০৭:০২ পি.এম
পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে হতাহত সংখ্যা বেড়ে ৩০-এ পৌঁছেছে। এ ঘটনায় ২০০ জনেরও বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
সম্প্রতি এই অঞ্চলটিতে বিভিন্ন দাবি নিয়ে বিক্ষোভ করে আসছিল ‘জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি’ (জেএএসি) নামক একটি সামাজিক সংগঠন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য পাকিস্তান সরকার আন্দোলন পরিচালনাকারী সংগঠন জেএএসিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
জোটটিকে নিষিদ্ধ করার ঘটনায় প্রতিবাদ হিসেবে রাওলাকোটে বিক্ষোভ শুরু হয়। নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভ দমনে বল প্রয়োগ করলে সংঘর্ষ বেধে যায়।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত শেষ হলেও জ্বালানি সংকট অব্যাহত থাকবে: আইইএ প্রধান
এই সংঘর্ষের ফলে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে এক ব্যবসায়ী প্রাণ হারান।
ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ঘটনা কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর গত রবিবার রাওয়ালকোট শহরে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
রাওয়ালকোট প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা সরদার ওয়াহিদ খান বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, পুলিশের গুলিতে নিহত ব্যবসায়ীর মরদেহ রাওয়ালকোটের একটি হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। হাসপাতালের বাইরে জেএএসির সমর্থকরা জড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
তিনি আরো জানান, ‘নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ বেধে যায়। এসময় বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে মারণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। অভিযানের সময় একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান
প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, গত কয়েক দিনের বিক্ষোভে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৭০ জন আহত হয়েছে।
তবে স্থানীয় বাসিন্দা এবং জেএএসি সমর্থকরা সরকারি হতাহতের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে জানিয়েছেন, পুলিশের গুলিতে হতাহত দাঁড়ায় ৩০ জন এবং আহতের সংখ্যা ২০০-এর বেশি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাকিস্তান প্রশাসন পুরো অঞ্চলে অতিরিক্ত আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে, ইন্টারনেট ও মোবাইল সেবা বন্ধ করে দিয়েছে এবং বড় ধরনের জমায়েতের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো বারবার উভয় পক্ষকে আলোচনা করে বিরোধ মেটানোর আহ্বান জানিয়েছে।
আরও পড়ুন: মিসরের পার্লামেন্ট সৌদিকে সামরিক সহায়তা দিতে অনুমোদন করেছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন