ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুরআনের আয়াতের মাধ্যমে শত্রু-মিত্রদের বার্তা দিল ইরান


কুরআনের আয়াতের মাধ্যমে শত্রু-মিত্রদের বার্তা দিল ইরান

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ শ্রদ্ধা অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে কিছু নির্বাচিত আয়াত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের সামনে তিলাওয়াত করা হয়েছে।

এই আয়াতগুলো সুচিন্তিতভাবে বাছাই করা হয়েছিল এবং এটির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশ ও পক্ষের প্রতি ইরানের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভবিষ্যৎ অবস্থান স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। বন্ধুদেশ এবং প্রতিরোধ শিবিরের জন্য যেখানে শাহাদাতের মর্যাদা ও অবিচল বিশ্বাসের আয়াত পাঠ করা হয়েছে, সেখানে বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বী বা নিষ্ক্রিয় পক্ষগুলোর জন্য এসেছে তিরস্কার, কাফিরদের পরিণতি কিংবা পরোক্ষ সতর্কবার্তা।

প্রয়াত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় তিন দিন তার মরদেহ শায়িত ছিল। সেখানে ৩০টির বেশি দেশের প্রতিনিধিদল এই উক্ত অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত হন। তবে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী সৌদি আরবের প্রতিনিধিদল যখন শ্রদ্ধা জানাতে আসে, তখন সেখানে পবিত্র কোরআনের সূরা আলে ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত তিলাওয়াত করা হয়।

আরও পড়ুন: সৌদির ৪ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির কারণে রেড অ্যালার্ট জারি

এই আয়াতে ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত বদরের যুদ্ধের প্রসঙ্গ রয়েছে, যেখানে সংখ্যা ও সামরিক শক্তিতে পিছিয়ে থাকা মুসলিম বাহিনীর অলৌকিক বিজয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমান সৌদি আরবের ভূখণ্ডে হওয়া এই যুদ্ধের আয়াত নির্বাচন কোনোভাবেই কাকতালীয় ছিল না। এর ফলে প্রশ্ন উঠেছে এটি সৌদির প্রতি প্রশংসা, সূক্ষ্ম বিদ্রূপ নাকি দুটোরই একটি জটিল মিশ্রণ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়াত ইসলামের প্রাথমিক একটি গৌরবময় বিজয়ের ইতিহাসকে স্মরণ করায়। এটি তেহরান এবং রিয়াদের মধ্যকার একটি অভিন্ন সভ্যতাগত স্মৃতির দিকে ইঙ্গিত করে। কিন্তু সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার পটভূমিতে ইরান কেবল টিকেই থাকেনি, বরং আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। এ সময় দেশটি এখন হরমুজ প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার খুব নিকটবর্তী অবস্থানে পৌঁছে গেছে।

বিপরীতে পুরো যুদ্ধজুড়ে সৌদি আরব নীরবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষাবলম্বন করেছে। কিছু প্রতিবেদনে এমনকি ইরানের ওপর হামলায় রিয়াদের গোপন অংশীদারিত্বের দাবিও করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে এই আয়াতের অন্তর্নিহিত অর্থ আরও বেশি তীক্ষ্ণ হয়ে ওঠে। যখন ইসরায়েল পুরো অঞ্চলকে ধ্বংসের অতলগহ্বরের দিকে ঠেলে দিতে চেয়েছিল, তখন রিয়াদ হয় নীরব দর্শক ছিল নয়তো ইরানের বিরুদ্ধেও ভূমিকা পালন করেছে।

এদিকে, ইরানের মিত্র হিসেবে পরিচিত হামাস, ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ, হিজবুল্লাহ, হুতি, হাশদ আল-শাবি এবং তালেবানের জন্য যে আয়াতগুলো নির্বাচিত হয়েছিল, সেগুলোর মূল সুর ছিল শহীদ হওয়ার, আল্লাহর প্রতি অটুট অঙ্গীকার এবং চূড়ান্ত বিজয়।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের

হামাস প্রতিনিধিদের জন্য সূরা আহযাবের ৬৬ নম্বর আয়াত তিলাওয়াত করা হয়, যেখানে বলা হয়েছে এমন একদল মানুষের কথা ‘যারা আল্লাহর সঙ্গে করা অঙ্গীকার সত্য প্রমাণ করেছে।’ সেখানে বলা হয়েছে, তাদের কিছু ‘নিজের অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে’ আবার কিছু ‘নিজের সময়ের অপেক্ষায় রয়েছে।’ তবে তারা ‘নিজেদের অঙ্গীকারে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন আনেনি।’

হিজবুল্লাহর জন্য নির্বাচিত আয়াতে ‘সত্যিকারের মুমিনদের’ জন্য ‘চূড়ান্ত বিজয়ের’ প্রতিশ্রুতি প্রদান করা হয়েছে। সেখানে সামরিক বিপর্যয়কে এমন একটি ঐশী পরীক্ষার অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যার মাধ্যমে আল্লাহ ‘শহীদ নির্বাচন করেন’। এবং কারা সত্যিকার অর্থে অবিচল রয়েছে, তা প্রকাশ করেন।

ইয়েমেনের হুতিদের জন্য সূরা আল-ফাতহের ২৯ নম্বর আয়াত বেছে নেওয়া হয়। এই আয়াতে চাপের মুখেও আনুগত্য, শৃঙ্খলা এবং বিকাশের উল্লেখ রয়েছে। আয়াতে রাসুল মুহাম্মদ (সা.)-এর সঙ্গীদের এভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, যারা ‘কাফিরদের বিরুদ্ধে কঠোর’ এবং ‘পরস্পরের প্রতি দয়ালু’। এর মাধ্যমে আন্দোলনটিকে শত্রুদের বিরুদ্ধে কঠোর, কিন্তু নিজেদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ ও সংহত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়াও সুরা আলে ইমরানের ১৪৬ নম্বর আয়াতও তিলাওয়াত করা হয় এই দলটির জন্য। আয়াতে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহর পথে তাদের ওপর যা আপতিত হয়েছে, তাতে তারা হীনবল হয়নি, দুর্বলও হয়নি, নতিস্বীকারও করেনি।’

ইরাকের হাশদ আল-শাবি এবং সামগ্রিকভাবে ইরাকের জন্য পাঠ করা হয়েছে ঐ পরিচিত আয়াত, যেখানে বলা হয়েছে, যারা ‘আল্লাহর পথে শহীদ হয়েছে’, তাদের সম্পর্কে চিন্তা করো না। তারা জীবিত, কিন্তু সাধারণ মানুষের উপলব্ধির বাইরে।

আরও পড়ুন: কাসগঞ্জে সন্তানকে দুই লাখে বিক্রি করে অপহরণের নাটক সাজালেন নারী

ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ এবং তালেবান—উভয়ের জন্যই একই সূরা আল-ফাতহর সূচনাংশ তিলাওয়াত করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ‘সুস্পষ্ট বিজয়’ দান করা হয়েছে, যাতে অতীত ও ভবিষ্যতের ত্রুটি ক্ষমা করা হয় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ পূর্ণতা লাভ করে।

দুই ভিন্ন প্রেক্ষাপটের সংগঠনের জন্য একই আয়াত নির্বাচন ইঙ্গিত করে যে তেহরানের আদর্শিক বলয়ে তাদের অবস্থান অভিন্ন। এর মাধ্যমে এই বার্তাও দেওয়া হয়েছে যে তালেবান যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করে, ফিলিস্তিনিরাও একদিন ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে তেমনই বিজয় ছিনিয়ে আনতে পারে।

অন্যদিকে, রাশিয়া, চীন, ভারত ও মিসরের জন্য ইরানের তিলাওয়াতের সুর ছিল অনেক শান্ত। এসব আয়াতে যুদ্ধের বদলে ন্যায়পরায়ণতা, আশ্বাস ও পুরস্কারের বার্তা প্রাধান্য পেয়েছে।

রাশিয়ার জন্য পাঠ করা আয়াতে বলা হয়, পরকালে রয়েছে ‘চিরস্থায়ী নিবাস’, যা তাদের জন্য সংরক্ষিত, ‘যারা পৃথিবীতে না অত্যাচার করতে চায়, না অশান্তি ও বিপর্যয় সৃষ্টি করতে চায়।’ আয়াতের শেষে বলা হচ্ছে, ‘চূড়ান্ত পরিণতি মুত্তাকিদেরই।’

আরও পড়ুন: মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা হবে না: ট্রাম্পের ঘোষণা

চীনের জন্য নির্বাচিত আয়াতটি ছিল আরও কোমল। সেখানে বলা হয়, আল্লাহ এটিকে তোমাদের অন্তরের প্রশান্তির কারণ ও সুসংবাদ হিসেবে নির্ধারণ করেছেন, আর বিজয় কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে।

ভারতের জন্য হিজবুল্লাহর মতো একই আয়াত পাঠ করা হলেও হিজবুল্লাহর শহীদ ও জালিমদের প্রসঙ্গ অংশটুকু বাদ দেওয়া হয়েছে এবং কেবল তুলনামূলক নরম অংশটি বেছে নেওয়া হয়, যেখানে বলা হয়েছে তোমরা হীনবল বা দুঃখিত হইও না।

