ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

মাকে নিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার স্বাগত মিছিল রাজবাড়ীতে


মাকে নিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার স্বাগত মিছিল রাজবাড়ীতে

রাজবাড়ীর পাংশায় নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম তার মাকে সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে স্বাগত মিছিলের আয়োজন করেছেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ভোর ৬টার দিকে তিনি প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী নিয়ে এই মিছিলটি করেন। মিছিলের একাধিক ভিডিও এবং ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ ঘটনার পর আজ (রোববার) ভোরে পুলিশ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পাঁচ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পাংশার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামের সাইফুল ইসলাম প্রামাণিক (২০), ইরান প্রামাণিক (২২), রাব্বি হোসেন (২২) এবং মেঘনা উত্তরপাড়া গ্রামের নয়ন মোল্লা (২০) ও সুহান শেক ওরফে সোহান (২৩)।

আরও পড়ুন: ভোলার সুপারি বাগান থেকে সেলিমের মরদেহ উদ্ধার

পাংশা মডেল থানার ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর থানায় দায়েরকৃত নাশকতা মামলায় পাঁচজনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আজ (রোববার) দুপুরে রাজবাড়ী আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলামের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তার মাকে সঙ্গে নিয়ে মিছিলের ভিডিও ও ছবি পোস্ট করা হয়। এরপর তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। ছবিতে দেখা যায়, সাবেক ছাত্রলীগ (নিষিদ্ধ) নেতা নজরুল ইসলাম ব্যানারের সামনে তার মাকে সঙ্গে নিয়ে মিছিলের স্লোগান দিচ্ছেন। তাদের পেছনে ব্যানার হাতে বেশ কিছু ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রয়েছেন।

ফেসবুকে ভিডিও ও ছবি পোস্ট করার সময় তিনি লেখেন, ‘এই জনপথ আমার নিজস্ব গ্রামের রাস্তা! বাম পাশে আমার মা, তার বাম পাশে আবার বাড়ি। এই পাংশা আমাদের, এই রাজবাড়ী আমাদের। এখানে বড় হয়েছি! এই আলো-বাতাসের কাছে অনেক ঋণ আছে। তাই এই ঘর থেকেই মুক্তির আন্দোলন শুরু করছি! এখানকার পথচলা ঢাকার রাজপথে বিপ্লবের জন্ম দিবে। অনেকদিন পর হাঁটতে পারছি। আমার ও আমার পরিবারকে মব করে ২০২৫ সালে জানুয়ারিতে পঙ্গু করা হয়, বিশেষ করে আমাকে। তারপরও শত থ্রেট, কয়েকবার হামলা আর চাঁদার টাকা। আমি নিজে হাঁটতে পারিনি প্রায় দেড় বছরের বেশি। এখনও আমার পা সুস্থ নয়। কিন্তু আমাদেরকে শেষ করা যাবে না। জানি আবার শুরু হবে বাসা লুটপাট আর ভাঙচুর। তবে মাথায় রাখিয়েন, জবাব একদিন দিতে হবে। পা কিছুটা ভালো হয়েছে। ট্রায়াল শুরু হয়েছে। বড় কিছু অপেক্ষা করছে। আমাকে দমানো যাবে না....’

তিনি আরও লেখেন, ৫ আগস্টের পর এখন পর্যন্ত আমাদের বাড়িতে একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমার নামে ১৯টির মতো মিথ্যা মামলাও হয়েছে। আমি জানি আজকের মিছিলের পর আবার নতুন করে মামলা হবে। হামলা-মামলার ভয়ে বাড়িতে আমার বা-বাবা কেউ নেই। তারপরও এখন থেকে আর বসে থাকার সুযোগ নেই। যার যার জায়গা থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাব আমরা।

আরও পড়ুন: নিকাহ রেজিস্ট্রারদের অধিকার নিশ্চিতের জন্য ৫ দফা দাবি উত্থাপন

পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রাকিবুর রহমান যুগান্তরকে জানান, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিলের বিষয়টি সন্ধ্যার পর জানতে পেরে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠানো হয়। আমাদের হাতে আসা ভিডিও ও ছবি দেখে বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। যারা এই রাষ্ট্রবিরোধী কাজে জড়িত আছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯০ বছরেও তরুণদের টেক্কা, ফিটনেসের রহস্য জানালেন জাপানিজ বডিবিল্ডার তোশিসুকে কানাজাওয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


