ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ঢাকায় গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে নিহত জামশেদের পরিবারকে ৩ লাখ টাকা সহায়তা


ঢাকায় গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে নিহত জামশেদের পরিবারকে ৩ লাখ টাকা সহায়তা

ঢাকায় অনুষ্ঠিত গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে নিহত জামশেদ আলীর পরিবারকে ৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এই সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে দেওয়া হয়।

শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী নিহত জামশেদের স্ত্রীর হাতে এই অর্থ তুলে দেন।

জামশেদ আলী বদরগঞ্জ উপজেলার ১৫ নম্বর লোহানীপাড়া ইউনিয়নের দফাদার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের প্রবেশপথে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে জাতীয় যুব দিবসে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সারাদেশের গ্রাম পুলিশের সদস্যদের অংশগ্রহণে আয়োজিত মহাসমাবেশে যোগ দিতে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বদরগঞ্জ উপজেলা থেকে ৮৪ জন গ্রাম পুলিশ সদস্য ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। তাদের মধ্যে জামশেদ আলীও ছিলেন।

শনিবার সকালে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রবেশের অপেক্ষায় ছিলেন তারা। এ সময় প্রবেশপথের কাছাকাছি পৌঁছালে জামশেদ আলী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। বিমান বাহিনীর সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় জামশেদ আলীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় পরিবারের সদস্য, স্বজন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রামপুলিশসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: সাতক্ষীরায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ শুরু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক কপিল মন্ডলের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক কপিল মন্ডলের মৃত্যু

ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকায় বাসের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু হয়েছে, যার নাম কপিল মন্ডল (৪০)। রবিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের বাবলাতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

মৃত কপিল মন্ডল গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার আগদিয়া গ্রামের বাসিন্দা কালিপদ মন্ডলের পুত্র।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সূত্রে জানা যায়, কপিল মন্ডল মোটরসাইকেল চালিয়ে ভাঙ্গা থেকে তার নিজ বাড়ি মুকসুদপুরের আগদিয়া গ্রামে ফিরছিলেন। বাবলাতলা এলাকায় পৌঁছানোর পর, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অজ্ঞাতপরিচয় বাস তার মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এই সংঘর্ষে মোটরসাইকেলটি সম্পূর্ণভাবে দুমড়েমুচড়ে যায় এবং কপিল মন্ডল গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বাসটির পরিচয় শনাক্তের জন্য চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে বিএনপি নেতা নাসিমের উদ্যোগে ২৩ বছর পর মুক্তি পেলেন চা-শ্রমিক রাজু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


সিলেটে বিএনপি নেতা নাসিমের উদ্যোগে ২৩ বছর পর মুক্তি পেলেন চা-শ্রমিক রাজু

সিলেটে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চা-শ্রমিক নাইটু রাজু মুণ্ডার (৫০) হত্যার মামলায় দণ্ডিত হয়ে ছিলেন। ২০০৩ সাল থেকে তিনি সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি জীবন কাটাচ্ছিলেন। তার ২৩টি বছর কারাগারের চার দেয়ালে কেটে গেছে। সম্প্রতি সাধারণ ক্ষমার মাধ্যমে তার কারাদণ্ড মওকুফ হয়। তবে মুক্তির পথে ৫০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তার পরিবারের পক্ষে এই অর্থ পরিশোধের সামর্থ্য ছিল না।

দীর্ঘ সময় কারাভোগের পরও মুক্তির পথে ৫০ হাজার টাকার বাধা উঠে আসে জেলা আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সভায়। সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন কর্মকর্তা তৈমুর হোসেন চৌধুরী সভায় বিষয়টি তুলে ধরেন। সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বিষয়টি শুনে তাৎক্ষণিকভাবে অর্থদণ্ডের ৫০ হাজার টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেন। তার দেওয়া টাকায় রাজুর মুক্তির পথ খুলে যায়। নাসিম হোসাইনের মানবিক উদ্যোগ জনমনে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

রাজু আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে মুক্তি পান। দীর্ঘ ২৩ বছর পর কারাগারের ফটক পেরিয়ে বাইরের পৃথিবীতে পা রাখার মুহূর্তটি তার জীবনে নতুন এক অধ্যায়। মুক্তির পর প্রবেশন কর্মকর্তা ও সিনিয়র জেল সুপারের উপস্থিতিতে রাজু আপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি নাসিম হোসাইনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুলেননি।

কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বনিক জানান, নাইটু মুণ্ডা রাজু ২০০৩ সাল থেকে কারাগারে বন্দি ছিলেন। জেল কোডের ৫৬৯ বিধান অনুযায়ী, ২০ বছর সাজা ভোগ করলে মানবিক দিক বিবেচনায় সাধারণ মুক্তির সুযোগ রয়েছে। সেই অনুযায়ী আবেদন করার পর রাজুর মুক্তির আদেশ আসে। তবে অর্থদণ্ডের ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ না হওয়ায় তার মুক্তি আটকে ছিল। সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি অর্থের সংস্থান করতে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করেন।

অবশেষে অর্থদণ্ড পরিশোধের ব্যবস্থা হওয়ায় রাজুকে মুক্তি দেওয়া হয়। প্রবেশন কর্মকর্তা তৈমুর হোসেন চৌধুরী জানান, মানবিক কারণে রাজুর জন্য তিনি একজন দাতা খুঁজছিলেন। জেলা আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সভায় বিষয়টি তুলে ধরার সুযোগ পেয়ে নাসিম হোসাইন ৫০ হাজার টাকা দিতে সম্মত হন। সভা শেষে টাকা পাঠিয়ে দ্রুত রাজুর মুক্তির ব্যবস্থা করতে বলেন। তিনি আরও জানান, নাসিম হোসাইনকে কারাগারের ফটকে আসার অনুরোধ করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেখানে আসতে চাননি। তার কথা ছিল, দ্রুত যেন রাজুর মুক্তির ব্যবস্থা করা হয়। মুক্তির পর রাজুকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং রাজুও তার সঙ্গে কথা বলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের বাসিন্দা রাজু মুণ্ডা স্থানীয় একটি চা-বাগানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তিনি বিয়ে করেননি। দীর্ঘ কারাবাসে জীবনের অনেক স্মৃতি এখন ঝাপসা হয়ে গেছে। যে হত্যাকাণ্ডের মামলায় তার সাজা হয়েছিল, সেই ঘটনার কথাও অনেকটা ভুলে গেছেন রাজু। মুক্তির পর নিজের অতীত নিয়ে আক্ষেপের চেয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার দৃঢ়তা দেখা গেছে রাজুর কণ্ঠে।

রাজু বলেন, ‘ভুলের মাশুল তো জেল খাটলাম। পাপ মুছেছে। এখন সামনের দিনটা ভালো করে কাটাতে চাই।’ চা-শ্রমিকের কাজ করবেন কি-না, জানতে চাইলে তিনি কিছুটা হতাশার সুরে বলেন, ‘সঙ্গীসাথি কেউ তো আর নাই। জেলে যে কাজ (বাবুর্চি) করছি, সেইটাই করার চেষ্টা করমু।’ ২৩ বছরের বন্দিজীবন শেষে রাজু মুক্তি পেয়েছেন। তার জন্য অপেক্ষায় নেই আপনজন, নেই ফিরে যাওয়ার মতো কোনো পারিবারিক আশ্রয়। কারাগারের বাইরে তার জীবন কতটা সহজ হবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

রাজুর এই অসহায়ত্বের কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রবেশন কর্মকর্তা তৈমুর হোসেন চৌধুরী বলেন, রাজু বাবুর্চির কাজ করতে চাইলে কোনো হোটেল বা রেস্তোরাঁয় কাজ দেওয়ার চেষ্টা করবেন তিনি। কারণ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে তার কর্মসংস্থান জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিকাহ রেজিস্ট্রারদের অধিকার নিশ্চিতের জন্য ৫ দফা দাবি উত্থাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


নিকাহ রেজিস্ট্রারদের অধিকার নিশ্চিতের জন্য ৫ দফা দাবি উত্থাপন

বাংলাদেশ মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার ও নিকাহ রেজিস্ট্রার কল্যাণ ঐক্য পরিষদ একই ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় একাধিক নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিলের পাশাপাশি পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেছে।

রোববার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেন।

তাদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে প্রথমটি হলো—মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন বিধিমালা অনুযায়ী বর্তমানে কর্মরত নিকাহ রেজিস্ট্রারদের কর্ম-অধিক্ষেত্র ও অধিকার রক্ষা করা। দ্বিতীয়ত, বিদ্যমান কর্ম-অধিক্ষেত্র বিভক্ত করে একজনের স্থলে একাধিক নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগের বিধান বাতিল করা। তৃতীয়ত, মুসলিম বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন বিধিমালা প্রণয়ন ও সংশোধন সংক্রান্ত কমিটিতে সারাদেশের নিকাহ রেজিস্ট্রারদের পক্ষ থেকে কমপক্ষে দুইজন যোগ্য ও অভিজ্ঞ প্রতিনিধিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানায় সংগঠনটি।

চতুর্থ দাবি হিসেবে, নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগের ক্ষেত্রে মাদরাসাভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষা, ইসলামী শরিয়ত, মুসলিম পারিবারিক আইন এবং বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনটি সতর্ক করে বলেছে, এসব যোগ্যতা উপেক্ষা করে শুধুমাত্র সাধারণ শিক্ষাগত ডিগ্রির ভিত্তিতে নিয়োগের প্রস্তাব বাতিল করতে হবে।

পঞ্চম দাবিতে, নিকাহ রেজিস্ট্রারদের কর্ম-অধিক্ষেত্র ও নিয়োগ সংক্রান্ত বিতর্কিত প্রস্তাবিত বিধিমালা বাতিল করে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত বিধিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

এছাড়া, বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের বিভিন্ন ফি বাড়ানোর প্রস্তাবও তারা উত্থাপন করেছে। এর মধ্যে বিয়ে নিবন্ধন ফি প্রতি হাজারে ১৪ টাকার পরিবর্তে ২০ টাকা এবং পাঁচ লাখ টাকার পরবর্তী প্রতি লাখে ১০০ টাকার পরিবর্তে ৩০০ টাকা করার দাবি রয়েছে। তালাক নিবন্ধন ফি ১ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা, বিয়ের নকল ফি ৫০ থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা এবং কমিশন ফি ৫০০ টাকা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা উল্লেখ করেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পেশাজীবীদের বেতন-ভাতা এবং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হলেও নিকাহ রেজিস্ট্রারদের নিবন্ধন ফি বাড়ানো হয়নি। তাই তাদের আর্থিক বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তারা প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, আইন মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সকল দায়িত্বশীল ব্যক্তির প্রতি উদাত্ত আহবান জানাচ্ছেন—“আমাদের দাবিগুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করুন এবং যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনায় বসুন।” তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে এ সমস্যার একটি ন্যায়সংগত ও গ্রহণযোগ্য সমাধান সম্ভব।

কর্মসূচি হিসেবে, সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামীকাল ৯ নভেম্বর সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন এবং প্রধানমন্ত্রী ও আইন মন্ত্রীকে স্মারক লিপি প্রদান করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার সমিতির সভাপতি মাওলানা শাহ মোঃ নেছারুল হক, মহাসচিব মাওলানা কাজী মোঃ সেলিম রেজা, মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাওলানা কাজী মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদার, নিকাহ রেজিস্টার ইকবাল হোসেন, আশরাফ উদ্দিন ভুইয়া, নুরুল আমিন, মফিজুল ইসলাম, আজিজুল হক সুমন, মশিউর রহমান, শিহাব উদ্দীন, ইয়াহিয়া মাসুদ ও আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা ইউনাইটেড প্রিমিয়ার লিগে উন্নীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


ঢাকা ইউনাইটেড প্রিমিয়ার লিগে উন্নীত

ঢাকা, ৮ নভেম্বর ২০২৬ : প্রথম বিভাগ হকি লিগের চ্যাম্পিয়ন হয়ে ঢাকা ইউনাইটেড আগামী মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে খেলার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছে।

আজ মওলানা ভাষানী হকি স্টেডিয়ামে প্রথম বিভাগ লিগের সমাপ্তি ঘটেছে। এবারের লিগে ঢাকা ইউনাইটেড অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। তারা মোট ১০ ম্যাচে অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ ২৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করে টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করে।

অন্যদিকে, প্রতিযোগিতামূলক লড়াইয়ের পর মাত্র এক পয়েন্টের ব্যবধানে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ ট্রফি নিজেদের করে নিয়েছে ঐতিহ্যবাহী ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাব।

লিগের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ মাহফুজুল আলম খান। খেলা শেষে তিনি বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের পূর্বে একই স্থানে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন ও ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত 'অপরাজেয় আলো নারী হকি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম ২০২৬'-এর তৃতীয় ধাপের গোলকিপার ট্রেনিং ক্যাম্পের প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদ প্রদান করা হয়।

২২টি জেলা থেকে নির্বাচিত মোট ২৪ জন প্রতিশ্রুতিশীল নারী গোলকিপারকে নিয়ে ১৫ দিনব্যাপী এই আবাসিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির হেড অব জেনারেল সার্ভিস মেজর জেনারেল মোঃ আমিন আকবর (অব.) এবং সিএসআর রিপোর্টিং অ্যান্ড স্পন্সরশিপ অফিসার রামিছা তাবাসসুম চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%