মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি,
বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:১৭ পি.এম
সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় তিনি দুর্গত পরিবারের খোঁজখবর নেন, ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে প্রতিমন্ত্রী খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পাশাপাশি দীঘিনালা উপজেলার কবাখালী ইউনিয়নের বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এর পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির সার্বিক চিত্র সম্পর্কে অবগত হন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নিতে এখানে এসেছি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট আমরা উপলব্ধি করি। কেউ নিজেকে একা মনে করবেন না—নির্বাচিত সরকার আপনাদের পাশে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, বন্যার শুরু থেকেই জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপির নেতাকর্মীরা দুর্গত মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা করে আসছেন এবং এই সহায়তা প্রয়োজন অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে।
পরিদর্শনকালে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রয়োজন দ্রুত নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স অভিযোগ করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান আলোচনাকে ভণ্ডুল করার জন্য ইসরাইলের পক্ষ থেকে অর্থায়ন করা একটি প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) মার্কিন ক্রীড়া ভাষ্যকার, কৌতুক অভিনেতা, অভিনেতা এবং সাবেক টেলিভিশন উপস্থাপক জো রোগানের জনপ্রিয় দ্য জো রোগান এক্সপেরিয়েন্স পডকাস্টে ভ্যান্স বলেন, ‘আপনারা একটি অত্যন্ত গোপনীয় এবং বিপুল অর্থায়নে পরিচালিত প্রচারণা দেখতে পাচ্ছেন, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে আলোচনা এবং সম্ভাব্য চুক্তিকে নস্যাৎ করা।’
তিনি আরও দাবি করেছেন, ‘একদল মানুষ, যারা আক্ষরিক অর্থেই ট্রাম্পের সাবেক এক প্রচারকর্মীর মাধ্যমে অর্থ পাচ্ছেন। ওই ব্যক্তি নিজেও ইসরাইলি সরকারের নির্দিষ্ট কিছু মহলের কাছ থেকে অর্থ পেয়েছিলেন। আর সেই লোকেরাই আমাকে তীব্রভাবে আক্রমণ করছে।’
টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক প্রচার ব্যবস্থাপক ব্র্যাড পারস্কেল এমন একটি প্রভাব বিস্তারকারী প্রচারণার নেতৃত্ব দিয়েছেন, যা ইসরাইল সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত হয়েছে। ওই প্রচারণার লক্ষ্য ছিল ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন (মাগা)’ সমর্থকদের মধ্যে ইসরাইলপন্থি অবস্থান জোরদার করা।
ভ্যান্স বলেছেন, ‘আমাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, কারণ আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্ধারিত আলোচনার লক্ষ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছি। এটি ছিল আলোচনাকে ব্যাহত করার জন্য অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও বিপুল অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রচারণা।’
গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রকাশিত টাইমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্র্যাড পারস্কেলের প্রতিষ্ঠান ক্লক টাওয়ার এক্স গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ইসরাইলের পক্ষে একটি প্রভাব বিস্তারকারী প্রচারণা পরিচালনা করে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন এজেন্টস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট (ফারা)–সংক্রান্ত নথির ভিত্তিতে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রচারণাটির আনুষ্ঠানিক উদ্দেশ্য ছিল অনলাইনে ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবিলা করা। তবে ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার ভাষ্য, প্রকৃত লক্ষ্য ছিল তরুণ রক্ষণশীল মার্কিনিদের মধ্যে ইসরাইলবিরোধী মনোভাব তৈরি হওয়া ঠেকানো।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসে ইরান যুদ্ধ অবসানে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) সমালোচনা করে একযোগে প্রকাশিত একাধিক পোস্ট ট্রাম্প প্রশাসনের নজরে আসে। টাইমের দাবি, এগুলো ওই প্রভাব বিস্তারকারী প্রচারণার অংশ হতে পারে।
তবে ব্র্যাড পারস্কেল স্বীকার করেছেন যে, তরুণ মার্কিনিদের ইসরাইলবিরোধী অবস্থান থেকে বিরত রাখাই ছিল প্রচারণার উদ্দেশ্য। ট্রাম্প প্রশাসনের ইরান-সংক্রান্ত কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা এর লক্ষ্য ছিল না বলেও তিনি জানান।
মধ্যপ্রাচ্য নীতি ও বিশেষ করে ইসরাইলকে সমর্থন দেওয়ার প্রশ্নে মার্কিন রাজনীতিতে এক অভূতপূর্ব মেরুকরণ তৈরি হয়েছে। ভ্যান্সের এই বিস্ফোরক মন্তব্য এই বিভাজনকে আরও উস্কে দিয়েছে। ভ্যান্সের এই অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘকাল ধরে অননুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকাসহ অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক এডিসি মো. মাসুদুর রহমান মনিরকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে এই সম্পর্কিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর স্বাক্ষর করা ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে যে, মাসুদুর রহমান মনির বরিশাল র্যাব-৮ সিপিএসসির ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) অবস্থায় ১৩ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছানায় কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে তার অফিস কক্ষে তল্লাশি করার সময় ১০ দিনের ছুটির আবেদনপত্র উদ্ধার করা হয়। এরপর একই বছরের ১৮ নভেম্বর, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে তিনি ডাক্তারি পরামর্শপত্রসহ ৪ সপ্তাহের মেডিকেল ছুটির আবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠান।
কিন্তু, ছুটির উভয় আবেদন বিধি সম্মত না হওয়ায় সেগুলো ১৫ ডিসেম্বর র্যাব সদর দপ্তর থেকে বরিশাল র্যাব-৮ এর অধিনায়ক বরাবর পাঠানো হয়। পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া তার কর্মস্থলে অনুপস্থিতের সময়কাল ৬০ দিনের অধিক হওয়ায় পুলিশ অধিদপ্তর কর্তৃক ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। সবশেষ বুধবার, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) ও ৩(গ) বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় তদন্তে দীর্ঘকাল ধরে কর্মস্থলে অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত থাকা, অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এর আগে ৯ জুলাই, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ লঙ্ঘনের জন্য এএসপিসহ ৪ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। ওইদিন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে পৃথক চারটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তাদের বরখাস্তের বিষয়টি জানানো হয়।
চাকরি হারানো ওই ৪ কর্মকর্তা হলেন, রাজারবাগের পুলিশ টেলিকম সংস্থার টেলিকম অফিসার (এএসপি) মো. মাহমুদুল হাসান, র্যাব-১৪ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল চাকমা, জামালপুরের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিশু বিশ্বাস এবং ময়মনসিংহের সাবেক শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার আফজালুন নেছা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে খাগড়াছড়ি সফরে গেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বৃহস্পতিবার তিনি বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার শাহাদাত।
সভায় প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উল্লেখ করেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িঘর মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, কৃষিতে যাদের ক্ষতি হয়েছে, তাদের পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রণোদনা প্রদান করা হবে।
তিনি আরো জানিয়েছেন, সরকার বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকবে। যেসব সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলোর সংস্কারকাজ দ্রুত শুরু করা হবে। এ ছাড়া, আগামী মাস থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করা হবে বলেও তিনি জানান।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি-সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিসহ সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিচ্ছেদ নিয়ে আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই সন্তানেরা তাকে মিস করছে এমন একটি আবেগঘন পোস্ট করেছেন বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরনো একটি ভিডিও শেয়ার করে নিজের কষ্ট, মানসিক আঘাত এবং সুস্থ হয়ে ওঠার সংগ্রামের কথা তুলে ধরেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, সেলিনা তার দুই ছেলের সঙ্গে সময় কাটানোর পুরনো মুহূর্ত স্মরণ করেছেন। ভিডিওটির সঙ্গে সেলিনা লেখেন, ‘ভাঙা টুকরোগুলোও যে আরো ভেঙে যেতে পারে, তা নিজের হৃদয় দেখার আগে বুঝিনি। আমি আমার তিন ছেলেকে মিস করছি। তাদের আবার জীবনে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় আছি।’
ইনস্টাগ্রামে দেওয়া একটি দীর্ঘ পোস্টে সেলিনা বলেছেন, ‘মানুষ তাকে শক্ত মনে করলেও কষ্ট এবং মানসিক আঘাত তাকে শক্ত করেনি। বরং বারবার ভেঙে দিয়েছে’। তিনি উল্লেখ করেন, ‘মানুষ বলে, মানসিক আঘাত তোমাকে শক্ত করেছে। কিন্তু এটা সত্য নয়। মানসিক আঘাত আমাকে গড়ে তোলেনি, বরং ভেঙে দিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যখনই মনে হয় আমি নিজেকে সামলে নিয়েছি, তখনই পুরোনো ক্ষত আবার জেগে ওঠে। স্মৃতি ফিরে আসে এবং হৃদয়ে নতুন করে কষ্ট হয়।’
এমন পরিস্থিতিতে সেলিনা কিছুটা নিজেকে গুটিয়ে নেন। তিনি বলেছেন, এটি নিজের কষ্ট থেকে পালানোর জন্য নয়, বরং তা সামলে বেঁচে থাকার জন্যই এমন করেন।
সেলিনা বলেন, ‘মানসিক আঘাত তার জীবনের কিছু অংশ ও নিজের পরিচয়ের কিছুটা কেড়ে নিয়েছে। তবে মানুষ তার মধ্যে যে শক্তি দেখে, তা কষ্ট থেকে আসেনি। বরং প্রতিবার ভেঙে পড়ার পরও সুস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত থেকেই সেই শক্তি এসেছে।’
এদিকে, তার স্বামী পিটার হাগের সঙ্গে বিচ্ছেদের আইনি লড়াই চলছে। গত বছর পিটার অস্ট্রিয়ার আদালতে বিচ্ছেদের আবেদন করেন। সম্প্রতি সেলিনার অভিযোগের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশ পিটারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। শারীরিক নির্যাতন, নিষ্ঠুরতা, হুমকি ও দীর্ঘদিনের হয়রানির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে সেলিনা জেটলি পিটার হাগকে বিয়ে করেন। ২০১২ সালে তাদের যমজ ছেলে জন্মগ্রহণ করে। ২০১৭ সালে সেলিনা আবার যমজ সন্তানের জন্ম দেন। তবে তাদের একজন জন্মের কিছুদিন পরে মারা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