ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতের দাবি সাংবাদিক নেতাদের


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতের দাবি সাংবাদিক নেতাদের

ঢাকা, ৫ আগস্ট, ২০২৬ : সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ হত্যাকাণ্ডের বিচার, আহতদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতার মধ্যে এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। এ দাবি তারা আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয়ের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে জানান।

আজ (বুধবার) জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) যৌথ আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে বিএফইউজে ও ডিইউজের উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে একটি বিজয় র‌্যালি বের হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। র‌্যালি ও সমাবেশে সাংবাদিক নেতা, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

র‌্যালি শেষে সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম।

র‌্যালি ও সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ এবং বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল বাছির।

র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ডিইউজের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খান।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসীন, বিএফইউজের সহ-সভাপতি খাইরুল বাশার, প্রচার সম্পাদক সাজান সাজু, দপ্তর সম্পাদক আবু বকর, ডিইউজের নির্বাহী সদস্য তালুকদার রুমি, ফখরুল ইসলাম, রাজু আহমেদ ও এইচ এম আলামিন, জাতীয় প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য শাহনাজ বেগম পলি এবং সাংবাদিক নেত্রী মাসুদা আক্তার।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির এই বিজয় র‌্যালিতে শহীদ, আহত এবং জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণে সাংবাদিকদের স্লোগানে পুরো রাজপথ মুখর হয়ে ওঠে।

ডিইউজের সাংবাদিক নেতা দিদারুল আলম দিদারের স্লোগানে কণ্ঠ মিলিয়ে সাংবাদিক নেতা, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ জনতাও আওয়াজ তোলেন, ‘জুলাইয়ের চেতনা আমাদের প্রেরণা, জুলাইয়ের রক্ত আমাদের শক্তি’; ‘জুলাই শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না’; ‘জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ফাঁসি চাই, দিতে হবে’ এবং ‘আবু সাঈদ, মুগ্ধ শেষ হয়নি যুদ্ধ’।

সমাবেশে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলেই স্বৈরাচারী শাসনের পতন ঘটেছে। গণঅভ্যুত্থানে অসংখ্য ছাত্র, শিশু ও সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং অনেকেই আহত হয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

তিনি আরও বলেন, আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছিল। ওই সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা আবশ্যক।

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন

বিএফইউজের মহাসচিব বলেন, শহীদদের রক্তের প্রতি সম্মান জানাতে হলে প্রকৃত দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করতেই হবে। দেশে অবস্থানকারী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিদেশে অবস্থানকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনার উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি যোগ করেন, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্তদের বিচার সম্পন্ন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যতে কেউ রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহার বা জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালানোর সাহস পাবে না।

সাংবাদিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় সাংবাদিকদের ভবিষ্যতেও সোচ্চার থাকতে হবে।

ডিইউজের সভাপতি বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ছাত্র-জনতা ও সাংবাদিকদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হলে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন: আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

তিনি জানান, গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। তার আগে আন্দোলন চলাকালে প্রায় দেড় হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে পঙ্গু করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

তিনি আরও বলেন, নিহতদের মধ্যে ছয়জন সাংবাদিক ছিলেন এবং আন্দোলনের সময় সারাদেশে প্রায় দেড় হাজার সাংবাদিক আহত হন।

শহিদুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকারের কাছে সাংবাদিক সমাজের প্রত্যাশা, কোনো ধরনের আপস বা শৈথিল্য নয়, বরং হত্যাকাণ্ড ও রাষ্ট্রীয় অর্থ পাচারের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিতের।

ডিইউজের সভাপতি আরও বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এখনও শেষ হয়নি। অসমাপ্ত দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সাংবাদিক সমাজ গণতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঐক্যবদ্ধ না থাকলে ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থানের আশঙ্কা: ইবি উপাচার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


ঐক্যবদ্ধ না থাকলে ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থানের আশঙ্কা: ইবি উপাচার্য

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেছেন, আমরা যদি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতো ঐক্যবদ্ধ না থাকি এবং রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ না হই, তাহলে বাংলাদেশে আবারও ফ্যাসিস্টের আগমন ঘটতে পারে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর আমরা দেখেছি, সেই যুদ্ধের কৃতিত্ব কিছু ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দল নিজেদের বলে দাবি করেছে। এর ফলে দেশে বিভাজন ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশ বারবার সংকটের মুখে পড়েছে।

জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় আমাদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ ছিল না, মতপার্থক্য ছিল না। আমাদের রক্তের রংও আলাদা ছিল না। আমরা যদি সেই ঐক্য ধরে রাখতে না পারি এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ না হই, তাহলে বাংলাদেশের সামনে আবারও ফ্যাসিস্টের আগমনের আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে আমরা দেখছি, ফ্যাসিস্টরা বিভিন্ন রূপে, বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের নানা স্তরে প্রবেশের চেষ্টা করছে। তাই আজকের দিনে আমাদের নতুন করে শপথ নিতে হবে—যেভাবে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফ্যাসিস্টদের পরাজিত করেছিলাম, সেভাবেই বাংলাদেশকে ফ্যাসিস্টমুক্ত রাখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজনৈতিক দল ও তাদের ছাত্রসংগঠনগুলোর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, ৩৬ জুলাই অর্থাৎ আজকের ৫ আগস্টের সফলতার পেছনে অগণিত মানুষ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং তাদের ছাত্রসংগঠনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। আন্দোলনের প্রথম পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়েছিল শিক্ষার্থীরা। রাজনৈতিক ব্যানারে আন্দোলন শুরু হলে হয়তো এটি সফল হতো না। কৌশলগত কারণে রাজনৈতিক দল ও ছাত্রসংগঠনগুলো সামনে না থাকলেও নেপথ্যে তাদের অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস শহীদ মিয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐক্য অটুট রাখতে হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐক্য অটুট রাখতে হবে’

আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্য দীর্ঘদিন ধরে রাখতে হবে, এই আহ্বান জানিয়েছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান।

বুধবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান।

অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান উল্লেখ করেন, রাজমুকুট অর্জন করা যত সহজ, তা ধরে রাখা ততটা সহজ নয়। আজ আমাদের বিজয়ের দিন। এই বিজয়ের তাৎপর্যকে ধরে রাখতে পারস্পরিক ঐক্য ও সমঝোতা বজায় রাখতে হবে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে, তা দীর্ঘদিন ধরে রাখতে হবে। সতীর্থদের মাফিয়া চক্র ও সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে সকলের ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম। সকাল ১০টায় শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ১২ তলা একাডেমিক ভবনের সামনে এসে সমাপ্ত হয়।

শোভাযাত্রায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগের চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, জুলাই আমাদের চেতনার অংশ। জুলাইয়ের আদর্শকে ধারণ করে আগামী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। আমরা একত্রিত হয়ে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করব। আগামী প্রজন্মই বাংলাদেশকে উত্তরোত্তর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, আজকের আনন্দ শোভাযাত্রার উদ্দেশ্য হলো সবাইকে সাথে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সমৃদ্ধ করা এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে সমাজের মানুষের জন্য কাজ করা। জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের প্রতি আমরা কোনো দিন বেইমানি করব না। এই দিনে আমরা জুলাইয়ের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

পরে বিকেল ৫টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে ‘আমরাই গড়ব স্বপ্নের বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। সেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শিল্পীরা দেশাত্মবোধক গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্যসহ নানান পরিবেশনা উপস্থাপন করেন।

দিনব্যাপী আয়োজনের অন্তর্ভুক্ত সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলগুলোতে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ভৈরবে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ভৈরবে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় এবং আহত ও সংগ্রামী জুলাই যোদ্ধাদের অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে এম মামুনুর রশীদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের অবদান কখনো বিস্মৃত হওয়ার নয়। শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব।"
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভৈরব উপজেলা বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, ভৈরব পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র হাজী মোঃ শাহিন, এবং ভৈরব পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি মজিবুর রহমান, ভৈরব পৌর জামাতে আমীর মাওলানা মুছা মিয়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভৈরব উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা সাইফুল ইসলাম সাহেল।
আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, জুলাই যোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা। তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করেন এবং শহীদদের আদর্শ ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শহীদ পরিবারগুলোর প্রতি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক দায়িত্ব আরও জোরদার করার দাবি জানান বক্তারা।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচ্ছা, সম্মাননা স্মারক ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা ও পৌর বিএনপি,জামাতে ইসলামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর সরকার: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর সরকার: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

ঢাকা, ৫ আগস্ট, ২০২৬ : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। তিনি মন্তব্য করেন, এ গণঅভ্যুত্থান একটি সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পথ উন্মুক্ত করেছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষ এখন সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্র একসঙ্গে চায়। আমরা বিশ্বাস করি, এই গণঅভ্যুত্থান একটি মৌলিক পরিবর্তনের সূচনা করেছে।’

আজ সকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে জুলাই শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

আহমেদ আযম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল গণআন্দোলন ছিল না; এটি রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে দেশ পুনর্গঠনের যাত্রা শুরু করেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও তিনি নিরলসভাবে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

গণঅভ্যুত্থানের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১৮ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম এবং ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণের ফলেই এই গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে।

জাতীয় ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান জানিয়ে আযম খান বলেন, ‘সংকীর্ণ ব্যক্তিস্বার্থে জাতিকে বিভক্ত করবেন না। দেশের মানুষ একটি সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। কেউ যদি পতিত ফ্যাসিবাদী শাসনের মতো আচরণ করে, জনগণ তা মেনে নেবে না।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ফিরে এসেছে এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ অব্যাহত রাখবে।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন আরও বক্তব্য দেন। তিনি তরুণ প্রজন্মের পক্ষ থেকে বিপ্লবী শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ কখনও বিস্মৃত হবে না।

তিনি মন্তব্য করেন, ‘আন্দোলনের সময় সংঘটিত সকল নৃশংসতার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের অবস্থান থেকে সরে আসব না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%