০৩:৫৪ পি.এম
চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর নতুন ফি আরোপ করা হবে। তবে, চীন এবং অন্যান্য ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ দেশগুলো এই ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা পাবে।
সংঘাত বন্ধ করার জন্য ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গত মাসে স্বাক্ষরিত একটি প্রাথমিক চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ৬০ দিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলপথটির মাধ্যমে বিনামূল্যে চলাচল করতে পারবে। কিন্তু ওই সময়ের পর কী নীতি কার্যকর হবে, তা পরিষ্কার ছিল না।
স্থায়ী সমাধানের জন্য আলোচনা চলমান হলেও, যুক্তরাষ্ট্র বলেছে যে, কোনো চূড়ান্ত চুক্তির অধীনে প্রণালীটি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর টোল বা মাশুল আরোপের অনুমতি ইরানকে দেয়া হবে না।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
এদিকে, শনিবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি ফোরামে রাষ্ট্রদূত আবদোলরেজা রহমানি ফজলি একটি ভাষণে বলেছেন, প্রণালীটির জন্য নতুন ব্যবস্থা নিয়ে ইরান ওমানের সঙ্গে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করছে।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু হরমুজ আমাদের আঞ্চলিক জলসীমার অংশ, তাই আমরা অবশ্যই পরিষেবা ফি ধার্য করব।’ ফজলি এটাকেও উল্লেখ করেন যে, এই ফি কোনো টোল হবে না।
অন্যদিকে, ইরানের নুরনিউজ সংস্থাও রাষ্ট্রদূতের উদ্ধৃত করে বলেছে যে, এই জলপথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য পরিষেবা ফি-এর পরিমাণ ও ধরন নির্ধারণের ক্ষেত্রে চীন এবং অন্যান্য মিত্র দেশগুলোর জন্য বিশেষ বিবেচনা করা হবে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়ে পাঠানো হতো। ফেব্রুয়ারির শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় ইরান প্রায় এটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়, ফলে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
এপ্রিলে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ করার লক্ষ্যে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরগুলোর ওপর একটি পাল্টা নৌ অবরোধ আরোপ করে।
সূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন