ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইউনিয়ন লেভেলে এখন সাংবাদিক কার্ড পাওয়া যায়: জয়নুল আবেদীন ফারুক


ইউনিয়ন লেভেলে এখন সাংবাদিক কার্ড পাওয়া যায়: জয়নুল আবেদীন ফারুক

দেশের প্রায় সকল উপজেলা, এমনকি ইউনিয়ন স্তরেও সাংবাদিকতার কার্ড পাওয়া যাচ্ছে। অথচ অনেকের সাংবাদিকতা বিষয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই; কিছু লোক রিপোর্টারও নন, এমনকি তারা মেট্রিক পাসও করেননি।

ইউটিউব এবং অন্যান্য মাধ্যমগুলোতে যা খুশি তাই প্রচারিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলো কারা সাংবাদিকতার কার্ড দিচ্ছে, তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কতটুকু এবং কারা সেই পরিচয় ব্যবহার করছে- এসব বিষয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন ফারুক।

রবিবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এসব বক্তব্য তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে জমি বিরোধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, বিচার দাবি

সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেন, ‘এই বিষয়গুলো তথ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এনে কার্যকর কোনো নীতিমালা বা সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে কি না, তা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত। এসব অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই সাথে উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

তার প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সংসদে বলেন, আমরা মিসইনফরমেশন (ভুল তথ্য) ও ডিসইনফরমেশন (অপতথ্য) নিয়ে কাজ করছি। যারা সাংবাদিক হিসেবে নিবন্ধিত নন, মূলত তারাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে লাগানো হচ্ছে ১০ লক্ষ গাছ : চসিক মেয়র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৯ পি.এম


গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে লাগানো হচ্ছে ১০ লক্ষ গাছ : চসিক মেয়র

পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং চট্টগ্রামকে একটি বাসযোগ্য, গ্রীন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশন ১০ লক্ষ গাছ রোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এই তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

রোববার (৭ জুন) নগরীর টাইগারপাসস্থ বিন্নাঘাস প্রকল্প এলাকায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মাসব্যাপী বৃক্ষ পরিচর্যা কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেয়র এই কথা বলেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উল্লেখ করেছেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের ঘোষণা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এটি একটি দূরদর্শী ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। ব্যাপক সবুজায়নের এর কোনো বিকল্প নেই। দেশের প্রতিটি নাগরিক যদি বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যায় এগিয়ে আসে তাহলে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তিনি জানান, “প্রধানমন্ত্রীর এ লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে নগরীতে ১০ লক্ষ গাছ রোপণ করা হচ্ছে। নগরীর কালুরঘাট থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত সব মিড-আইল্যান্ডকে ফুল ও সবুজে ভরিয়ে তোলা হবে। সড়কের সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন খালি জায়গা, পার্ক ও উন্মুক্ত স্থানে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করা হবে।”

তিনি জানান, ইতোমধ্যে নগরীর দেওয়ানহাট থেকে বারিক বিল্ডিং মধ্যবর্তী সড়কদ্বীপে ২৬ প্রজাতির ৬৫০০ চারা লাগানো হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে জারুল, সোনালু, রাধাচূড়া, কামিনী, কাঞ্চন, হাসনাহেনা, গন্ধরাজ, শিউলিসহ প্রায় ১০ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় জাতের গাছ। প্রতি দিন পানি দেওয়া, আগাছা পরিষ্কারসহ এইসব গাছ রক্ষণাবেক্ষণের বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।

মেয়র বলেন, “চট্টগ্রাম প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ভরপুর একটি নগরী। এখানে সমুদ্র, পাহাড়, নদী, খাল, উপত্যকা ও জলাশয় রয়েছে। আল্লাহ আমাদের অনেক সম্পদ দিয়েছেন। কিন্তু এসব সম্পদের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণ করতে না পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ, বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী জয়, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৯ পি.এম


নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ চালু

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলাগুলোর আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে হাইকোর্টে একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) আপিল বিভাগের এজলাসে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

এই উদ্যোগের ফলে আপিল নিষ্পত্তিতে বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকা বিলম্বের অবসান ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় নিয়ে তার মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে উল্লেখ করেন যে, সম্প্রতি সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড—শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণের যে মামলা, তার রায় আজ প্রকাশিত হয়েছে এবং নিম্ন আদালত কর্তৃক দুজন আসামির মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তবে, হাইকোর্টের অনুমোদন ছাড়া এ রায় যে চূড়ান্ত নয় তা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে এমন অনেক চাঞ্চল্যকর মামলার রায় হয়; কিন্তু মানুষ এই রায় কার্যকর হতে দেখতে পারে না বিলম্বের কারণে।

তিনি বলেন, আমরা যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কথা সবসময় বলে থাকি, যতক্ষণ না সেই শাস্তি কার্যকর হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত রায়ের ব্যাপারে মানুষের শঙ্কা থেকে যাচ্ছে। এমন অবস্থাতে আমি উন্মুক্ত আদালতে মাননীয় প্রধান বিচারপতির দৃষ্টিতে এটি এনেছি।

এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতি তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন বলে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধান বিচারপতি নারী এবং শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে এই জাতীয় মামলা, যেমন: শিশু রামিসা, আছিয়া এবং রসু খাঁ— এই সকল মামলাগুলো শুনানির জন্য হাইকোর্টে একটি সুনির্দিষ্ট বেঞ্চ গঠন করবেন, যেটি আগামী রোববার থেকে কার্যকর হবে।

কাজল বলেন, এই বিশেষ বেঞ্চটি কেবল এ ধরনের মামলার জন্য নির্ধারিত থাকবে। অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের পক্ষ থেকে আমাদের নিয়োজিত আইন কর্মকর্তারা কোনো মামলায় কোনো রকম মুলতবি চাইবেন না। কোনো মুলতবি ছাড়াই এ মামলাগুলো শুনানির জন্য আমি আমাদের আইন কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশনা দিয়েছি।

ছুটির মধ্যেও বিচারিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কারণে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রের এই আইন কর্মকর্তা।

রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, বর্তমানে আমাদের বিচারিক আদালতগুলোতে ছুটি চলছে। তবুও ছুটির মধ্যেও নারী এবং শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এবং আদালতের কার্যক্রম মাননীয় প্রধান বিচারপতি অব্যাহত রেখেছেন।

প্রধান বিচারপতির এই উদ্যোগকে ‘মাইলফলক’ হিসেবে বর্ণনা করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বিচারকে ত্বরান্বিত করার জন্য, মানুষের প্রত্যাশা পূরণের জন্য এবং বিশেষ করে আদালতের প্রতি মানুষের যে আস্থা — সে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্যে আজকের এই উদ্যোগটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করায় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান রুহুল কুদ্দুস কাজল।

তিনি উল্লেখ করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, তিনি রামিসার পরিবারের কাছে গিয়ে দ্রুততম সময়ে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এবং বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে করণীয় করবেন— তা বলেছিলেন।

কেবল আলোচিত মামলা নয়, প্রতিটি অপরাধের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে সমানভাবে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে কাজল বলেন, কোনো একটি মামলা আলোচিত হলেই আমরা সেটার পেছনে ছুটি; এটাও সত্য। কিন্তু প্রত্যেকটি অপরাধ দ্রুততম সময়ে বিচার, অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় আনা এবং তাদের শাস্তির মুখোমুখি করা, এটিই রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-রূপার জামিন স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২১ পি.এম


সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-রূপার জামিন স্থগিত

জুলাই মাসের অভ্যুত্থানের সময় হত্যা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগের ১০ মামলায় সাংবাদিক দম্পতি শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপার হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে রবিবার (৭ জুন) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত এই আদেশ প্রদান করেছেন।

এর আগে গত ১১ মে এসব মামলায় শাকিল ও রূপাকে জামিন প্রদান করেছিলেন বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী জ্যেতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানিতে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ অনীক রুশদ হক এবং তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আল আমিন।

একাত্তর টেলিভিশনের বার্তাপ্রধান হিসেবে শাকিল আহমেদের পরিচিতি রয়েছে। এবং ফারজানা রুপা ছিলেন ওই টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক। চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের তিন দিন পর দুইজনকে তাদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয় একাত্তর টেলিভিশনের কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে, ওই বছরের ২১ আগস্ট দেশ ত্যাগের সময় পুলিশ তাদের ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করে।

এর পর থেকে তারা কারাগারে রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা

রায়ে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী, দ্রুত কার্যকরের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২২ পি.এম


রায়ে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী, দ্রুত কার্যকরের দাবি

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সিরাজদিখানের এলাকাবাসী। তারা একইসঙ্গে দ্রুত রায় কার্যকরের জোর দাবি করেছেন।

রবিবার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। এই রায়ের মাধ্যমে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়, যা ভুক্তভোগী রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের প্রদান করা হবে।

রায়ের পর মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তির পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এ রায় ঘোষণায় তারা সন্তুষ্ট হলেও দ্রুত এটি কার্যকর করা অত্যন্ত জরুরি। তাদের মতে, এ ধরনের জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে দ্রুত শাস্তি কার্যকর হলে সমাজে অপরাধপ্রবণতা কমবে এবং অপরাধীদের মধ্যে ভয় তৈরি হবে।

রামিসার আত্মীয়রা বলেছেন, "আমরা আমাদের সন্তানকে আর ফিরে পাব না। তবে দ্রুত রায় কার্যকর হলে অন্তত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং আমাদের সন্তানের আত্মা শান্তি পাবে।" স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানিয়েছেন, এই হত্যাকাণ্ড পুরো দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই ভয়াবহ স্মৃতি এখনও তাদের মনে দাগ কেটে আছে। তাই তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%