আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
০৪:১১ পি.এম
বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে আনারস রপ্তানির সম্ভাবনা যাচাই করার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের ন্যাশনাল প্ল্যান্ট প্রোটেকশন অর্গানাইজেশন (NPPO)-এর প্রতিনিধি দল মধুপুরে আনারস উৎপাদন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পাকিস্তানের এনপিপিও প্রতিনিধি মো: আকিব মেহেদী। সফরকালে, তারা মধুপুরের আনারস উৎপাদনকারী এলাকা, সেন্ট্রাল প্যাক হাউজ এবং ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেন। এ সময়, তারা বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে আনারস রপ্তানির বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্টদের আশা, খুব শিগগিরই পাকিস্তানে বাংলাদেশি আনারস রপ্তানি শুরু হবে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (রপ্তানি) এ কে এম মফিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপপরিচালক (রপ্তানি) বি এম রকিবুল হাসান, অতিরিক্ত উপপরিচালক (রপ্তানি) সাবির আহমেদ, অতিরিক্ত উপপরিচালক-২ (প্রশাসন ও অর্থ উইং) রকিব আল রানা, পাকিস্তান সরকারের কীটতত্ত্ববিদ আকিব মেহেদী, টাঙ্গাইলের প্ল্যান্ট প্রোটেকশন বিভাগের উপপরিচালক আশেক পারভেজ, টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (হর্টিকালচার) শোয়েব মাহমুদ, মধুপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা তাজরী নূর রাত্রি, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এবিএম খায়রুল ইসলাম, মোহাম্মদ এরশাদ আলী, সুরুজ আলী, রেহানা খাতুন, ফারুক হোসেন, আব্দুর রহিম রাজুসহ কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
এ সফরের অংশ হিসেবে প্রতিনিধি দল স্থানীয় আনারস চাষিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং রপ্তানিযোগ্য আনারসের মাঠ পর্যায়ের উৎপাদন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে কৃষিপণ্য বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিএনপি।
শনিবার বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এই সংসদ সদস্যকে শোকজ করার কারণে আঙ্গিক সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে ফখর উদ্দিন বাচ্চুর বিরুদ্ধে স্থানীয় ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগের সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনে ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ১ লাখ ১০ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম পান ৬৫ হাজার ৫৯১ ভোট। এতে ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ৪৪ হাজার ৬২৩ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিজয়ী হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েল ফিলিস্তিনি বন্দিদের রাখার জন্য একটি কুমিরঘেরা বিশেষ কারাগার নির্মাণের বিতর্কিত পরিকল্পনা নিয়েছে। দেশটির পরিবেশ সুরক্ষা মন্ত্রী ইদিত সিলমান এই সপ্তাহে নীল নদের কুমিরের আইনি অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। এর ফলে জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভিরের কারাগারের নিরাপত্তায় কুমির ব্যবহারের পরিকল্পনার বাস্তবায়নের বিষয়টি সামনে এসেছে। হিব্রু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার নেওয়া এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রচুর বিতর্ক দেখা দিয়েছে। কারণ, ইসরায়েলের প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে কারাগার বা আটক কেন্দ্রের চারপাশে কুমির ব্যবহারের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। চ্যানেল ১৩-এর তথ্য অনুযায়ী, কট্টর-ডানপন্থী নেতা বেন গভির গত ডিসেম্বরে কারা বিভাগের প্রধান কোবি ইয়াকোবির সঙ্গে এক বৈঠকে প্রথম ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বন্দিদের কুমিরঘেরা আটক কেন্দ্রে রাখার প্রস্তাব দেন। তবে ইতামার বেন গভির এই পরিকল্পনার পক্ষে গতিবিধিতে দৃঢ় অবস্থান নিলেও এবং কারা বিভাগের কর্মকর্তারা উত্তর ইসরায়েলের হামাত গাদের কুমির খামার পরিদর্শন করলেও, প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষ এর বিরোধিতা করে এসেছে। কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমান আইন অনুযায়ী কুমির শুধু শিক্ষা ও গবেষণার উদ্দেশ্যে রাখা যেতে পারে। তবে কুমিরকে নতুনভাবে শ্রেণিভুক্ত করার ফলে এগুলোকে চিড়িয়াখানা বা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ছাড়াও অন্য ধরনের স্থাপনাতেও রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ওয়াইনেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা দুই ডানপন্থী মন্ত্রীকে বলছেন, ‘কুমিরদের সুরক্ষা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। আমাদের সুরক্ষার জন্য তাদের ব্যবহার করার কথা আইনের উদ্দেশ্য নয়।’ নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরিবেশমন্ত্রী ইদিত সিলমান নির্দিষ্ট শর্তে কুমিরগুলোকে কিছু আটক কেন্দ্রে রাখার অনুমতি দিতে পারবেন। তবে এ বিষয়ে কুমিরগুলোর দেখভাল ও ব্যবস্থাপনার নিয়ম প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষের পরিচালক নির্ধারণ করবেন। হিব্রু প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেন গভির প্রথমে কুমিরগুলোকে দক্ষিণ ইসরায়েলের কেৎজিওত কারাগারে ছাড়ানোর চেষ্টা করছেন, যেখানে প্রধানত ফিলিস্তিনি বন্দিদের রাখা হয়। কয়েক সপ্তাহ আগে, জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভির ও পরিবেশমন্ত্রী ইদিত সিলমান প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষের প্রধান রায়া সোরাকি এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আইন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তারা কারাগারের নিরাপত্তায় কুমির ব্যবহারের পরিকল্পনার পক্ষে অবস্থান নেন। ওয়াইনেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের আইন উপদেষ্টা সিলমানকে সতর্ক করে জানান, কারাগারে কুমির ব্যবহারের জন্য একতরফাভাবে আইনি ভিত্তি তৈরি করার ক্ষমতা তার নেই। তবে সেই সতর্কতা অগ্রাহ্য করে সিলমান এই বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত জারি করেন। প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ সভা শিগগিরই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে পরিবেশমন্ত্রী ইদিত সিলমানের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হবে। সমালোচকদের অভিযোগ, তিনি এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নিজের মন্ত্রণালয়ের আইন উপদেষ্টার আপত্তি উপেক্ষা করেছেন। এর আগে জানুয়ারিতে কারা বিভাগের কর্মকর্তারা উত্তর ইসরায়েলের হামাত গাদের কুমির খামার পরিদর্শন করেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল কারাগারের নিরাপত্তায় কুমির ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাই করা। চ্যানেল ১৩-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারা বিভাগের কর্মকর্তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন এবং তারা গ্যালিলি সাগরের দক্ষিণে হামাত গাদের এলাকার কাছে কুমিরঘেরা একটি আটক কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেন গভিরের এই পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের একটি বিতর্কিত আটক কেন্দ্র থেকে অনুপ্রাণিত, যা 'অ্যালিগেটর আলকাট্রাজ' নামে পরিচিত এবং সেখানে কুমির-অধ্যুষিত একটি এলাকায় নির্মিত হয়েছিল। সেখানে অভিবাসীদের রাখা হতো, কিন্তু কেন্দ্রটি খারাপ পরিবেশ, মানবাধিকার উদ্বেগ এবং আইনি জটিলতা নিয়ে পরিবেশবাদী ও আদিবাসী গোষ্ঠীগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু মন্তব্য করেছেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম শুধু বাংলাদেশে গর্বের বিষয় নন, বরং তিনি মুসলিম রেনেসাঁর একটি অনন্য রূপকার।
তিনি আরও বলেন, নজরুলের সৃষ্টি, চিন্তা ও সাহিত্যকর্ম উপমহাদেশের মানুষের মধ্যে জাগরণ সৃষ্টি করেছে।
তার লেখা রণসঙ্গীত ‘চল চল চল’ বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বের প্রায় ১১টি দেশে পরিবেশন করা হয়েছে। এর মধ্যে বিখ্যাত দেশগুলো হলো ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান এবং ইরান।
রাজশাহী কেন্দ্রীয় বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানার বিপরীতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে নবনির্মিত ‘নজরুল ভিলেজ’-এর ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা জানান, যা শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্মাণ করা হওয়া ‘নজরুল ভিলেজ’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রাজশাহীতে ‘নজরুল ভিলেজ’ স্থাপনের ফলে নজরুল গবেষণা ও সাংস্কৃতিক চর্চার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে এবং এটি স্থানীয় সংস্কৃতি বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করবে।
ভূমিমন্ত্রী আরও জানান, ‘নজরুল ভিলেজ’-এর কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাজশাহীতে এনে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করানো হবে। এ সময় তিনি জাতীয় কবির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত হয়, যেখানে ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধীসমাজ এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের পরে দোয়া ও মোনাজাত করা হয় এবং ভূমিমন্ত্রী ‘নজরুল ভিলেজ’ চত্বরে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘নজরুল ভিলেজ’ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রথম দিকে বিভিন্ন উৎস থেকে ২৫ লাখ টাকার তহবিল সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘নজরুল মঞ্চ’ নির্মাণে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্প এলাকায় কোনো বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে না এবং এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক চর্চার স্থান হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানে যেকোনো দল বা গোষ্ঠী নজরুলের নাটক, পালাগান, কবিতা ও সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা নিয়ে চর্চা করতে পারবেন।
