০৪:০৫ পি.এম
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে দুইটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় একই স্থানে ও একই সীমানাপ্রাচীরের ভেতর চলছে। চর লরেন্স ইউনিয়নের বাসিন্দা সাবেক সংসদ সদস্য এমপি সিরাজুল ইসলামের বাড়ির সামনে অবস্থিত এই দুই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী মোট ২৮৬ জন। পার্শ্ববর্তী চর কাদিরা ইউনিয়নের ডাক্তার পাড়া এলাকায় বিদ্যালয় না থাকার কারণে শত শত শিশু শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সচেতন মহল এবং এলাকাবাসী দুটি স্কুলের যেকোনো একটিকে স্থানান্তরের জোর দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘চর লরেন্স সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ এ বর্তমানে ১৩২ জন শিক্ষার্থী এবং ৪ জন শিক্ষক রয়েছেন। একই বাউন্ডারিতে প্রতিষ্ঠিত ১৯৭৩ সালের ‘চর লরেন্স শহীদ স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’ শিক্ষার্থী ১৫৪ জন এবং শিক্ষক ৫ জন আছেন। একটি স্থানে দুটি বিদ্যালয় থাকার কারণে প্রশাসনিক জটিলতার সঙ্গে সম্পদের অপচয়ের অভিযোগও উঠেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে।
অন্যদিকে, চর কাদিরার ডাক্তার পাড়া এলাকায় পাকা দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র ও কিল্লা থাকলেও দুই কিলোমিটারের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার কোনো সুযোগ নেই। এই কারণে সেখানকার শিশুরা চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে অথবা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যেমন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা পাশে ছিলেন, তেমনি ২০২৪ সালের আন্দোলনেও তাঁরা পাশে ছিলেন : প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর
এলাকাবাসীদের ধারণা, একই সীমানায় থাকা দুই প্রতিষ্ঠানের যেকোনো একটি যদি চর কাদিরার ডাক্তার পাড়া এলাকার দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়, তাহলে উভয় অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থায় ভারসাম্য আসবে।
এ বিষয়ে কমলনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার প্রান্তিক সাহা জানিয়েছেন, কিল্লা ও সংশ্লিষ্ট গ্রামে বিদ্যালয় না থাকার বিষয়টি বিবেচনা করে ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে শিশুদের পড়ালেখার সুযোগ নিশ্চিত করার অনুরোধ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন