মোঃ শরীফ উদ্দিন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
০৪:০৭ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের ফুলপুর গ্রামে কৃষি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে রাব্বি নামে এক যুবককে স্থানীয়রা আটক করেছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরের সময় এ ঘটনা ঘটে। আটক হওয়া যুবককে পরে নাসিরনগর উপজেলা কৃষি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সরকারি কৃষি সহায়তা এবং কৃষিপণ্য দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ছিল একটি প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ফুলপুর গ্রামে গেলে রাব্বি আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে প্রতারণার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে আটক করা হয়।
আটক রাব্বির বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মেড্ডা এলাকায় বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি নিজেকে কৃষি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে কৃষকদের ধান ও বিভিন্ন কৃষি সুবিধা দেওয়ার আশ্বাস দিতেন। এ জন্য তিনি অফিস ফি হিসেবে ৩০০ টাকা এবং কৃষি যন্ত্র (মোটর) দেওয়ার কথা বলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করতেন।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা কৃষকদের এই ধরনের প্রতারক চক্র সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি বিভাগ বা নাসিরনগর থানা পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন ওসমান আজ বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাতে উভয় পক্ষের মধ্যে জনশক্তি সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি খাতে সহযোগিতা এবং আকাশপথে যোগাযোগ (এয়ার কানেক্টিভিটি) জোরদারসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্রুনাইয়ে আরও বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও তা সহজতর করার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহ নিয়ে কথা বলেন।
তিনি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও সম্প্রসারণে ব্যবসায়ী-ব্যবসায়ীর (বি-টু-বি) যোগাযোগ জোরদার করা, নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ-ব্রুনাই চেম্বার অব কমার্স প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনার এসব প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন যে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে ব্রুনাইয়ের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সাপ্লাই করা ওষুধ, পাটজাত পণ্য, কৃষিপণ্য এবং আমের জন্য ব্রুনাইয়ের বাজারে অধিকতর প্রবেশাধিকার কামনা করেন।
দু দেশ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বাণিজ্য, ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও ফলপ্রসূ করতে বাংলাদেশ ও ব্রুনাইয়ের ব্যবসায়ী সংগঠন, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের সমন্বয়ে একটি যৌথ ব্যবসায়িক গ্রুপ (জয়েন্ট বিজনেস গ্রুপ) গঠনে সম্মত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাট থেকে সংবাদদাতা জানাচ্ছে, সম্প্রতি অতি বৃষ্টির কারণে জয়পুরহাট-হিলি আঞ্চলিক মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশের মেরামত কাজ শুরু করেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই কাজের মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে এবং দুর্ভোগ অনেকটা কমে আসবে।
সওজের সূত্র থেকে জানা গেছে, জয়পুরহাট-হিলি সড়কটি ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ। গত এপ্রিল মাসে এর বড় ধরনের সংস্কার ও কার্পেটিংকে সম্পন্ন করা হয়েছিল। এই প্রকল্পটির ব্যয় ছিল ২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। কাজ শেষ হওয়ার পর অতি বৃষ্টির কারণে পাঁচুর মোড় থেকে পুরানাপৈল পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার অংশে কিছুটা কার্পেটিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সওজ বিভাগ দ্রুত পরিস্থিতির তদারকির কার্যক্রম হাতে নিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এস. অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা লিমিটেডকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি এক বছরের দায়বদ্ধতা মেনে নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে গত রবিবার থেকে ক্ষতিগ্রস্থ অংশে নতুন করে পাথর ও পিচ দিয়ে সড়কটি পুরোপুরি পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। তারা জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে এই ক্ষতি ঘটেছে, কিন্তু দ্রুত মেরামতের মাধ্যমে সড়কটি আবারও আগের চেয়েও টেকসই করা হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ক্ষতিগ্রস্থ স্থানে পুরোদমে মেরামত কাজ চলমান। স্থানীয় কিছু দোকানিরা জানাচ্ছেন, বৃষ্টির পর সড়ক থেকে কিছু পিচ উঠে গেলেও নতুন করে সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে, যা জনদুর্ভোগ কমানোর লক্ষ্যে সহায়ক হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন। যানবাহনগুলোও নিরাপদে এবং ধীরে ধীরে মেরামত কাজকে এড়িয়ে চলাচল করছে।
সওজের শ্রমিক এবং ঠিকাদারের কর্মীরা ভারী যন্ত্রপাতি ও উপাদান ব্যবহার করে ক্ষতিগ্রস্থ অংশগুলোকে দ্রুত মেরামত করছেন। জয়পুরহাটের সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাজস খাঁন জানান, বৃষ্টির কারণে সড়কটির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, ঠিকাদারকে দ্রুত মেরামত কাজের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই মেরামতের পর সড়কটি অনেক দীর্ঘস্থায়ী এবং নিরাপদ হয়ে উঠবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবানের থানচি ও রুমা উপজেলার সীমান্তে সশস্ত্র কুকি-চিন তৎপরতার কারণে দেশত্যাগ করার পর, সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রত্যাবর্তনকারী বম পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে, ১২টি গ্রামের ৩০০-এর অধিক বম, ম্রো ও ত্রিপুরা সদস্যকে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করেছে বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।
বান্দরবান রিজিয়নের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং ১৬ ইস্ট বেঙ্গলের ব্যবস্থাপনায় বাকলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন পাড়াবাসীর কাছে দুটি চাঁদের গাড়ি হস্তান্তর করা হয়েছে।
পার্বত্য অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষের জীবিকা কৃষি, জুমচাষ, ফল উৎপাদন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও পর্যটনের সঙ্গে জড়িত। তবে পরিবহন সংকট এবং বিভিন্ন সময়ে সৃষ্ট অস্থিতিশীলতার কারণে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটের মধ্যে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড তথা বান্দরবান রিজিয়নের সরাসরি তৎপরতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাহাড়ি জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের আস্থা, সম্প্রীতি ও টেকসই আর্থসামাজিক উন্নয়নে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চাঁদের গাড়িগুলো রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত, কৃষিপণ্য ও ফলমূল বাজারজাতকরণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল বহন এবং জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগও তৈরি হবে। দীর্ঘদিনের পরিবহন সংকট কাটিয়ে এই উদ্যোগ তাদের জীবনযাত্রাকে সহজ করবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আনবে।
স্থানীয় জনগণ আরও আশা প্রকাশ করেন, চাঁদের গাড়িগুলো তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও ফলমূল দ্রুত বাজারে পৌঁছাতে সহায়তা করবে, পরিবহন ব্যয় কমাবে এবং পাড়ার তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। এর ফলে স্থানীয় পরিবারের আয় বৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আছে।
অন্যদিকে, ২০২৪ সাল থেকে অদ্যাবধি, বাস্তুচ্যুত বম জনগণের ২১১ পরিবারের সর্বমোট ৫৩১ জন সদস্য নিজ পাড়ায় প্রত্যাবর্তন করেছেন। প্রত্যাবর্তনকারী বম পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে বান্দরবান রিজিয়নের নির্দেশনায় ১৬ ইস্ট বেঙ্গলের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কেওক্রাডং-সুংসুং পর্যটন এলাকা পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, সেনাবাহিনীর অর্থায়নে সুংসুংপাড়ায় একটি ইকো রিসোর্ট নির্মাণ শেষে পাড়াবাসীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর করা এবং স্থানীয় জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সদর দপ্তর বান্দরবান রিজিয়নের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং ১৬ ইস্ট বেঙ্গলের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বাকলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন পাড়াবাসীর কাছে দুটি চাঁদের গাড়ি হস্তান্তর করা হয়।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে কাইথনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম স্থানীয় প্রতিনিধিদের হাতে গাড়ির চাবি তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে ১৬ ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ আতিকুল করিম, বলীপাড়া ৩৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইয়াসির আরাফাত হোসেন, বান্দরবান রিজিয়নের জি-৩ ক্যাপ্টেন সামিউল ইসলাম, থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-ফয়সাল, মেজর আসিফ জুবায়ের, পার্বত্য বম কাউন্সিল সোসাইটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্যলালজার বমসহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান, কারবারি ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়; একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সেই সমন্বিত লক্ষ্য সামনে রেখে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রসঙ্গত, সেনাবাহিনী জানায়, ২০২০ সালে কুকি-চিন সন্ত্রাসী তৎপরতার সময় ভারতে মিজোরামে আশ্রয় নেওয়ার পর দেশে ফিরে আসা ছয়টি বমপাড়া, একটি ত্রিপুরাপাড়া ও পাঁচটি ম্রোপাড়াসহ মোট ১২টি গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ও পরিবহন সংকট নিরসনে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) নতুন কমিশনার হিসেবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. সাজ্জাদুর রহমান নিয়োগ পেয়েছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে যে, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ডিআইজি মো. সাজ্জাদুর রহমানকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এই বদলি অবিলম্বে কার্যকর করা হবে। এর আগে, গত ২১ জুলাই কেএমপির কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসানকে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে। তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে মো. সাজ্জাদুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