ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পদোন্নতি বঞ্চিত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আবেদন যাচাইয়ের জন্য কমিটি গঠন


পদোন্নতি বঞ্চিত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আবেদন যাচাইয়ের জন্য কমিটি গঠন

২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত এই সময়কালে রাজনৈতিক কারণে যাঁরা পদোন্নতি ও পদায়ন বঞ্চিত হয়েছেন, সেই সঙ্গে যাঁরা বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন, তাঁদের আবেদন পর্যালোচনার জন্য সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-৪ শাখা থেকে সম্প্রতি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হয়েছে, সাতজন অবসরপ্রাপ্ত ও অকালীন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার আবেদন যাচাই-বাছাই করার জন্য এবং এ বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে পাঁচ সদস্যের একটি এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে জমি বিরোধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, বিচার দাবি

কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক।

কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন প্রতিনিধি, অর্থ বিভাগের একজন প্রতিনিধি এবং আইন ও বিচার বিভাগের একজন প্রতিনিধি।

প্রতিনিধিদের পদমর্যাদা যুগ্মসচিবের নিচে হবে না বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া, কমিটি আবেদনকারীদের দাখিল করা তথ্য ও নথিপত্র যাচাই-বাছাই করবে এবং রাজনৈতিক কারণে পদোন্নতি ও পদায়ন বঞ্চনার অভিযোগের সত্যতা পর্যালোচনা করবে।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

তবে যেসব বিষয়ে আদালতের সুস্পষ্ট আদেশ রয়েছে, সেসব বিষয় কমিটির কার্যপরিধির বাইরে থাকবে। একটি সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে কমিটিকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দিতে হবে।

এদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-৪ শাখা কমিটির সচিবালয় হিসেবে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে।

কমিটির সদস্যরা সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের সদস্যদের মতো প্রতি সভার জন্য সমপরিমাণ সম্মানী পাবেন বলেও জানানো হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আকনুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন: ঘিওরের ধলেশ্বরী নদীতে দুই দিন নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বৈষম্য ও প্রশাসনিক বঞ্চনার অভিযোগে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনায় এ উদ্যোগ প্রশাসনে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় মৎস্য অভয়ারণ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


খুলনায় মৎস্য অভয়ারণ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন

জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় স্থায়ী মৎস্য অভয়ারণ্য স্থানীয় মৎস্য খাতের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। এটি এক সময় বিলুপ্তির পথে থাকা বহু দেশীয় মাছের প্রজাতি পুনরুদ্ধারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। উল্লেখ্য, মৎস্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে গড়ে তোলা এই অভয়ারণ্যগুলো পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা, সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণের একটি সফল মডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

এদিকে, বাজারে প্রবল চাহিদার কারণে কৃষকরা, বিশেষ করে বেকার যুবকরা ক্রমবর্ধমান দেশীয় প্রজাতির মাছের চাষ শুরু করেছে। অনেকেই এই চাষের মাধ্যমে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন।

ডুমুরিয়া উপজেলা মৎস্য অফিসের তথ্যমতে, মাছের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে নিরাপদ প্রজনন, বংশবৃদ্ধি এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ নিশ্চিত করার জন্য বেশ কয়েকটি নদী ও উন্মুক্ত জলাশয়ে স্থায়ী মৎস্য অভয়ারণ্য গড়ে তোলা হয়েছে। এই এলাকাগুলোতে মাছ ধরা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যার ফলে প্রজননক্ষম মাছ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পারে এবং পোনা মাছ স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে।

মৎস্য কর্মকর্তাদের বক্তব্য হলো, এই উদ্যোগটি ইতোমধ্যে উৎসাহব্যঞ্জক ফল দিয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে পাবদা, গুলশা, টেংরা, আইড়, চিতল, শিং, মাগুর, গজাল ও শোলসহ বেশ কয়েকটি দেশীয় প্রজাতির মাছের চাষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কয়েক বছর আগে স্থানীয় বাজারে যেসব প্রজাতি খুব কম দেখা যেত, এখন সেগুলো নিয়মিতভাবে ধরা পড়ছে।

জেলা মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তারা বকাসস’কে জানিয়েছেন, প্রাকৃতিক উপায়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলজ পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে মৎস্য অভয়ারণ্যগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর সুফল শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ভোগ্য হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মরা সিঙ্গা নদীর মৎস্য অভয়ারণ্যের আশপাশের এলাকাগুলোতে এখন কাতলা, রুইসহ ৫ থেকে ১০ কেজি ওজনের বড় মাছ নিয়মিত ধরা পড়ছে। শরফপুরের বানিয়াখালী অভয়ারণ্যের কাছে মরা ভদ্রা নদী এবং মির্জাপুর মরা নদীতেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে, যেখানে বড় আকারের কার্প ও পাঙ্গাস মাছ ধরা পড়েছে। অতিরিক্ত জলজ উদ্ভিদ, প্ল্যাঙ্কটন এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র জীবের পুনরুদ্ধার প্রাকৃতিক খাদ্য শৃঙ্খলকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করেছে। উন্নত আবাসস্থল সংলগ্ন উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের চলাচল সুবিধা বৃদ্ধি করেছে, যা স্থানীয় জেলেদের জন্য অধিক মাছ আহরণ ও আয় বৃদ্ধিতে অবদান রাখছে।

তবে, মৎস্য বিশেষজ্ঞরা অভয়ারণ্য কর্মসূচির মাধ্যমে অর্জিত সাফল্যকে টেকসই করার জন্য অবৈধ মাছ ধরার জাল, ক্ষতিকর কীটনাশক এবং নির্বিচারে মাছ ধরার পদ্ধতি প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের ধারাবাহিক নজরদারি এবং সম্প্রদায়ের সক্রিয় অংশগ্রহণ ডুমুরিয়ার মৎস্য অভয়ারণ্যকে মাছ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদনের জন্য একটি জাতীয় মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সহায়ক হতে পারে।

স্থানীয় অংশীদাররা আশা করছেন, মৎস্য অধিদপ্তরের চলমান উদ্যোগ এবং ক্রমবর্ধমান জনসচেতনতা ও সম্পৃক্ততা ডুমুরিয়ার স্থায়ী মৎস্য অভয়ারণ্যকে দেশের টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনার অন্যতম সফল উদাহরণে পরিণত করবে।

ডুমুরিয়ার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রেগান বাসসকে বলেন, ‘এই অভয়ারণ্যগুলো প্রজননক্ষম মাছের জন্য নিরাপদ প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে। গত কয়েক বছরে আমরা এমন অনেক দেশীয় মাছের চাষ লক্ষ্য করেছি। যেগুলো প্রাকৃতিক জলাশয়ে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ, সরকারি তত্ত্বাবধান এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে।’

খুলনা মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বাসসকে জানান, মাছ চাষিদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেকসই নিশ্চিত করতে আধুনিক মৎস্যচাষ কৌশলের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মৎস্য অধিদপ্তর পুকুর ও ঘেরের গভীরতা বৃদ্ধি, জৈব নিরাপত্তা জোরদার করা, পরীক্ষাগারে পরীক্ষিত ভাইরাসমুক্ত পিসিএফ পোনা সরবরাহ এবং উত্তম মৎস্যচাষ পদ্ধতির মতো পদক্ষেপগুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সভাপতি করে জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সভাপতি করে জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন

দেশের ঔষধ খাতের উন্নয়ন, জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার জন্য ‘জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ’ গঠন করেছে সরকার।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে সভাপতি করে ২২ সদস্যবিশিষ্ট এই পরিষদ গঠন করা হয়েছে।

রোববার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী।

সদস্য হিসেবে রয়েছেন— স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান, অর্থ বিভাগের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব রসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই’র সভাপতি, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির সভাপতি।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব পরিষদের সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

গেজেটে পরিষদের কার্যপরিধিও নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ প্রদান, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন এবং দেশের চাহিদা অনুযায়ী ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিতকরণের দিকনির্দেশনা দেওয়া।

এছাড়া, অ্যালোপ্যাথিক, আয়ুর্বেদিক, ইউনানি, হোমিওপ্যাথিক, বায়োকেমিক, হারবাল ও ভেটেরিনারি ওষুধের মধ্যে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়ন ও প্রতি দুই বছর অন্তর তা হালনাগাদ করার বিষয়ে সুপারিশ প্রদান করবে পরিষদ।

পরিষদ, ওষুধ ও এর কাঁচামাল আমদানি, উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবে। একই সঙ্গে, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ওষুধ উৎপাদন, আমদানি, বিতরণ ও বিক্রয়ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত প্রদান করবে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। তবে, জরুরি প্রয়োজনে দুইয়ের অধিক সভা আয়োজন করা যাবে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষদ কো-অপ্ট সদস্যও অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।

সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে পিকআপ ভর্তি মদসহ ৩ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:১০ পি.এম


শেরপুরে পিকআপ ভর্তি মদসহ ৩ জন গ্রেপ্তার

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় আজ একটি বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে পিকআপ ভর্তি ২৭৩ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ভারতীয় মদসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে উপজেলার নয়ানিকান্দা গরুহাটি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি হলুদ পিকআপ থেকে এসব মদ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- ঝিনাইগাতী উপজেলার দিঘিরপাড় গ্রামের সোরহাব আলীর ছেলে রুবেল মিয়া (৪৫), ঘোমরা গ্রামের সামসুল হকের ছেলে লাল চান (২৩) এবং রাংটিয়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে আলমগীর (২৩)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে গোপন সংবাদে ভিত্তিতে নালিতাবাড়ী উপজেলা সীমান্তের নয়ানিকান্দা গরুহাটি এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশ গাড়ি তল্লাশি শুরু করে।

এক পর্যায়ে পুলিশের থামানোর সংকেত পেয়ে সন্দেহভাজন একটি পিকআপে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করে। পরে পুলিশ তাদের আটক করে এবং পিকআপে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ২৭৩ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বাসস’কে জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুপুরে আদালতে পাঠানো হবে।

এছাড়া, মাদক ও চোরাচালান রোধকল্পে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাময়িক বন্ধের পর মস্কোর ৪টি বিমানবন্দর ফের চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


সাময়িক বন্ধের পর মস্কোর ৪টি বিমানবন্দর ফের চালু

একাধিক ড্রোন প্রতিহত করার পর, রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর চারটি বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এর পর, ভোরে, বিমানবন্দরগুলো পুনরায় চালু করা হয়েছে। দেশটির বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’ থেকে এসেছে।

সোমবার, মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে জানিয়েছেন, শহরের দিকে আসা মোট ৫৯টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।

জানা যায়, ইউক্রেনের শহরগুলোতে রুশ হামলার জবাবে কিয়েভ রাশিয়ার ভেতর ড্রোন হামলা চালাচ্ছে, তবে এসব ড্রোন ইউক্রেন থেকে এসেছে কি না, সে বিষয়ে সোবিয়ানিন স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।

কর্তৃপক্ষ জানায়, স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৩৯ মিনিটে বিমানবন্দরগুলো পুনরায় চালু করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%