ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পুরোনো সুরে নতুন আবেশ, মুক্তির কণ্ঠে দুই কালজয়ী গান প্রকাশ


পুরোনো সুরে নতুন আবেশ, মুক্তির কণ্ঠে দুই কালজয়ী গান প্রকাশ

পুরোনো গানের সুরে নতুন আবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে দুই বাংলার শিল্পী ও সংগীতস্রষ্টাদের একটি অনন্য মেলবন্ধন দেখা যাচ্ছে। কলকাতা থেকে বাংলাদেশের প্রথিতযশা সংগীতশিল্পী রাজিয়া মুক্তির কণ্ঠে প্রকাশিত হয়েছে বাংলা গানের দুই কালজয়ী সৃষ্টি ‘যখন রাত্রি নিঝুম নেই চোখে ঘুম’ ও ‘উন্মনা মন স্বপ্ন মগন’। গান দুটি নতুন সংগীতায়োজন ও আধুনিক আবহে কাভার সংস্করণ হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে, মূল সুর ও আবেগ অক্ষুণ্ন রেখে।

‘উন্মনা মন স্বপ্ন মগন’ গানটির গীতিকার হলেন প্রখ্যাত গীতিকার মোহিনী চৌধুরী। অপরদিকে, ‘যখন রাত্রি নিঝুম নেই চোখে ঘুম’ গানটির রচয়িতা তার স্ত্রী লীলা চৌধুরী। রাজিয়া মুক্তির কণ্ঠের স্বাতন্ত্র্য ও গায়কিতে মুগ্ধ হয়ে মোহিনী চৌধুরীর অপর পুত্র ও চিত্রপরিচালক দিগ্বিজয় চৌধুরী তার মাধ্যমে কালজয়ী গান দুটি কাভার করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। গান দুটি কলকাতার প্রাইম পিক্সেল স্টুডিও থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

গান দুটি সম্পর্কে দিগ্বিজয় চৌধুরী মন্তব্য করেন, ‘গীতসংগীত’ চলচ্চিত্রে কুমার শানুর কণ্ঠে ‘যখন রাত্রি নিঝুম’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। অন্যদিকে, ‘উন্মনা মন স্বপ্ন মগন’ কিংবদন্তি শিল্পী নির্মলা মিশ্রের কণ্ঠে এক অনবদ্য ক্লাসিক হিসেবে পরিচিত। রাজিয়া মুক্তি তার নিজস্ব স্বকীয়তা দিয়ে গান দুটিকে নতুনভাবে প্রাণবন্ত করে তুলেছেন। তার স্পষ্ট উচ্চারণ, আবেগ ও কোমল গায়কিতে গান দুটি ভিন্নমাত্রা পেয়েছে।

আরও পড়ুন: বিচ্ছেদের পর নীরবতা ভেঙে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেহতাজের ছবি

তিনি আরো বলেন, এটি নিছক কোনো পুনর্নির্মাণ নয়; বরং দুই বাংলার সংগীতপ্রেমীদের জন্য ভালোবাসার একটি নিবেদন। রাজিয়া মুক্তি পুরুষ কণ্ঠে গাওয়া গানের আবেগকে নিজের স্বতন্ত্র গায়কিতে নতুনভাবে তুলে ধরেছেন।

কাভার গান দুটি প্রসঙ্গে রাজিয়া মুক্তি জানান, ‘কালজয়ী গান দুটি নতুনভাবে গাওয়ার জন্য দিগ্বিজয় দাদা অনেক আগেই আমাকে অনুরোধ করেছিলেন। মোহিনী চৌধুরী পরিবারের স্নেহধন্য হতে পেরে নিজেকে আশীর্বাদপুষ্ট মনে করছি। তিনিই প্রথম বাংলাদেশের কোনো শিল্পী, যিনি ‘মুক্তির মন্দির সোপান তলে’র মতো কালজয়ী গানের রচয়িতার লেখা মৌলিক গান গাওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছিলেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘সংগীতকে কখনো হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। প্রতিটি গানে নিজের স্বকীয়তা ধরে রাখা জরুরি। আমি চেষ্টা করেছি গান দুটির মূলভাব ও আবেগ অক্ষুণ্ন রেখে নিজের মতো করে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে।’