৯০ বছরেও তরুণদের টেক্কা, ফিটনেসের রহস্য জানালেন জাপানিজ বডিবিল্ডার তোশিসুকে কানাজাওয়া

জাপানের বডি বিল্ডার তোশিসুকে কানাজাওয়া, যিনি বয়স ৯০, এখনো তরুণদের সঙ্গে শক্তি ও গঠনে পাল্লা দিয়ে চলেছেন। দীর্ঘকাল ধরে শরীরচর্চা ও নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাসের ফলে তার এই ফিটনেস বিশ্বকে অবাক করে তুলেছে।

সম্প্রতি, কানাজাওয়া জাপান মাস্টার্স বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়নশিপে ৮৫ বছরের বেশি বয়সিদের বিভাগে শিরোপা অর্জন করেন। এর ফলে, জাতীয় পর্যায়ে তার শিরোপার সংখ্যা ১৯-এ পৌঁছেছে।

অক্টোবর মাসে, তিনি স্পেনের সান্তা সুসানায় অনুষ্ঠিত আইএফবিবি ওয়ার্ল্ড ফিটনেস অ্যান্ড বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়নশিপেও অংশগ্রহণ করেন। সেখানে, তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কয়েক দশক কম বয়সি শরীরচর্চাবিদ। যদিও তিনি পদক জিততে পারেননি, তবে তার অংশগ্রহণকে একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

কানাজাওয়া মনে করেন, সুস্বাস্থ্যের জন্য জাপানের ঐতিহ্যবাহী খাবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রায় ৫০ বছর বয়স থেকে এই খাদ্যাভাস অনুসরণ শুরু করেন। তার দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় বাদামী চাল, নাট্টো, মিসো স্যুপ এবং কাঁচা ডিম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আগে তিনি দিনে ৬ বার প্রোটিন শেক পান করতেন, কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমিয়ে ৩ বার করেছেন। এছাড়া, তিনি মাছ ও মাংস খাওয়ার পরিমাণও কমিয়ে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, তিনি জীবনে কখনো ধূমপান করেননি।

৯০ বছর বয়সেও কানাজাওয়া নিয়মিত শরীরচর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে, এখন তিনি আগের তুলনায় ব্যায়ামের ধরন পরিবর্তন করেছেন। শরীরের সক্ষমতা অনুযায়ী ওজন ও ব্যায়ামের গতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বর্তমানে তিনি জিমের বিভিন্ন মেশিন ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স্ক ব্যক্তিদের শরীরচর্চার ক্ষেত্রে বয়সের পাশাপাশি শারীরিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সিদের সপ্তাহে অন্তত দুইদিন পেশি শক্তিশালী করার ব্যায়াম করা উচিত।

সূত্র: সামা টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন বছরে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাবে বই-ড্রেস-জুতা-ব্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ পি.এম


নতুন বছরে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাবে বই-ড্রেস-জুতা-ব্যাগ

নতুন শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি স্কুল ড্রেস, জুতা, মোজা ও ব্যাগ বিতরণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। শিক্ষার্থীপ্রতি বছরে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৫০ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্কুল ড্রেসের জন্য ৬০০ টাকা, ব্যাগের জন্য ৬০০ টাকা, জুতার জন্য ৭০০ টাকা এবং মোজার জন্য ৫০ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। দরপত্রের মাধ্যমে কেনাকাটা করার সময় ব্যয় কমানোর চেষ্টা করা হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের পুষ্টির নিশ্চয়তা দিতে মিড-ডে মিল কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে। আগামী বছর থেকে পর্যায়ক্রমে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করবে সরকার। তবে প্রথম বছরে শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই সব উপকরণ বিতরণ করা সম্ভব নাও হতে পারে। পরবর্তী বছরগুলোতে স্কুল খোলার সময় এসব উপকরণ বিতরণের লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ যুগান্তরকে এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পোশাক ও অন্যান্য উপকরণের জন্য শিক্ষার্থীপ্রতি ১ হাজার ৯৫০ টাকা বরাদ্দের হিসাবটি এক বছরের জন্য। তবে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন হবে পাঁচ বছর মেয়াদি প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) প্রকল্পের আওতায়। এটি সম্ভাব্য সর্বোচ্চ ব্যয়; প্রকৃত ব্যয় দরপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। পিইডিপি-৫ প্রকল্পের মোট ব্যয় ৪১ হাজার ৯০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের অর্থায়ন ৩৩ হাজার ২০৩ কোটি এবং বৈদেশিক অর্থায়ন ৭ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা।

