প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন শাকিল, পাঁচটি মাদক মামলার পলাতক আসামি মো. ফারুকসহ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনকে মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে, চারজনকে মাদক সেবনের অভিযোগে এবং একজনকে জিআর মামলার পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএমের নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার মঈন উদ্দিন শাকিল (৩২) রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
এ ছাড়া তবলছড়ি মাছ বাজার এলাকার মো. ফারুক (৪৮), স্বর্ণটিলা এলাকার মো. ইলিয়াস রনি (২৮) ও মো. নাজিম উদ্দিন (২৪), রিজার্ভ বাজারের জাহেদ (২২), পুরাতন হাসপাতাল এলাকার মোসলেম খাঁ ভূট্রো (৫৫) এবং রিজার্ভ বাজার এলাকার তালাশি (৩৫)—এই ছয়জনকে মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্যমতে, ফারুকের বিরুদ্ধে পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে এবং তিনি এসব মামলায় পলাতক ছিলেন।
অন্যদিকে স্বর্ণটিলা এলাকার মো. আবু তালেব (৩৪), শান্তিনগর এলাকার মো. হাসান সুজন (৩০), ওয়াপদা কলোনি এলাকার মো. নিশান (৩১) এবং বালুখালী এলাকার বাঁশি চাকমা (৩৫)-কে মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া স্বর্ণটিলা এলাকার মো. সাইদুল ইসলাম (২০) নামে একজনকে জিআর মামলার পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং অন্যদের বিধি অনুযায়ী আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন