ঢাকা শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৭শে ভাদ্র, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৮শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ইং ২৭শে ভাদ্র, ১৪৩২বাং

ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে মালাউই


ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে মালাউই

বিশ্ব ফুটবলে মালাউই একটি খুব পরিচিত নাম নয়। দেশটি আফ্রিকার ফুটবলেও অনেকটা আড়ালে রয়েছে। তবে মালাউই এবার তৈরি করেছে এক অসাধারণ রূপকথা। উইমেন’স আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতায় এবার তারা প্রথমবারের মতো ফিফা নারী বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে।

রবিবার মরক্কোর রাবাতে কোয়ার্টার-ফাইনালে আফ্রিকার অন্যতম শক্তিশালী দল ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাসে পা রেখেছে মালাউই। এই জয়টি কতটা বিস্ময়কর, তা বোঝা যায় দুই দলের ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে চোখ রাখলেই। মালাউইয়ের অবস্থান ১৫৩ নম্বরে, অন্যদিকে ঘানা রয়েছে ৬০ নম্বরে।

নারী ফুটবলে মালাউইয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল এই শতাব্দীর শুরুর দিকে। ২০০২ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিল এই দল, আর এবার তারা পা রাখতে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারক মাসুদুর রহমান আটক

টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই অসাধারণ চমক দেখিয়েছে মালাউই। প্রথম ম্যাচেই তারা ৩-২ গোলে আফ্রিকার রেকর্ড ১০ বারের চ্যাম্পিয়ন নাইজেরিয়াকে হারিয়ে দেয়। র‍্যাঙ্কিংয়ে মালাউইয়ের চেয়ে ১১৭ ধাপ এগিয়ে থাকা নাইজেরিয়াকে হারিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের পরিচয় দিয়েছে তারা।

এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে তারা মিশরকে ৩-১ গোলে পরাজিত করেছে। র‍্যাঙ্কিংয়ে ৫৪ ধাপ এগিয়ে থাকা মিশরের বিরুদ্ধে তাদের পারফরম্যান্স ছিল অতুলনীয়। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে, যদিও ৮৮ ধাপ এগিয়ে থাকা জাম্বিয়ার কাছে হারতে হয়েছে তাদের, তবুও মুখোমুখি লড়াইয়ের ফলের ভিত্তিতে তারা গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবেই কোয়ার্টার-ফাইনালে উন্নীত হয়েছে।

কোয়ার্টার-ফাইনালেও থেমে যায়নি তাদের রূপকথার যাত্রা। তিনবারের বিশ্বকাপ খেলা ঘানাকে হারিয়ে তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মূলপর্ব নিশ্চিত করেছে।

উইমেন’স আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের সেমি-ফাইনালে ওঠা চারটি দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। মালাউইয়ের আগে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে আলজেরিয়া, স্বাগতিক মরক্কো এবং ক্যামেরুন।

আরও পড়ুন: এনবিআরের আন্দোলনে শাস্তি পাওয়া ৩ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ

সেমি-ফাইনালে মালাউইয়ের প্রতিপক্ষ হবে আলজেরিয়া। অন্য ম্যাচে স্বাগতিক মরক্কোর মুখোমুখি হবে ক্যামেরুন। তাই এবারের উইমেন’স আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সে নতুন চ্যাম্পিয়ন পাওয়াও নিশ্চিত।

এদিকে, আগের নয়টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী নাইজেরিয়া এবার কোয়ার্টার-ফাইনালে ক্যামেরুনের কাছে হেরে গেছে। তবে তাদের বিশ্বকাপের স্বপ্ন পুরোপুরি শেষ হয়নি। জটিল প্লে-অফের মাধ্যমে আফ্রিকার আরও দুটি দল বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ পাবে।

নারী বিশ্বকাপের দশম আসর আগামী জুন-জুলাইয়ে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর সেই বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো দেখা যাবে মালাউইকে—যার যাত্রা মাত্র ২৪ বছর আগে শুরু হয়েছিল।

আরও পড়ুন: স্থায়ী কমিটিগুলোকে অকার্যকর করার চেষ্টা না করতে নাহিদের আহ্বান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের ‌প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আগ্রহ চীনের, বদলাতে পারে সমীকরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ এম


সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের ‌প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আগ্রহ চীনের, বদলাতে পারে সমীকরণ

পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির' পর, চীন মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বেইজিংয়ের এই অবস্থান নিয়ে কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাইরে নতুন সমীকরণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছেন।

তিন দেশের মধ্যে গত ৭ আগস্ট মক্কায় স্বাক্ষরিত চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যদি তাদের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র হামলা হয়, তবে সেটিকে তিন দেশের সবার বিরুদ্ধে হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। এর ফলে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এই চুক্তিকে ন্যাটোর পাঁচ নম্বর অনুচ্ছেদের সঙ্গে তুলনা করেছেন। কিন্তু তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, চুক্তিটি কোন নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত হবে না।

