ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশে এসে ধর্মান্তরিত হয়ে প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক


বাংলাদেশে এসে ধর্মান্তরিত হয়ে প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক

ভিন্ন ভাষা এবং ভিন্ন দেশের হাজারো মাইল দূরত্ব পেরিয়ে প্রেমের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আসেন চীনা নাগরিক লি বিং। যশোরের এক তরুণীকে তিনি বিয়ে করেছেন। নবদম্পতি জানিয়েছেন, তাদের বিয়ের আগে লি বিং স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

যশোর সদর উপজেলার বাউলিয়া গ্রামের মন্টু মোল্লার কন্যা তরুণী তন্দ্রা খাতুন যশোর সদর উপজেলা তথ্যকেন্দ্রে কাজ করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চীনা জামাইকে এক নজর দেখার জন্য তন্দ্রাদের বাড়িতে প্রতিদিনই কৌতূহলী মানুষ ভিড় করছেন।

তন্দ্রা খাতুন জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হ্যালোটক-এর মাধ্যমে লি বিংয়ের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে উইচ্যাটের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ করার ফলে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় আট মাস একত্রথেকে সম্পর্ক স্থাপন করার পর দুই পরিবারের সম্মতিতে তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

তিনি আরও বলেন, ‘লি বিং গত ১৮ জুন বাংলাদেশে আসেন। পরদিন সন্ধ্যায় আমাদের বিয়ে হয়। বিয়ের আগে তিনি স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তিনি আগে কোনো ধর্ম অনুসরণ করেননি। বর্তমানে তিনি আমাদের বাড়িতে আছেন। ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আমি তার সঙ্গে চীনে চলে যাব।’

লি বিং বলেন, তিনি চীনের বেইজিং শহরের বাসিন্দা এবং একটি স্মার্ট লক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়।

বাংলাদেশে এসে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলেন, ‘আমার বউ খুব ভালো, বাংলাদেশের পরিবেশ উষ্ণ এবং আমার বউয়ের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন সকলেই দয়ালু। এখানে আমার কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। আমি তোমাদের দেশটাকে খুব পছন্দ করছি, বিয়ের পর আমার অনুভূতি অসাধারণ।’

তন্দ্রার মা শিউলি বেগম বলেন, ‘মোবাইল ফোনে তাদের পরিচয়ের মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ছেলেটি মেয়েকে বিয়ে করার জন্য চীন থেকে বাংলাদেশে এসেছে। বিয়ের আগে সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে এবং আমরা পরিবারের সম্মতি দিয়েই তাদের বিয়ের আয়োজন করেছি।’

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

প্রতিবেশী কুলসুম বেগম জানিয়েছেন, ‘আমাদের এলাকায় আগে কখনো বিদেশি, বিশেষ করে চীনের কোনো ছেলে এসে বিয়ে করেছে এমন ঘটনা আমি দেখিনি বা শুনিনি। তাই বিষয়টি নিয়ে মানুষের মধ্যে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও অনেকে চীনা জামাইকে দেখতে আসছেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাজা পর্যাপ্ত নয়, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


সাজা পর্যাপ্ত নয়, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৪ দলের শরিক জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণার পর তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, সাজা অপ্রতুল। তাই এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে অবশ্যই আপিল করা হবে।

এর আগে ২২ জুন রায়ের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ৩০ জুন দিন নির্ধারণ করে। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আসামিপক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। ২৫ সেপ্টেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়।

৩৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রের সঙ্গে রয়েছে এক হাজার ৬৭৯ পৃষ্ঠার নথিপত্র। এ ছাড়া তিনটি অডিও ও ছয়টি ভিডিও ডকুমেন্টও সংযুক্ত রয়েছে। এ মামলায় একমাত্র আসামি হিসাবে রয়েছে হাসানুল হক ইনু।

