ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তরুণ বিজ্ঞানী ও গবেষকদের সহায়তা অব্যাহত রেখেছে সরকার : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী


তরুণ বিজ্ঞানী ও গবেষকদের সহায়তা অব্যাহত রেখেছে সরকার : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম আজ সংসদে বলেন, দেশের তরুণ বিজ্ঞানী, গবেষক এবং উদ্ভাবন ভিত্তিক কার্যক্রমের জন্য সরকার আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে।

এ তথ্য তিনি সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সেলিনা সুলতানার তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে জানান।

মন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এমএস, এমফিল, পিএইচডি এবং পোস্টডক্টরাল গবেষণায় নিয়োজিত শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (এনএসটি) ফেলোশিপ প্রদান করে আসছে।

আরও পড়ুন: দেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: আবু হানিফ

তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এনএসটি ফেলোশিপ কর্মসূচির আওতায় মোট ৪ হাজার ২৮২ জন গবেষককে ২৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকার অনুদান দেওয়া হয়েছে।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) প্রকল্পের মাধ্যমে বিজ্ঞান ভিত্তিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

তিনি জানান, চলতি অর্থবছরে গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) কর্মসূচির আওতায় ৩৫৮ জন বিজ্ঞানী ও গবেষককে ৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকার অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিজ্ঞান ভিত্তিক ৩০টি সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানকে বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম, উন্নয়ন কর্মসূচি, জার্নাল প্রকাশনা এবং সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ও প্রদর্শনী আয়োজনের জন্য মোট ৩০ লাখ টাকার অনুদান দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: রামপুরায় স্লুইস গেটের কাছে ৭৪ বছরের বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

তিনি জানান, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক এবং তরুণ বিজ্ঞানীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গবেষকদের জন্য বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, তরুণ বিজ্ঞানীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা এবং তাদের উদ্ভাবনকে বাস্তবায়ন ও বাণিজ্যিকীকরণের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিজ্ঞান ভিত্তিক সংগঠনের মাধ্যমে উদ্ভাবনী গবেষণায় আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান, বিজ্ঞান মেলা, উদ্ভাবনী প্রদর্শনী, সেমিনার, কর্মশালা এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন।

ফকির মাহবুব আনাম জানান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় জীবপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থী, গবেষক এবং তরুণ বিজ্ঞানীদের জন্য প্রশিক্ষণ, গবেষণা সুবিধা ও আধুনিক গবেষণাগারের সুযোগ প্রদান করছে।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণা প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ, থিসিস সহায়তা এবং আধুনিক জীবপ্রযুক্তি গবেষণাগার ব্যবহারের সুযোগ করে দিচ্ছে, যা দেশে দক্ষ গবেষক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আরও পড়ুন: ৪০ লাখ কৃষককে কার্ড, মিলবে ১০ ধরনের সুবিধা : প্রধানমন্ত্রী

গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৪৩টি গবেষণা প্রকল্পে ৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৯৪টি প্রকল্পে ৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তাদের বিজ্ঞানীদের জন্য ১৫টি বিশেষ গবেষণা প্রকল্পে মোট ৮০ লাখ ৭৫ হাজার টাকার বরাদ্দ প্রদান করেছে। এসব প্রকল্প কৃষি, খাদ্য উৎপাদন, স্বাস্থ্যসেবা, নিউক্লিয়ার মেডিসিন, জনস্বাস্থ্য এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রযুক্তির উদ্ভাবক ও নির্মাতা হিসেবে তরুণদেরকে গড়তে হবে: ফকির মাহবুব আনাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৩ পি.এম


