ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জয়পুরহাটে তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু


জয়পুরহাটে তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু

জয়পুরহাটের তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) জনগণের জীবনমান উন্নয়ন লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ ও গাভি পালন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।

রবিবার দুপুরে কালাই উপজেলা প্রশাসন মিলনায়তনে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। জয়পুরহাট জেলা পরিষদের অর্থায়নে এবং কালাই উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আরা-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান।

আরও পড়ুন: চকরিয়ায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার মোহাম্মদ রায়হান, কালাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মনিরুজ্জামান, কালাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন ফকির, যুগ্ম আহ্বায়ক মওদুদ আলম, এবং জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মনজুরে মওলা পলাশ।

অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেছেন, অবহেলিত হিজড়া জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে এই প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আধুনিক পদ্ধতিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ ও গাভি পালনের মাধ্যমে তারা নিজেরা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে সক্ষম হবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কালাই উপজেলার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া তৃতীয় লিঙ্গের জনগণের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে প্রশ্ন, ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তবায়ন কোথায়?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানের মধ্যে কোনো প্রতিহিংসা নেই : শামসুজ্জামান দুদু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


তারেক রহমানের মধ্যে কোনো প্রতিহিংসা নেই : শামসুজ্জামান দুদু

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বৃহস্পতিবার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে কোনো ধরনের প্রতিহিংসা নেই।

রবিবার অনুষ্ঠিত হওয়া জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

দুদু বলেন, অসুস্থ তিন প্রবীণ জননেতা মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান ও ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের দ্রুত সুস্থতার কামনায় এই অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য আয়োজকদের তিনি ধন্যবাদ জানান।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির ছোট-বড় নেতাকর্মীরা বিগত ১৮ বছর ধরে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শুধু নেতাকর্মীরা নয়, তাদের পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা চাকরি পাওয়ার কথা ছিল, তারা শেখ হাসিনার আমলে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এ কারণে কিছুটা অস্থিরতা তৈরী হতে পারে। তবে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণ করতেই হবে।

দুদু বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে যারা অন্যায়ের শিকার হয়েছেন, বর্তমান সরকার তাদের বিষয়ে সহানুভূতির সঙ্গে আচরণ করছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরাধিকার। তার মধ্যে সত্যিই কোনো প্রতিহিংসা নেই। অথচ এই পরিবারটি সবচেয়ে বেশি প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে।

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি বলেন, ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন এবং দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে তিনি নেতৃত্ব অর্জন করেছিলেন। একইভাবে, ১৮ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের পর তারেক রহমান জনগণের সমর্থন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেছেন।

তিনি বলেন, কিছু লোক জনপ্রিয়তার দাবি করেন। আমি কাউকে ছোট করার চেষ্টা করছি না, কিন্তু দেশের জনগণ গণ-অভ্যুত্থানের প্রধান শক্তি হিসেবে বিএনপিকে নির্বাচিত করেছে। কারণ, ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে তারা বিএনপিকেই ভোট দিয়েছে।

দুদু বলেন, এক-এগারোর নির্যাতনে তারেক রহমান নিহতও হতে পারতেন, কিন্তু আল্লাহ তাকে রক্ষা করেছেন। এবং বেগম খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, এমনকি চিকিৎসাও দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশ তখন হিংস্র নেতৃত্বের অধীনে ছিল। আমাদের সে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক দেশে রূপান্তরিত করতে হবে।

সরকারকে দক্ষতা ও ধৈর্যের সঙ্গে সমর্থন দেওয়ার উদ্দেশ্যে দুদু সম্প্রতি একটি মহলের সম্পর্কে সতর্ক করেন যারা বিভিন্ন স্থানের ছোটখাটো ঘটনাকে বড় করে উপস্থাপন করতে চায়। তিনি সকলকে অবগত করেন যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দলের সভাপতি সালাউদ্দিন খান পিপিএম, এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন সরদার।

অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, কৃষক দলের সাবেক দফতর সম্পাদক এস কে সাদি, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কেএম রকিবুল ইসলাম রিপনসহ অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাগর উত্তাল, মাছ শিকার বন্ধে দুর্দশায় জেলেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


সাগর উত্তাল, মাছ শিকার বন্ধে দুর্দশায় জেলেরা

 

বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বরগুনার পাথরঘাটার চরদুয়ানি খালে মাছ ধরার ট্রলার নিয়ে জেলেরা আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। শনিবারের এই পরিস্থিতি কালের কণ্ঠের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

গভীর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবেই সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। ফলে পায়রা সমুদ্র বন্দরের কর্তৃপক্ষ ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে। এর ফলে বরগুনার পাথরঘাটাসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকায় শত শত মাছ ধরার ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন।

এদিকে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে গভীর সাগরে জেলেরা মাছ শিকার প্রায় বন্ধ করে দিয়েছেন। এই অবস্থায় জেলে এবং ট্রলার মালিকরা আর্থিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছেন।

শনিবার স্থানীয়ভাবে ঘুরে দেখা যায়, পাথরঘাটার বিএফডিসি (নতুন বাজার) খাল, পদ্মার খাল, বাদুরতলা, জিনতলা, কাকচিড়া খালসহ বিভিন্ন জলাশয়ে শত শত মাছ ধরার ট্রলার নোঙর করে রাখা হয়েছে। শুধু পাথরঘাটা নয়, দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকার ট্রলারগুলোও ইতিমধ্যেই এসব জলাশয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছে।

জেলেদের কাছে জানতে বাতিল হয়, গত ১১ জুন সাগরে মাছ ধরার জন্য ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তবে এরপর থেকেই ইলিশ ও অন্যান্য মাছ আহরণের ক্ষেত্রে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাচ্ছে না। এই কারণে অধিকাংশ ট্রলার লোকসানের মধ্যে পড়েছে। পরে ধারদেনা করে আবার সাগরে গেলেও বৈরী আবহাওয়া তাদের দুই-তিন দিনের মধ্যেই ফিরে আসতে বাধ্য করেছে। তাদের অভিযোগ, একটি ট্রলার সাগরে পাঠাতে এক থেকে চার লাখ টাকা ব্যয় হলেও এবার সেই অর্থের সিংহভাগেরই প্রত্যাবর্তন হয়নি।

পাথরঘাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ট্রলার এফবি মাহাদীর স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, ‘সাগরে মাছ শিকারে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর দুই দফায় ট্রলার সাগরে পাঠিয়েছি। তবে দুইবারই লোকসান হয়েছে। পরে ঋণ নিয়ে আবারো ট্রলার সাগরে পাঠালেও উত্তাল ঢেউয়ের কারণে মাত্র দুই দিনের মাথায় ফিরে আসতে হয়েছে। বর্তমানে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি হওয়ায় নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।’

চট্টগ্রামের ট্রলার এফবি মাসুম ৩- এর মাঝি সোনা মিয়া বলেন, ‘সাগর এতটাই উত্তাল যে, সেখানে অবস্থান করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। তাই নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য পাথরঘাটায় এসে ট্রলার নোঙর করেছি।’

বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী মন্তব্য করেন, ‘নিষেধাজ্ঞা শেষে কাঙ্খিত মাছ না পাওয়ায় ট্রলার মালিকরা লোকসানে ছিলেন। তার মধ্যে বৈরী আবহাওয়ার পরিস্থিতি তাদের জন্য আরও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে জেলেরা আবার সাগরে যেতে পারবেন বলে আশা করছি।’

পাথরঘাটা উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক জানান, ‘বৈরী আবহাওয়ার কারণে শত শত ট্রলার ও হাজারো জেলে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছেন। জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তার স্বার্থেই তাদেরকে উপকূলে থাকতে বলা হয়েছে। যখন আবহাওয়া অনুকূলে আসবে তখন তারা আবার সাগরে যেতে পারবেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চরমোনাইয়ে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা-ডাকাতির অভিযোগ: ‘বসন্তের কোকিল’ শাহ আলমকে ঘিরে ক্ষোভ তৃণমূল বিএনপিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিশেষ প্রতিনিধি, বরিশাল

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


চরমোনাইয়ে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা-ডাকাতির অভিযোগ: ‘বসন্তের কোকিল’ শাহ আলমকে ঘিরে ক্ষোভ তৃণমূল বিএনপিতে

বরিশালের চরমোনাই ইউনিয়নে রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘বসন্তের কোকিল’ ও চরম সুবিধাবাদী হিসেবে পরিচিত বলে অভিযোগ ওঠা হাফেজ মো. শাহ আলমকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে একাধিক রাজনৈতিক দলে সক্রিয় থাকার পর সাম্প্রতিক সময়ে শাহ আলম নিজেকে বিএনপির ‘দুঃসময়ের নেতা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন। এ নিয়ে চরমোনাই ইউনিয়ন বিএনপিতে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রাপ্ত নথিপত্র পর্যালোচনায় জানা যায়, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহ আলম নিজেকে বিএনপির কর্মী হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কয়েকজন নেতার সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালিয়ে তিনি নিজেকে দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন। এতে দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত বিভিন্ন নথিতে দেখা যায়, শাহ আলম পূর্বে চরমোনাই সাংগঠনিক থানা শাখার ৩ নম্বর ওয়ার্ড (শালুকা) *ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কমিটিতে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। পরবর্তীতে তিনি **জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)*-এর বরিশাল সদর উপজেলা সমন্বয় কমিটিতে যুগ্ম সমন্বয়কারী হিসেবেও অন্তর্ভুক্ত হন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, শাহ আলম ব্যক্তিগত বিরোধ ও আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। সম্প্রতি চরমোনাই ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও শিক্ষক আমিনুল ইসলাম মাসুমকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন প্রচারণা চালানো হয়েছে, যা স্থানীয় নেতাকর্মীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন।

তাদের ভাষ্য, আমিনুল ইসলাম মাসুম দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে একাধিক রাজনৈতিক মামলা, হামলা ও কারাভোগের শিকার হয়েছেন। স্থানীয় নেতাদের দাবি, দলের দুঃসময়ে তিনি মাঠে সক্রিয় ছিলেন, অথচ বর্তমানে সুযোগসন্ধানীরা বিএনপির পরিচয়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন।

সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাটি ঘটে গত ৬ মার্চ ২০২৬ দিবাগত রাতে (মামলার বর্ণনা অনুযায়ী ৭ মার্চের প্রথম প্রহরে)। আদালতে দায়ের করা *সি.আর. মামলা নং-৫১৪/২০২৬ (কোতোয়ালি)*-এর অভিযোগে বলা হয়েছে, শাহ আলমের ভাই কামাল সিকদার ওরফে ‘সুদি কামাল’ এবং তার ভাইপো আয়নাল খানের নেতৃত্বে ৫-৬ জনের একটি দল চরমোনাই ইউনিয়নের ইছাগুড়া এলাকায় বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম মাসুমের বাড়িতে হামলা চালায়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার সময় মাসুম বাড়িতে না থাকায় হামলাকারীরা ঘরের পেছনের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় তার স্ত্রী লাবণ্য আক্তারের মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়। পরে ঘরে ভাঙচুর চালিয়ে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়েছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় লাবণ্য আক্তার বাদী হয়ে কামাল সিকদার, আয়নাল খান, মো. শাহ আলম সিকদারসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ এবং আরও ২-৩ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩২৩, ৩০৭, ৩৫৪, ৩৮০, ৩৮২, ৪২৭, ৪৪৭, ৪৫২ ও ৫০৬(২) ধারায় মামলা দায়ের করেন।


চরমোনাই ইউনিয়নের বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও সাম্প্রতিক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শাহ আলমের ভূমিকা দলীয়ভাবে তদন্ত করা উচিত। একই সঙ্গে বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম মাসুমের বাড়িতে হামলা ও ডাকাতির অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

উল্লিখিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারী পক্ষের দাবি ও মামলার এজাহারভিত্তিক। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহ আলম বা অন্য আসামিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একটি ইলিশ বিক্রি হলো সাত হাজার টাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


একটি ইলিশ বিক্রি হলো সাত হাজার টাকায়

কুয়াকাটা সংলগ্ন সমুদ্রে ধরা পড়েছে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় ইলিশ। এই মাছটি খোলা বাজারে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা মণ দরে ৬ হাজার ৮২৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। শনিবার সকালে ‘জলতরঙ্গ’ নামের একটি ফিশিং ট্রলারে জেলে কাদের মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে, আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে অবস্থিত মেসার্স আনিষা এন্টারপ্রাইজ মৎস্য আড়তে নিয়ে আসলে, স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী রহমান ডাকের মাধ্যমে মাছটি কিনে নেন। রহমান জানায়, মাছটি ঢাকায় পাঠাবেন এবং ভালো দামে বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। মেসার্স আনিষা এন্টারপ্রাইজ মৎস্য আড়তের ম্যানেজার মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, বড় আকারের ইলিশ হওয়ায় মাছটি প্রতি মণ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। সেই অনুযায়ী ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের এ ইলিশের বিক্রয়মূল্য দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৮২৫ টাকা। জেলে কাদের মাঝি বলেন, সমুদ্রে গিয়ে জাল ফেলতেই অন্যান্য মাছের সঙ্গে এই বড় ইলিশটি ধরা পড়ে। যদিও এ বছর সমুদ্রে মাছের পরিমাণ তুলনামূলক কম, তারপরও আল্লাহ যা দিয়েছেন তাতেই তিনি সন্তুষ্ট রয়েছেন। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়া জেলেদের জন্য সুখবর। গভীর সমুদ্রের পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকাতেও বড় ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি জানান, ইলিশের উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়ছে। তিনি আশাবাদী যে, আগামী দিনে সরবরাহ আরও বৃদ্ধি পেলে বাজারে দামও সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%