মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৯:৪৪ পি.এম
জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, শেখ হাসিনা ও রেহেনার পরিবারের কেউ বাংলাদেশী ও মুসলিম না। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর রেলস্টেশনে এনসিপি আয়োজিত পদযাত্রা পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে শেখ মজিবুর রহমান বাকশাল কায়েম করেন। তিনি ১৯৭২-৭৫ পর্যন্ত স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ পরিচালনা করেছেন। তার সুযোগ্য মেয়ে শেখ হাসিনাও একই কায়দায় গত ১৫ বছর দেশ পরিচালনা করেছেন। তিনি বিজিবি ও জনসাধারণের সীমান্তে পুশইনের বিরুদ্ধে অবস্থানের প্রশংসা করে বিজিবিকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। এর আগে সন্ধ্যায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী থেকে সড়ক পথে রহনপুর কলেজ মোড় থেকে গণভোট বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান ও সীমান্ত সুরক্ষার দাবীতে করা ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে অংশ নেন। পদযাত্রা করে তিনি রহনপুর কলোনি মোড়-স্টেশন রোড হয়ে রহনপুর রেলস্টেশন এলাকায় সমাবেশে মিলিত হন। এ সময় উপজেলা এসসিপি’র ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. আবু মাসুদ মাস্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ডক্টর আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম সদস্য সচিব এস এম সাঈফ মুস্তাফিজ, জাতীয় নাগরিক শক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক জাহিদ হাসান, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয় নারী শক্তির সভাপতি মনিরা শারমিন, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন, এনসিপি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কমিটির সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম এবং জাতীয় শ্রমিক শক্তির মনিরুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলায় আজ ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় ১৩ জনকে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে শেরপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপকারভোগীদের মধ্যে মুদি দোকানী সামগ্রী, কাঁচামাল ও ছাগলসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়।
এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা।
শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিকের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসলিমা খানম নীলু, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. মাহমুদুল হাসান, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা কৃষক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম গোল্ডেন, সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসের সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩ জন ভিক্ষুককে পুনর্বাসন ও স্বাবলম্বী করতে মুদি দোকানী সামগ্রী, কাঁচামাল ও ছাগলসহ বিভিন্ন উপকরণ প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুদ্ধ চলাকালীন ইরান ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতা তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, বলে জানান দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাজিদ ইবন আল-রেজা। এ তথ্য আলজাজিরা জানিয়েছে, যা ইরানের তাসনিম নিউজের বরাতে এসেছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রতিক যুদ্ধ দেখিয়ে দিয়েছে যে ইরানি মেধাবী জনশক্তি এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে বিনিয়োগই দেশের প্রতিরক্ষা শক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।’
তিনি আরো জানান, ‘যুদ্ধের চরম মুহূর্তেও প্রতিরক্ষা উৎপাদন বন্ধ হয়নি; বরং ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতা তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।’
ইরানের দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধকালীন সময়ে প্রযুক্তিগত অবকাঠামো ও গবেষণায় বিনিয়োগের ফলেই এই উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষা, জনশক্তি উন্নয়ন ও কৃষিতে প্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেন। ছবিঃ মন্ত্রণালয়
দেশে বিদ্যমান বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যমে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বা জনমিতিক লভ্যাংশের সুবিধা কাজে লাগাতে বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আজ শনিবার গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সুফিয়া কামাল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (গাজীপুর-২) এম মঞ্জুরুল করিম রনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে যে বিপুল পরিমাণ কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও নেই। এই বিশাল তরুণ প্রজন্মকে যদি আমরা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারি, তবে দেশ কোনোভাবেই পিছিয়ে থাকবে না। জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করাই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য। সে কারণেই সরকার শিক্ষা খাতকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে।’