প্রযুক্তির উদ্ভাবক ও নির্মাতা হিসেবে তরুণদেরকে গড়তে হবে: ফকির মাহবুব আনাম

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, তরুণদেরকে শুধুমাত্র প্রযুক্তির ব্যবহারকারী নয় বরং এর উদ্ভাবক ও নির্মাতা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, পরিবর্তিত বাস্তবতায় আমাদের এজন্য বিজ্ঞান শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বিজ্ঞানমনস্ক সংস্কৃতি গড়ে তোলা অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেছেন, বর্তমান বিশ্বে যে জাতি জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনে যত এগিয়ে, সে জাতি অর্থনীতি, শিল্প, শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তত এগিয়ে। সুতরাং, বিজ্ঞানচর্চা কেবল একটি একাডেমিক কার্যক্রম নয়, এটি একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।

এ বক্তব্য তিনি আজ ঢাকায় ৪৭ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্স মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদান করেন। তিনি আরো বলেন, বিজ্ঞানমনস্ক, উদ্ভাবনী ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের অভিযাত্রায় এই আয়োজন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

তিনি দাবি করেছেন, বিজ্ঞান মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি। ইতিহাসের প্রতিটি যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজতর, সমৃদ্ধ ও উন্নত করেছে। বর্তমান বিশ্বে যে জাতি জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনে যত এগিয়ে, সে জাতি অর্থনীতি, শিল্প, শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তত এগিয়ে চলে। তাই বিজ্ঞানচর্চা কেবল একটি একাডেমিক কার্যক্রম নয়, এটি একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন ও অগ্রগতির এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে একটি উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং সেই লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন দক্ষ মানবসম্পদ, গবেষণা-সক্ষম প্রতিষ্ঠান এবং উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তিসম্পন্ন তরুণ প্রজন্ম।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী আরও বলেছেন, আমি লক্ষ্য করছি যে এখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত তরুণ উদ্ভাবকরা আজ তাদের সৃজনশীল প্রকল্প উপস্থাপন করতে এখানে সমবেত হয়েছেন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণামূলক কাজ ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

মন্ত্রী উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের মনে রাখতে হবে, প্রতিটি বড় আবিষ্কারের শুরু হয়েছিল একটি ছোট প্রশ্ন থেকে। ফলে, প্রশ্ন করতে শিখতে হবে, পর্যবেক্ষণ করতে শিখতে হবে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে শিখতে হবে এবং ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে নতুন কিছু আবিষ্কারের সাহস অর্জন করতে হবে। ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বিশ্ব বর্তমানে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যুগে প্রবেশ করেছে এবং মেধাবিদের জন্য বিশ্বের দ্বার এখন উন্মুক্ত।

এক্ষেত্রে, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও মেধা প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা সর্বত্র। প্রতিযোগিতামূলক এই বিশ্বে টিকে থাকতে, যথোপযুক্ত বিজ্ঞান শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানে পারদর্শী হতে হবে। ব্যবহারিক এবং কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হতে হবে। শিক্ষাদীক্ষা, জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নিজেদের প্রস্তুত করতে না পারলে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।

মন্ত্রী আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান আর উদ্ভাবনী প্রযুক্তির এ সুযোগে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নাই।

অনুষ্ঠানে ক্ষুদে উদ্ভাবকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেছেন, তরুণদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা সহায়তা, বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্তকরণ এবং মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে সরকারের কর্মপরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, আজকের দিনে আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে। যে মহান নেতা ১৯৭৮ সালে তরুণ উদ্ভাবকদের উদ্ভাবনী শক্তি দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর জন্য জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা শুরু করেছিলেন।

তিনি জানান, আজ সেই বিজ্ঞান মেলার ৪৭তম আয়োজনে উপস্থিত হতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত ও ধন্য মনে করছি। মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, গবেষক, প্রযুক্তিবিদ এবং উদ্ভাবক। তোমরাই আগামী বাংলাদেশের চালিকাশক্তি।

এছাড়া, মন্ত্রী আরও বলেন, আজকের এই বিজ্ঞান সপ্তাহে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞানভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা এবং বিজ্ঞান মেলায় উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শনীর মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনা ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

মন্ত্রী দাবি করেন, রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে ফিউচার জেনারেশনের প্রজেক্ট। রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্লান্টে বিজ্ঞানী হিসেবে আমাদের ছেলে-মেয়েরা ইতিমধ্যেই জয়েন করেছে। আমাদের ছেলেমেয়েরা বিশ্বের বিভিন্ন ভালো প্রতিষ্ঠানে পড়ছে। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, স্বপ্ন দেখতে হবে, লক্ষ্য স্থির করতে হবে এবং লেগে থাকতে হবে। তারা কখনো লক্ষ্য থেকে সরে যাবে না। মন্ত্রী বলেন, তোমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ভালো করলে আত্নীয়স্বজন সবাই গর্ব করবে। বিদেশে লেখাপড়া করার জন্য আমাদের সরকার ১০ লাখ টাকা করে দিচ্ছে। যারা উচ্চ শিক্ষার জন্য দেশের বাইরে পড়তে যাবে তাদের পাশে আমাদের সরকার আছে।

শেষে, মন্ত্রী ফিরে আসেন এবং বলেন, আসুন, আমরা সবাই মিলে বিজ্ঞানমনস্ক, উদ্ভাবনী সমৃদ্ধ এবং উন্নত বাংলাদেশ গঠনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখি।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সফলতার জন্য লেগে থাকতে হয় এবং দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় বিজ্ঞানীরা এগিয়ে যান। তাদের উদ্ভাবনী ও আবিষ্কারে অনেক অধ্যবসায় ও নিরলস প্রচেষ্টা থাকে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের প্রশ্ন করার সাহস থাকতে হবে। বিজ্ঞান হচ্ছে উত্তর খোঁজার সঠিক পথ। আমাদের দেশে সত্যেন বোসের মতো বড় বিজ্ঞানী ছিলেন। সচিব আরও উল্লেখ করেন, আমাদের দেশে অনেক ভালো গবেষণাগার আছে। আমাদের পরমাণু শক্তি কমিশন, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি, ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট আছে। এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে তোমরা ভবিষ্যতে গবেষণা করার জন্য আসতে পারো। ভাল গবেষণা করলে সরকার গবেষকদের পাশে থাকবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব বলেন, ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ৩৩তম পরমাণু শক্তির দেশ হয়েছে। রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আমাদের বিজ্ঞানীরা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট চালাচ্ছে। তোমাদের মাঝে বিজ্ঞান মনস্ক বাংলাদেশ গড়ে উঠবে এই প্রত্যাশা করছি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. মনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এবং গবেষক ড. আব্বাস উদ্দিন আহমেদ এবং বিজ্ঞানী ও গবেষক মারজানা আক্তারকে विज्ञान বিষয়ে অবদানের জন্য সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক তরুণ উদ্ভাবক, গবেষক, শিক্ষক ও বিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে মন্ত্রী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্স ভবনের ফ্লোরে মাধ্যমিক পর্যায়, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় ও বিশেষ পর্যায়ের খুদে ও তরুণ বিজ্ঞানীদের দ্বারা উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রজেক্ট পরিদর্শন করেন।

‘উদ্ভাবন নির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ এ প্রতিপাদকে সামনে রেখে সারাদেশে ইতিপূর্বে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগীদের নিয়ে ঢাকায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে এবারের ১৪-১৬ জুন ২০২৬ তিন দিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদযাপিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রকৌশল শিক্ষায় মেধা ও দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিকতা ও সততার ওপর জোর দিতে হবে : ইউজিসি চেয়ারম্যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৭ পি.এম


প্রকৌশল শিক্ষায় মেধা ও দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিকতা ও সততার ওপর জোর দিতে হবে : ইউজিসি চেয়ারম্যান

রোববার রাজধানীর এমআইএসটিতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বক্তব্য প্রদান করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেছেন, প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের জন্য শুধুমাত্র মেধা ও কারিগরি দক্ষতা অর্জন করাই লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়; তাদের সৎ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল মানবসম্পদ হিসেবেও গড়ে উঠতে হবে।