এই চুক্তির আওতায় তিন দেশ গোয়েন্দা তথ্য, সামরিক সহযোগিতা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহায়তার সমন্বয় করবে। সৌদি আরবে স্থায়ী একটি সচিবালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে।

ভবিষ্যতে এই কাঠামোতে আরও দেশ যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন হাকান ফিদান। বিশেষ করে মিসরের অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা চলছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বৃহত্তর সামরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন এবং ন্যাটোর আদলে একটি বিস্তৃত ইসলামিক নিরাপত্তা কাঠামোর পক্ষে মত দিয়েছেন।

চীনের আগ্রহ কেন গুরুত্বপূর্ণ:

এই প্রেক্ষাপটে চীনের অবস্থান বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি বেইজিংয়ে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার মহাসচিব হুসেইন ইব্রাহিম তাহার সঙ্গে বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইসলামিক দেশগুলোর সঙ্গে নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন।

বেইজিংয়ের মতে, আঞ্চলিক সংঘাতের রাজনৈতিক সমাধান, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৈধ অধিকার রক্ষায় ইসলামিক দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করতে বদ্ধপরিকর চীন।

এছাড়া উন্নয়ন, নিরাপত্তা, সভ্যতা ও বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা—এই চারটি ক্ষেত্রে মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব জোরদারের কথা উল্লেখ করেছে দেশটি।

চীন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে আরও ন্যায়সংগত করতে শক্তির রাজনীতি ও 'জঙ্গলের আইন'-এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

নতুন নিরাপত্তা সমীকরণের সম্ভাবনা:

পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের প্রতিরক্ষা চুক্তি এবং মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে চীনের নিরাপত্তা সহযোগিতার জন্য আগ্রহ দেখানোর মধ্য দিয়ে সরাসরি একই উদ্যোগের প্রতিফলন নেই। তবে দুটি প্রবণতা একই সময়ে সমান্তরালে চলায় এর কৌশলগত গুরুত্ব বেড়ে যেতে পারে।

বিশেষভাবে পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং তুরস্কের বেড়ে চলা আঞ্চলিক প্রভাব নতুন ধরনের সহযোগিতার সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে ভবিষ্যতে।

এ কারণে নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির সাথে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও নতুন সংযোগ গড়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।

মক্কা চুক্তিকে শুধুমাত্র পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তা কাঠামোয় সম্ভাব্য পরিবর্তনের সূচনা হিসেবেও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী বোর্ডে এসএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, কমেছে জিপিএ ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ এম


রাজশাহী বোর্ডে এসএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, কমেছে জিপিএ ৫

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে, গত সাত বছরের তুলনায় দুটিই পাসের হার ও জিপিএ ৫ কমেছে। বোর্ডের সাত বছরের তুলনামূলক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে যে, ২০২৬ সালে পাসের হার নেমে এসেছে ৬৩.৬৭ শতাংশে।

একই সঙ্গে ১৬ হাজার ৬১৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছে।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৭৭.৬৩ শতাংশ। সেবার জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২২ হাজার ৩২৭ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে প্রায় ১৪ ভাগেরও বেশি এবং জিপিএ ৫ কমেছে প্রায় ৫ হাজার ৭০০ জন।

এর আগে, ২০২৪ সালে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮৯.২৬ শতাংশ। সে বছর জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৮ হাজার ৭৪ জন। ২০২৩ সালে পাসের হার ছিল ৮৭.৮৯ শতাংশ, আর জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৬ হাজার ৮৭৭ জন। ২০২২ সালে পাসের হার ছিল ৮৫.৮৮ শতাংশ, এবং জিপিএ ৫-এর সংখ্যা ছিল ৪২ হাজার ৫২৭।

এক্ষেত্রে ২০২১ সালে পাসের হার আরো বেশি ছিল। ওই বছরে ৯৪.৭১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল এবং জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৯ হাজার ৭০৯ জন। ২০২০ সালে পাসের হার ছিল ৯০.৭৯ শতাংশ, জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৬ হাজার ৬৬৯ জন।

সাত বছরের পাসের হার ও জিপিএ ৫ এর বিশ্লেষণ:

২০২৬ : ৬৩.৬৭% ১৬,৬১৩

২০২৫ : ৭৭.৬৩% ২২,৩২৭

২০২৪ : ৮৯.২৬% ২৮,০৭৪

২০২৩ : ৮৭.৮৯% ২৬,৮৭৭

২০২২ : ৮৫.৮৮% ৪২,৫২৭

২০২১ : ৯৪.৭১% ২৯,৭০৯

২০২০ : ৯০.৭৯% ২৬,৬৬৯

এদিকে, পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে যে, সাত বছর ধরে মেয়েদের পাসের হার ছেলেদের তুলনায় বেশি। ২০২৬ সালে মেয়েদের পাসের হার ৭০.৭৩ শতাংশ, আপেক্ষিকভাবে ছেলেদের পাসের হার ৫৭.৩৩ শতাংশ।