তিনি আরও জানান, স্কুল ড্রেসের মান, রং, কাপড় ও শিক্ষার্থীদের বয়স-শ্রেণি অনুযায়ী মাপ নির্ধারণের জন্য বিজিএমইএ, বিটিএমএসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাইলট কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রায় দুই লাখ ইউনিফর্ম সরবরাহ করেছে। পাশাপাশি বাটা ও অ্যাপেক্সসহ বড় জুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫০ হাজার জুতা দিয়েছে। এসব উপকরণের মান ও উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে। এর জন্য একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মাসিক সর্বোচ্চ বেতন ৫ হাজার টাকা ধরা হয়েছে। পাঁচ বছরে এই খাতে মোট ব্যয় হবে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চার থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুদের কাছ থেকে সব সময় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার সচেতনতা আশা করা যায় না। বিদ্যালয়ের শৌচাগার ও পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী প্রয়োজন। শিক্ষকদের দিয়ে বাথরুম পরিষ্কার করানো কিংবা শিক্ষার্থীদের অস্বাস্থ্যকর শৌচাগার ব্যবহারে বাধ্য করা গ্রহণযোগ্য নয়। প্রয়োজনীয়তা ও হিসাব বিবেচনা না করে এ ব্যয়কে অপচয় বলা ঠিক হবে না।

পিইডিপি-৫ প্রকল্পের ব্যয় প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রথমে প্রকল্পটির ব্যয় ৪৭ হাজার কোটি টাকার বেশি ধরা হয়েছিল। পরে বিভিন্ন খাত পর্যালোচনা ও সংশোধনের মাধ্যমে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা কমানো হয়েছে। পিইডিপি-৪ গত জুনে শেষ হয়েছে। এরপর জুলাই থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি পিইডিপি-৫ চালুর পরিকল্পনা ছিল। প্রকল্পের কিছু খাত বাদ দেওয়া এবং অন্য প্রকল্পের আওতায় নেওয়ার কারণে ব্যয় কমেছে।

আগামী ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময় নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইও বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ফল নিতে এসে পরবর্তী বছরের বই নিয়ে যেতে পারবেন।

তবে ইউনিফর্ম, জুতা, ব্যাগসহ অন্যান্য উপকরণ একই সময়ে বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এক কোটির বেশি শিক্ষার্থীর জন্য পোশাক ও জুতার মাপ, মানসহ নানা বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। প্রথমবার এত বড় পরিসরে কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাড়তি প্রস্তুতির প্রয়োজন। তারা তাড়াহুড়া করে ত্রুটিপূর্ণ উপকরণ দিতে চান না। আগামী বছর এগুলো সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ১৫০টিতে মিড-ডে মিল কার্যক্রম চলছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিদ্যালয়গুলোতেও তা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রান্না করা খাবার ও কুপনের মাধ্যমে খাবার দেওয়ার দুটি প্রস্তাব এসেছে। দেশব্যাপী চালুর আগে পদ্ধতি দুটি পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। ফলাফল পর্যালোচনা করে জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, শুধু খাবার দেওয়া নয়, শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করাই এ কর্মসূচির লক্ষ্য। বিদ্যালয়ের খাবার থেকে শিশুর দৈনিক পুষ্টির চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেটের চাহিদা বিবেচনায় খাবারের তালিকা করা হয়েছে। রান্না করা খাবারে স্থানীয় সবজি, মাছ, মাংস ও ডিম রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলের প্রতি অন্ধ সমর্থনেই রিপাবলিকানদের ভরাডুবি: জেডি ভ্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১০ পি.এম


ইসরাইলের প্রতি অন্ধ সমর্থনেই রিপাবলিকানদের ভরাডুবি: জেডি ভ্যান্স

৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির নজিরবিহীন পরাজয়ের পর, মার্কিন-ইসরাইল সম্পর্কের ভিত্তি নিয়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ভোটারদের ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের প্রতি এই প্রত্যাখ্যানের ফলস্বরূপ, ইসরাইলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের শর্তহীন সমর্থন অব্যাহত রাখা উচিত কি না—এটি এখন দলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পরাজয়ের কারণ বিশ্লেষণে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সবচেয়ে বড় চমক নিয়ে এসেছেন। তিনি একটি খোলামেলা সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন যে, মার্কিন নীতির প্রতি ইসরাইলের ভোটারদের চরম অসন্তোষই রিপাবলিকানদের পরাজয়ের অন্যতম মূল কারণ। ট্রাম্পের সমর্থকদের ডেমোক্র্যাটদের দিকে ঠেলে দেওয়ার পেছনে তিনি চারটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছেন—ইরান যুদ্ধ, জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির ব্যত্যয় এবং ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক পরিবর্তনের দাবি। ২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী এবং প্রশাসনের দুই নম্বর ব্যক্তির মুখ থেকে এই স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে যে, ইসরাইলের প্রতি অন্ধ সমর্থন এখন দলীয় কোন্দল ও ভোটের রাজনীতিতে একটি বড় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন রিপাবলিকান পার্টির দীর্ঘদিনের বড় শক্তি ছিল রক্ষণশীল খ্রিস্টান ও শক্তিশালী ইসরাইলপন্থী লবিং গ্রুপগুলো। তবে মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ, বিশেষ করে গাজার যুদ্ধ ও ইরানে সামরিক সংঘাত আমেরিকান করদাতাদের অর্থ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার হিসাব বদলে দিয়েছে। ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ ভাবধারায় বিশ্বাসী দলের তরুণ প্রজন্ম এখন প্রশ্ন তুলছে—নিজেদের দেশের অর্থনৈতিক সংকট ও মূল্যস্ফীতি উপেক্ষা করে কেন ইসরাইলের যুদ্ধ ও নীতির পেছনে ওয়াশিংটনের কোটি কোটি ডলার ও সামরিক শক্তি অপচয় করা হবে।

কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটরা পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ায় ইসরাইলকে সামরিক সহায়তা ও কূটনৈতিক সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টি আগামী দিনে আরও কঠোর নজরদারির মুখে পড়তে যাচ্ছে। যদিও লবিং নেটওয়ার্ক ও সামরিক চুক্তির কারণে হঠাৎ করেই বহু বছরের এই কৌশলগত মিত্রতা ছিন্ন করা সম্ভব নয়, তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনের এই ফল একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে—ইসরাইল ইস্যুতে এতদিনের ধরাছোঁয়ার বাইরের রাজনৈতিক সুরক্ষাবলয় এবার ভাঙতে শুরু করেছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুগল ওয়াইওমিংয়ে ১৭ বিলিয়ন ডলারে ডেটা সেন্টার নির্মাণ করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১০ পি.এম


গুগল ওয়াইওমিংয়ে ১৭ বিলিয়ন ডলারে ডেটা সেন্টার নির্মাণ করছে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইওমিং অঙ্গরাজ্যে একটি বিশাল ডেটা সেন্টার নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে গুগল। এই প্রকল্পের জন্য প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১৭ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৭০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি ওয়াইওমিংয়ে গুগলের প্রথম ডেটা সেন্টার প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিরোধিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি দেশটির বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে অনুষ্ঠিত ৪১টি ভোটাভুটির মধ্যে ৪০টিতে ভোটাররা ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণের বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই রিপাবলিকান অধ্যুষিত ওয়াইওমিংয়ে গুগল বড় অঙ্কের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য গুগল রিলেটেড ডিজিটাল, আমেরিকান ইলেকট্রিক পাওয়ার এবং ব্ল্যাক হিলস এনার্জির সাথে যৌথভাবে কাজ করবে। ব্লুম এনার্জি ৭০২ মেগাওয়াট ক্ষমতার ফুয়েল-সেল প্রযুক্তি সরবরাহ করবে, যা ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ডেটা সেন্টার নির্মাণ ও এআই অবকাঠামো সম্প্রসারণের জন্য বাড়তে থাকা রাজনৈতিক চাপ প্রযুক্তি খাতে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। স্থানীয় বিধিনিষেধের সম্ভাবনার কারণে সম্প্রতি টেক্সাসে এআই ক্লাউড সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এনস্কেলের সাথে চুক্তি সম্প্রসারণে সম্মতি দেয়নি মাইক্রোসফট।

এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ভবিষ্যতে ডেটা সেন্টার নির্মাণ ও পরিচালনায় স্থানীয় পর্যায়ে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের আশঙ্কায় ব্লুম এনার্জির শেয়ারের দাম ১৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে শেয়ারবাজারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এআই প্রযুক্তির উন্নয়নে ডেটা সেন্টার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে বিপুল বিদ্যুৎ ব্যবহার, পরিবেশগত প্রভাব এবং স্থানীয় জনগণের উদ্বেগের কারণে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%