ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকা মেডিকেল হলো সার্বক্ষণিক নির্ভরতার স্থান: প্রধানমন্ত্রী


ঢাকা মেডিকেল হলো সার্বক্ষণিক নির্ভরতার স্থান: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজকে দেশের ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র চিকিৎসা ক্ষেত্রে নয়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে ভূমিকা রেখেছে।

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা উঠান।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি সেইসাথে তাদেরও স্মরণ করেন, যারা আর বেঁচে নেই কিন্তু তাদের অবদানে প্রতিষ্ঠানটি মানুষের সেবায় অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ

ঢাকা মেডিকেল কলেজ শুধুমাত্র দেশ-বিদেশের সেরা চিকিৎসক তৈরি করেনি; এ প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষক, গবেষক, সমাজনেতা ও মুক্তিযোদ্ধারাও তৈরি হয়েছেন, যারা অন্যের জীবন রক্ষায় নিজেদের জীবন ও স্বার্থ বিলিয়ে দিতে কুণ্ঠাবোধ করেননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে রাজধানীর মানুষের ‘সার্বক্ষণিক নির্ভরতার জায়গা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, হাসপাতালের প্রতিটি কক্ষ ও করিডোরে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের আনন্দ এবং বেদনার গল্প রচিত হয়। এখানে যেমন অনেক জীবনের অবসান ঘটে, তেমনি অসংখ্য নতুন জীবনের সূচনা হয়। স্টেথোস্কোপের এক প্রান্তে একজন চিকিৎসকের কান থাকে, অন্য প্রান্তে স্পন্দিত হয় একজন মানুষের জীবন। চিকিৎসক ও রোগী মিলেই একটি পরিবারের অগাধ বিশ্বাসের আবর্তন তৈরি করে।

প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, মানুষের মনোজগতে চিকিৎসকের অবস্থান সুস্থ জীবনের রক্ষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের এক অনুষ্ঠানে বলা কথার পুনরাবৃত্তি করে তিনি বলেন, চিকিৎসকরা প্রকৃত অর্থে মানুষের বিপদের বন্ধু। রোগে-শোকে কাতর মানুষের পরম বন্ধু হয়ে ওঠেন চিকিৎসকেরা। একজন চিকিৎসকের পরামর্শ এবং আন্তরিক ব্যবহার রোগীর কাছে ওষুধের মতো কার্যকর হয়ে ওঠে। তাই পেশাগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি মানবিক মানুষ হয়ে ওঠাও জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের নিরাপত্তা ক্ষেত্রেও সরকারের উদ্যোগের ব্যাপারে জানান। তিনি বলেন, প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হবে। এর অংশ হিসেবে হাসপাতালগুলোতে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পাঁচ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, মিডওয়াইফ ও অন্যান্য স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের শূন্যপদ দ্রুত পূরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে গার্মেন্টস শ্রমিক কার্তিক নিহত

‘Prevention is better than cure’ এই নীতির উদ্দেশ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকার স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চান। পুষ্টি, টিকাদান, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি রোগ, হৃদরোগ এবং ক্যানসারের মতো বিষয়গুলোতে আগেভাগে স্বাস্থ্যসম্মত পরামর্শ পেলে রোগের নিরাময় অনেক সহজ হয়। নিয়মিত পরীক্ষা, সচেতনতা এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেক রোগ শুরুতেই নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় সম্ভব হয়।

এই লক্ষ্যেই সারাদেশে এক লাখ হেলথ কেয়ারার বা স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশ নারী হেলথ কেয়ারার হবেন, যারা পরিবারভিত্তিক প্রতিরোধমূলক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি সুস্থ জাতি শুধু হাসপাতাল দিয়ে গড়ে ওঠে না। এটি পারিবারিক সচেতনতা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, স্বাস্থ্য পরামর্শ, নিরাপদ খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম এবং দায়িত্বশীল জীবনাচরণের ওপরও নির্ভর করে।

স্বাস্থ্যখাতে বাজেট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাখাতের পর এবার দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বরাদ্দ স্বাস্থ্যখাতে দেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে এ বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাজেট বাড়ানোর পাশাপাশি চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং চিকিৎসা ব্যয়ও কমানো হয়েছে। ডায়ালাইসিস ফিল্টার, হার্টের স্টেন্ট, হার্টের ভাল্ব, পেসমেকার, অক্সিজেনেটর, পেরিফেরাল ভাসকুলার স্টেন্ট, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন ফাইবার, চোখের লেন্স এবং ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু কাঁচামালের ওপর ভ্যাট এবং কর কমানো হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে কর সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে ইউপি সদস্যকে মারধর করলেন বিএনপি নেতা তোতা

উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করেন। তিনি বলেন, দেশে ৫০০ উপজেলার মধ্যে বর্তমানে মাত্র পাঁচটিতে ১০০ শয্যার হাসপাতাল রয়েছে। জনসংখ্যার তুলনায় এটি অপ্রতুল হওয়ায় রোগীদের শহরমুখী হতে হয়। এই কারণে বর্তমানে ৩১ থেকে ৫১ শয্যার প্রতিটি উপজেলা হাসপাতাল পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, সব হাসপাতালের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকার হাসপাতালের ভবন নির্মাণ, স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন, এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের ব্যাপারে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ। শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। বরিশাল ও রাজশাহীতে নির্মিত ২০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতালসহ মোট পাঁচটি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে বিশেষায়িত শিশুচিকিৎসা রাজধানীকেন্দ্রিক না থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সহজলভ্য হবে এবং প্রদানযোগ্য হবে।

মেডিকেল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও চিকিৎসকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে মেডিকেল বর্জ্যের বিজ্ঞানসম্মত অপসারণ ও ব্যবস্থাপনা এক অপরিহার্য বিষয়। তিনি সকলকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে মেডিকেল বর্জ্য অপসারণ এবং হাসপাতালগুলো পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, আজকের শিক্ষার্থী ও ইন্টার্নদের হাত ধরে চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে।

আরও পড়ুন: চন্দ্রপাড়া দরবারে তিন শতাধিক অসচ্ছল মানুষকে সহায়তা, ওরসের তারিখ ঘোষণা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীপুরে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী-সন্তান নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


শ্রীপুরে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী-সন্তান নিহত

গাজীপুরের শ্রীপুরের বেড়াইদেরচালা এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পার হওয়ার সময় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন স্বামী, স্ত্রী ও তাদের ৯ মাসের শিশুটি। শনিবার দুপুরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে, শ্রীপুরের বেড়াইদেরচালা গ্রামের ২ নম্বর সিএন্ডবি এলাকায়।

নিহত দম্পতির মধ্যে রাকিব হাসান (৩৫) পিরোজপুরের সদর থানার উত্তররাণীপুর গ্রামের সেকান্দার আলী বেপারীর ছেলে। তার স্ত্রীর নাম বিথী আক্তার (৩০), আর ৯ মাস বয়সি সন্তানের নাম নুর। রাকিব হাসান শ্রীপুর পৌরসভার গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি এলাকার কারখানার মানব সম্পদ বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

মাওনা হাইওয়ে থানার ওসি কামরুজ্জামান জানিয়েছেন, ওই দম্পতি সন্তানসহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় অজ্ঞাত একটি কাভার্ডভ্যান তাদের ধাক্কা দেয়। এতে বিথী আক্তার ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় রাকিব হাসান ও তাদের ৯ মাস বয়সি সন্তান নুরকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা রাকিবকে মৃত ঘোষণা করেন।

অবস্থার অবনতি হওয়ায় নুরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া পথে তারও মৃত্যু হয়। কাভার্ডভ্যানটি শনাক্ত করতে কাজ করে চলছে পুলিশ। নিহতদের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।

এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও জানিয়েছেন ওসি কামরুজ্জামান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি সুব্রত, সম্পাদক হাসান তারিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০১ পি.এম


গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি সুব্রত, সম্পাদক হাসান তারিক

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির অষ্টম জাতীয় সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট হাসান তারিক চৌধুরীকে নির্বাচিত করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই সম্মেলনটি শনিবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট রাম চন্দ্র দাসের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

সংগঠনের এই সম্মেলনের মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে বিভাজিত দুটি অংশ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি বার কাউন্সিলের সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ইয়াহিয়া। অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি বক্তব্য রেখেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সম্মেলনে সারাদেশের অধিকাংশ জেলা বারের আইনজীবী নেতৃবৃন্দ প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে সংবিধান পুনর্বহালের দাবি মাথায় রেখে অনুষ্ঠিত হলো এই সম্মেলন। সারাদেশের প্রতিনিধিরা সেখানে আলোচনায় অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ পি.এম


উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি সভা

উত্তরাঞ্চলের পাঁচটি জেলার ইতিহাস, প্রত্নসম্পদ, শিল্প, আঞ্চলিক সমস্যা এবং উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে একটি দুই দিনব্যাপী ওয়ার্কশপ ও জাতীয় সম্মেলন আয়োজনের লক্ষ্যে বগুড়ায় একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুন) রাত ৮টায় শহরের সেউজগাড়ি বগুড়া নার্সিং হোম সম্মেলন কক্ষে এই আয়োজন করেন ইতিহাসচর্চা ও গবেষণা কল্যাণ সংস্থা। প্রধান অতিথি হিসেবে এতে উপস্থিত ছিলেন টিএমএসএস নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপিকা ড. হোসনে আরা বেগম। সভাপতিত্ব করেন বগুড়া ইতিহাস চর্চা ও গবেষণা কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. সিএম ইদ্রিস।

সভাটি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফজলে রাব্বী ডলারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান, ইতিহাস চর্চা ও গবেষণা কল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা-মন্ডলীর সদস্য ডা. এ এইচ এম মশিউর রহমান, সরকারি মজিবর রহমান ভান্ডারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. বেল্লাল হোসেন।

আরো সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সরকারি শাহ সুলতান কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. সাহিদুর রহমান, সরকারি আজিজুল হক কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শাহজাহান আলী, এবং বগুড়া ইতিহাস চর্চা গবেষণা কল্যাণ সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি একে এম রাজিউল্লাহসহ বেশ কয়েকজন অতিথি।

আয়োজকরা এই আয়োজনের মাধ্যমে ঐতিহাসিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়নের সম্ভাবনা চিহ্নিতকরণ এবং বাস্তবভিত্তিক সুপারিশ প্রণয়নের আশা প্রকাশ করেছেন। সভায় সম্মেলন আয়োজনের লক্ষ্যে বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন, সম্ভাব্য কর্মসূচি এবং সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘে ২০ হাজার কিমি খালের খননের পরিকল্পনার কথা জানাল সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ পি.এম


জাতিসংঘে ২০ হাজার কিমি খালের খননের পরিকল্পনার কথা জানাল সরকার

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত টেকসই উন্নয়নবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের আলোচনার সময় জলবায়ু সহনশীলতা, পানি নিরাপত্তা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং উদ্ভাবনভিত্তিক শিল্পায়নের ওপর বাংলাদেশের গুরুত্বারোপ লক্ষ্য করা যায়।

শনিবার (১১ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক এস এম আবদুল আউয়াল বাংলাদেশের জলবায়ু অভিযোজন ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।

তিনি জানান, সরকারের পরিকল্পনা হল আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা। এটি সেচব্যবস্থা জোরদার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুদ্ধার এবং গ্রামীণ ও শহুরে জনগণের জন্য নিরাপদ পানীয়জল নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে।

শনিবার (১১ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এই তথ্য জানায়।

ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক এস এম আবদুল আউয়াল জলবায়ু অভিযোজন ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ সরকারের দীর্ঘদিনের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।

তিনি জানান, সেচব্যবস্থা জোরদার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুদ্ধার এবং সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত করতে সরকার ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছে।

এছাড়া তিনি বাংলাদেশের কৃষি, জৈবপ্রযুক্তি, ওষুধশিল্প, চামড়াশিল্প, ডিজিটাল এবং সৃজনশীল শিল্পখাতে বিনিয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানান।

তিনি মন্তব্য করেন, সাম্প্রতিক অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ফলে দেশে একটি স্থিতিশীল, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ফলস্বরূপ, বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে এবং এটি টেকসই ও পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার জন্য অনুকূল সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

আউয়াল উল্লেখ করেন যে এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা আরও সুসংহত হবে, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং একটি সহনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%