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আমাদের দেশে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার পর ভর্তি জটে শিক্ষার্থীদের প্রায় দুই বছর সময় নষ্ট হয়ে যায়, যা দেশের জন্য একটি বড় ক্ষতি। এই দীর্ঘ সময় অপচয়ের কারণে আমরা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে সফলভাবে কাজে লাগাতে পারছি না। শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে যেন কোনো সময় নষ্ট না হয়, সেজন্য সরকার ইতোমধ্যে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সেশনজট নিরসনে কঠোর বার্তা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেন কোনো ধরনের সেশনজট না থাকে, তা প্রশাসনকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।
দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে আমাদের কৃষি খাতকে আরও উন্নত ও আধুনিক করতে হবে। এজন্য কৃষি ক্ষেত্রে নতুন নতুন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এর ব্যবহার বৃদ্ধি করা এখন সময়ের দাবি। এই প্রযুক্তিগত রূপান্তরে দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অগ্রণী ও নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করতে হবে।’
এর আগে, শিক্ষামন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত ‘আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’র অংশ হিসেবে গাছের চারা রোপণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং নিজে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে দেশের প্রতিটি বন্যার্ত মানুষের পাশে রয়েছে, এমনটি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
তিনি শনিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানান, দেশের বন্যা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও দিক-নির্দেশনা তুলে ধরেন।
মাহদী আমিন বলেন, প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন স্থানে বন্যা, পাহাড়ধস এবং জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান-এই পাঁচটি জেলায় জনমানুষের জন্য অবর্ণনীয় কষ্টের সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিকভাবে এই পরিস্থিতি নিজে এবং তার টিম মেম্বারদের মাধ্যমে মনিটরিং করছেন।
সরকারের এই মুখপাত্র বলেন, গতকাল (শুক্রবার) প্রধানমন্ত্রী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এই পাঁচ জেলার স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, ডিসি, এসপি, সিভিল সার্জন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
তিনি আরো বলেন, আগামীকাল (রবিবার) প্রধানমন্ত্রী দেশের সব বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করবেন। উদ্ধার কার্যক্রমে ইউএনও, ডিসি, এসপি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিটি পর্যায়ের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় একটি সমন্বিত উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে অবস্থান করে পরিস্থিতি সরাসরি মনিটরিং করছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করছেন। তিনি জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তার পুরো দল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো (ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল) সাধারণ মানুষের পাশে থেকে উদ্ধার ও ত্রাণ কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এবং তারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন।
আর্থিক এবং ত্রাণ সহায়তার বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে জরুরি ভিত্তিতে ২ কোটি টাকারও বেশি অর্থনৈতিক অনুদান নিশ্চিত করেছেন, যা দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছানো হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের কাছে চাল ও প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছানোর অবিরত প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
উদ্ধার ও চিকিৎসাসেবা প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, উপকূলবর্তী এলাকায় কোস্টগার্ড, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবি এবং বিভিন্ন জেলায় প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনীকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। পানিবাহিত রোগ এবং সাপের দংশন মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন ও ওষুধসহ মেডিকেল টিম মোবিলাইজ করা হয়েছে। পানি নেমে যাওয়ার পরপরই রাস্তা ও রেলপথ দ্রুত মেরামতের জন্য এলজিইডি এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগকে প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ক্ষতিগ্রস্ত গৃহস্থালী, কৃষি, মৎস্য এবং গবাদি পশু খামারিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কার্যকর উদ্যোগ শুরু হয়েছে। দ্রুত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করা হবে। বর্তমানে সচল থাকা ১ হাজারেরও বেশি আশ্রয়কেন্দ্রে খাদ্য, পানি এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থাকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। কিছু স্থানে মোবাইল নেটওয়ার্ক বিঘ্নিত হলেও সংযোগ পুনঃস্থাপনে স্থানীয় প্রশাসন ও নেতাকর্মীরা কাজ করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা মূলত রেসকিউ (উদ্ধার), রিলিফ (ত্রাণ) এবং রিহ্যাবিলিটেশন (পুনর্বাসন)-এই তিনটি ফেজ নিয়ে একসঙ্গে কাজ করছি। দুর্যোগের এই সময়ে সবার ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
মাহদী আমিন বলেন, জনগণের নির্বাচিত সরকার হিসেবে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও গভীর মমত্ববোধ নিয়ে সরকার মানুষের সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে এবং এই সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুতই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরে পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