রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০৩ পি.এম
হবিগঞ্জের মাধবপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসানকে বহনকারী সরকারি জিপের সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ সংঘটিত হয়েছে। এই ঘটনায় সরকারি জিপ এবং কাভার্ড ভ্যানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে ইউএনও, তাঁর গাড়িচালক এবং সঙ্গে থাকা আনসার সদস্য অক্ষত অবস্থায় রয়েছেন। আহত হয়েছেন কাভার্ড ভ্যানের হেলপার মানিক।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
সূত্রে জানা গেছে, ইউএনও মো. মেহেদী হাসান সরকারি কাজে মাধবপুর উপজেলা থেকে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মাসিক সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। নোয়াপাড়া এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যান (ঢাকা মেট্রো-উ-১৪-০৯৩৬) ইউএনওকে বহনকারী সরকারি জিপটিকে (হবিগঞ্জ-১৬-১০৬৮) সামনে থেকে ধাক্কা দেয়।
এই সংঘর্ষের ফলে সরকারি জিপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে চলে যায়। সংঘর্ষের ফলে জিপটির সামনের অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কাভার্ড ভ্যানটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
দুর্ঘটনার সময় ইউএনওর গাড়ির পেছনে থাকা একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ-১২-৮৬২৪)ও দুর্ঘটনার কবলে পড়ে, যার ফলে প্রাইভেটকারটি ধুমড়ে-মুচড়ে যায়।
কাভার্ড ভ্যানের হেলপার মানিক আহত হয়েছেন এবং তাঁকে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আহত মানিকের বাড়ি ময়মনসিংহ বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনগুলো শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, বলে জানিয়েছেন ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা।
দুর্ঘটনায় সরকারি জিপটির ব্যাপক ক্ষতি হলেও ইউএনও মো. মেহেদী হাসান, তাঁর গাড়িচালক এবং সঙ্গে থাকা আনসার সদস্য অক্ষত থাকায় তাঁরা বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন।
ঘটনার পর হাইওয়ে পুলিশ দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দাউদকান্দি মডেল থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ নিষিদ্ধ সংগঠনের দুই নেতাকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে উপজেলার জুরানপুরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অংশগ্রহণ করেন মডেল থানার এসআই রবিউল ইসলাম, এসআই ইসমাইল হোসেন, এসআই রেজোয়ানুল ইসলাম এবং এএসআই মোঃ সেলিম মিয়া।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন গোয়ালমারী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মোক্তার হোসেন ভূঁইয়া, যিনি নিষিদ্ধ সংগঠন উপজেলা আ'লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি জুরানপুর গ্রামের মৃত ছিদ্দিকুর রহমানের পুত্র। একই রাতে ঢাকারগাঁও গ্রামে অভিযান চালিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য মোঃ মনির হোসেনকেও আটক করা হয়। তিনি ঐ গ্রামের আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে।
দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম জানিয়েছেন, "অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শত শত বছর ধরে বাংলার মাটিতে লালনসংগীত চর্চা হয়ে আসছে। কিন্তু এই গানের সুর ও দর্শনকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পৌঁছে দেওয়ার কৃতিত্ব যার, তিনি হলেন ফরিদা পারভীন। আজ কিংবদন্তি এই শিল্পীকে হারানোর এক বছর পূর্ণ হলো। গত বছরের এই দিনেই তিনি না ফেরার দেশে চলে যান, যিনি ‘লালনসম্রাজ্ঞী’ হিসেবে পরিচিত।
ফরিদা পারভীনকে স্মরণ করার জন্য বিভিন্ন আয়োজন করা হচ্ছে প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে। সকাল ৭টায় চ্যানেল আইতে প্রচারিত হয়েছে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘গান দিয়ে শুরু’। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত বংশীবাদক ও ফরিদা পারভীনের জীবনসঙ্গী গাজী আবদুল হাকিম। এছাড়া, বিকেল ৫টা ১৮ মিনিটে তাঁকে নিয়ে একটি বিশেষ সাময়িকী প্রচারিত হবে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন আবদুর রহমান।
