ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাণীশংকৈলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরবিদায় নিলেন বীরাঙ্গনা মোজেফা খাতুন


রাণীশংকৈলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরবিদায় নিলেন বীরাঙ্গনা মোজেফা খাতুন

মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের সহযোগীদের দ্বারা নির্মম নির্যাতনের শিকার ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বীরাঙ্গনা মোজেফা খাতুনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরবিদায় জানানো হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে কাশিপুর ইউনিয়নের মহারাজা পাঁচপীর মাদ্রাসা মাঠে তাঁর মরদেহে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় রাষ্ট্র এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁর মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

গার্ড অব অনার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাত জাহান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানউল্লাহ আল বারী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রিয়াজুল ইসলামসহ পুলিশের সদস্যরা। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত থেকে বীরাঙ্গনা মোজেফা খাতুনের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি নিজ বাড়িতে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তিনি তিন ছেলে, এক মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হন মোজেফা খাতুন। দীর্ঘ ৪৭ বছরের অপেক্ষার পর ২০১৮ সালে সরকার তাঁকে বীরাঙ্গনা হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করে।

জীবনের শেষভাগে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই বীরাঙ্গনা। প্রায় এক মাস আগে তাঁর শরীরে ক্যান্সার এবং কিডনির রোগ শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতনের শিকার হয়েও দীর্ঘ জীবন বয়ে বেড়ানো এই বীরাঙ্গনার বিদায়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আশুলিয়ায় সাড়ে ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনা হলো ঝুটের গোডাউনের আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ এম


আশুলিয়ায় সাড়ে ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনা হলো ঝুটের গোডাউনের আগুন

ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় ঝুটের গোডাউনে আগুন লাগার ঘটনা ফায়ার সার্ভিসের সাড়ে তিন ঘণ্টার প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত সোয়া ১টার দিকে ছয়টি ইউনিটের মাধ্যমে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে ১২ থেকে ১৭টি গোডাউন ও দোকান এবং আশপাশের কয়েকটি বাসাবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভুঁইয়া আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফায়ার সার্ভিস ও শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় অবস্থিত ফ্যান্টাসি কিংডমের ওয়াটার কিংডমের পূর্ব পাসের নূরে মদিনা মাদরাসার সামনে আলাউদ্দিনের ঝুটের গোডাউন থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এই সময় আগুন দ্রুত আশপাশের অন্যান্য ঝুটের গোডাউন এবং বাসাবাড়িতে ছড়িয়ে পড়লে লোকজন আতঙ্কিত হয়ে ছুটোছুটি শুরু করে। পরে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিস ও জিরাবো মডার্ন ফায়ার সার্ভিস থেকে ৬টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে ৬টি ইউনিটের টানা সাড়ে ৩ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত পৌনে ১০টার দিকে আলাউদ্দিন ও বাবুল মিয়ার মালিকানাধীন একটি ঝুটের গোডাউন থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি জিরাবো মডার্ন ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। তবে রাস্তায় যানজট থাকায় সময়মতো ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। এ সময় স্থানীয়রা নিজস্ব প্রচেষ্টা দিয়ে বিভিন্ন বাসা-বাড়ি থেকে পানি নিয়ে আগুন নির্বাপণের চেষ্টা করে। কিন্তু আগুন দ্রুত আশপাশের আরো কয়েকটি গোডাউনে ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের বাসা-বাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঝুঁকির মুখে পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন প্রাথমিকভাবে নিজেদের উদ্যোগে পানি ও বালু দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান।

জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, বাইপাইল থেকে জামগড়া পর্যন্ত পুরো রাস্তায় তীব্র যানজটের কারণে গাড়িগুলো সময়মতো পৌঁছাতে পারেনি। আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ও গোডাউনে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নেভাতে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ বলেও তিনি জানান।

ক্ষতিগ্রস্ত গোডাউন মালিক মো. ইমন জানান, ওই এলাকায় মোট ১৭টি গোডাউন ও দোকান ছিল। এর মধ্যে বাম পাশের ৩-৪টি গোডাউন আংশিক রক্ষা পেলেও বাকি সবকটি গোডাউন ও দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। আগুনে ঝুট, প্যান্টের কাপড়, গার্মেন্টস অ্যাক্সেসরিজ ও বিভিন্ন ধরনের মালামাল সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা জোন-৪-এর উপসহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান জানান, ঝুটের গোডাউনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে এখনো ডাম্পিংয়ের কাজ চলছে। আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করতে আরো বেশকিছু সময় লাগবে। আগুনের ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

তিনি আরো জানান, পানি পেতে সবচেয়ে বেশি বেগ পেতে হয়েছে। মাত্র একটি পাশ দিয়ে পানি নেওয়া গেছে। আগুনের ঘটনায় এখানে ১২/১৩ টি গোডাউন ও গোডাউনে থাকা সমস্ত মালামাল পুড়ে গেছে। আগুনে পাশের ১০ থেকে ১২টি সেমিপাকা ঘর এবং মালামাল পুড়ে গেছে। তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখন নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। এ ছাড়া ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও পরে জানানো হবে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, পুলিশ তদন্তে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ এম


প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, পুলিশ তদন্তে

রাজধানীর আগারগাঁও লিংক রোডে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা এই ককটেলগুলো নিক্ষেপ করে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এর ফলে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়, অন্যটি পরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট দ্বারা বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য কাজ করছে। ঘটনার পর রাত আড়াইটার দিকে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান।

ডিসি ইবনে মিজান বলেন, রাত সোয়া ১টার দিকে দুই মোটরসাইকেল আরোহী ঘটনাস্থলে এসে দুই থেকে তিন মিনিট অবস্থান করেন। এসময় তারা আশপাশ পর্যবেক্ষণ করেন।

এরপর তারা দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে সেখান থেকে চলে যান। পুলিশ তথ্য পেয়েছে যে, তারা আগারগাঁও হয়ে কাফরুল রোডের দিকে চলে গেছেন।

তিনি জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশের দল মাঠে নেমেছে। জড়িতদের শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হবে। রাতের বেলায় দোকানপাট ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সব ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। সকালে প্রতিষ্ঠানগুলো খুললে ফুটেজ সংগ্রহ করে পরবর্তী কার্যক্রম চালানো হবে।

বিস্ফোরিত না হওয়া ককটেলটি পরীক্ষা করে বোম ডিসপোজাল ইউনিট কোনো স্প্লিন্টার বা ক্ষতিকর উপাদান পায়নি বলে জানান ডিসি ইবনে মিজান। তার ভাষ্য, বস্তুটি অনেকটা পটকার মতো ছিল।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাশের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় এ ঘটনায় পুলিশের নিরাপত্তা-ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুর্বৃত্তরা মূল সড়ক এড়িয়ে লিংক রোড দিয়ে এসে ককটেল নিক্ষেপ করে চলে যায়। মূল সড়ককেন্দ্রিক নিরাপত্তা-ব্যবস্থা থাকলেও তারা বিকল্প পথ ব্যবহার করেছে।

ডিসি ইবনে মিজান আরো বলেন, ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেরানীগঞ্জে মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে অনিক ও জুনায়েদের ফাঁসির দাবি, আলেমদের হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ এম


কেরানীগঞ্জে মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে অনিক ও জুনায়েদের ফাঁসির দাবি, আলেমদের হুঁশিয়ারি

ঢাকার কেরানীগঞ্জে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে অনিক ও জুনায়েদ নামের দুই ব্যক্তির ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব। একই দাবি সমাবেশের সভাপতির ভূমিকায় আল্লামা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুরীও করেছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাদ জুমা কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্বরে ঈমান ও আকিদা সংরক্ষণ কমিটি, কেরানীগঞ্জের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তাঁরা এই দাবি তুলে ধরেন।

মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকারের কাছে একটি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি, এই জালিম নাস্তিকদের সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। অন্যথায় রাজপথের আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে উঠবে।

তিনি আরো বলেন, ইসলাম ও মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে তিনি অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন।

সমাবেশের সভাপতির বক্তব্যে আল্লামা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুরী উল্লেখ করেন, ‘আজকে কেরানীগঞ্জের রাস্তায় এক পাশ বন্ধ হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনে দুই পাশ বন্ধ করে দেওয়া হবে। অনিক ও জুনায়েদের ফাঁসি কার্যকর না হলে ঢাকাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে রাস্তা বন্ধ করে তৌহিদি জনতা আন্দোলন গড়ে তুলবে।’

তিনি মহানবী (সা.)-এর সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

সমাবেশে মাওলানা মজিবুর রহমান হামিদী, মুফতি আবু সাঈদ মিসবাহ, মুফতি শামসুল হক, আল্লামা বিলাল হুসাইন, মাওলানা লোকমান ছাদী ও মাওলানা নুরুল হক বক্তব্য দেন।

বক্তারা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এবং হজরত আয়েশা (রা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তাঁরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। পাশাপাশি ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন ও এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

সমাবেশটি পরিচালনা করেন মুফতি মীর শামসুদ্দিন বড়াইলী, মুফতি আবুল হাসানাত ফরিদী, মুফতি তাহের আ. হালিম ও মুফতি আসাদুল্লাহ তানজিল।

ঈমান ও আকিদা সংরক্ষণ কমিটি, কেরানীগঞ্জের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে বিভিন্ন পর্যায়ের আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানান। সমাবেশ থেকে দাবির পক্ষে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, স্মরণ করা হচ্ছে তাঁর সাহিত্যকর্ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ এম


সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, স্মরণ করা হচ্ছে তাঁর সাহিত্যকর্ম

আজ সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি একজন শিক্ষাবিদ, কথাসাহিত্যিক এবং প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক এই লেখক গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় স্বতন্ত্র অবদান রেখেছেন। ২০২৫ সালের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের জন্ম ১৯৫১ সালের ১৮ জানুয়ারি সিলেট শহরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করার পর তিনি কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইরিশ কবি ডাব্লিউ বি ইয়েটসের ওপর গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি সাহিত্যচর্চা ও সাহিত্য-সমালোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের কথাসাহিত্যের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বাস্তবতা ও কল্পনার মেলবন্ধন। তাঁর গল্পে দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ ঘটনা কখনো জাদু-বাস্তবতার আবহে নতুন মাত্রা পায়। উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘প্রেম ও প্রার্থনার গল্প’, ‘আধখানা মানুষ’ এবং ‘অলস দিনের হাওয়া’।

সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ১৯৯৬ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার এবং ২০১৮ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

শিক্ষকতা, সাহিত্যচর্চা ও মননশীল লেখালেখির মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সাহিত্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%