ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

মুক্তি দিতে না চাওয়া সিনেমা 'পাইরে' জিতল ১৮ পুরস্কার


মুক্তি দিতে না চাওয়া সিনেমা

একটি বৃদ্ধ দম্পতির ৬৫ বছরের দীর্ঘ সংসার। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তারা একে অপরের সঙ্গ উপভোগ করছেন এবং দূরদেশে কাজের সন্ধানে যাওয়া তাদের ছেলের প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছেন। চারপাশের পাহাড়ি গ্রামগুলো ক্রমশ জনশূন্য হয়ে পড়ছে, প্রতিবেশীরা একে একে তাদের ভিটেমাটি ত্যাগ করছেন। এই নিঃসঙ্গতা, ভালোবাসা এবং অপেক্ষার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ভারতীয় সিনেমা ‘পাইরে’। নির্মাণ শেষ হওয়ার পর দুই বছর পেরিয়ে গেলেও ছবিটি মুক্তির জন্য পরিবেশক পাওয়া যায়নি। অবশেষে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়ে দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসায় ভাসছে সিনেমাটি। উল্লেখযোগ্যভাবে, এরই মধ্যে ছবিটি ১৮টি পুরস্কারও অর্জন করেছে।

১১১ মিনিটের এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন বিনোদ কাপরি, যিনি টেলিভিশন সাংবাদিক থেকে চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে পরিচিত। ছবিটি উত্তর ভারতের উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ি অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে নির্মিত, যেখানে উঠে এসেছে এক বৃদ্ধ দম্পতির জীবনের শেষ অধ্যায়ের গল্প। পাশাপাশি, কর্মসংস্থানের অভাবে মানুষ গ্রাম ছেড়ে শহরে চলে যাওয়ার প্রবণতা, জনশূন্য হয়ে পড়া পাহাড়ি জনপদ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও এখানে গুরুত্ব পেয়েছে।

ছবির কেন্দ্রীয় দুই চরিত্র পদম সিং ও তুলসি। স্থানীয় ভাষায় তাদের ডাকা হয় ‘বুবু’ ও ‘আমা’। পদম সিং চরিত্রে অভিনয় করেছেন পরিচালকের চাচা পদম সিং এবং তুলসি হয়েছেন হীরা দেবী। বাস্তব জীবনে তারা সাধারণ গ্রামবাসী এবং এর আগে কখনো ক্যামেরার সামনে অভিনয় করেননি।

আরও পড়ুন: চলে গেলেন ‘কাঁচের পৃথিবী’ পরিচালক অমল রায় ঘটক

পাহাড়ের একটি ছোট্ট বাড়িতে বসবাস করেন এই দম্পতি। তাদের ছেলে হারিয়া ২৮ বছর আগে কাজের সন্ধানে মুম্বাইয়ে চলে গেছেন। এরপর থেকেই বাবা-মায়ের দিন কাটছে তার ফেরার অপেক্ষায়। পরিচালক বিনোদ কাপরির ভাষায়, ‘তারা ৬৫ বছর ধরে একসঙ্গে জীবন কাটিয়েছেন এবং গত ২৮ বছর ধরে তাদের ছেলে হারিয়ার ফেরার অপেক্ষা করছেন। কাজের সন্ধানে সে মুম্বাইয়ে গেছে। এটি সঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর অপেক্ষার গল্প।’

ছবিতে তাদের চারপাশের গ্রামগুলো জনশূন্য হয়ে পড়ার বাস্তবতাও তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেশীরা একে একে কাজের সন্ধানে গ্রাম ছাড়ছেন। একপর্যায়ে, সাহায্য করার মতো কেউ না থাকায় পদম সিং নিজের বাড়ির সামনে দুটি চিতা তৈরি করেন—একটি স্ত্রীর জন্য এবং অন্যটি নিজের জন্য। তুলসি কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তুমি মারা গেলে আমি তোমাকে পাহাড় থেকে নিচে নামাব কীভাবে?’

বিষণ্নতার গল্প হলেও ‘পাইরে’তে হাস্যরস ও দাম্পত্যের মিষ্টি খুনসুটিও রয়েছে। ২০১৮ সালে উত্তরাখণ্ডের মুন্সিয়ারিতে এক বৃদ্ধ দম্পতির সঙ্গে দেখা হওয়ার পর ছবিটির ভাবনা আসে পরিচালকের মাথায়। তাদের কাছে জীবনের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কথা জানতে চেয়েছিলেন তিনি। বৃদ্ধ স্বামী বলেছিলেন, ‘আমার সবচেয়ে বড় চিন্তা হলো, আমি যদি আগে মারা যাই, তাহলে ওর দেখাশোনা কে করবে?’ আর তার স্ত্রী বলেছিলেন, ‘সে তো রান্না করতেও জানে না। তাই আমি যদি আগে মারা যাই, তাহলে ওর জন্য কে রান্না করবে, তা নিয়ে আমার চিন্তা হয়।’

প্রথমে ওই বাস্তব দম্পতিকে নিয়েই সিনেমাটি নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন কাপরি। পরে নাসিরুদ্দিন শাহ ও রত্না পাঠককে প্রধান চরিত্রে নেওয়ার কথা ভাবেন। চিত্রনাট্য পছন্দ হলেও তারা মনে করেছিলেন, ওই অঞ্চলের মানুষের চরিত্রে অভিনয় করা তাদের জন্য কঠিন হতে পারে। শেষ পর্যন্ত নিজের চাচা পদম সিং ও গ্রামের হীরা দেবীকে নিয়ে ছবিটি নির্মাণ করেন পরিচালক।

আরও পড়ুন: প্রথমবারের মতো সিনেমায় অভিনয় করলেন রিচি সোলায়মান

২০২৪ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে ‘পাইরে’। পরিচালকের দাবি, সেরা চলচ্চিত্রের তিনটি পুরস্কারসহ মোট ১৮টি সম্মাননা পেয়েছে ছবিটি। এর মধ্যে দর্শক ভোটে সেরা চলচ্চিত্র হওয়ার ১২টি পুরস্কার রয়েছে।

উৎসবে প্রশংসা পেলেও দুই বছর ধরে পরিবেশক না পাওয়ায় ছবিটির মুক্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। অবশেষে পরিচালকের এক প্রযোজক বন্ধু এগিয়ে আসেন। গত ৩০ অক্টোবর মাত্র ৭০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় সিনেমাটি। দর্শকদের মুখে মুখে প্রশংসা ছড়িয়ে পড়ার পর বাড়তে থাকে টিকিটের চাহিদা ও প্রদর্শনীর সংখ্যা।

ছবিটি মুক্তির পর দর্শকের ভালোবাসায় আপ্লুত পদম সিং ও হীরা দেবী। বিভিন্ন প্রদর্শনীতে তাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন আবেগাপ্লুত দর্শকেরা। অনেকে জানিয়েছেন, ছবিটি তাদের নিজেদের মা-বাবা কিংবা দাদা-দাদির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। হীরা দেবীর কথায়, ‘বাস্তবে আমাদের গ্রামটিও ঠিক এমনই।’

পদম সিংয়ের কাছে সবচেয়ে স্মরণীয় অভিজ্ঞতা ছিল নাসিরুদ্দিন শাহের সঙ্গে দেখা হওয়া। তিনি বলেন, ‘তিনি পুরো সিনেমাটি দেখেছেন এবং তার চোখে পানি ছিল। তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘বুবু, তুমি যে চরিত্রে অভিনয় করেছ, সাত জন্মেও আমি তা করতে পারব না।’

আরও পড়ুন: ৫৬তম জন্মদিনে ফিরে দেখা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের জীবন

ছবিটির গল্পের মধ্য দিয়ে তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশেও বার্তা দিয়েছেন পদম সিং। তার কথায়, ‘আমি তাদের বলতে চাই, নিজেদের মাতৃভূমি, যে মাটিতে তাদের জন্ম, তা যেন তাঁরা পরিত্যাগ না করেন।’ পাশাপাশি মানুষের বসবাসের এলাকাতেই শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাইন্যান্সে ৬৩০ কোটি ডলার ক্রিপ্টো চুরি, বীমা কোম্পানির নজরদারি বৃদ্ধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


বাইন্যান্সে ৬৩০ কোটি ডলার ক্রিপ্টো চুরি, বীমা কোম্পানির নজরদারি বৃদ্ধি

বাইন্যান্সে ডলার চুরির ঘটনার পর ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন প্ল্যাটফর্মগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বীমা কোম্পানিগুলোর নজরদারি বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৯ অক্টোবর, বিশ্বের বৃহত্তম এই ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন প্ল্যাটফর্ম থেকে ৬৩০ কোটি ডলার মূল্যের সম্পদ চুরি হওয়ার পর কোম্পানিগুলো তাদের নজরদারি আরো জোরদার করেছে। অন্যদিকে, ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ প্ল্যাটফর্মগুলো দ্রুত তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। খবর রয়টার্সের।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন থেকে কোনো প্রতিষ্ঠান নতুন বীমা নিতে বা বিদ্যমান পলিসি নবায়ন করতে গেলে বীমা কোম্পানিগুলো বাইন্যান্সের মতো আক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখবে। তবে, কোম্পানিগুলো ক্রিপ্টো খাত থেকে পুরোপুরি সরে আসবে বা বীমা সুবিধা কমিয়ে দেবে—এমনটা মনে করার কোনো কারণ নেই। বাইন্যান্সের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ও দুর্বলতা নিবিড়ভাবে যাচাই করবে তারা।

এফবিআই শুরু থেকেই এই আক্রমণের জন্য উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুক্ত একটি গোষ্ঠীকে দায়ী করছে। ক্রিপ্টো সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই আক্রমণ আড়াই ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের দ্রুত বর্ধনশীল এই শিল্পে বিদ্যমান বীমা সুরক্ষার সীমাবদ্ধতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। বাইন্যান্সের মতো বিশাল ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার মতো কোনো বীমা ব্যবস্থা বর্তমানে নেই। অনেক বীমা পলিসিতেই রাষ্ট্র-সমর্থিত সাইবার আক্রমণের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ না দেওয়ার শর্ত থাকে।

গ্র্যান্ড ভিউ রিসার্চ-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী ক্রিপ্টো বীমা বাজারের আকার ২০২৬ সালের ১৩.৮ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২০৩৩ সালে ১৯২.৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। গ্যালাঘার-এর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডেভিড রজার্স বলেন, বীমা কোম্পানিগুলো এখন বাইন্যান্সকেন্দ্রিক সুনির্দিষ্ট কিছু প্রশ্ন করবে। তাদের প্রথম প্রশ্নটি হবে খুবই সহজ—বাইন্যান্সের সঙ্গে আপনাদের সম্পর্ক কী এবং সেখানে আপনাদের কোনো অর্থ জমা আছে কি না? আক্রমণের ঘটনায় ভুলগুলো সামনে এলে প্রশ্নগুলো আরো সুনির্দিষ্ট হবে, যা ভবিষ্যতে বীমা কোম্পানিগুলোর ঝুঁকি মূল্যায়নের ধরনেও পরিবর্তন আনতে পারে।

গেল সপ্তাহে প্রকাশিত বাইন্যান্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হ্যাকাররা একটি ভুয়া চাকরির সাক্ষাৎকার এবং বিজ্ঞাপনের আড়ালে লুকানো সফটওয়্যার ব্যবহার করে বাইন্যান্সের দুজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের কম্পিউটার হ্যাক করে। এরপর তৃতীয় আরেকটি কম্পিউটার ব্যবহার করে তারা ৬৩০ কোটি ডলার মূল্যের ক্রিপ্টো হাতিয়ে নেয়।

বাইন্যান্স জানিয়েছে, হ্যাকিংয়ের এই প্রক্রিয়াটি ছিল বহু-পর্যায়ের। জুন মাসে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়ায় একের পর এক নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে, যার চূড়ান্ত পরিণতি ছিল এই বিশাল চুরি। নির্বাহীরা জানিয়েছেন, তাদের বীমার প্রভাবগুলো সম্ভবত পরবর্তী নবায়নের সময় স্পষ্ট হয়ে উঠবে। পলিসিগুলো সাধারণত এক বছরের জন্য কার্যকর থাকে, যা বীমা প্রদানকারীদের মেয়াদ বাড়ানোর আগে ঝুঁকিগুলো পুনরায় মূল্যায়ন, হালনাগাদ তথ্য চাওয়া এবং নতুন নিরাপত্তা শর্ত আরোপ করার সুযোগ করে দেয়।

মার্শ-এর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রধান জ্যাকলিন কুইন্টাল জানান, বিমার সক্ষমতা, মূল্য নির্ধারণ বা কভারেজের ক্ষেত্রে বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তবে ভবিষ্যতে একই ধরনের সাইবার আক্রমণের ঝুঁকিতে আছে কি নাÑএমন প্রশ্ন বিমা কোম্পানিগুলো গ্রাহকদের কাছে করতে পারে। কারণ, কেউ নিশ্চয়ই কোনো ক্রিপ্টো ঝুঁকির বীমা নবায়ন বা নতুন বীমা করার এক সপ্তাহের মধ্যেই একই ধরনের ঘটনার মুখোমুখি হতে চাইবে না।

এই যাচাই-বাছাই কেবল সাধারণ সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার মূল্যায়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বাইন্যান্স তদন্তে বেরিয়ে আসা সুনির্দিষ্ট দুর্বলতাগুলোর দিকেও নজর দেওয়া হবে। বিমা নবায়নের সময় বিমা কোম্পানিগুলো অন্য কোথাও একই ধরনের দুর্বলতার বিষয়টি নিশ্চিত হতে চাইবে। লন্ডনভিত্তিক রিড স্মিথ ‘ল’ ফার্মের বীমাবিষয়ক আইনজীবী পিটার হার্ডি বলেন, যদি বাইন্যান্স হ্যাকিংয়ের তদন্তে তাদের নিরাপত্তায় কোনো সুনির্দিষ্ট দুর্বলতা ধরা পড়লে অন্যান্য বিমী গ্রহীতাদের ক্ষেত্রেও বিমা কোম্পানিগুলো সেই দুর্বলতা বা ত্রুটি দূর করার শর্ত জুড়ে দিতে পারে।

মার্কিন ও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্তৃপক্ষ এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তর কোরিয়া বহু বছর ধরে রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট সাইবার ইউনিটগুলোকে গুপ্তচরবৃত্তি ও অর্থ চুরির কাজে ব্যবহার করে আসছে। তবে পিয়ংইয়ং এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মর্নিংস্টার ডিবিআরএস-এর গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন রেটিং বিভাগের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মার্কোস আলভারেজ জানান, উত্তর কোরিয়ার সম্পৃক্ততা থাকলে বীমা দাবি নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়তে পারে। কারণ, ২০২৩ সাল থেকে লয়েডস-এর সাইবার বিমা পলিসিগুলোতে সাধারণত রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট সাইবার আক্রমণকে বীমার আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। এছাড়া বাইন্যান্সের ক্ষতির পরিমাণ বর্তমানে বাজারে বিদ্যমান যেকোনো বিমা পলিসির সর্বোচ্চ কভারেজ সীমার চেয়েও বেশি।

তিনি বলেন, যদি কোনো রাষ্ট্রের দ্বারা আক্রমণ পরিচালিত বলে গণ্য হয়, তবে বীমা কোম্পানিগুলো দাবিকৃত ক্ষতিপূরণ নিয়ে আপত্তি জানাতে পারে। ভূ-রাজনৈতিক কারণে সৃষ্ট বড় ধরনের ক্ষতির ক্ষেত্রে এই ধরনের শর্তাবলি কতটা কার্যকর হবে, তা এখনো পরীক্ষিত নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%