তিনি এ সময় মন্তব্য করেন, ‘যদি মেধা ও দক্ষতার সঙ্গে নৈতিকতা, সততা, দেশপ্রেম এবং মানবিক মূল্যবোধের সংমিশ্রণ ঘটানো যায়, তা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রÑসবার জন্যই কল্যাণকর হবে।’

আজ রোববার, রাজধানীর মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-তে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ বিষয়ে আলোচনা করেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার জন্য দক্ষ প্রকৌশলীর পাশাপাশি নৈতিক নেতৃত্বসম্পন্ন পেশাজীবীর প্রয়োজন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক ও উদ্ভাবনবান্ধব সমাজ গঠনে প্রকৌশলীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি যোগ করেন, শিক্ষা সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন খাত ও পেশায় গুরুত্বপূর্ণ দায়ি পালন করবে। সেজন্য তাদের শুধুমাত্র একাডেমিক উৎকর্ষ নয়, সামাজিক দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং মানবিক মূল্যবোধেও সমৃদ্ধ হয়ে গড়ে উঠতে হবে।

এমআইএসটি সামরিক বাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি স্বনামধন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও পেশাগত উৎকর্ষের চর্চা বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।

অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ শৃঙ্খলার ইতিবাচক ধারা বজায় রাখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সামাজিক সম্পৃক্ততা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশের ক্ষেত্রেও সমান গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি এমআইএসটি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন, এমন একটি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে যাতে শৃঙ্খলা ও মানবিক বিকাশের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে। ইউজিসি চেয়ারম্যান মন্তব্য করেন, দেশে উচ্চশিক্ষার বিস্তার ঘটলেও সে অনুপাতে শিক্ষার মান বাড়েনি।

তিনি বলেন, ‘দেশে বর্তমানে প্রায় ১৮০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৫০ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। উচ্চশিক্ষা খাতের পরিধি বেড়েছে, কিন্তু সেই তুলনায় শিক্ষার মান বাড়েনি। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ইউজিসি বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।’

তিনি জানান, ইউজিসি মানসম্মত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান উপযোগী করে গড়ে তুলতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে দক্ষতাভিত্তিক (স্কিলভিত্তিক) শিক্ষা, গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবক, শিক্ষক ও নীতিনির্ধারকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এমআইএসটির কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হাকিমুজ্জামান।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রকৌশলসহ সব বিভাগে আউটকাম বেইজড এডুকেশন (ওবিই) বা ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা কারিকুলামের আওতায় পাঠদান করা হয়, যার ফলে শিক্ষার্থীরা কর্মজীবনে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা অর্জন করছে।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে আধুনিক গবেষণাগার ও ল্যাবরেটরি স্থাপন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য আবাসন সুবিধাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন কর্নেল মো. শাহাব উদ্দিন এবং কর্নেল মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। কর্মশালায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, নবীন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে তাপপ্রবাহ ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে উপকূলীয় নারীদের কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


নোয়াখালীতে তাপপ্রবাহ ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে উপকূলীয় নারীদের কর্মশালা

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট তীব্র তাপপ্রবাহ এবং জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা থেকে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রান্তিক নারীদের সুরক্ষায় নোয়াখালীর সুবর্ণচরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মর্যাদার সাথে সহনশীলতা’ শীর্ষক দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা।

রোববার (১৪ জুন) দুপুরে সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ জনসচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) সহায়তায় পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (প্রান) এবং অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

সুবর্ণচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছেনমং রাখাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক জেড. এম. মিজানুর রহমান খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (কার্যক্রম ও সামাজিক নিরাপত্তা শাখা) মোহাম্মদ আবদুর রহমান।

আয়োজকেরা জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশের অন্যান্য এলাকার মতো উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতেও দুর্যোগের ঝুঁকি ক্রমাগত বাড়ছে। বিশেষ করে তীব্র তাপপ্রবাহের সময় নারীরা তুলনামূলক বেশি ক্ষতির মুখে পড়েন। গৃহস্থালি কাজ ও রান্নাবান্নার কারণে অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে আসায় তাঁদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি সামাজিক ও পারিবারিক নানা কারণে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।

কর্মশালার শুরুতে অংশগ্রহণকারী নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রাথমিক উপকরণ হিসেবে হাতপাখা, গামছা ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এছাড়া সুবর্ণচরের পল্লী মাতৃকেন্দ্রগুলোকে আরও কার্যকর ও স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১০টি কেন্দ্রের সভানেত্রীদের হাতে হোয়াইটবোর্ড, বিছানা, রেজিস্টার খাতাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় স্টেশনারি সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।  এতে সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত পল্লী মাতৃকেন্দ্রের (আরএমসি) ১০০ জন নারী সদস্য এবং উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

আয়োজকদের মতে, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ে এ ধরনের সচেতনতামূলক ও সক্ষমতা উন্নয়নমূলক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের মতে ট্রাম্পের ইরান চুক্তিটি ‘সব দিক থেকেই লোকসানের’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের মতে ট্রাম্পের ইরান চুক্তিটি ‘সব দিক থেকেই লোকসানের’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন ইরান শান্তি চুক্তিটিকে ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান সেথ মাউল্টন একটি ‘আত্মসমর্পণ দলিল’ বলে মন্তব্য করেছেন।

তিনি মন্তব্য করেন, যুদ্ধের আগে আমেরিকার যা ছিল না, এমন কিছুই এটি দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, রোববার একটি শান্তি কাঠামো স্বাক্ষরিত হবে এবং এতে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর এ ধরনের মন্তব্য করা হয়।

পরের দিন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের প্রতি ইঙ্গিত করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘উপযুক্ত সময়ে, যখন সবকিছু শান্ত হবে, আমরা প্রবেশ করে ইরানের পারমাণবিক ধূলিকণা’ সংগ্রহ করব এবং তা ধ্বংস করে দেব।’

গণমাধ্যমে আরও দাবি করা হয়েছে যে, এই চুক্তিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ এবং ইরানের ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ তুলে নেয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, এবং প্রণালীটি টোল ব্যবস্থা ছাড়াই পরিচালিত হবে। তবে, ইরানি কর্মকর্তারা বলেছেন, চুক্তি স্বাক্ষর আগামীকালই হচ্ছে না। এছাড়া, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পরে শুরু হবে বলেও আশা করা হচ্ছে।

এদিকে, শনিবার এমএস নাউ-তে কথা বলতে গিয়ে হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির সদস্য মাউল্টন এই কাঠামোটিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি সামগ্রিক ক্ষতি বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটি একটি ভয়াবহ চুক্তি। এটি মূলত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কাছে ডনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে একটি আত্মসমর্পণ দলিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘মানে, এই যুদ্ধে করদাতাদের ১০০ বিলিয়ন ডলার ইতিমধ্যে খরচ হয়েছে, ১৪ জন আমেরিকান মারা গেছেন, আর আমরা এমন একটি চুক্তি পেলাম যা কেবল সেই প্রণালীটিই পুনরায় খুলে দেবে যা তিনি যুদ্ধ শুরু করার আগেই খোলা ছিল? এটা কেমন জয়?’

যদিও তিনি স্বীকার করেছেন যে যুদ্ধ শেষ করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সর্বোত্তম বিকল্প, তবে লক্ষ্য অর্জনের দিক থেকে এটি ‘ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সার্বিকভাবে কেবল ক্ষতি, ক্ষতি এবং ক্ষতি।’

অন্যদিকে, গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা যায় যে, বিধ্বংসী মার্কিন-ইসরাইলি হামলা সত্ত্বেও ইরানের সামরিক বাহিনী এখনও একটি শক্তিশালী যুদ্ধ শক্তি হিসেবেই রয়েছে এবং তেহরান কয়েক মাসের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করে নিতে পারে, যদিও তারা এমনটা করার চেষ্টা অস্বীকার করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%