প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের প্রায় সকল উপজেলা, এমনকি ইউনিয়ন স্তরেও সাংবাদিকতার কার্ড পাওয়া যাচ্ছে। অথচ অনেকের সাংবাদিকতা বিষয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই; কিছু লোক রিপোর্টারও নন, এমনকি তারা মেট্রিক পাসও করেননি।
ইউটিউব এবং অন্যান্য মাধ্যমগুলোতে যা খুশি তাই প্রচারিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলো কারা সাংবাদিকতার কার্ড দিচ্ছে, তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কতটুকু এবং কারা সেই পরিচয় ব্যবহার করছে- এসব বিষয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন ফারুক।
রবিবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এসব বক্তব্য তুলে ধরেন।
সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেন, ‘এই বিষয়গুলো তথ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এনে কার্যকর কোনো নীতিমালা বা সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে কি না, তা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত। এসব অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই সাথে উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
তার প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সংসদে বলেন, আমরা মিসইনফরমেশন (ভুল তথ্য) ও ডিসইনফরমেশন (অপতথ্য) নিয়ে কাজ করছি। যারা সাংবাদিক হিসেবে নিবন্ধিত নন, মূলত তারাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন প্রকাশ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন