ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাইবান্ধায় ‘কৃষক কার্ড’ চালুর লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু


গাইবান্ধায় ‘কৃষক কার্ড’ চালুর লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে সারা দেশে কৃষক ও কৃষিজমির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)।

শনিবার (১৮ জুলাই) থেকে দেশের সব উপজেলায় একযোগে এই কার্যক্রম শুরু হয়। এরই অংশ হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের একটি ব্লকে এ তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ব্লকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ২ নম্বর ব্লকে গত ১৬ জুলাই থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রম আগামী ২ আগস্ট পর্যন্ত চলমান থাকবে। এ ব্লকে একযোগে ১৮টি পয়েন্টে ১৮ জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করছেন।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

কৃষি বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি কৃষক পরিবারের গৃহকর্তার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে কৃষকের নাম-ঠিকানা, জমির পরিমাণ, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা, চাষকৃত ফসল ও জমির পরিমাণ, সারের ব্যবহার, পরিবারের সদস্যসংখ্যা, মোবাইল নম্বর ও মোবাইলের ধরন, সরকারি সুবিধা প্রাপ্তির তথ্য, বিকাশ বা নগদ হিসাব, স্ত্রী ও নমিনির তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, খামার, পেশা ও আয়ের উৎস, নার্সারি ও ফলবাগান, বীজের উৎস, বর্গা বা বন্ধকি জমির তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, কৃষিঋণ ও বীমাসহ মোট ২৩টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তথ্য সংগ্রহকারী উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান জানান, প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমানে একটি ব্লকে ১৮টি পয়েন্টে একযোগে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী জানান, সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে কৃষকের তথ্য সংগ্রহের কাজ প্রবর্তিত আছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য ব্লকেও এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ার আলোচিত সেই ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ পি.এম


বগুড়ার আলোচিত সেই ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন

দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা এবং সমালোচনার পর অবশেষে বগুড়ার শিবগঞ্জ ও নবগঠিত মোকামতলা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সমন্বয় সভায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারিত নতুন নামগুলো অনুমোদন করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের চূড়ান্ত অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশের পর নতুন নামগুলো কার্যকর হবে।

রোববার (১৯ জুলাই) সকালে বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় এ বিষয়ে রেজুলেশন পাস করা হয়েছে।

নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিবগঞ্জ উপজেলার মীরবাড়ি ইউনিয়নের নতুন নাম হবে বেতগাড়ী ইউনিয়ন। একইসঙ্গে নবগঠিত মোকামতলা উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে জগন্নাথপুর ইউনিয়ন এবং দিগন্ত ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে রহবল ইউনিয়ন। তবে, স্বর্ণগ্রাম ইউনিয়নের নাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান বলেছেন, সমন্বয় সভায় তিনটি ইউনিয়নের নতুন নাম অনুমোদন করা হয়েছে। এখন বিষয়টি স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর সরকারি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নতুন নাম কার্যকর হবে।

এর আগে, গত ১৪ জুন প্রকাশিত একটি প্রজ্ঞাপনে শিবগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস এবং নবগঠিত মোকামতলা উপজেলার জন্য চারটির নতুন ইউনিয়নের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। সেগুলো ছিল মীরবাড়ি, সীমান্ত, দিগন্ত ও স্বর্ণগ্রাম।

এর মধ্যে মীরবাড়ি নামটি স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ও বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহে আলমের পৈতৃক বাড়ির নাম হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছিল। পাশাপাশি সীমান্ত ও দিগন্ত নাম দুটি তার দুই ছেলে মীর শাকরুল আলম সীমান্ত এবং মীর সাকলাইন আলম দিগন্তের নামের সঙ্গে মিল থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছিল। বিষয়টি জাতীয় পর্যায়েও আলোচনায় আসে। পরে জাতীয় সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করা হলে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম নামগুলোর মিলকে কাকতালীয় বলে দাবি করেন।

বিতর্কের পর প্রশাসন জানিয়েছে, স্থানীয় জনগণের মতামতের ভিত্তিতে নাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে, এ দাবিকে ঘিরেও প্রশ্ন ওঠে। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নতুন করে গণশুনানির আয়োজন করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২৩ জুন মীরবাড়ি, সীমান্ত ও দিগন্ত ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর ২৫ জুন দিগন্ত ইউনিয়নের নতুন নাম চূড়ান্ত করতে দ্বিতীয় দফায় আরেকটি গণশুনানি করা হয়েছিল। সেখান থেকে পাওয়া সুপারিশের ভিত্তিতেই তিন ইউনিয়নের নতুন নাম অনুমোদন করেছে জেলা প্রশাসন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ‘লাল ফিতায়’ বন্দি মেসার্স সওদাগর অটো রাইস মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৬ পি.এম


জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ‘লাল ফিতায়’ বন্দি মেসার্স সওদাগর অটো রাইস মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ

সরকারের কোষাগারে প্রায় ২৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা জমা দেয়ার পরও মাসের পর মাস বিদ্যুৎ সংযোগ না পাওয়ার অভিযোগ ওঠেছে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিরুদ্ধে। ইসলামপুর উপজেলার পাঁচবাড়িয়া গ্রামের মেসার্স সওদাগর অটো রাইস মিল-এর ৮০০ কিলোওয়াট শিল্প সংযোগের কাজ সম্পন্ন হওয়ার জন্য সকল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হলেও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ফাইল অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় কাজটি থমকে রয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির মালিক বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

ভুক্তভোগী শিল্প উদ্যোক্তা জানান, ডিপোজিট ওয়ার্কের আওতায় লাইন নির্মাণের জন্য সমিতির দেওয়া চাহিদা অনুযায়ী দুটি ধাপে ৮ লাখ ৫০ হাজার ৮১৬ টাকা এবং ১০ লাখ ১৯ হাজার ৭৭৪ টাকা, মোট ১৮ লাখ ৭০ হাজার ৫৯০ টাকা জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নিরাপত্তা জামানত হিসেবে ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এতে করে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য মোট ২৮ লাখ ৩০ হাজার ৫৯০ টাকা সরকারের কোষাগারে জমা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জুন ২০২৬ তারিখে ইসলামপুর জোনাল অফিস প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও প্রাক্কলন সম্পন্ন করে প্রকল্পের স্টেকিং শিট জামালপুর সদর দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারিং (ইএনসি) শাখায় পাঠিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী সরকারি টেন্ডারে কাজটি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও ২১ জুন অনুষ্ঠিত টেন্ডারে রহস্যজনকভাবে এ প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত হয়নি। ফলে বর্তমানে কোনো ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি এবং মাঠপর্যায়ে লাইন নির্মাণের কাজও শুরু হয়নি।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তিনি একাধিকবার জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (ইএনসি) শেখ ফরিদ এবং মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. সাহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এ বিষয়ে মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. সাহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, "ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে কাজটি বিলম্বিত হচ্ছে।" অন্যদিকে সহকারী মহাব্যবস্থাপক (ইএনসি) শেখ ফরিদ বলেন, "কাজটির অনুমোদন এখনও সম্পন্ন হয়নি। অনুমোদন হওয়ার পর ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হবে। এর জন্য আরও অন্তত এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।" দুই কর্মকর্তার বক্তব্যে স্পষ্ট অসামঞ্জস্য দেখা দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে জিএম ঠিকাদারের গাফিলতির কথা বলছেন, অন্যদিকে ইএনসি কর্মকর্তা বলছেন, এখনো ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

ভুক্তভোগী শিল্প উদ্যোক্তা বলেন, "বিদ্যুৎ সংযোগের আশায় সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছি। ব্যাংক ঋণ নিয়ে আমি কারখানা নির্মাণ করেছি। কিন্তু সংযোগ না পাওয়ায় আমি উৎপাদন শুরু করতে পারছি না। ঋণের সুদ বাড়ছে, লোকসানের পরিমাণও বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার যোগাযোগ করেও আমি কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাচ্ছি না।" স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর দাবি, শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগে অযৌক্তিক বিলম্ব স্থানীয় শিল্পায়নের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা দ্রুত টেন্ডার সম্পন্ন করে লাইন নির্মাণের কাজ শুরু এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপতথ্য ছড়িয়ে উস্কানি দেয়ায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ফোরামের কার্যক্রম স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ;আবু তালেব

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


অপতথ্য ছড়িয়ে উস্কানি দেয়ায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ফোরামের কার্যক্রম স্থগিত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অপতথ্য ছড়িয়ে নারী শিক্ষার্থী হেনস্তা এবং উস্কানি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য, সাংবাদিক ফোরামের সকল কার্যক্রম স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সাথে ঘটনার সুষ্ঠু ও অধিকতর তদন্তের স্বার্থে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রবিবার (১৯ জুলাই) শিক্ষার্থীদের ২ দফা দাবিতে বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত করা আন্দোলনের মুখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) খন্দকার নাজমুল হাসান সাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই বিষয়টি জানানো হয়।

জানা যায়, গত ১১ জুলাই বহিরাগত কয়েকজন যুবক বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রীর গোপনে ভিডিও ধারণ করে। বিষয়টি টের পেয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের আটক করলে যুবকেরা নিজেদের ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং পরবর্তীতে তদন্ত কেন্দ্র থেকে মুক্তি পায়। তবে উক্ত ক্ষমা চাওয়ার ঘটনার ভিডিওটি ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ফোরামের সদস্য ও কালবেলার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আসাদুল্লাহ আল গালিব। পরবর্তীতে ভিডিওটি ক্লিকবেইট সম্পাদনা করে ভুক্তভোগীর বক্তব্য ছাড়া এবং ঘটনাকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে নিজেদের ফেসবুক পেইজ থেকে প্রকাশ করে।

পরে, ভিডিওটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ও বহিঃস্থ বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং সেখান থেকে নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের এক ছাত্রীর ছবি নিয়ে বিভিন্ন ভুঁইফোড় পেইজ থেকে তাকে হেনস্তা ও সাইবার বুলিং করা হয়। সেসময় ওইসব পোস্টে উস্কানিমূলক কমেন্ট করে সাংবাদিক ফোরামের সেই সদস্য।

এসবের ফলে সেই নারী শিক্ষার্থী চরমভাবে সাইবার বুলিং ও সামাজিক হেয়প্রতিপন্নতার শিকার হন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ে পোস্টটি অপসারণের নির্দেশনা দেওয়া হলেও, সাংবাদিক ফোরামের অসতর্কতা ও অহেতুক বিলম্বের কারণে বিষয়টি আরও গুরুতর আকার ধারণ করে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ (১৯ জুলাই) ২ দফা দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে আন্দোলনে নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল সাংবাদিক ফোরামের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে এবং নারী শিক্ষার্থী হেনস্থার ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। টানা আন্দোলনের মুখে সাংবাদিক ফোরামের কার্যক্রম স্থগিত করে তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রশাসন।

নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী রাফেল আফ্রাদ বলেন, আমাদের বিভাগে ক্যাম্পাসে বাইরে থেকে আসা কিছু ছেলে শিক্ষার্থী গোপনে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে একটি ঘটনার সৃষ্টি হয়। আমরা চেয়েছিলাম তারা যেনো তাদের ভুল বুঝতে পারে। কিন্তু সেই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক ফোরামের সদস্য সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদের ভিডিও ধারণ শুরু করে, তখন ছেলেগুলো সেই সাংবাদিকের পায়ে ধরে এবং আমরা এই ভিডিওগুলো প্রচারে নিষেধ করি। কিন্তু এর পরেও তারা এই ভিডিও কাটপিস করে ভিউ ব্যবসার জন্য ভুলভাবে উপস্থাপন করে তাদের পেজ থেকে প্রচার করে। যার ফলে এলাকাবাসীর সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এই কারণে আমরা এই হলুদ সাংবাদিকের কার্যক্রম নিষিদ্ধ চাই।

উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজেদের পেইজ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে সাংবাদিক ফোরাম। যেখানে তারা সেই ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থীর নামসহ পরিচয় প্রকাশ করে দেয়।

এ বিষয়ে জানতে সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি শাকিল বাবুকে একাধিকবার কল করা হলেও, তিনি রিসিভ করেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্মপরিবেশ উন্নয়নে নতুন যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


কর্মপরিবেশ উন্নয়নে নতুন যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

শ্রমখাতে ব্যাপক সংস্কারের মাধ্যমে শোভন কর্মপরিবেশ, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশ নতুন যাত্রা শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

তিনি রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হুংবোর সঙ্গে বৈঠককালে এই কথা বলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, বাংলাদেশে দুই দিনের সফরের অংশ হিসেবে আইএলও মহাপরিচালক প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে শামা ওবায়েদ শ্রমখাতে ব্যাপক সংস্কারের মাধ্যমে শোভন কর্মপরিবেশ, সামাজিক ন্যায়বিচার ও শ্রমিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন।

তিনি গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী শ্রম সুশাসন জোরদার করা, অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা এবং বাংলাদেশ থেকে নিরাপদ, নিয়মিত ও দক্ষ শ্রম অভিবাসন সহজতর করতে আইএলও’র অব্যাহত সহযোগিতা ও গঠনমূলক অংশীদারিত্ব কামনা করেন।

শামা ওবায়েদ আশা প্রকাশ করেন যে, শ্রমখাতের সংস্কারে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আইএলও গভর্নিং বডির আসন্ন অধিবেশনে যথাযথভাবে স্বীকৃতি পাবে। একই সঙ্গে আইএলও’র সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদের অধীনে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চলমান মামলাটি যত দ্রুত সম্ভব নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে।

কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টা এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন আইএলও মহাপরিচালক। তিনি শ্রমখাতের সংস্কার, শোভন কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক ন্যায়বিচার এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ও প্রচেষ্টায় আইএলও’র অব্যাহত সহযোগিতার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

হুংবো বলেন, দেশের শ্রম পরিস্থিতির উন্নয়নে বাংলাদেশের সাফল্য অন্যান্য দেশের সঙ্গে আইএলও’র কাজের ক্ষেত্রে একটি উদাহরণ হতে পারে।

বাংলাদেশ এবং আইএলও'র মধ্যে অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করতে উভয় পক্ষই তাদের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%