মিসরের জন্য দুটি তিলাওয়াতের একটিতে বলা হয়েছে, ‘যারা ইমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তারাই সৃষ্টির সর্বোত্তম মানুষ।’ তাদের জন্য রয়েছে এমন জান্নাত, যেখানে আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকবে এবং তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট থাকবে।

এদিকে কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান এবং মিসরের প্রথম তিলাওয়াত ছিল এক মাঝামাঝি অবস্থানের প্রতিফলন। তাদের প্রশংসা ও স্বাগত জানানো হলেও প্রতিরোধের অংশ হিসেবে হিসাবে দেখানো হয়নি।

আরও পড়ুন: ইসরায়েল থেকে অস্ট্রিয়াগামী বিমানে বোমা হামলার হুমকি, বুলগেরিয়ায় জরুরি অবতরণ

গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখা কাতারের জন্য পাঠ করা হয়েছে সেই একই ‘সুস্পষ্ট বিজয়ের’ আয়াত, যা ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ ও তালেবানের জন্যও ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যবহারের কারণে আয়াতটির অর্থ অনেকটা কোমল হয়ে যায়। এটি যুদ্ধের আহ্বান নয়, বরং সমর্থনের জন্য প্রশংসা হিসেবে উপস্থাপিত হয়। কাতারের জন্য পাঠ করা সুরা আলে ইমরানের ১৫২ নম্বর আয়াতের শেষাংশে বলা হয়েছে, ‘তিনি তোমাদের ক্ষমা করেছেন। আল্লাহ মুমিনদের প্রতি অনুগ্রহশীল।’

তুরস্কের জন্য পাঠ করা সুরা নিসার ৯৫ নম্বর আয়াত। যাতে বলা হয়েছে, ‘যারা নিজেদের সম্পদ ও জীবন দিয়ে সংগ্রাম করে’, তারা ‘যারা পেছনে থেকে যায় বা বসে থাকে’ তাদের তুলনায় শ্রেষ্ঠ। এটি আত্মত্যাগ ও প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরা একটি আয়াত।

আঙ্কারা শুরু থেকেই যুদ্ধে না জড়ানোর নীতি স্পষ্ট করেছে। একই সঙ্গে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সতর্ক করেছেন যে ইসরায়েল যুদ্ধে আসক্ত এবং পুরো অঞ্চলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় মরিয়া।

পাকিস্তানের জন্য নির্বাচিত ছিল সম্মানজনকভাবে প্রবেশ ও বের হওয়ার তাওফিক চাওয়ার একটি দোয়া। ইসলামাবাদ ও দোহা শুরু থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দূরত্ব কমানোর কূটনৈতিক চেষ্টা করেছে, যা ইসরায়েলকে অসন্তুষ্ট করেছে।

আরও পড়ুন: নিউইয়র্কের ৭ নতুন এলাকায় সিটিবাইক পরিষেবা সম্প্রসারণ, ৩৭০০ সাইকেল যুক্ত

মিসরের জন্য তিলাওয়াত করা প্রথম আয়াতে পরহেজগারদের জন্য ‘চিরস্থায়ী জান্নাতের’ প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এটি ছিল সম্পূর্ণ পুরস্কারকেন্দ্রিক একটি আয়াত, যেখানে যুদ্ধক্ষেত্রের কোনো চিত্র নেই। এসব সরকার যেন দুই ভিন্ন জগতের মাঝখানে অবস্থান করছে। বাণিজ্য, মধ্যস্থতা বা আঞ্চলিক রাজনীতির মাধ্যমে তারা ইরানের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলনের আদর্শিক অংশীদার হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে রাজি নয়।

অন্যদিকে, সৌদি আরবের মতো লেবানন সরকারের প্রতিও ছিল একটি স্পষ্ট তিরস্কার, যা হিজবুল্লাহর প্রশংসার ঠিক বিপরীত। লেবাননের জন্য ইরান সুরা আন-নিসার ৬৬ নম্বর আয়াত পাঠ করে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘যদি আমি তাদের নির্দেশ দিতাম যে নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করো অথবা নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যাও, তবে অল্প কয়েকজন ছাড়া কেউই তা মানত না। আর যদি তারা তাদের যে উপদেশ দেওয়া হয়েছিল তা মেনে চলত, তবে তা তাদের জন্য অবশ্যই অনেক বেশি কল্যাণকর এবং অনেক বেশি দৃঢ়তা ও প্রশান্তির কারণ হতো।’

প্রসঙ্গ বিবেচনায় আয়াতটি স্পষ্টতই ভর্ৎসনার মতো শোনায়। সমালোচকেরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন, লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেশটির সরকার ব্যর্থ হয়েছে। একই সঙ্গে তারা ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর পাল্টা হামলারও সমালোচনা করেছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ৮৬ বছর বয়সী খামেনি মধ্য তেহরানে তার বাসভবনে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হন। ওই হামলায় তার ১৪ মাস বয়সী নাতনি, জামাতা এবং পুত্রবধূও নিহত হন। তার মরদেহ তিন দিন ধরে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় শায়িত রাখা হয়। এটি দেশের সবচেয়ে বড় নামাজের কমপ্লেক্স এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় আয়োজনের প্রধান ভেন্যু।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৬ পি.এম


বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য বৈঠক

বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপির সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত স্পেনের মান্যবর রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্তিয়াগা ওচোয়া দে চিনচেত্রুর একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এটি রবিবার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠক। বৈঠকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়, যেমন জাতীয় নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, জাতীয় বাজেট, বাংলাদেশ-স্পেন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং অন্যান্য পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি।

বৈঠকের সাথে সাথে সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, প্রত্যাশিত সংস্কার, জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ নিয়েও আলোচনা করেন তারা। এই বৈঠকে বাজেট বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক, রোহিঙ্গা ইস্যু, এর সম্ভাব্য সমাধান এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের এবং স্পেনের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রশংসা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে স্পেনের সহযোগিতা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় অব্যাহত থাকবে। তিনি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে স্পেনের দৃঢ় অবস্থানেরও প্রশংসা করেন।

স্পেনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ও স্পেনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, ডা. শফিকুর রহমান বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এটিই স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সাথে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুরও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সংকট চরমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২১ পি.এম


কাউখালীতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সংকট চরমে

 

 
পিরোজপুরের কাউখালীতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় বসবাসে চরম সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে অফিসের নির্ধারিত সময়ের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ বা জরুরি সরকারি কাজকর্ম সম্পন্ন করতে গিয়ে নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আবাসিক সমস্যার এই নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও, যার ফলে অনেকাংশেই পিছিয়ে পড়ছে এলাকার সামগ্রিক অগ্রগতি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অত্র উপজেলায় মোট ৩২টি সরকারি দপ্তর রয়েছে। এর মধ্যে নিয়ম অনুযায়ী ২৭টি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপজেলায় আবাসিক ভবনে থাকার কথা। অথচ বর্তমানে তাদের থাকার জন্য কোনো উপযুক্ত সরকারি ভবন নেই।
জাতীয় পার্টি (এরশাদ) সরকারের আমলে ১৯৮৫ সালে উপজেলায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য একটি মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। সে সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জন্য একটি আবাসিক ভবন, উপজেলা চেয়ারম্যানের জন্য একটি আবাসিক ভবন, গেজেটেড কর্মকর্তাদের জন্য একটি ভবন এবং নন-গেজেটেড কর্মকর্তাদের জন্য একটি আবাসিক ভবনসহ তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য আরও তিনটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু কালের বিবর্তনে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গেজেটেড ও নন-গেজেটেড কর্মকর্তাদের পুরাতন চারটি ভবনই সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নতুন কোনো ভবন নির্মাণ না হওয়ায় অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী এই উপজেলায় অবস্থান করে অফিস করতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে তাদের দূর-দূরান্ত থেকে যাতায়াত করতে হচ্ছে, যার ফলে অনেক সময় সাধারণ মানুষ সময়মতো কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
উপজেলায় আবাসন না থাকার ভোগান্তি ও ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে কাউখালী উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মোঃ মাসুম মিয়া,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান ও কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রদীপ কুমার জানান, উপজেলায় সরকারি আবাসিক ভবন না থাকার কারণে আমাদের বাধ্য হয়ে বাহিরে বা দূরবর্তী স্থানে বসবাস করতে হয়। এর ফলে সরকারি অফিশিয়াল কাজকর্ম সময়মতো বা জরুরি ভিত্তিতে করতে প্রায়শই সমস্যার সৃষ্টি হয়। এছাড়া কর্মস্থলের বাইরে বা অনিরাপদ স্থানে বসবাস করার কারণে আমাদের সবসময় এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতায়ও ভুগতে হয়।
 এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান-এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সমস্যার সত্যতা স্বীকার করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,
 সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সংকট সত্যিই অত্যন্ত প্রকট। ১৯৮৫ সালে নির্মিত ভবনগুলো দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের অনুপযোগী এবং পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে উপজেলা চেয়ারম্যানের জন্য নতুন আবাসিক ভবন তৈরির কাজ চলমান থাকলেও গেজেটেড ও নন-গেজেটেড কর্মকর্তাদের জন্য কোনো নতুন ভবন নেই। আবাসন সুবিধা না থাকায় অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী দূর থেকে এসে অফিস করেন, যার ফলে জরুরি মুহূর্তে বা অফিস সময়ের বাইরে তাদের তাৎক্ষণিক পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে দাপ্তরিক গতিশীলতা যেমন কমে, তেমনি সাধারণ মানুষের সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও কিছুটা বিঘ্ন ঘটে।
 আমরা বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে কাজ করছি। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই আবাসন সংকট দূর করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে নতুন ও আধুনিক বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণের জন্য লিখিতভাবে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। আমরা আশা করছি, দ্রুতই এই বিষয়ে বরাদ্দ পাওয়া যাবে এবং নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদা আদায়ের চেষ্টায় ব্যবস্থাপনা পরিচালককে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৪ পি.এম


চাঁদা আদায়ের চেষ্টায় ব্যবস্থাপনা পরিচালককে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ

বরিশালে অগ্রণী (আবাসন) হাউজিং লিমিটেড নামে পরিচিত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল আজিজ হাওলাদারের অণ্ডকোষ চেপে চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার একটি অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও শনিবার (৪ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, গত ২৭ জুন সন্ধ্যার পর নগরীর সদর রোডে অগ্রণী হাউজিং অফিসে এই ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেন শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং তা ভাইরাল হয়ে যায়। এর আগে তিনি গত বৃহস্পতিবার আদালতে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, আব্দুল আজিজের কক্ষে চারজন যুবক প্রবেশ করেন। তাদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু নামের এক ব্যক্তি তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে দুটি চেক ও একটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। ঘটনার সময় আজিজকে ‘বাচ্চু বাচ্চু’ বলে কাউকে ডাকতে শোনা যায়। পরে যখন আরও একজন কক্ষে প্রবেশ করেন, তখন তাকে কিছুক্ষণ আটকে রেখে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। এ সময় চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে সেই দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত লিটু অগ্রণী হাউজিংয়ের কাছে কাঠপট্টি সড়কের বাসিন্দা। জানা গেছে, তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার বড় ভাই মাহবুবুর রহমান পিন্টু মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি।

ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ বলেন, লিটু একসময় তাদের আবাসন ব্যবসার অংশীদার ছিলেন। পরে বিনিয়োগের বিপরীতে জমি হস্তান্তরের মাধ্যমে হিসাব নিষ্পত্তি করা হয় এবং কোনো পাওনা নেই—এমন অঙ্গীকারনামাও দেওয়া হয়। তবে এ পরেও তিনি ১ কোটি টাকা দাবি করে আসছিলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ২৭ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অফিসে ঢুকে তাঁকে মারধর করে জোরপূর্বক ৭০ লাখ টাকার একটি চেক, একটি সাদা চেক ও দুটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।

আব্দুল আজিজ আরও দাবি করেন, ঘটনার পর তিনি ব্যাংকে অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং সেই চেক থেকে টাকা উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় তিনি আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান। সিসিটিভি ফুটেজ তিনিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন বলেও স্বীকার করেন।

অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা সবাই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ছিলেন। তিনি দাবি করেন, আব্দুল আজিজ তাদের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এ বিষয়ে পরে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ থানায় এসে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, আদালতের আদেশের কাগজ রোববার থানায় পৌঁছাতে পারে বলেও জানান ওসি মো. আল মামুন উল ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদার টাকা না পেয়ে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


চাঁদার টাকা না পেয়ে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের আলোচিত জোবায়ের হোসেন ওরফে রাকিব (২৩) হত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১১।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত। এর আগে, শনিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে ঢাকার রামপুরা ও বাড্ডা থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার সুমন উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের রফিকের ছেলে এবং পিয়াস একই গ্রামের আলী আহমেদের ছেলে। নিহত রাকিব ওই ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. হানিফের ছেলে। রাকিব ঢাকা ও নোয়াখালীর বিভিন্ন শপিংমলে চাকরি করতেন।

র‍্যাব জানায়, উপজেলার খানপুর গ্রামে নিহত রাকিবের বাবা ও চাচা যৌথভাবে নিজেদের জায়গায় একটি পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করছিলেন। নির্মাণকাজ চলাকালে আসামিরা রাকিবের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। রাকিব চাঁদার টাকা তার চাচার কাছ থেকে এনে দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে গত শনিবার ৩০ মে রাকিব বাড়িতে ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে শরীফপুর ইউনিয়নের পাকমুন্সিরহাট এলাকায় তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকার হাতিরঝিল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%