২০২৫ সালে মেয়েদের পাসের হার ছিল ৮২.০১ শতাংশ, আর ছেলেদের পাসের হার ছিল ৭৩.৬৪ শতাংশ। ২০২৪ সালে মেয়েদের পাসের হার ৯১.৯০ শতাংশ ছিল এবং ছেলেদের ৮৬.৭৮ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে।

জিপিএ ৫-এর ক্ষেত্রেও ২০২৬ সালে মেয়েরা এগিয়ে। সেই বছর জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৮ হাজার ৯৯১ জন ছাত্রী এবং ৭ হাজার ৬২২ জন ছাত্র ছিলেন।

সাত বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে, জিপিএ ৫ এর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বছর ২০২২ ছিল। ওই বছর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ৪২ হাজার ৫২৭ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল। পরবর্তী বছরেই তা নেমে আসে ২৬ হাজার ৮৭৭ জনে।

২০২৪ সালে কিছুটা বেড়ে ২৮ হাজার ৭৪ জন হয়, ২০২৫ সালে কমে ২২ হাজার ৩২৭ জনে এবং ২০২৬ সালে আরো কমে ১৬ হাজার ৬১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে জিপিএ ৫ কমেছে প্রায় ২৫ হাজার ৯০০ জন। অন্যদিকে ২০২৪ সালের তুলনায় এটি কমেছে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ জন।

শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলির সংখ্যাও কমেছে। ২০২৬ সালে বোর্ডের ৩৫টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাস করেছে। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা ছিল ৯৯টি। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ২৮৯টি, ২০২৩ সালে ১৭৮টি, ২০২২ সালে ১৪৭টি, ২০২১ সালে ৩৯৮টি এবং ২০২০ সালে ৩০৮টি। অর্থাৎ, শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাতেও ২০২৬ সালে বড় একটি পতন পরিলক্ষিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থাইল্যান্ডে সরকারি অফিসে গুলি, সন্দেহভাজন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


থাইল্যান্ডে সরকারি অফিসে গুলি, সন্দেহভাজন আটক

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উপকণ্ঠে অবস্থিত ননথাবুরি প্রদেশের একটি সরকারি কার্যালয়ে গুলির ঘটনায় একজন সরকারি কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিকে এখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনা আজ সোমবার (১০ আগস্ট) ঘটে।

প্রদেশটির উপগভর্নর অপিচাই আরামস্রি জানায়, গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে এক সাবেক আইনপ্রণেতাকে আটক করা হয়েছে।

ননথাবুরি প্রদেশের একটি স্কুলে, গত শুক্রবার, এক শিক্ষার্থী গুলি চালিয়ে ছয়জনকে হত্যা করে এবং পরে নিজেও আত্মহত্যা করে বলে জানা গেছে। এর আগে, সেই শিক্ষার্থী তার দাদা-দাদিকে গুলি করে হত্যা করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

প্রায় চার বছরের মধ্যে এটিকে থাইল্যান্ডের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্দুক হামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ড : ১৮ বিদ্যালয়ের সবাই ফেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৮ এম


দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ড : ১৮ বিদ্যালয়ের সবাই ফেল

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত হওয়া এসএসসি পরীক্ষায় ১৮টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীর পাস করার সুযোগ হয়নি। এই ১৮টি বিদ্যালয় থেকে মোট ১২৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন।

সোমবার দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. বোরহান উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রকাশিত ফলাফলের ভিত্তিতে দেখা যায়, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রংপুর বিভাগের অন্তর্গত ৮টি জেলার ১৮টি বিদ্যালয় থেকে ১২৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। কিন্তু, উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই বিদ্যালয়গুলো থেকে কেউই পাশ করতে পারেনি।

এই ১৮টি বিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার কুমারপুর উচ্চ স্কুল, যেখানে ১৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়; ঘাসিপুর উচ্চ স্কুলের ১৫ জন পরীক্ষার্থী; গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫ জন; পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহারপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩ জন; নীলফামারী জেলার ডোমার থানার আমবাড়ী বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ জন; কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার তালতলা উচ্চ স্কুলে ১২ জন; ব্রাহ্মনপাড়া উচ্চ স্কুলে ৪ জন এবং সদর উপজেলার পূর্ব কুমারপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।

তাছাড়া, ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ জন, লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার এএম রাথবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫ জন, দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯ জন, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা আদর্শ উচ্চ স্কুলে ৪ জন, অনভারডিঘি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ জন, মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫ জন, তাওরিগাঁ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫ জন, হরিপুর উপজেলার রামপুর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩ জন এবং পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার বালারামহাট মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১ জন ও বোদা সর্দারপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৮শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:২৭
জোহর ১১:৫৬
আসর ০৪:২২
মাগরিব ০৬:০৭
ইশা ০৭:১৮
সূর্যোদয় : ০৫:৪৩ সূর্যাস্ত : ০৬:০৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%