নজরুল চর্চাকে নিয়মিত ও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিতে ইতোমধ্যে একটি ‘নজরুল ক্যালেন্ডার’ প্রণয়ন করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী সারা বছর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন যুক্ত করা হবে। আগামী মাসের নির্ধারিত অনুষ্ঠানগুলো যাতে এই প্রাঙ্গণে আয়োজন করা যায়, সেই লক্ষ্যে দ্রুত ‘নজরুল মঞ্চ’-এর নির্মাণকাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় কবির সাহিত্য, কবিতা ও গান নতুন প্রজন্মের কাছে আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই ‘নজরুল মঞ্চ’ ও ‘নজরুল কর্নার’ নির্মাণের উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি বলেছেন, যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বাগেরহাটের স্কিল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (স্কিল আইটি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আজ সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বিপরীতে লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশন চত্বরে আয়োজিত স্কিল আইটির নির্মাণ ফলক উন্মোচন ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এ ধরনের আধুনিক আইটি প্রতিষ্ঠান দেশের দক্ষ জনশক্তি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো ও কার্যক্রম দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বক্তব্যে বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষা ও কর্মমুখী দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের জীবনমান উন্নয়ন। দক্ষ, কর্মঠ ও মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তুলতে শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। বেকার শিক্ষিত যুবকদের দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হলে জাতীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, যুবসমাজকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে উৎপাদনশীল কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে। আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষা, উদ্ভাবন ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তারা দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে। তিনি মরহুম আব্দুল লতিফ মাস্টারের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তিনি এ অঞ্চলের শিক্ষার প্রসারে একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক ও আলোকবর্তিকা ছিলেন।
এছাড়াও বৃত্তি প্রদান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বাগেরহাটের সার্বিক উন্নয়নে পাশে থেকে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সাবেক সচিব ড. মো. ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিপিএ মো. রফিকুল ইসলাম (জগলু), বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আয়শা সিদ্দিকা মানি, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, সদস্য সচিব মোজাফফর রহমান আলম, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ ইখতিয়ার উদ্দিন এবং অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম।
লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিপিএ মো. রফিকুল ইসলাম (জগলু) জানান, স্কিল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে প্রাথমিকভাবে নয়টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে আইটি, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কোরিয়ান ও জাপানি ভাষা শিক্ষা, সেলাই, ড্রাইভিংসহ বিভিন্ন কর্মমুখী প্রশিক্ষণ। প্রতিটি ট্রেডে ৯০ জন প্রশিক্ষণার্থী তিন ও ছয় মাস মেয়াদি কোর্সে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। প্রশিক্ষণকালীন ভাতা, সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সনদ এবং ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জনের মাধ্যমে তারা দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ লাভ করবেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি বাগেরহাটবাসীর মাঝে দুই হাজার ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ করেন। পরে তিনি বাগেরহাট আইনজীবী সমিতি ও জেলায় কর্মরত আইনজীবীদের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