কাঠালিয়া সংবাদদাতা ফাতিমা আক্তার মিম
০৮:৪৪ পি.এম
লকাঠির কাঁঠালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু নাছের রায়হানের আকস্মিক বদলির আদেশে স্থানীয় সাধারণ জনগণের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। মাদক নির্মূল, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সাহসী ভূমিকা রাখা এই পুলিশ কর্মকর্তার বদলি আদেশ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না এলাকাবাসী। অবিলম্বে এই বদলি আদেশ প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাঁঠালিয়া থানায় যোগদানের পর থেকেই ওসি মোহাম্মদ আবু নাছের রায়হান জনবান্ধব পুলিশিংয়ের অনন্য নজির স্থাপন করেন। বিশেষ করে উপজেলার প্রধান সমস্যা ‘মাদক’ নির্মূলে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে আপসহীন অভিযান পরিচালনা করেন। তাঁর কঠোর পদক্ষেপ ও সফল অভিযানের ফলে এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীরা কোণঠাসা হয়ে পড়ে।
মাদক ছাড়াও চোর-ডাকাত সিন্ডিকেট দমন এবং থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তিনি অল্প দিনেই জনগণের আস্থা অর্জন করেন। তাঁর সততা ও কর্মতৎপরতার কারণে এলাকাবাসী পুলিশের ইতিবাচক সেবার সুফল পেতে শুরু করেছিল।
এমন একজন নিষ্ঠাবান ও জনবান্ধব কর্মকর্তার বদলির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো উপজেলাজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ ও সর্বস্তরের জনগণের মতে, কাঁঠালিয়াকে সম্পূর্ণ অপরাধ ও মাদকমুক্ত রাখতে ওসি আবু নাছের রায়হানের মতো কর্মকর্তার এখানে থাকা অত্যন্ত জরুরি। জনস্বার্থ ও এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অবিলম্বে এই বদলি আদেশ প্রত্যাহার করে তাঁকে কাঁঠালিয়া থানাতেই বহাল রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের গত ১২ বছরের শাসনে দেশের গণতন্ত্র এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তার বক্তব্য অনুযায়ী, দেশের জনগণ এখন এই ক্ষতির বিষয়টি উপলব্ধি করতে শুরু করেছেন এবং তাদের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সম্প্রতি দ্য হিন্দু ইন্টারভিউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোনিয়া গান্ধী এসব কথা বলেন। ৭৯ বছর বয়সি এই নেত্রী জানান, আগামী ১০ নভেম্বর বিশ্বজুড়ে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে তার স্মৃতিকথা "বিলংগিং: আ জার্নি অব লাভ"।
সাক্ষাৎকারে ভারতের রাজনীতিতে কংগ্রেসের একসময়কার একচ্ছত্র আধিপত্য কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, এ নিয়ে তিনি খুব বেশি হতাশ নন।
সোনিয়া গান্ধী বলেন, ‘গত ১২ বছরে আমাদের দেশ, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই সরকার ক্ষমতা ছাড়ার পরও প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সময় লাগবে। এ জন্য রাজনৈতিক দলগুলোরও বড় ধরনের প্রচেষ্টা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ এখন অসন্তুষ্ট হতে শুরু করেছে এবং ক্ষতির বিষয়টি বুঝতে পারছে। তবে আমি আশাবাদী। আমার বিশ্বাস, দেশের মানুষ আবারও সুশাসন ফিরে আসাকে স্বাগত জানাবে।’
২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতাচ্যুত হলে ভারতের রাজনীতি আবার নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনাভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফিরবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) এবং নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে কংগ্রেস। দলটির অভিযোগ, নির্বাচনে ভোট চুরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে তারা।
এ ছাড়া জুলাই মাসে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
সোনিয়ার বক্তব্যের জবাব বিজেপির
সোনিয়া গান্ধীর গণতন্ত্র নিয়ে মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। তিনি কংগ্রেস নেত্রীকে ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।
মেঘওয়াল বলেন, ‘সাক্ষাৎকারে গণতন্ত্র নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন সোনিয়াজি। আমি তাকে প্রশ্ন করতে চাই, ১৯৭৫ সালের কথা কি তার মনে নেই? তখন গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হাজারো জ্যেষ্ঠ নেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সাংবাদিকদের কণ্ঠও রোধ করা হয়েছিল। সেই সময়ের কথাও তার মনে রাখা উচিত।’
তিনি আরও বলেন, গত ১২ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করেছেন। তার নেতৃত্বেই ভারত বিশ্বজুড়ে ‘গণতন্ত্রের জননী’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে বলে দাবি করেন এই মন্ত্রী।
কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিংও সোনিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ভারতের নয়টি রাজ্যে গত ৪০ বছর ধরে কংগ্রেস ক্ষমতায় নেই। তার দাবি, এই সেই কংগ্রেস, যারা একসময় জরুরি অবস্থা জারি করে জনগণের কণ্ঠ রোধ করেছিল।
জরুরি অবস্থা নিয়ে যা বললেন সোনিয়া
সাক্ষাৎকারে ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার পটভূমি নিয়েও কথা বলেন সোনিয়া গান্ধী। তিনি বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দ্রুত অবনতিশীল পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
সোনিয়ার ভাষায়, সে সময় বিভিন্ন স্থানে সহিংস বিক্ষোভ চলছিল। সরকারি কার্যালয় ও গণপরিবহনে আগুন দেওয়া হচ্ছিল। ব্যাপক বিশৃঙ্খলার পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশ অমান্য করার আহ্বানও জানানো হচ্ছিল।
তবে জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই না গেয়ে তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এ পরিস্থিতির সমাধান হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘পেছন ফিরে তাকালে আমরা বিষয়গুলো আরও ভালোভাবে বুঝতে পারি। ভুলে গেলে চলবে না, ইন্দিরা গান্ধী নিজেই পরিস্থিতি উপলব্ধি করেছিলেন এবং ১৯৭৭ সালের মার্চে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরে জরুরি অবস্থার সময় অতিরিক্ত কঠোরতার জন্য তিনি প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চেয়েছিলেন।’
সোনিয়া স্বীকার করেন, রাজনীতিতে কখনো কখনো সমঝোতা করতে হয়। তবে বিজেপি ও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্গে তার দল কখনো কোনো সমঝোতা করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না বলে জানান তিনি।
নির্বাচনে সমান সুযোগ পাচ্ছে না বিরোধীরা: সোনিয়া
২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪ সালের পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর কংগ্রেস এখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। দলটির অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের ভেতরেও এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অধীনে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি ১০ মাসে ১৪ বার আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানিয়েছিলেন।
এই প্রতিবেদনকে সামনে রেখে কংগ্রেসের দাবি, দেশে অনেক নির্বাচনেই কারচুপি হয়েছে। এ কারণে দলটি আবার ব্যালট পেপারে ভোট গ্রহণের দাবি জানাচ্ছে।
সোনিয়া গান্ধীর অভিযোগ, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচনে সমান সুযোগ পাচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘আমি খুব বেশি হতাশ নই। কারণ, এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো সমান সুযোগ পায়নি। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচন কমিশন, মূলধারার গণমাধ্যম, বিপুল অর্থের ব্যবহার এবং ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে কাজে লাগানোর মাধ্যমে তারা নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে।’
তবে এত প্রতিকূলতার মধ্যেও কংগ্রেস লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
সোনিয়া বলেন, ‘এত চাপের মধ্যেও টিকে থাকার সক্ষমতা দেখিয়েছে একমাত্র কংগ্রেস। আমাদের নেতা-কর্মীরা অত্যন্ত সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। নানা ধরনের হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েও দেশের প্রতিটি গ্রাম ও জেলায় কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা সংবিধানে উল্লেখিত মূল্যবোধ রক্ষায় লড়াই করছেন।’
তিনি আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে অনেক নির্বাচনে কারচুপির বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে এবং মানুষ এখন এ বিষয়ে আগের চেয়ে বেশি সচেতন।
সোনিয়া জানান, কংগ্রেস একই মনোভাবাপন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কাজ করছে এবং দিন দিন দলটির নির্বাচনী সম্ভাবনা বাড়ছে।
মোদির রাজনৈতিক উত্থান নিয়েও মন্তব্য
সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক উত্থান নিয়েও কথা বলেন সোনিয়া গান্ধী।
মোদির চা বিক্রেতা থেকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গল্প তার প্রচার দল কিছুটা বাড়িয়ে প্রচার করেছে কিনা, এমন প্রশ্নে সোনিয়া বলেন, আরএসএসের ভেতরে একজন সুবিধাবঞ্চিত পরিবার থেকে উঠে এসে ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছানোর জন্য মোদিকে অবশ্যই কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এটা সত্য যে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি আদর্শিক পরিবেশ থেকে উঠে এসেছেন। তবে রাজনীতিতে সফল হওয়ার অনেক পথ রয়েছে। কংগ্রেসের মধ্যেও এমন উদাহরণ আছে। যেমন—ড. মনমোহন সিং ও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। আরএসএসের কাছ থেকে আমাদের শেখার মতো তেমন কিছু আছে বলে আমি মনে করি না।’
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) লিওনেল মেসি যেন সব বাধা ভেঙে এগিয়ে চলেছেন। চলতি মৌসুমের শেষ ম্যাচে তার নামের পাশে এমন দুটি অনন্য কীর্তি যুক্ত হতে পারে, যা লিগের ৩১ বছরের ইতিহাসে আর কোনো ফুটবলার অর্জন করতে পারেননি। ৩৯ বছর বয়সী ইন্টার মায়ামি অধিনায়ক এই শেষ ম্যাচে মাঠে নামছেন ফুটবল ইতিহাসের পাতায় নতুন এক মহাকাব্য লেখার সুযোগ নিয়ে।
ওয়ার্ল্ডসকারটকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মেসি বর্তমানে ২৬টি গোল নিয়ে এমএলএসে গোলদাতার তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডালাস ফরোয়ার্ড পিটার মুসা ২২ গোল করে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। এর ফলে মেসির সামনে এমএলএস-এর ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা দুবার গোল্ডেন বুট জেতার সুযোগ রয়েছে। লিগের ৩১ বছরের ইতিহাসে আর কোনো ফুটবলার এই কীর্তি গড়তে পারেননি।
এছাড়া, এই পুরস্কারটি নিজের করে নিলে তিনি এমএলএসের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার গোল্ডেন বুট জয়ী মাত্র ষষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে এই অভিজাত ক্লাবে নাম লেখাবেন। এর আগে প্রিকি, টেইলর টুয়েলম্যান, জেফ কানিংহাম, ক্রিস ওয়ন্ডোলোভস্কি এবং ব্র্যাডলি রাইট-ফিলিপস এই কীর্তি অর্জন করেছেন।
এই আর্জেন্টাইন তারকা চলতি মৌসুমে ইন্টার মায়ামির সাফল্যের মূল কাণ্ডারি হয়ে উঠেছেন। তিনি লিগে ৩০ ম্যাচে মাঠে নেমে ২৬ গোল করার পাশাপাশি ১৪ গোলে সরাসরি সহায়তা (অ্যাসিস্ট) করেছেন। যা তাকে এ বছরের বর্ষসেরাসহ সব ধরনের ব্যক্তিগত পুরস্কারের প্রধান দাবিদারে পরিণত করেছে।
আগামীকাল রবিবার শার্লট এফসি-র বিপক্ষে চলতি মৌসুমের শেষ ম্যাচে মাঠে নামবে ইন্টার মায়ামি, যা মেসির সামনে মুসার ওপর গোল ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নেওয়ার শেষ সুযোগ। যদি ডালাসের স্ট্রাইকার এই ব্যবধান কমাতে ব্যর্থ হন, তবে গোল্ডেন বুট আবারো এই আর্জেন্টাইন মহাতারকার হাতে উঠবে।
এছাড়া, যুক্ত হবে এমন এক অনন্য রেকর্ড, যা লিগের ইতিহাসের সেরা সেরা গোলদাতাদের কাছেও আজীবন অধরা রয়ে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ শনিবার বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ারের (এনডিসি) সঙ্গে বাংলাদেশ ফেন্সিং ফেডারেশনের জাতীয় রেফারি ও নবগঠিত এডহক কমিটির নির্বাহী সদস্য সৈয়দ রিয়াদ হোসেন এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন বাংলাদেশ দূতাবাস, মানামায়।
সাক্ষাতের সময় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ফেন্সিং খেলার সার্বিক অগ্রগতি, সম্ভাবনা এবং পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার সাক্ষাতে বাংলাদেশের এই উদীয়মান খেলাটির প্রসারে ফেডারেশনের উদ্যোগ ও কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ফেন্সারদের ধারাবাহিক সফলতা কামনা করেন এবং দেশের ফেন্সিংয়ের সুদূরপ্রসারী ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানান।
বৈঠকে সৈয়দ রিয়াদ হোসেন ফেন্সিং খেলাকে তৃণমূল থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির গৃহীত বিভিন্ন মেয়াদি পরিকল্পনা সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে বিস্তারিত অবহিত করেন।
বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে খেলাধুলার আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ও প্রবাসী ক্রীড়ানুরাগীদের সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজনীতি কি খাওয়ার জায়গা, নাকি খেদমতের জায়গা? পোস্টারে লেখা থাকে সেবা করার সুযোগ দিন, কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পর বলা হয়, "এতদিন খেতে পারিনি।" যতদিন রাজনীতিকে ব্যবসার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করা হবে, ততদিন মানুষের প্রকৃত খেদমত সম্ভব নয়।
এমন মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম (শায়েখে চরমোনাই)।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি নরসিংদীতে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফয়জুল করীম উল্লেখ করেন, যুবসমাজ একটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। এই শক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হলে নৈতিকতা, আদর্শ ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, দেশ ও জাতির প্রকৃত মুক্তি, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় ইসলামী আদর্শের বিকল্প নেই।
বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও দ্বিচারিতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিগত নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষে একটি জোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু কিছু মুনাফিকের কারণে সেই আদর্শ ও চরিত্রকে স্থায়ী করা সম্ভব হয়নি। তিনি আরো বলেন প্রত্যেককে নিজের নীতি, আদর্শ ও চরিত্র ঠিক রাখতে হবে। যে সত্য কথা বলবে, তার পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। আর যে মিথ্যা বলবে কিংবা খারাপ কাজ করবে, সে নিজের শত্রু হলেও তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।
ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার সভাপতি মুফতী সাঈদ আহমদ সরকারের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতী মনসুর আহমদ সাকী, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ), মাও. আরিফ বিন মেহের উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখা সভাপতি, আলহাজ্ব আশরাফ হোসেন ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনির হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, নরসিংদী জেলা শাখা সেক্রেটারি, হা. মাও. আরিফুল ইসলাম মোল্লাসহ পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার বিগত কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মাওলানা মোবারক হোসাইন, সহসভাপতি হিসেবে মাওলানা মাহমুদুল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাওলানা জহিরুল ইসলামকে নির্বাচিত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