আটটি অভিযোগে আন্দোলনকারীদের বিএনপি, জামায়াত, সন্ত্রাসী ও সাম্প্রদায়িক হিসেবে আখ্যায়িত করে তাদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগে উসকানি, ১৪ দলীয় জোট সরকারের অংশীদার জাসদের সভাপতি হিসেবে তার ঊর্ধ্বতন অবস্থান থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে নির্দেশনা, প্ররোচনা, উসকানি ও সহায়তা এবং কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে ফোন করে আন্দোলন দমনের নির্দেশনার পর ছয়জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিদেশি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে অভিযোগে বলা হয়েছে, হাসানুল হক ইনু ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই একটি বিদেশি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে আন্দোলন দমন এবং আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে আন্দোলনকারীদের বিএনপি, জামায়াত, সন্ত্রাসী ও সাম্প্রদায়িক আখ্যা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগে উসকানি দেন।

১৪ দলের সভায় উপস্থিত থেকে উসকানি দেয়ার সময় আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই গণভবনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ও হাসানুল হক ইনুর উপস্থিতিতে ১৪ দলীয় জোটের সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে কঠোর থেকে কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী সেনা মোতায়েন ও কারফিউ জারির মাধ্যমে आंदोलनরত নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ বলপ্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে দেশব্যাপী সেনা মোতায়েন করে আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং তা কার্যকর করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে হাসানুল হক ইনু নির্দেশনা, প্ররোচনা, উসকানি ও সহায়তা করেছেন।

কুষ্টিয়ার এসপিকে ফোন করে আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে নিজ জেলা কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে আন্দোলনকারীদের ছবি দেখে তালিকা প্রণয়ন ও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। একই সাথে পূর্বের নির্যাতনকে অনুমোদন করেন। এই নির্দেশনার পর কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের সদস্য এবং ১৪ দলীয় জোটের সশস্ত্র ক্যাডাররা ৫ আগস্ট পর্যন্ত কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালায়।

এতে শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, মো. উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ নিহত হন। রাইসুল হকসহ অসংখ্য নিরীহ-নিরস্ত্র আন্দোলনকারী আহত হন এবং অনেককে আটক করে নির্যাতন করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে যে, হাসানুল হক ইনু সার্বক্ষণিক শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র (লেথাল উইপন) ব্যবহার, আন্দোলনকারীদের ঘেরাও, হেলিকপ্টার ব্যবহার করে গুলি চালানো, বোমা হামলা, আটক ও নির্যাতনের ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা এবং উসকানি প্রদান করেন।

২০ জুলাই দুপুরে আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার, আন্দোলনকারীদের ঘেরাও করে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে হামলা এবং গুলি চালানোর মতো পদক্ষেপে শেখ হাসিনার গৃহীত সিদ্ধান্তকে তিনি অনুমোদন করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ২৭ জুলাই আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেন। সেখানে তিনি আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে আন্দোলনকারীদের বিএনপি, জামায়াত, সন্ত্রাসী, জঙ্গি ও সাম্প্রদায়ক আখ্যা দিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। একইসঙ্গে সরকারের জারি করা কারফিউ এবং প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন ও নিপীড়নকে কৌশলে সমর্থন করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

২৯ জুলাই শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের সভায় উপস্থিত ছিলেন হাসানুল হক ইনু। সেখানে তিনি আন্দোলনকারীদের বিএনপি, জামায়াত, সন্ত্রাসী ও সাম্প্রদায়িক আখ্যা দিয়ে আন্দোলন দমন এবং আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব বাস্তবায়নে নির্দেশনা, প্ররোচনা, উসকানি ও সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলীয় জোটের সশস্ত্র ক্যাডারদের পরিচালিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনকে বৈধতা দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছে।

হাসানুল হক ইনু সার্বক্ষণিক শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আন্দোলন দমন করতে কারফিউ বহাল রাখা, দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ, প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার, এবং নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে ‘জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, আটক ও নির্যাতনের ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা, উসকানি ও নির্দেশনা প্রদান করেন।

৪ আগস্ট আন্দোলন দমনে কারফিউ জারি ও গুলি চালানোর মতো পদক্ষেপে শেখ হাসিনার গৃহীত সিদ্ধান্তকে অনুমোদন করেন এবং তা বাস্তবায়নের জন্য টেলিফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে ষড়যন্ত্র, সহায়তা ও সম্পৃক্ত ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিজ দলের নেতাকর্মীদেরও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন বলে জানানো হয়েছে।

৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ঘোষিত ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে ছাত্রদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে কুষ্টিয়া জেলার সর্বস্তরের জনগণের পাশাপাশি নিরীহ-নিরস্ত্র শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, মো. উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী এবং চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ রাস্তায় নেমে আসেন।

সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়ার হাজারো নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্র-জনতা হাসপাতাল মোড়ে জড়ো হয়ে সেখান থেকে চৌড়হাস হয়ে মজমপুরের দিকে শান্তিপূর্ণভাবে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুগত অধস্তন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. মাহবুবউল আলম হানিফ, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম নেতা এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা ও নির্দেশের প্রেক্ষিতে কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সদর উদ্দিন খান, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আসগর আলী ও কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আতাউর রহমান আতার নির্দেশে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসী পুলিশ ছত্রছায়ায় (কোনও কোনও ক্ষেত্রে পুলিশের সঙ্গে একত্রে) নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর শহরের বিভিন্ন স্থানে গুলি চালাতে থাকে।

এ গুলিবর্ষণের ফলে দুপুর দেড়টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে বক চত্বরে আশরাফুল ইসলাম, বার্মিজ গলিতে সুরুজ আলী বাবু, হরিপুরগামী রাস্তার আড়ংয়ের সামনে শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, মো. উসামা, তুলাপট্টির গলিতে ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী এবং ফায়ার সার্ভিসের বিপরীত দিকে সড়কে চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ নিহত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণদের নেতৃত্বেই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব: ঢাবি উপ-উপাচার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


তরুণদের নেতৃত্বেই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব: ঢাবি উপ-উপাচার্য

মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, সাম্য এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি আলোকিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।

তিনি বলেন, ‘মানবাধিকার কেবল তাত্ত্বিক আলোচনার বিষয় নয়; এটি ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে চর্চা ও বাস্তবায়নের বিষয়।’

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেসি ল্যাবে আয়োজিত ‘Human Rights: From Theory to Practice’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেসি ল্যাব এবং ডেনিশ ইনস্টিটিউট ফর হিউম্যান রাইটস (Danish Institute for Human Rights) ঐক্যবদ্ধভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেসি ল্যাবের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘মানুষ রাজনৈতিক ও সামাজিক সত্তা। সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের যে দায়বদ্ধতা রয়েছে, তার ভিত্তি হলো মানবিকতা, ন্যায়বোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা।’

তিনি আরও বলেন, সমাজে মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বৃদ্ধি পায়। এই কারণে তিনি ব্যক্তি ও সামাজিক পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।

উপ-উপাচার্য তরুণদের ভূমিকার বিষয়ে বলেন, ‘তরুণ প্রজন্ম একটি ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন এবং মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন, অধিকারভিত্তিক সংগ্রাম এবং সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাই মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তাদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা স্মরণ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মতো ভবিষ্যতেও মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে এই বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্ব দেবে।

শিক্ষার্থীদের বই পড়া এবং জ্ঞানচর্চার ওপর তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘প্রতিটি বই মানুষের চিন্তার নতুন দুয়ার উন্মোচন করে। জ্ঞান মানুষকে আলোকিত করে এবং একটি সহিংসতামুক্ত, বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সহায়তা করে।’

তিনি কর্মশালায় অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জীবনে প্রয়োগের পাশাপাশি তা অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল ইসলাম বলেন, ‘মানবাধিকার সম্পর্কে সচেতন নাগরিক গড়ে তুলতে এবং তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশে অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেসি ল্যাব ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মানবাধিকারকে তত্ত্বের গণ্ডি থেকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’

দুই দিনব্যাপী এই কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা মানবাধিকার, নাগরিক দায়বদ্ধতা, সামাজিক ন্যায়বিচার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মানবিক নেতৃত্ব বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে উপ-উপাচার্য অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুয়া প্রতিরোধে নতুন আইন পাস, অনলাইন বেটিংয়ে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


জুয়া প্রতিরোধে নতুন আইন পাস, অনলাইন বেটিংয়ে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড

জাতীয় সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬ পাস হলো। নতুন এই আইনে জুয়া, অনলাইন জুয়া, বেটিং (বাজি বা পণ), বাজিকর, ম্যাচ ফিক্সিং, ক্রিপ্টোকারেন্সিসহ মোট ২৪ ধরনের বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী ১৪ ধরনের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রেখেছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্বরাস্থ্যমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের জন্য উপস্থাপন করলে তা সর্বসম্মতি নিয়ে পাস হয়। অধিবেশনটির সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।

এর আগে ২৩ জুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬ উত্থাপন করেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করার জন্য আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়, যাতে cinco কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য বলা হয়। কমিটির সুপারিশের পর আজ বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

নতুন পাস হওয়া এই বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান ‘The Public Gambling Act, 1867’ দেড় শতাধিক বছরেরও বেশি পুরোনো। ডিজিটাল যুগের বাস্তবতায় অনলাইন জুয়া, স্পোর্টস বেটিং, ভার্চুয়াল ক্যাসিনো ও ক্রিপ্টোকারেন্সিভিত্তিক জুয়া প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনি কাঠামো অকার্যকর ও অপর্যাপ্ত হয়ে পড়েছিল।

অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম, ভিপিএন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভুয়া মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে সংঘটিত জুয়া, অর্থপাচার ও প্রতারণা বাংলাদেশের সামাজিক শৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং তরুণ সমাজের জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে। এ কারণে পুরোনো আইনটি রহিত করে কঠোর সাজার বিধান রেখে নতুন আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

নতুন আইনে সাধারণ জুয়ার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অনলাইন বা দূরবর্তী জুয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অনলাইন বেটিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। জুয়ার স্থান পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ বা ব্যবহারের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও চার লাখ টাকা অর্থদণ্ডের পাশাপাশি আদালতের আদেশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ভবন, কক্ষ, যানবাহন, সার্ভার অবকাঠামো বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যাবে। জুয়ার সামগ্রী সংরক্ষণ, প্রস্তুত, সরবরাহ, বিক্রি, বিতরণ, আমদানি বা ব্যবহারের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং আদালতের মাধ্যমে এসব সামগ্রী বাজেয়াপ্ত বা ধ্বংসের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রাখা হয়েছে। বাজিকর হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড এবং স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। আদালত দোষী ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অথবা স্থায়ীভাবে সংশ্লিষ্ট খেলাধুলা, প্রতিযোগিতা বা ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণে অযোগ্য ঘোষণা করতে পারবেন। একইভাবে জুয়ার বিজ্ঞাপন, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা, মিথ্যা লাভের প্রতিশ্রুতি, স্পন্সরশিপ, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা রেফারেল ক্যাম্পেইন পরিচালনার জন্য ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, ইনফ্লুয়েন্সার, শিল্পী, খেলোয়াড় বা সেলিব্রিটিকে সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

ভিপিএন, প্রক্সি, মিরর সাইট, হোস্টিং, ডোমেইন সার্ভিস, ক্লাউড অবকাঠামো বা কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। ভুয়া সিম, ঘোস্ট সিম, ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্ট বা বায়োমেট্রিক জালিয়াতির মাধ্যমে জুয়া পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং সংঘবদ্ধভাবে বা অর্থপাচারের উদ্দেশ্যে এ অপরাধ সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। জুয়ার অর্থ ব্যাংক, এমএফএস, ডিজিটাল ওয়ালেট, হাওলা, হুন্ডি বা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে লেনদেন, গোপন বা বৈধ করার চেষ্টা করলে তা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর অধীন সম্পৃক্ত অপরাধ (Predicate Offence) হিসেবে গণ্য হবে।

আইনে বলা হয়েছে, কোনো কোম্পানি, করপোরেট সংস্থা, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, হোস্টিং প্রোভাইডার, পেমেন্ট গেটওয়ে বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত হলে সংশ্লিষ্ট পরিচালক, নির্বাহী কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপক, অংশীদার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দায়ী করা যাবে, যদি না তিনি প্রমাণ করেন যে অপরাধটি তার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়েছে এবং তা প্রতিরোধে তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। প্রতিষ্ঠানটিকেও পৃথকভাবে অভিযুক্ত করা যাবে এবং আদালত প্রয়োজনে তাদের নিবন্ধন, লাইসেন্স বা কার্যক্রম স্থগিত, বাতিল বা নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। একই অপরাধ পুনরায় সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তির দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দেয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

নতুন আইনে অপরাধে ব্যবহৃত বা অপরাধ থেকে অর্জিত অর্থ, সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল ওয়ালেট, ক্রিপ্টো সম্পদ, সার্ভার, ডোমেইন, সিম, ডিভাইসসহ অন্যান্য সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা আদালতকে প্রদান করা হয়েছে। অনলাইন জুয়া, অনলাইন বেটিং এবং সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধের বিচার সাইবার ট্রাইব্যুনালে হবে, অন্য অপরাধের বিচার হবে এখতিয়ারসম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে। আইনের অধীন সব অপরাধ আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য এবং আপস অযোগ্য হিসেবে গণ্য হবে। তদন্তের ক্ষেত্রে সাব-ইন্সপেক্টরের নিচের পদমর্যাদার কোনো পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হবেন না এবং প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযুক্তের ব্যাংক হিসাব, এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল ওয়ালেট বা ক্রিপ্টো ওয়ালেট সাময়িকভাবে ফ্রিজ করা যাবে।

এছাড়া সরকারের দ্বারা বা সরকার-নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জনস্বার্থে জুয়া বা বেটিং-সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, সার্ভার, ডোমেইন, আইপি অ্যাড্রেস, ইউআরএল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ, গ্রুপ, চ্যানেল এবং ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম ব্লক, অপসারণ বা নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা থাকবে। জুয়ার অর্থে ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাব, এমএফএস, পেমেন্ট গেটওয়ে, ডিজিটাল ওয়ালেট ও ক্রিপ্টো ওয়ালেট বন্ধের নির্দেশও আদালত দিতে পারবেন। পাশাপাশি জুয়া, অনলাইন জুয়া, বেটিং, অর্থপাচার ও সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধে একটি জাতীয় ডিজিটাল ব্ল্যাকলিস্ট ডেটাবেজ প্রণয়ন, এনআইডি-সিম-এমএফএস লিংকিং সিস্টেম বাস্তবায়ন, বায়োমেট্রিক ও ফেসিয়াল রিকগনিশনভিত্তিক যাচাই ব্যবস্থা চালু করার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, গোয়েন্দা সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট ১শ ২২ কোটি ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৯৭ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

এখন বাজেটের মধ্যে নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পরিবেশ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১টায় পৌরসভা মিলনায়তনে আয়োজিত বাজেট ঘোষণার অনুষ্ঠানে এই বাজেটের ঘোষণা করেন পৌর প্রশাসক ও ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হসান।

প্রস্তাবিত বাজেটের মধ্যে পৌরসভার নিজস্ব আয় হিসেবে ৬ কোটি ৮৭ লাখ ৭২ হাজার ৩৬০ টাকা ধরে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কর, রেইট, ফি এবং অন্যান্য খাত থেকে এই আয় অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ব্যয়ের খাতে সাধারণ প্রশাসনিক ও পরিচালন ব্যয়ের জন্য ৪ কোটি ৪ লাখ ৩১ হাজার টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ১০১ কোটি ২০ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬৫ টাকার ব্যয়ের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়া, অর্থবছরের শেষে ৬ কোটি ৩৮ লক্ষ ৮৯২ টাকা সমাপনী স্থিতি রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বাজেট ঘোষণার অনুষ্ঠানে ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি (তদন্ত) রত্নেশ্বর কুমার মন্ডল, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আনোয়ার হোসেন, সহকারী প্রকৌশলী গাজী নজরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান হাওলাদার, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব এইচ এম শামীম সহ নানা সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%