে নস্যাৎ করা।’
তিনি আরও দাবি করেছেন, ‘একদল মানুষ, যারা আক্ষরিক অর্থেই ট্রাম্পের সাবেক এক প্রচারকর্মীর মাধ্যমে অর্থ পাচ্ছেন। ওই ব্যক্তি নিজেও ইসরাইলি সরকারের নির্দিষ্ট কিছু মহলের কাছ থেকে অর্থ পেয়েছিলেন। আর সেই লোকেরাই আমাকে তীব্রভাবে আক্রমণ করছে।’
টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক প্রচার ব্যবস্থাপক ব্র্যাড পারস্কেল এমন একটি প্রভাব বিস্তারকারী প্রচারণার নেতৃত্ব দিয়েছেন, যা ইসরাইল সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত হয়েছে। ওই প্রচারণার লক্ষ্য ছিল ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন (মাগা)’ সমর্থকদের মধ্যে ইসরাইলপন্থি অবস্থান জোরদার করা।
ভ্যান্স বলেছেন, ‘আমাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, কারণ আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্ধারিত আলোচনার লক্ষ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছি। এটি ছিল আলোচনাকে ব্যাহত করার জন্য অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও বিপুল অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রচারণা।’
গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রকাশিত টাইমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্র্যাড পারস্কেলের প্রতিষ্ঠান ক্লক টাওয়ার এক্স গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ইসরাইলের পক্ষে একটি প্রভাব বিস্তারকারী প্রচারণা পরিচালনা করে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন এজেন্টস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট (ফারা)–সংক্রান্ত নথির ভিত্তিতে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রচারণাটির আনুষ্ঠানিক উদ্দেশ্য ছিল অনলাইনে ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবিলা করা। তবে ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার ভাষ্য, প্রকৃত লক্ষ্য ছিল তরুণ রক্ষণশীল মার্কিনিদের মধ্যে ইসরাইলবিরোধী মনোভাব তৈরি হওয়া ঠেকানো।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসে ইরান যুদ্ধ অবসানে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) সমালোচনা করে একযোগে প্রকাশিত একাধিক পোস্ট ট্রাম্প প্রশাসনের নজরে আসে। টাইমের দাবি, এগুলো ওই প্রভাব বিস্তারকারী প্রচারণার অংশ হতে পারে।
তবে ব্র্যাড পারস্কেল স্বীকার করেছেন যে, তরুণ মার্কিনিদের ইসরাইলবিরোধী অবস্থান থেকে বিরত রাখাই ছিল প্রচারণার উদ্দেশ্য। ট্রাম্প প্রশাসনের ইরান-সংক্রান্ত কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা এর লক্ষ্য ছিল না বলেও তিনি জানান।
মধ্যপ্রাচ্য নীতি ও বিশেষ করে ইসরাইলকে সমর্থন দেওয়ার প্রশ্নে মার্কিন রাজনীতিতে এক অভূতপূর্ব মেরুকরণ তৈরি হয়েছে। ভ্যান্সের এই বিস্ফোরক মন্তব্য এই বিভাজনকে আরও উস্কে দিয়েছে। ভ্যান্সের এই অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘকাল ধরে অননুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকাসহ অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক এডিসি মো. মাসুদুর রহমান মনিরকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে এই সম্পর্কিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর স্বাক্ষর করা ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে যে, মাসুদুর রহমান মনির বরিশাল র্যাব-৮ সিপিএসসির ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) অবস্থায় ১৩ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছানায় কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে তার অফিস কক্ষে তল্লাশি করার সময় ১০ দিনের ছুটির আবেদনপত্র উদ্ধার করা হয়। এরপর একই বছরের ১৮ নভেম্বর, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে তিনি ডাক্তারি পরামর্শপত্রসহ ৪ সপ্তাহের মেডিকেল ছুটির আবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠান।
কিন্তু, ছুটির উভয় আবেদন বিধি সম্মত না হওয়ায় সেগুলো ১৫ ডিসেম্বর র্যাব সদর দপ্তর থেকে বরিশাল র্যাব-৮ এর অধিনায়ক বরাবর পাঠানো হয়। পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া তার কর্মস্থলে অনুপস্থিতের সময়কাল ৬০ দিনের অধিক হওয়ায় পুলিশ অধিদপ্তর কর্তৃক ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। সবশেষ বুধবার, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) ও ৩(গ) বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় তদন্তে দীর্ঘকাল ধরে কর্মস্থলে অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত থাকা, অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এর আগে ৯ জুলাই, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ লঙ্ঘনের জন্য এএসপিসহ ৪ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। ওইদিন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে পৃথক চারটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তাদের বরখাস্তের বিষয়টি জানানো হয়।
চাকরি হারানো ওই ৪ কর্মকর্তা হলেন, রাজারবাগের পুলিশ টেলিকম সংস্থার টেলিকম অফিসার (এএসপি) মো. মাহমুদুল হাসান, র্যাব-১৪ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল চাকমা, জামালপুরের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিশু বিশ্বাস এবং ময়মনসিংহের সাবেক শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার আফজালুন নেছা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