এর আগে কলকাতা থেকে মোহিনী চৌধুরীর লেখা এবং তার জ্যেষ্ঠপুত্র ভবিষ্যৎ চৌধুরীর সুরে রাজিয়া মুক্তির কণ্ঠে প্রকাশিত হয়েছিল দুটি মৌলিক গান ‘সূর্য এবার নতুন আকাশে জাগো’ ও ‘সাগরে যে ঘর বেঁধেছে’। শ্রোতামহলেও গান দুটি প্রশংসা কুড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নিশি’ নির্বাচিত হয়েছে ভিজিআইকে উৎসবে

দীর্ঘদিন ধরে মেলোডিনির্ভর গানকে প্রাধান্য দিয়ে সংগীতচর্চা করে আসছেন রাজিয়া মুক্তি। এর আগে জি সিরিজ থেকে তার ‘আমি একা’ ও ‘আমার ভিতর বাহির’ শিরোনামে দুটি মৌলিক গান প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে তার অসংখ্য মৌলিক গান ও নজরুলসংগীত পরিবেশনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‎রাঙামাটিতে ছাত্রলীগ নেতা ও মাদক মামলার পলাতক আসামিসহ গ্রেপ্তার ১২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি প্রতিনিধি

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৮ পি.এম


‎রাঙামাটিতে ছাত্রলীগ নেতা ও মাদক মামলার পলাতক আসামিসহ গ্রেপ্তার ১২

‎রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন শাকিল, পাঁচটি মাদক মামলার পলাতক আসামি মো. ফারুকসহ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনকে মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে, চারজনকে মাদক সেবনের অভিযোগে এবং একজনকে জিআর মামলার পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
‎
‎মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএমের নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়।
‎
‎পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার মঈন উদ্দিন শাকিল (৩২) রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
‎
‎এ ছাড়া তবলছড়ি মাছ বাজার এলাকার মো. ফারুক (৪৮), স্বর্ণটিলা এলাকার মো. ইলিয়াস রনি (২৮) ও মো. নাজিম উদ্দিন (২৪), রিজার্ভ বাজারের জাহেদ (২২), পুরাতন হাসপাতাল এলাকার মোসলেম খাঁ ভূট্রো (৫৫) এবং রিজার্ভ বাজার এলাকার তালাশি (৩৫)—এই ছয়জনকে মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
‎
‎পুলিশের তথ্যমতে, ফারুকের বিরুদ্ধে পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে এবং তিনি এসব মামলায় পলাতক ছিলেন।
‎
‎অন্যদিকে স্বর্ণটিলা এলাকার মো. আবু তালেব (৩৪), শান্তিনগর এলাকার মো. হাসান সুজন (৩০), ওয়াপদা কলোনি এলাকার মো. নিশান (৩১) এবং বালুখালী এলাকার বাঁশি চাকমা (৩৫)-কে মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
‎
‎এ ছাড়া স্বর্ণটিলা এলাকার মো. সাইদুল ইসলাম (২০) নামে একজনকে জিআর মামলার পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তার করা হয়।
‎
‎পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং অন্যদের বিধি অনুযায়ী আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র, অনুমোদনের অপেক্ষায় প্রকল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৮ পি.এম


রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র, অনুমোদনের অপেক্ষায় প্রকল্প

সরকার বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্দেশ্যে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।

বাংলাদেশ সচিবালয়ে বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য তোলা হয়। সভায় মোট ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।

রামপাল সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে বিপিডিবির নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৭৪ কোটি টাকা এবং বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন তহবিল থেকে ২ হাজার ১২৩ কোটি টাকা জোগানের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে।

নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না। ২০১২ সালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য বিপিডিবি রামপালে ১ হাজার ৮৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল। ওই জমির একাংশে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানির মৈত্রী সুপার থার্মাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ব্লক-বি এলাকায় জমি উন্নয়ন ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি সেখানেই নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় ন্যূনতম ৬৪০ ওয়াট পিক ক্ষমতার সৌর প্যানেল স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্রিড-টাইড ইনভার্টার এবং একটি পুলিং সাবস্টেশন স্থাপন করা হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার জন্য ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল সার্কিট ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন এবং উপকেন্দ্রে দুটি ২৩০ কেভি বে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ডরমিটরি, রেস্টহাউস ও মসজিদ এবং তিনতলা নিয়ন্ত্রণ ভবন নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে দেশীয় পরামর্শক নিয়োগের প্রস্তাবও করা হয়েছে।

প্রকল্প প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি বাস্তবায়িত হলে জাতীয় গ্রিডে সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে। একই সঙ্গে কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতেও প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে।

এদিকে একনেক সভায় বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে ২ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহের প্রকল্প অনুমোদনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৮১১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক থেকে প্রকল্প ঋণ হিসেবে ১ হাজার ৯৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব রয়েছে।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাতটি প্রকল্পসহ নৌপরিবহণ, পররাষ্ট্র এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পও অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। ১৩টি প্রকল্পের মধ্যে ১০টি নতুন, দুটি সংশোধিত এবং একটি মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৯ পি.এম


সৌদি প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর

সৌদি আরবে অবস্থানরত অত্যন্ত দক্ষ বিদেশি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া সহজতর করেছে দেশটির সরকার। নতুন নিয়মের আওতায় স্বামী বা স্ত্রী, ২৫ বছরের কম বয়সী পুত্র এবং অবিবাহিত কন্যাকে সঙ্গে নেয়ার সুযোগ থাকবে।

সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে। এর ফলে অত্যন্ত দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য পরিবার নিয়ে সৌদি আরবে যাওয়ার প্রক্রিয়া আরো সহজ হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অত্যন্ত দক্ষ বিদেশি কর্মীদের কাজের ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই তাদের পরিবারের যোগ্য সদস্যদের সৌদি আরবে আনার সুযোগ প্রদান করেছে সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সৌদি আরবে বসবাসরত মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং অত্যন্ত দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সহজীকরণ করা। নতুন ব্যবস্থায় যোগ্য বিদেশি কর্মীরা তাদের স্ত্রী বা স্বামী, ২৫ বছরের কম বয়সী পুত্র এবং অবিবাহিত কন্যাকে সৌদি আরবে নিয়ে যেতে পারবেন।

সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পরিবারের যোগ্য সদস্যদের প্রবেশ ভিসা বিদেশি কর্মীর ওয়ার্ক ভিসার প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে প্রদান করা হবে। তবে এ জন্য আবেদনের সব শর্ত পূরণ করতে হবে। অর্থাৎ, পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরবে আনার প্রক্রিয়া শুরু করার আগে নিজের ওয়ার্ক ভিসা সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।

সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রবাসী কর্মীদের পরিবারের সদস্যরা সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর দেশটির প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী তাদের বসবাসের অনুমতিপত্র বা রেসিডেন্স পারমিট দেয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
গাজায় ইসরাইলি বর্বরতার ৩ বছর

ধ্বংসস্তূপে ফিলিস্তিনিদের টিকে থাকার লড়াই অব্যাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৯ পি.এম


ধ্বংসস্তূপে ফিলিস্তিনিদের টিকে থাকার লড়াই অব্যাহত

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হামলার ফলে ১ হাজার ২০০ জন নিহত এবং ২৫১ জন অপহৃত হওয়ার পর শুরু হওয়া ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ গাজাকে বিধ্বস্ত করে ফেলেছে। সেখানে বসবাসকারী ২০ লাখ মানুষ চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। একই সময়ে ইসরাইলিরা দিনটিতে শোক পালন করছেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দক্ষিণ ইসরায়েলের বিভিন্ন সড়ক ও আশ্রয়কেন্দ্রে শোক পালন করেন ইসরাইলিরা। তিন বছর আগে হামাসের হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া সংগীত উৎসবের স্থানে তারা শোক পালন করেছেন।

ফিলিস্তিনিদের জন্য বার্ষিকীটি চরম দুর্দশা ও কষ্টের আরেকটি দিন নিয়ে এসেছে। গাজায় ইসরাইলের পাল্টা অভিযানে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। উপত্যকাটির ২০ লাখ মানুষের অধিকাংশই বর্তমানে অস্বাস্থ্যকর তাঁবুর নিচে বসবাস করছেন এবং শহরগুলোর অধিকাংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। অঞ্চলটির অর্ধেকেরও বেশি এলাকা ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দখলে রয়েছে এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার প্রায় এক বছর পরেও প্রতিদিনই ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।

এই অঞ্চলের জন্য দিনটি গত তিন বছরে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে। হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতের কারণে ইসরাইলি সেনারা দক্ষিণ লেবাননের একটি বড় অংশ দখল করে রেখেছে। হামাসের সমর্থনে ২০২৩ সালে ইসরাইলে হামলা শুরু করেছিল হিজবুল্লাহ।

এছাড়া ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বের ফলে আরব উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা হয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। এই সংঘাতের পেছনে ইসরাইলের ভূমিকা ছিল এবং গাজা যুদ্ধ সম্ভবত এর পথ প্রশস্ত করেছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেখানকার ৭৪ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয় বেসামরিক নাগরিক ও সশস্ত্র যোদ্ধাদের মধ্যে পার্থক্য না করলেও, নিহতদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক নারী ও শিশু ছিলেন। হামাস-পরিচালিত সরকারের অংশ হওয়া সত্ত্বেও, জাতিসংঘ ও স্বতন্ত্র বিশেষজ্ঞরা সাধারণত মন্ত্রণালয়ের এই পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করেন।

১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির ফলে তীব্র লড়াই থেমে গেলেও ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইসরাইল দাবি করছে, তারা হামাস যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে গাজায় ১ হাজার ১৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে সাতজন ইসরাইলি সেনাও প্রাণ হারিয়েছেন।

হামাস ৭ অক্টোবরের হামলাকে ইসরাইলের কয়েক দশকের সামরিক দখলদারিত্ব, ভূমি বাজেয়াপ্তকরণ এবং বসতি স্থাপনের বিরুদ্ধে একটি প্রতিক্রিয়া হিসেবে তুলে ধরেছিল। তবে স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য ফিলিস্তিনিদের স্বপ্ন এখন আরও দূরবর্তী বলে মনে হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব

চলতি মাসের শেষের দিকে ইসরাইলে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া একটি বিতর্কিত নির্বাচন এবারের বার্ষিকীর প্রেক্ষাপটে বিশেষ প্রভাব ফেলছে। গত ৫ অক্টোবর দিবসটি উপলক্ষে ইসরাইলি সরকারের আনুষ্ঠানিক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই পৃথক স্মরণসভাগুলো প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যুদ্ধ পরিচালনার পদ্ধতি এবং সেই দিনের ব্যর্থতার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্তে তার অনীহা নিয়ে বিদ্যমান গভীর বিভাজনকেই নির্দেশ করে।

এই হামলার ফলে ধারাবাহিক ঘটনার সূত্রপাত ঘটে, যা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করে। সিরিয়া ও লেবাননের বিশাল এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ইসরাইল, যার ফলে ৩ লাখেরও বেশি লেবানিজ নাগরিক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রও ইসরাইলের সঙ্গে যোগ দিয়ে দুই দফায় ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর হামলা চালায়। এতে ইরান যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তেমনি যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বহু দূরে অবস্থিত বিশ্ববাজারও অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে।

ইসরাইল-অধিকৃত পশ্চিম তীরেও সহিংসতা বেড়েছে। সেখানে ইসরাইলের কট্টর-ডানপন্থি সরকার বসতি স্থাপনকারীদের আরও বেপরোয়া ও সাহসী করে তুলেছে, যারা ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং তাদের সম্পত্তি ধ্বংস করছে। সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%