ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুয়া প্রতিরোধে নতুন আইন পাস, অনলাইন বেটিংয়ে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড


জুয়া প্রতিরোধে নতুন আইন পাস, অনলাইন বেটিংয়ে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড

জাতীয় সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬ পাস হলো। নতুন এই আইনে জুয়া, অনলাইন জুয়া, বেটিং (বাজি বা পণ), বাজিকর, ম্যাচ ফিক্সিং, ক্রিপ্টোকারেন্সিসহ মোট ২৪ ধরনের বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী ১৪ ধরনের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রেখেছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্বরাস্থ্যমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের জন্য উপস্থাপন করলে তা সর্বসম্মতি নিয়ে পাস হয়। অধিবেশনটির সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।

এর আগে ২৩ জুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬ উত্থাপন করেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করার জন্য আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়, যাতে cinco কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য বলা হয়। কমিটির সুপারিশের পর আজ বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

নতুন পাস হওয়া এই বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান ‘The Public Gambling Act, 1867’ দেড় শতাধিক বছরেরও বেশি পুরোনো। ডিজিটাল যুগের বাস্তবতায় অনলাইন জুয়া, স্পোর্টস বেটিং, ভার্চুয়াল ক্যাসিনো ও ক্রিপ্টোকারেন্সিভিত্তিক জুয়া প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনি কাঠামো অকার্যকর ও অপর্যাপ্ত হয়ে পড়েছিল।

অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম, ভিপিএন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভুয়া মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে সংঘটিত জুয়া, অর্থপাচার ও প্রতারণা বাংলাদেশের সামাজিক শৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং তরুণ সমাজের জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে। এ কারণে পুরোনো আইনটি রহিত করে কঠোর সাজার বিধান রেখে নতুন আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

নতুন আইনে সাধারণ জুয়ার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অনলাইন বা দূরবর্তী জুয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অনলাইন বেটিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। জুয়ার স্থান পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ বা ব্যবহারের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও চার লাখ টাকা অর্থদণ্ডের পাশাপাশি আদালতের আদেশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ভবন, কক্ষ, যানবাহন, সার্ভার অবকাঠামো বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যাবে। জুয়ার সামগ্রী সংরক্ষণ, প্রস্তুত, সরবরাহ, বিক্রি, বিতরণ, আমদানি বা ব্যবহারের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং আদালতের মাধ্যমে এসব সামগ্রী বাজেয়াপ্ত বা ধ্বংসের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রাখা হয়েছে। বাজিকর হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড এবং স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। আদালত দোষী ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অথবা স্থায়ীভাবে সংশ্লিষ্ট খেলাধুলা, প্রতিযোগিতা বা ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণে অযোগ্য ঘোষণা করতে পারবেন। একইভাবে জুয়ার বিজ্ঞাপন, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা, মিথ্যা লাভের প্রতিশ্রুতি, স্পন্সরশিপ, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা রেফারেল ক্যাম্পেইন পরিচালনার জন্য ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, ইনফ্লুয়েন্সার, শিল্পী, খেলোয়াড় বা সেলিব্রিটিকে সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

ভিপিএন, প্রক্সি, মিরর সাইট, হোস্টিং, ডোমেইন সার্ভিস, ক্লাউড অবকাঠামো বা কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। ভুয়া সিম, ঘোস্ট সিম, ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্ট বা বায়োমেট্রিক জালিয়াতির মাধ্যমে জুয়া পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং সংঘবদ্ধভাবে বা অর্থপাচারের উদ্দেশ্যে এ অপরাধ সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। জুয়ার অর্থ ব্যাংক, এমএফএস, ডিজিটাল ওয়ালেট, হাওলা, হুন্ডি বা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে লেনদেন, গোপন বা বৈধ করার চেষ্টা করলে তা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর অধীন সম্পৃক্ত অপরাধ (Predicate Offence) হিসেবে গণ্য হবে।

আইনে বলা হয়েছে, কোনো কোম্পানি, করপোরেট সংস্থা, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, হোস্টিং প্রোভাইডার, পেমেন্ট গেটওয়ে বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত হলে সংশ্লিষ্ট পরিচালক, নির্বাহী কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপক, অংশীদার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দায়ী করা যাবে, যদি না তিনি প্রমাণ করেন যে অপরাধটি তার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়েছে এবং তা প্রতিরোধে তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। প্রতিষ্ঠানটিকেও পৃথকভাবে অভিযুক্ত করা যাবে এবং আদালত প্রয়োজনে তাদের নিবন্ধন, লাইসেন্স বা কার্যক্রম স্থগিত, বাতিল বা নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। একই অপরাধ পুনরায় সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তির দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দেয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

নতুন আইনে অপরাধে ব্যবহৃত বা অপরাধ থেকে অর্জিত অর্থ, সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল ওয়ালেট, ক্রিপ্টো সম্পদ, সার্ভার, ডোমেইন, সিম, ডিভাইসসহ অন্যান্য সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা আদালতকে প্রদান করা হয়েছে। অনলাইন জুয়া, অনলাইন বেটিং এবং সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধের বিচার সাইবার ট্রাইব্যুনালে হবে, অন্য অপরাধের বিচার হবে এখতিয়ারসম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে। আইনের অধীন সব অপরাধ আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য এবং আপস অযোগ্য হিসেবে গণ্য হবে। তদন্তের ক্ষেত্রে সাব-ইন্সপেক্টরের নিচের পদমর্যাদার কোনো পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হবেন না এবং প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযুক্তের ব্যাংক হিসাব, এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল ওয়ালেট বা ক্রিপ্টো ওয়ালেট সাময়িকভাবে ফ্রিজ করা যাবে।

এছাড়া সরকারের দ্বারা বা সরকার-নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জনস্বার্থে জুয়া বা বেটিং-সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, সার্ভার, ডোমেইন, আইপি অ্যাড্রেস, ইউআরএল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ, গ্রুপ, চ্যানেল এবং ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম ব্লক, অপসারণ বা নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা থাকবে। জুয়ার অর্থে ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাব, এমএফএস, পেমেন্ট গেটওয়ে, ডিজিটাল ওয়ালেট ও ক্রিপ্টো ওয়ালেট বন্ধের নির্দেশও আদালত দিতে পারবেন। পাশাপাশি জুয়া, অনলাইন জুয়া, বেটিং, অর্থপাচার ও সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধে একটি জাতীয় ডিজিটাল ব্ল্যাকলিস্ট ডেটাবেজ প্রণয়ন, এনআইডি-সিম-এমএফএস লিংকিং সিস্টেম বাস্তবায়ন, বায়োমেট্রিক ও ফেসিয়াল রিকগনিশনভিত্তিক যাচাই ব্যবস্থা চালু করার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, গোয়েন্দা সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট ১শ ২২ কোটি ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৯৭ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

এখন বাজেটের মধ্যে নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পরিবেশ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১টায় পৌরসভা মিলনায়তনে আয়োজিত বাজেট ঘোষণার অনুষ্ঠানে এই বাজেটের ঘোষণা করেন পৌর প্রশাসক ও ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হসান।

প্রস্তাবিত বাজেটের মধ্যে পৌরসভার নিজস্ব আয় হিসেবে ৬ কোটি ৮৭ লাখ ৭২ হাজার ৩৬০ টাকা ধরে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কর, রেইট, ফি এবং অন্যান্য খাত থেকে এই আয় অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ব্যয়ের খাতে সাধারণ প্রশাসনিক ও পরিচালন ব্যয়ের জন্য ৪ কোটি ৪ লাখ ৩১ হাজার টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ১০১ কোটি ২০ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬৫ টাকার ব্যয়ের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়া, অর্থবছরের শেষে ৬ কোটি ৩৮ লক্ষ ৮৯২ টাকা সমাপনী স্থিতি রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বাজেট ঘোষণার অনুষ্ঠানে ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি (তদন্ত) রত্নেশ্বর কুমার মন্ডল, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আনোয়ার হোসেন, সহকারী প্রকৌশলী গাজী নজরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান হাওলাদার, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব এইচ এম শামীম সহ নানা সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীতে পুলিশ ফাঁড়ির দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


রাজবাড়ীতে পুলিশ ফাঁড়ির  দাবিতে মানববন্ধন

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বাগলী-কসবামাজাইল ব্রিজের নিকটবর্তী এলাকায় স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বুধবার (৩০ জুন) বিকালে সরিষা, কসবামাজাইল, পাট্টা ও কলিমহর ইউনিয়নের সব স্তরের জনগণের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখতে দেখা যায়, পাংশা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমান মন্ডল, ইউপি সদস্য ও যুবদল নেতা রাকিবুল ইসলাম, মাওলানা সাইফুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন এবং অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

কর্মসূচিতে তুলে ধরা হয়, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে দক্ষিণাঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করার দাবি জানান।

বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে কসবামাজাইল এলাকায় একটি অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও পরে সেটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এরপর থেকে ওই এলাকায় ছোটখাটো ঘটনার কারণে প্রায়শই উত্তেজনা ও অশান্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বেড়ে গেছে।

তারা আরও যুক্ত করেন, দক্ষিণাঞ্চলের সাধারণ মানুষের জানমাল ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য কসবামাজাইল এলাকায় দ্রুত একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি।

এ সময় এলাকাবাসী প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ হারুন-অর-রশিদ হারুনের নিকট বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে এনায়েত আলী আ.লীগের কর্মীকে প্রকাশ্যে গুলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৯ পি.এম


চট্টগ্রামে এনায়েত আলী আ.লীগের কর্মীকে প্রকাশ্যে গুলি

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এলাকায় দুর্বৃত্তদের দ্বারা ছোড়া গুলিতে এনায়েত আলী (৫৫) নামে একজন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মী আহত হয়েছেন।

এটি ঘটে সোমবার (২৯ জুন) রাত ১১টার দিকে, আমিলাইশ ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া সোলতান আহমদের বাড়ির কাছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য লোকমান হাকিম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, আহত এনায়েত আলী একই এলাকার বাসিন্দা।

লোকমান হাকিম এ ব্যাপারে বলেন, এনায়েত আলী গ্রামের দোকান থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। বাড়ির পাশে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা ১০ থেকে ১২ সদস্যের সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের একটি দল তার ওপর এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়ে পালিয়ে যায়। গুলির আওয়াজ শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে এনায়েতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।

এনায়েত আলীর ছোট ভাই লিয়াকত আলী জানান, এলাকায় মসজিদ নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে আমার ভাইয়ের বিরোধ চলছে। রাজনৈতিক কারণে হামলা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তিনি হাতে, পায়ে ও বুকে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

এদিকে সাতকানিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাসেল মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে যায় এবং অভিযান চালিয়ে মো. রায়হান (২৬) নামে স্থানীয় একজন তরুণকে আটক করে। হামলাকারীদের ছোড়া ছররা গুলিতে এনায়েত আলী গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির জানাজায় যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের প্রতিনিধিদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২০ পি.এম


খামেনির জানাজায় যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের প্রতিনিধিদল

জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের সংসদীয় প্রতিনিধিদল ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন। প্রতিনিধিদলটি আগামী ৩ জুলাই ঢাকা ত্যাগ করবে এবং ৯ জুলাই পর্যন্ত ইরান সফর করবে।

এ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। তাঁর সঙ্গে সফরে যাচ্ছেন সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীন, ড. মো. কেরামত আলী এবং জামায়াত নেতা ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।

জামায়াতের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জামায়াতের প্রতিনিধিদলটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর শোক, সমবেদনা ও সংহতি প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে আয়াতুল্লাহিল সাইয়্যিদ আলী হুসাইনি খামেনেয়ীর জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ইরান সফরের সময় প্রতিনিধি দলটি সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবে। এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইরানের জনগণের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা যায়।

উল্লেখ্য, একইসাথে এ গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি, প্রতিনিধিদলের সফর সফল করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইরান সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%