এস এম সাহান,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
০১:২৬ পি.এম
ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী জসীম পল্লী মেলা পুনরায় আয়োজনের দাবিতে মানববন্ধন, সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মফিজ ইমাম মিলন, ফরিদপুর লালন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা পাগলা বাবলু খান,অ্যাডভোকেট বশীর আহমেদ চৌধুরী, তৌহিদুল ইসলাম স্টালিন, মেহেদী হাসান মিঠু, পলাশ খান, আনিসুর রহমান ও শামীমা বেগম।
এ সময় ফরিদপুর বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত চার বছর ধরে জসীম পল্লী মেলা বন্ধ থাকায় ফরিদপুরের সংস্কৃতিপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। জসীম পল্লী মেলা শুধু একটি স্থানীয় আয়োজন নয়, এটি দেশের লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ মেলাকে কেন্দ্র করে সংস্কৃতিসেবীদের মিলন ঘটে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পণ্য, হস্তশিল্প ও লোকজ উপকরণ প্রদর্শন ও বিক্রির সুযোগ তৈরি হয়।
বক্তারা আরও বলেন, মেলা আয়োজনের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কারুশিল্পী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কর্মসংস্থান ও আর্থিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ সৃষ্টি হয়। তাই ফরিদপুরের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক চর্চা ধরে রাখতে আগামী বছর থেকে জসীম পল্লী মেলা পুনরায় আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা মিছিল নিয়ে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান। সেখানে জেলা প্রশাসকের কাছে জসীম পল্লী মেলা পুনরায় আয়োজনের দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত কয়েক দিন ধরে বলেশ্বর নদীতে তুলনামূলকভাবে ভালো ইলিশ ধরা পড়ছে। একের পর এক ট্রলার ঘাটে ফিরে আসছে। এর ফলে জেলে, পাইকার ও আড়তদারদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে মা ইলিশ রক্ষার জন্য বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বলেশ্বর নদীসহ উপকূলীয় এলাকায় ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। এই পরিস্থিতিতে একদিকে জেলেরা শেষ সময়ে ইলিশ পেয়ে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছেন, অন্যদিকে দীর্ঘ সময় কর্মহীন থাকার চিন্তায় ঋণগ্রস্ত অনেক জেলে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
ঘাট ও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি প্রায় ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
ক্রেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারে ইলিশের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। তাই তারা শেষ মুহূর্তে পছন্দের ইলিশ কিনে রাখার চেষ্টা করছেন।
জেলেরা জানিয়েছেন, শেষ সময়ে ভালো মাছ পাওয়ায় তাদের কিছুটা আয় হয়েছে। তবে আগামী ২২ দিন নদীতে যেতে না পারায় সংসার চালানো নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তা রয়েছে। সরকারি বরাদ্দের চাল ও সহায়তা দ্রুত ও সঠিকভাবে না পেলে পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, মা ইলিশের ডিম ছাড়ার সুযোগ নিশ্চিত করার জন্যই এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ সময়ে ইলিশ অবাধে ডিম ছাড়তে পারলে ভবিষ্যতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে নদী ও বাজারে নজরদারি রাখা হবে। নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও মৎস্য বিভাগের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিয়েভ, ইউক্রেনের রাজধানীতে বুধবার একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুইজন প্রাণ হারিয়েছেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন শহরের মেয়র। এর আগে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছিলেন, কিয়েভের দিকে ‘বড় ধরনের হামলা’ আসছে।
শীতের মৌসুম ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে রাজধানীতে হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। রুশ হামলার আশঙ্কা জানাতে প্রায় সব সময় সাইরেন বাজছে। বুধবার ভোরে সামরিক বাহিনী কিয়েভসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সতর্কতা জারি করে। এর পরেই বাসিন্দারা মেট্রো স্টেশনে আশ্রয় নিতে শুরু করেন। অনেকেই সঙ্গে নিয়ে যান বড় ব্যাগ, ঘুমানোর মাদুর ও কম্বল।
ব্যাংকে কর্মরত ইরিনা রিবালচেঙ্কো বলেন, "আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে এখানে চলে এসেছি। আমরা এখান থেকে একেবারে পাশেই থাকি।" তিনি আরও বলেন, "পুরো কিয়েভ এখন আতঙ্কের মধ্যে আছে। আজ আমরা কর্মস্থলে আটকে পড়েছিলাম। সবাই—আমাদের দলের সদস্যরা, এমনকি কর্মকর্তারাও—বার্তা পাঠিয়ে আমাদের সাবধানে থাকতে বলছিলেন।"
রুশ হামলা মূলত জ্বালানি অবকাঠামো এবং রেল ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করছে। এর মধ্যে দিনিপ্রো নদীর দুই পাড়ে বিস্তৃত কিয়েভকে যুক্ত করা সেতুগুলোও রয়েছে। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো জানান, বুধবারের হামলায় ঘনবসতিপূর্ণ দারনিতস্কি এলাকায় আগুন লাগার ফলে দুইজন নিহত হয়েছেন।
তিনি বার্তায় উল্লেখ করেন, "আগুন নেভানোর সময় দুইজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত দুইজনের মরদেহ পাওয়া গেছে।"
জেলেনস্কি বাসিন্দাদের বিমান হামলার সাইরেনের দিকে নজর রাখতে সতর্ক করেছিলেন। রাতে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, "রাশিয়া বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে—এ বিষয়ে আমাদের কাছে নতুন গোয়েন্দা তথ্য আছে।" তিনি আরও বলেন, প্রতিরোধ ব্যবস্থা জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।
জেলেনস্কির ভাষণের কিছুক্ষণ পর কিয়েভের কিছু এলাকায় নির্ধারিত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে শহরের কিছু অংশ অন্ধকারে ডুবে যায়।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানায়, একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কিয়েভের দিকে আসছে। সামরিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী বিভিন্ন মাধ্যমও বড় ধরনের রুশ হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, এ হামলায় ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি দ্রুতগতির জেটচালিত ড্রোন ব্যবহার করা হতে পারে।
৩৬ বছর বয়সী দারিয়া মেদভেদেভা বলেন, "শিশুরা ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়েছিল। যখনই ব্যাপক গোলাবর্ষণ হয়, আমরা মাটির নিচে যাওয়ার চেষ্টা করি।" বুধবার ভোরে কিয়েভে অবস্থানরত এএফপির এক সাংবাদিক পরপর কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন।
ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সুমি অঞ্চলে রুশ ড্রোন হামলায় দুইজন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে ৭, ১৪ ও ১৬ বছর বয়সী তিন শিশুও রয়েছে। একটি ফ্ল্যাটে হামলা হলে তারা আহত হয়।
গত সপ্তাহে কিয়েভের মেয়র সতর্ক করে বলেছিলেন, রাজধানীকে এখন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। কারণ সেতু ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালিয়ে শত্রুরা ‘কিয়েভকে ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছে’।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী আরও জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জাপোরিঝঝিয়ায় একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র যাচ্ছে। সেখানে হামলায় যোগাযোগ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুরোনো গানের সুরে নতুন আবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে দুই বাংলার শিল্পী ও সংগীতস্রষ্টাদের একটি অনন্য মেলবন্ধন দেখা যাচ্ছে। কলকাতা থেকে বাংলাদেশের প্রথিতযশা সংগীতশিল্পী রাজিয়া মুক্তির কণ্ঠে প্রকাশিত হয়েছে বাংলা গানের দুই কালজয়ী সৃষ্টি ‘যখন রাত্রি নিঝুম নেই চোখে ঘুম’ ও ‘উন্মনা মন স্বপ্ন মগন’। গান দুটি নতুন সংগীতায়োজন ও আধুনিক আবহে কাভার সংস্করণ হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে, মূল সুর ও আবেগ অক্ষুণ্ন রেখে।
‘উন্মনা মন স্বপ্ন মগন’ গানটির গীতিকার হলেন প্রখ্যাত গীতিকার মোহিনী চৌধুরী। অপরদিকে, ‘যখন রাত্রি নিঝুম নেই চোখে ঘুম’ গানটির রচয়িতা তার স্ত্রী লীলা চৌধুরী। রাজিয়া মুক্তির কণ্ঠের স্বাতন্ত্র্য ও গায়কিতে মুগ্ধ হয়ে মোহিনী চৌধুরীর অপর পুত্র ও চিত্রপরিচালক দিগ্বিজয় চৌধুরী তার মাধ্যমে কালজয়ী গান দুটি কাভার করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। গান দুটি কলকাতার প্রাইম পিক্সেল স্টুডিও থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
গান দুটি সম্পর্কে দিগ্বিজয় চৌধুরী মন্তব্য করেন, ‘গীতসংগীত’ চলচ্চিত্রে কুমার শানুর কণ্ঠে ‘যখন রাত্রি নিঝুম’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। অন্যদিকে, ‘উন্মনা মন স্বপ্ন মগন’ কিংবদন্তি শিল্পী নির্মলা মিশ্রের কণ্ঠে এক অনবদ্য ক্লাসিক হিসেবে পরিচিত। রাজিয়া মুক্তি তার নিজস্ব স্বকীয়তা দিয়ে গান দুটিকে নতুনভাবে প্রাণবন্ত করে তুলেছেন। তার স্পষ্ট উচ্চারণ, আবেগ ও কোমল গায়কিতে গান দুটি ভিন্নমাত্রা পেয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এটি নিছক কোনো পুনর্নির্মাণ নয়; বরং দুই বাংলার সংগীতপ্রেমীদের জন্য ভালোবাসার একটি নিবেদন। রাজিয়া মুক্তি পুরুষ কণ্ঠে গাওয়া গানের আবেগকে নিজের স্বতন্ত্র গায়কিতে নতুনভাবে তুলে ধরেছেন।
কাভার গান দুটি প্রসঙ্গে রাজিয়া মুক্তি জানান, ‘কালজয়ী গান দুটি নতুনভাবে গাওয়ার জন্য দিগ্বিজয় দাদা অনেক আগেই আমাকে অনুরোধ করেছিলেন। মোহিনী চৌধুরী পরিবারের স্নেহধন্য হতে পেরে নিজেকে আশীর্বাদপুষ্ট মনে করছি। তিনিই প্রথম বাংলাদেশের কোনো শিল্পী, যিনি ‘মুক্তির মন্দির সোপান তলে’র মতো কালজয়ী গানের রচয়িতার লেখা মৌলিক গান গাওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছিলেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘সংগীতকে কখনো হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। প্রতিটি গানে নিজের স্বকীয়তা ধরে রাখা জরুরি। আমি চেষ্টা করেছি গান দুটির মূলভাব ও আবেগ অক্ষুণ্ন রেখে নিজের মতো করে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে।’
এর আগে কলকাতা থেকে মোহিনী চৌধুরীর লেখা এবং তার জ্যেষ্ঠপুত্র ভবিষ্যৎ চৌধুরীর সুরে রাজিয়া মুক্তির কণ্ঠে প্রকাশিত হয়েছিল দুটি মৌলিক গান ‘সূর্য এবার নতুন আকাশে জাগো’ ও ‘সাগরে যে ঘর বেঁধেছে’। শ্রোতামহলেও গান দুটি প্রশংসা কুড়িয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে মেলোডিনির্ভর গানকে প্রাধান্য দিয়ে সংগীতচর্চা করে আসছেন রাজিয়া মুক্তি। এর আগে জি সিরিজ থেকে তার ‘আমি একা’ ও ‘আমার ভিতর বাহির’ শিরোনামে দুটি মৌলিক গান প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে তার অসংখ্য মৌলিক গান ও নজরুলসংগীত পরিবেশনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন শাকিল, পাঁচটি মাদক মামলার পলাতক আসামি মো. ফারুকসহ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনকে মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে, চারজনকে মাদক সেবনের অভিযোগে এবং একজনকে জিআর মামলার পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএমের নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার মঈন উদ্দিন শাকিল (৩২) রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
এ ছাড়া তবলছড়ি মাছ বাজার এলাকার মো. ফারুক (৪৮), স্বর্ণটিলা এলাকার মো. ইলিয়াস রনি (২৮) ও মো. নাজিম উদ্দিন (২৪), রিজার্ভ বাজারের জাহেদ (২২), পুরাতন হাসপাতাল এলাকার মোসলেম খাঁ ভূট্রো (৫৫) এবং রিজার্ভ বাজার এলাকার তালাশি (৩৫)—এই ছয়জনকে মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্যমতে, ফারুকের বিরুদ্ধে পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে এবং তিনি এসব মামলায় পলাতক ছিলেন।
অন্যদিকে স্বর্ণটিলা এলাকার মো. আবু তালেব (৩৪), শান্তিনগর এলাকার মো. হাসান সুজন (৩০), ওয়াপদা কলোনি এলাকার মো. নিশান (৩১) এবং বালুখালী এলাকার বাঁশি চাকমা (৩৫)-কে মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া স্বর্ণটিলা এলাকার মো. সাইদুল ইসলাম (২০) নামে একজনকে জিআর মামলার পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং অন্যদের বিধি অনুযায়ী আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