বাংলাদেশ বেতারেও ফরিদা পারভীনকে নিয়ে বিশেষ আয়োজন রয়েছে। দুপুরে সম্প্রচারিত হবে এই অনুষ্ঠান। ফরিদা পারভীনের গান পরিবেশন করবেন নাসরিন আক্তার বিউটি ও সাজিয়া সুলতানা পুতুল। গাজী আবদুল হাকিম বাঁশিতে সঙ্গত করবেন।
ফরিদা পারভীন শুধু গান গাওয়াই নয়, লালনসংগীতের সুর ও দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে চেয়েছিলেন। সেই উদ্দেশ্যে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ‘অচিন পাখি’। তাঁর গড়ে তোলা এই সংগীত একাডেমিতেও সন্ধ্যায় স্মরণ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে একাডেমির কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা ফরিদা পারভীনের জীবন, সংগীতচর্চা ও অবদানের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।
জীবনের শেষ সময়েও ফরিদা পারভীন ‘অচিন পাখি’কে ঘিরে নানা স্বপ্ন দেখতেন। প্রায় ১৭ বছর আগে তিনি জীবনসঙ্গী গাজী আবদুল হাকিমকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন।
গাজী আবদুল হাকিমের মতে, ফরিদা পারভীন চেয়েছিলেন বাংলা লোকগান পৃথিবীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়ুক। সুরের সৌন্দর্যে বেড়ে উঠুক প্রজন্মের পর প্রজন্ম। সেই স্বপ্ন নিয়ে তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে।
১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়ায় ফরিদা পারভীনের জন্ম। সংগীতে তাঁর হাতেখড়ি ওস্তাদ কমল চক্রবর্তীর কাছে। তিনি নজরুলগীতি ও ধ্রুপদী সংগীতেও প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। ১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত নজরুলসংগীতশিল্পী হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হয়।
স্বাধীনতার পর কুষ্টিয়ায় থাকার সময় লালনসংগীতের সঙ্গে পরিচয় ঘটে তাঁর। ১৯৭৩ সালে মোকছেদ আলী সাঁইয়ের কাছে ‘সত্য বল সুপথে চল’ গান শেখার মাধ্যমে তাঁর লালনসংগীতের পথচলা শুরু হয়। পরে তিনি খোদা বক্স সাঁই, ব্রজেন দাস, বেহাল সাঁই, ইয়াছিন সাঁই ও করিম সাঁইয়ের কাছ থেকেও তালিম নেন।
১৯৭৬ সালে ‘অচিন পাখি’ শিরোনামে তাঁর প্রথম দীর্ঘবাদ্যযন্ত্রের রেকর্ড প্রকাশিত হয়। এরপর ফরিদা পারভীন থেমে যাননি। অ্যালবাম, চলচ্চিত্র এবং সরাসরি মঞ্চ—জীবনের প্রায় পুরোটা সময় তিনি লালনসংগীতকে ধারণ ও ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নিজেকে নিবেদিত রেখেছেন।
ফরিদা পারভীন লালনের গানকে নতুন মাত্রা দেওয়ার পাশাপাশি এই সংগীতকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও পরিচিত করে তুলেছিলেন। তাঁর অনন্য গায়কির কারণে শ্রোতাদের কাছে তিনি ‘লালনসম্রাজ্ঞী’ নামে পরিচিতি পান।
সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৮৭ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন। ১৯৯৩ সালে শ্রেষ্ঠ গায়িকা হিসেবে অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে। চলতি বছরে নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা ১০০ জন এবং হামের উপসর্গে ৯২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে, হামে ও এর উপসর্গে মৃত্যুর মোট সংখ্যা ১ হাজার ২২ জনে পৌঁছেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় হামের উপসর্গ নিয়ে দুই জন মারা গেছেন। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ৯০৫ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৫০৯ জন, রাজশাহীতে ৩১, সিলেটে ১৬, চট্টগ্রামে ১৬৬, বরিশালে ৭৮, ময়মনসিংহে ৫৭, খুলনায় ৭৪ এবং রংপুরে ২৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৫১ হাজার ২৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৫২ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ৫ হাজার ৭৭২ জন রোগী রয়েছেন।
এছাড়া, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৪৩ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ হাজার ৬৯ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রিটিশ কাউন্সিল মর্যাদাপূর্ণ স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস-এর ত্রয়োদশ সংস্করণের জন্য আবেদন আহ্বান করেছে। এই অ্যাওয়ার্ডের আয়োজনের উদ্দেশ্য হলো, যাঁরা যুক্তরাজ্যে অর্জিত শিক্ষা কাজে লাগিয়ে নিজেদের সম্প্রদায়, শিল্প খাত ও দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাঁদের সাফল্য উদযাপন করা। ব্রিটিশ কাউন্সিল বিশ্বজুড়ে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ও শিক্ষার সুযোগ নিয়ে কাজ করে।
ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস চারটি ক্যাটাগরিতে দেওয়া হয়, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অর্জনের ও প্রভাবকে স্বীকৃতি দেয়। এই ক্যাটাগরিগুলো হলো—জ্ঞান ও টেকসই উন্নয়ন, সংস্কৃতি–সৃজনশীলতা ও ক্রীড়া, সামাজিক উদ্যোগ এবং ব্যবসা ও উদ্ভাবন। যোগ্য আবেদনকারীরা জাতীয় ও বৈশ্বিক পর্যায় উভয় ক্ষেত্রেই প্রতিযোগিতা করার সুযোগ পাবেন।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের বিচারকমণ্ডলী ২৮ জন চূড়ান্ত প্রতিযোগীর মধ্যে থেকে চারজনকে আন্তর্জাতিক বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করবেন। পুরস্কার বিজয়ীরা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিজেদের পরিচিতি বৃদ্ধি করার সুযোগ পাবেন, পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে বিশেষ নেটওয়ার্কিং সফরে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ক্যারিয়ার আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগও থাকবে।
বাংলাদেশে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের সম্মান জানাতে বিশেষ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০২৬। বাংলাদেশে জাতীয় পর্যায়ের বিজয়ীদের নাম আগামী বছরের জানুয়ারিতে ঘোষণা করা হবে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিজয়ীদের নাম ২০২৭ সালের আগস্টে ঘোষণা করা হবে। ব্রিটিশ কাউন্সিল বিজয়ীদের গল্প ও সাফল্যের চিত্র ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সবার সামনে তুলে ধরবে।
গত বছর বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশ থেকে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১,৮০০ জনের বেশি অ্যালামনাই আবেদন করেছিলেন। স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস-এর দ্বাদশ সংস্করণও ব্যাপক সাড়া ফেলে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশ ও খাতের বিজয়ী ও চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীদের সম্মাননা দেওয়া হয়।
গত বছরের আয়োজনের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ব্রিটিশ কাউন্সিল এবারও আবেদন আহ্বান করেছে। যুক্তরাজ্যের সাবেক শিক্ষার্থীদের শিল্প ও ব্যবসার খাত গড়ে তোলা, উদ্ভাবনে ভূমিকা রাখা এবং সমাজে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তৈরি করার জন্য সম্মান জানাতে এ আয়োজন করা হচ্ছে।
অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ড ২০২৭ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডেপুটি ডিরেক্টর মারিয়া রেহমান বলেন, “যুক্তরাজ্যের সাবেক শিক্ষার্থীরা সেখানে অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কীভাবে নিজেদের সমাজ, কর্মক্ষেত্র ও বৃহত্তর সমাজের কাজে লাগাচ্ছেন সেটাকে অনন্য উপায়ে উদযাপন করে স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস। বাংলাদেশের যুক্তরাজ্য অ্যালামনাইদের মধ্যে আমরা তাঁদের বৈচিত্র্যময় কাজের ধরণ ও অনুপ্রেরণার জায়গাগুলো স্পষ্টভাবে দেখতে পাই। কেউ বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছেন, কেউ সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছেন, আবার কেউ সৃজনশীল উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন কিছু করছেন।”
“আমি সকল যোগ্য যুক্তরাজ্য অ্যালামনাইদেরকে এ সুযোগটি কাজে লাফিয়ে নিজেদের সাফল্য উদযাপন ও তার পেছনের গল্প সবার সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। এর মাধ্যমে তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পরিবর্তনকামী মানুষের একটি কমিউনিটির সঙ্গেও যুক্ত হতে পারবেন। এই অ্যাওয়ার্ড শুধু অ্যালামনাইদের অর্জনের স্বীকৃতি নয়, বরং তাঁদের কাজের প্রভাবকে আরও বিস্তৃত করা এবং নতুন সুযোগ ও নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার একটি মাধ্যমও,” যোগ করেন তিনি।
আবেদনের বিস্তারিত, ক্যাটাগরি, আবেদনপ্রক্রিয়া ও যোগ্যতার শর্তাবলি জানতে ভিজিট করুন: https://www.britishcouncil.org.bd/en/study-uk/alumni-awards-2027
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