ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আমনের মাঠে কৃষকদের প্রত্যাশা, সবুজ ঢেউয়ের সমারোহ


আমনের মাঠে কৃষকদের প্রত্যাশা, সবুজ ঢেউয়ের সমারোহ

বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন সবুজের সমারোহ। যতদূর চোখ যায়, ততদূরই আমন ধানের কচি চারা বাতাসে দুলছে। কয়েক সপ্তাহ আগে কৃষকরা যেসব জমিতে ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত ছিলেন, সেসব জমি এখন সবুজ পাতায় ছেয়ে গেছে। মাঠের এই সবুজ দৃশ্যের সঙ্গে কৃষকের চোখেমুখেও ফুটে উঠেছে ভালো ফলনের প্রত্যাশা।

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমনখেতের পরিচর্যায় কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ জমি থেকে আগাছা পরিষ্কার করছেন, কেউ প্রয়োজনীয় সার দিচ্ছেন। আবার কেউ ধানের গাছের বৃদ্ধি ও পাতার রং দেখে রোগবালাই কিংবা পোকার আক্রমণের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করছেন। কৃষকদের কর্মব্যস্ততায় মাঠজুড়ে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য।

কৃষকরা জানান, আমন চাষে সময়মতো বৃষ্টি ও অনুকূল আবহাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া মোটামুটি অনুকূলে থাকায় অনেক জমিতে ধানের চারা ভালোভাবে বেড়ে উঠছে। পর্যাপ্ত বৃষ্টির কারণে কোথাও কোথাও সেচের প্রয়োজনও তুলনামূলক কম হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ কিছুটা কমার আশা করছেন তারা।

আরও পড়ুন: ইঁদুরের উপদ্রবে চান্দিনায় শীতের আগাম সবজি নিয়ে কৃষকের শঙ্কা

তবে স্বস্তির পাশাপাশি রয়েছে দুশ্চিন্তাও। অতিবৃষ্টি ও দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় নিচু এলাকার আমনখেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। টানা বৃষ্টির ফলে জমিতে পানি জমে থাকলে ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। পাশাপাশি রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ দেখা দিলে বাড়তে পারে উৎপাদন ব্যয়। তাই নিয়মিত জমি পর্যবেক্ষণ করছেন তারা।

কৃষক জয়নাল বেপারী বলেন, "আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং ধানে রোগবালাই কম হলে এবার ভালো ফলনের আশা করছি। তবে শুধু ফলন ভালো হলেই হবে না, উৎপাদন খরচের তুলনায় ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়াও জরুরি। কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া গেলে কৃষকের পরিশ্রম সার্থক হবে।"

চলতি আমন মৌসুমে কৃষকদের সহায়তায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সদরপুরের ১ হাজার ৫০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে আমন ধানের বীজ ও ডিএপি সার বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রান্তিক কৃষকেরা আমন চাষে সহায়তা পেয়েছেন।

কৃষকদের মতে, ভালো ফলন হলেই কৃষকের লাভ নিশ্চিত হয় না। ধান ঘরে তোলার পর বাজারে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাও জরুরি। সার, বীজ, কীটনাশক, শ্রমিকের মজুরি ও জমি প্রস্তুতসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ বিবেচনায় কাঙ্ক্ষিত দাম না পেলে ভালো ফলন করেও কৃষকের লাভ কমে যেতে পারে।

আরও পড়ুন: নড়াইলে আমন ধানের ফলন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা

তারা উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় রেখে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, "ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে আমন চাষে কৃষকদের আগ্রহ আরও বাড়বে। এর পাশাপাশি কৃষকের পরিবারে স্বস্তি ফিরবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।"

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুল বাশার চৌধুরী বলেন, আমনখেতে রোগবালাই বা পোকার আক্রমণ দেখা দিলে কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। অনুমাননির্ভরভাবে কীটনাশক ব্যবহার না করে কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি আবহাওয়ার পরিবর্তনের দিকেও নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বর্তমানে সদরপুরের মাঠজুড়ে যে সবুজের সমারোহ, তা কৃষকের পরিশ্রম, প্রত্যাশা ও স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি। প্রতিটি কচি ধানের চারার সঙ্গে জড়িয়ে আছে কৃষকের পরিবারের ভবিষ্যতের আশা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কয়েক মাস পর এই সবুজ মাঠই সোনালি ধানে ভরে উঠবে—এমন প্রত্যাশা সদরপুরের আমনচাষিদের।

আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জে শীতকালীন সবজি চাষে কৃষকদের ব্যস্ততা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাসগঞ্জে সন্তানকে দুই লাখে বিক্রি করে অপহরণের নাটক সাজালেন নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২২ এম


কাসগঞ্জে সন্তানকে দুই লাখে বিক্রি করে অপহরণের নাটক সাজালেন নারী

এক নারী নিজের সন্তানকে টাকার জন্য এক দম্পতির কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। অপহরণের নাটক সাজিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন তিনি। এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক এবং দম্পতিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

ঘটনাটি ভারতের উত্তর প্রদেশের কাসগঞ্জে ঘটেছে। পুলিশ রোববার (১৮ অক্টোবর) তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

পুলিশ সুপার ও পি সিং জানিয়েছেন, দেড় মাস বয়সী শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বানুপুর পুকতা গ্রামের বাসিন্দা শিশুটির বাবা অরবিন্দ শনিবার অভিযোগ করার পর পুরো বিষয়টি সামনে আসে।

অরবিন্দ, যিনি ফরিদাবাদের একটি কারখানায় কর্মরত, পুলিশকে জানান যে, ১৬ অক্টোবর তার স্ত্রী কাসগঞ্জে তাদের ছেলের জন্য ওষুধ আনতে গিয়েছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, কাসগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে তিনি শিশুটিকে এক অপরিচিত নারীর কাছে রেখে শৌচাগারে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, সেই নারী ও শিশু—উভয়ই উধাও।

পুলিশ জানায়, পরে অভিযোগকারী জানতে পারেন যে, তার স্ত্রী ডা. অরুণ কুমার ও তার স্ত্রীর সঙ্গে যোগসাজশ করে শিশুটিকে বিক্রি করে দিয়েছেন।

সোরন থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্টের অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার ও পি সিংয়ের নির্দেশে পুলিশ একটি দল গত শনিবার চাঁদপুরা-গাউপুরা মোড়ের কাছে একটি যাত্রী ছাউনির থেকে অভিযুক্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে শিশুটির মা, ডা. অরুণ কুমার, তার স্ত্রী এবং হাতরস জেলার বাসিন্দা মহিপাল ও তার স্ত্রী।

পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় শিশুটির মা স্বীকার করেছেন যে, তিনি সন্তানটির বিনিময়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা পেয়েছিলেন। এর মধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছিল এবং ১০ হাজার টাকা নগদ নেওয়া হয়েছিল।

হাতরসের ওই দম্পতি পুলিশকে জানিয়েছেন, তারা ডা. অরুণ কুমার ও তার স্ত্রীর মাধ্যমে এবং শিশুটির মায়ের সম্মতিতে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে শিশুটিকে কিনেছিলেন।

এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশ ছেড়ে কেন প্রতিবেশী দেশে যাবেন, এ মাটিই আপনাদের: বরিশাল কমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৩ এম


দেশ ছেড়ে কেন প্রতিবেশী দেশে যাবেন, এ মাটিই আপনাদের: বরিশাল কমিশনার

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, "আপনারা কেন এই দেশ ছেড়ে প্রতিবেশী দেশে যাবেন? এখানে ভালো থাকবেন। আপনারা আপনার পূর্বপুরুষদের এই মাটিতে দেখেছেন, আপনারাও আছেন, এবং পরবর্তী প্রজন্মও এখানে থাকবে।"

রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে তিনি মঠবাড়িয়া উপজেলার গুলিসাখালী ইউনিয়নের কবুতরখালী গ্রামের দক্ষিণ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় রাজমন্দির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দর্শনার্থী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

মতবিনিময় সভায় বিভাগীয় কমিশনার উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ একটি সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির দেশ। এখানে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করছেন এবং নিজ নিজ ধর্ম পালন করছেন। "আমরা সবাই মানুষ। একে অপরের সুখ-দুঃখে পাশে থাকব। আমাদের সমাজ সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার সব সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে রয়েছে। আগে প্রতিটি পূজামণ্ডপে ৫০০ কেজি করে চাল দেওয়া হতো, এখন তা ৬০০ কেজি করা হয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে আর্থিক সহায়তা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার নির্দেশনা দিয়েছে।

মঠবাড়িয়া উপজেলার ৭৯টি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্‌যাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানান বিভাগীয় কমিশনার।

এ সময় পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মো. গোলাম রব্বানী, মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতাউর রাব্বি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আলআমিন, মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলামসহ বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসক ডা. সুদীব হালদারের বাড়িতে অবস্থিত রাজমন্দির পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপান ১ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশি কর্মী নেওয়া শুরু করবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৩ এম


জাপান ১ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশি কর্মী নেওয়া শুরু করবে

বাংলাদেশ এবং জাপানের মধ্যে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত একটি নতুন চুক্তি ইএসডিপি-এমওসি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ২০২৭ সালের ১ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগ শুরু করবে জাপান। চুক্তিটি প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে এবং পরে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরো পাঁচ বছরের জন্য বাড়বে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে প্রায় এক বছরের প্রচেষ্টার পর ১৭ অক্টোবর কর্মসংস্থান সংক্রান্ত নতুন চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিটির নাম ইএসডিপি-এমওসি (মেমোরেন্ডাম অব কো-অপারেশন অন এমপ্লয়মেন্ট স্কিলস ডেভেলপমেন্ট)।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব স্বাক্ষর করেন। জাপানের পক্ষ থেকে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল পুলিশ এজেন্সির প্রতিনিধিরা স্বাক্ষর করেন।

মন্ত্রণালয় জানায়, বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এই চুক্তি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি, কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও চুক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তিটির প্রাথমিক মেয়াদ পাঁচ বছর। এই মেয়াদ শেষ হলে চুক্তিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরো পাঁচ বছরের জন্য নবায়ন হবে। ফলে, সব মিলিয়ে চুক্তিটির কার্যকর মেয়াদ দাঁড়াবে ১০ বছর।

এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, "কর্মীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং কর্মী প্রেরণ ও গ্রহণের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা আরো জোরদার করা হবে।" তিনি আরও বলেন, "কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ঘটবে, যার ফলে কর্মীরা উচ্চ বেতন এবং জাপানে দীর্ঘ মেয়াদে বসবাসের সুযোগ পাবেন।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাটোরে পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসকের শুভেচ্ছা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৪ এম


নাটোরে পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসকের শুভেচ্ছা

নাটোর, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূজা মন্ডপে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে জেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তার মন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে ফল ও মিষ্টি দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

জেলা প্রশাসক রাণীভবানী রাজবাড়ির বড় তরফ মন্ডপ, দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি মন্ডপ, ভাটোপাড়া মন্ডপ এবং কাদিম সাতুরিয়া দুর্গা মন্দিরের পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন। তিনি সরেজমিনে পূজার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করার সময় মন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, "সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ থেকে নির্বিঘ্নে, নিরাপদে ও আনন্দঘন পরিবেশে উৎসব উদযাপনে জেলা প্রশাসন কার্যকর সহযোগিতা দিয়ে যাবে।"

রাজবাড়ি বড় তরফ মন্ডপ কমিটির সভাপতি রঞ্জন সাহা বাসস’কে জানান, "জেলা প্রশাসক আমাদের মাঝে উপস্থিত হওয়া অভূতপূর্ব। আমরা অভিভূত।"

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আসমা খাতুন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হায়াত এবং নাটোর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আজাহার আলী উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%