প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রিটিশ কাউন্সিল মর্যাদাপূর্ণ স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস-এর ত্রয়োদশ সংস্করণের জন্য আবেদন আহ্বান করেছে। এই অ্যাওয়ার্ডের আয়োজনের উদ্দেশ্য হলো, যাঁরা যুক্তরাজ্যে অর্জিত শিক্ষা কাজে লাগিয়ে নিজেদের সম্প্রদায়, শিল্প খাত ও দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাঁদের সাফল্য উদযাপন করা। ব্রিটিশ কাউন্সিল বিশ্বজুড়ে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ও শিক্ষার সুযোগ নিয়ে কাজ করে।
ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস চারটি ক্যাটাগরিতে দেওয়া হয়, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অর্জনের ও প্রভাবকে স্বীকৃতি দেয়। এই ক্যাটাগরিগুলো হলো—জ্ঞান ও টেকসই উন্নয়ন, সংস্কৃতি–সৃজনশীলতা ও ক্রীড়া, সামাজিক উদ্যোগ এবং ব্যবসা ও উদ্ভাবন। যোগ্য আবেদনকারীরা জাতীয় ও বৈশ্বিক পর্যায় উভয় ক্ষেত্রেই প্রতিযোগিতা করার সুযোগ পাবেন।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের বিচারকমণ্ডলী ২৮ জন চূড়ান্ত প্রতিযোগীর মধ্যে থেকে চারজনকে আন্তর্জাতিক বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করবেন। পুরস্কার বিজয়ীরা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিজেদের পরিচিতি বৃদ্ধি করার সুযোগ পাবেন, পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে বিশেষ নেটওয়ার্কিং সফরে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ক্যারিয়ার আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগও থাকবে।
বাংলাদেশে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের সম্মান জানাতে বিশেষ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০২৬। বাংলাদেশে জাতীয় পর্যায়ের বিজয়ীদের নাম আগামী বছরের জানুয়ারিতে ঘোষণা করা হবে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিজয়ীদের নাম ২০২৭ সালের আগস্টে ঘোষণা করা হবে। ব্রিটিশ কাউন্সিল বিজয়ীদের গল্প ও সাফল্যের চিত্র ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সবার সামনে তুলে ধরবে।
গত বছর বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশ থেকে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১,৮০০ জনের বেশি অ্যালামনাই আবেদন করেছিলেন। স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস-এর দ্বাদশ সংস্করণও ব্যাপক সাড়া ফেলে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশ ও খাতের বিজয়ী ও চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীদের সম্মাননা দেওয়া হয়।
গত বছরের আয়োজনের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ব্রিটিশ কাউন্সিল এবারও আবেদন আহ্বান করেছে। যুক্তরাজ্যের সাবেক শিক্ষার্থীদের শিল্প ও ব্যবসার খাত গড়ে তোলা, উদ্ভাবনে ভূমিকা রাখা এবং সমাজে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তৈরি করার জন্য সম্মান জানাতে এ আয়োজন করা হচ্ছে।
অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ড ২০২৭ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডেপুটি ডিরেক্টর মারিয়া রেহমান বলেন, “যুক্তরাজ্যের সাবেক শিক্ষার্থীরা সেখানে অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কীভাবে নিজেদের সমাজ, কর্মক্ষেত্র ও বৃহত্তর সমাজের কাজে লাগাচ্ছেন সেটাকে অনন্য উপায়ে উদযাপন করে স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস। বাংলাদেশের যুক্তরাজ্য অ্যালামনাইদের মধ্যে আমরা তাঁদের বৈচিত্র্যময় কাজের ধরণ ও অনুপ্রেরণার জায়গাগুলো স্পষ্টভাবে দেখতে পাই। কেউ বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছেন, কেউ সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছেন, আবার কেউ সৃজনশীল উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন কিছু করছেন।”
“আমি সকল যোগ্য যুক্তরাজ্য অ্যালামনাইদেরকে এ সুযোগটি কাজে লাফিয়ে নিজেদের সাফল্য উদযাপন ও তার পেছনের গল্প সবার সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। এর মাধ্যমে তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পরিবর্তনকামী মানুষের একটি কমিউনিটির সঙ্গেও যুক্ত হতে পারবেন। এই অ্যাওয়ার্ড শুধু অ্যালামনাইদের অর্জনের স্বীকৃতি নয়, বরং তাঁদের কাজের প্রভাবকে আরও বিস্তৃত করা এবং নতুন সুযোগ ও নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার একটি মাধ্যমও,” যোগ করেন তিনি।
আবেদনের বিস্তারিত, ক্যাটাগরি, আবেদনপ্রক্রিয়া ও যোগ্যতার শর্তাবলি জানতে ভিজিট করুন: https://www.britishcouncil.org.bd/en/study-uk/alumni-awards-2027
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন