মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৯ পি.এম
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকার শ্যামপুরের ডিআইটি প্লট এলাকায় আফরা খানকে (১৬) আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় তার স্বামী রাহাত হোসেনের (২২) দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ২১ আগস্ট শ্যামপুরের ডিআইটি প্লটের নিজ বাসা থেকে রাহাতকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
আদালত আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৮ মে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন রাহাত ও আফরা। বিয়ের পর থেকেই রাহাত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করত। এর প্রতিবাদ করলে আফরাকে মারধর করা হতো। আফরাকে ভয়ভীতি, হুমকি ও মানসিক নির্যাতনসহ অপমান করে হয়রানি ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করা হতো।
গত ২০ আগস্ট আফরার শাশুড়ি সোনিয়া আক্তার ভুক্তভোগীর মাকে ফোন করে জানায়, আফরা অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেছে। তাকে সূত্রাপুরের একটি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান লিটন ব্যাপারী ও সাইফ। আফরার মা হাসপাতালে যান। সেখানে গিয়ে মেয়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। সেখান থেকে আফরাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় গত ২০ আগস্ট শ্যামপুর থানায় রাহাতসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার মা লাকী আক্তার।
অপর তিন আসামি হলেন— রাহাতের মা সোনিয়া আক্তার, বাবা লিটন ব্যাপারী ও বড় ভাই সাইফ হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০২৫ সালের নিয়োগে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত নতুন সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন নির্বিঘ্ন করতে দেশের সব পর্যায়ে সহকারী শিক্ষক বদলি কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার প্রস্তাব করে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা চেয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারির জন্য রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীর স্বাক্ষরিত একটি চিঠি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর মধ্যে থেকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের আগামী ১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদানের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরপর ৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের মধ্যে তাদের পদায়ন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫-এর ৭(১)(ক) অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক নিয়োগ উপজেলা ও থানাভিত্তিক হবে। ফলে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত নতুন শিক্ষকদের সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানায় নির্ধারিত শূন্য পদে পদায়ন করতে হবে।
তবে বর্তমানে শিক্ষক বদলি কার্যক্রম চলমান থাকায় কিছু উপজেলা ও থানায় নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পদায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক পদ শূন্য নেই। এ অবস্থায় নতুন শিক্ষকদের পদায়নের আগে বদলি কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে বিভিন্ন উপজেলা ও থানায় পদায়ন নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছে অধিদপ্তর।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক বদলি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ কারণে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পদায়নের সঙ্গে বদলি কার্যক্রমের সমন্বয় করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে নতুন শিক্ষকদের পদায়ন নিশ্চিত করতে সাময়িকভাবে সব পর্যায়ের সহকারী শিক্ষক বদলি কার্যক্রম স্থগিত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
অধিদপ্তরের প্রস্তাব অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর পর থেকে ৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত গঠিত কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত সব পর্যায়ের সহকারী শিক্ষক বদলি কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। অর্থাৎ নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পদায়ন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষক বদলি কার্যক্রম বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর মনে করছে, নির্ধারিত সময়ে নতুন শিক্ষকদের পদায়ন সম্পন্ন করতে হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও থানায় প্রয়োজনীয় শূন্য পদ সংরক্ষণ করা জরুরি। বদলি কার্যক্রম চলতে থাকলে কোনো কোনো এলাকায় পদ শূন্য না থাকায় নতুন শিক্ষকদের পদায়ন আটকে যেতে পারে কিংবা নির্ধারিত পদায়ন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এ কারণে ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত সহকারী শিক্ষক বদলি স্থগিত রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারির জন্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে অধিদপ্তর।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা জারির পর কার্যকর হবে। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে প্রায় এক মাসের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলি কার্যক্রমে সাময়িক বিরতি পড়বে।
এ সময়ে মূল অগ্রাধিকার থাকবে ২০২৫ সালের নিয়োগে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত নতুন সহকারী শিক্ষকদের নির্ধারিত সময়ে যোগদান ও পদায়ন সম্পন্ন করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিঙ্গাপুর সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওংয়ের বেতনও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
বর্তমানে তিনি বিশ্বের সর্বোচ্চ বেতনভোগী রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচিত। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওংয়ের বার্ষিক বেতন প্যাকেজ ১.৪ মিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার (প্রায় ১.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৮ লাখ ১৮ হাজার পাউন্ড) বাড়বে।
বেতন বৃদ্ধির ফলে তিনি যে অতিরিক্ত অর্থ পাবেন, তা আগামী পাঁচ বছর দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ওং জানিয়েছেন, দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের রাজনীতিতে আকৃষ্ট করার জন্য মন্ত্রীদের বেতন বৃদ্ধি অপরিহার্য।
সিঙ্গাপুর সরকার পূর্বে যুক্তি দিয়েছে যে, মন্ত্রীদের তুলনামূলকভাবে বেশি বেতন দুর্নীতি কমাতে সাহায্য করে।
তবে সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সিঙ্গাপুরে সমালোচনা শুরু হয়েছে। দেশটিতে চাকরির নিরাপত্তা এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে মানুষের উদ্বেগের মধ্যে মন্ত্রীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, বেতন বাড়ানোর আগেই লরেন্স ওং বিশ্বের সর্বোচ্চ বেতনভোগী রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।
বর্তমানে তিনি বছরে ২.২ মিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার পান। নতুন কাঠামো কার্যকর হলে তার বার্ষিক বেতন ৬০ শতাংশের বেশি বেড়ে ৩.৬ মিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার (প্রায় ২.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) হবে।
বেতন পাওয়ার দিক থেকে ওংয়ের পরেই রয়েছেন হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী জন লি, যিনি বছরে প্রায় সাত লাখ ১৯ হাজার মার্কিন ডলার পান। এরপর সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন রয়েছেন, যার বার্ষিক বেতন প্রায় ছয় লাখ ছয় হাজার ডলার।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বছরে ৪ লাখ মার্কিন ডলার বেতন পান। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের বার্ষিক বেতন প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার ডলার।
মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং স্বীকার করেছেন যে, মন্ত্রীদের বেতন নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। কারণ তাদের বেতন দেশের অধিকাংশ নাগরিকের আয়ের তুলনায় অনেক বেশি। বর্তমানে সিঙ্গাপুরের মানুষের মধ্যম মাসিক আয় পাঁচ হাজার ৭৭৫ সিঙ্গাপুর ডলার। তবে ওং বলেন, ব্যবসায়ী নেতা ও শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের রাজনীতিতে যোগ দিতে আগ্রহী করানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিশেষ করে ভালো বেতনের পেশা ছেড়ে রাজনীতিতে আসার ক্ষেত্রে আর্থিক বিষয়টি একটি বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘সরকার এসব ব্যক্তির আগের আয়ের সমান বেতন দিতে পারবে না। তবে তাদের বর্তমান পেশা ছেড়ে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পথে অপ্রয়োজনীয় আর্থিক বাধা তৈরি করতে চায় না সরকার।’ ওং আরো বলেন, এই বেতন কাঠামো তাকে এবং ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রীদের যোগ্য সিঙ্গাপুরবাসীদের রাজনীতিতে আসতে উৎসাহিত করতে এবং দেশের জন্য শক্তিশালী নেতৃত্বের দল গড়তে সহায়তা করবে।
বর্তমানে সিঙ্গাপুরের একজন মন্ত্রীর মূল বার্ষিক বেতন প্রায় ১.১ মিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার। নতুন কাঠামো অনুযায়ী তা বেড়ে প্রায় ১.২ মিলিয়ন ডলার হবে। তবে ওং আশা করছেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বেশিরভাগ মন্ত্রী প্রায় ১.৩৫ মিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার পর্যন্ত বার্ষিক বেতন পেতে পারেন। কর্মক্ষমতার ভিত্তিতে তাদের বেতনের একটি অংশ বাড়ানো হবে।
মন্ত্রীদের বেতনের একটি অংশ দেশের অর্থনৈতিক ও কর্মসংস্থানের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। বেকারত্বের হার, মানুষের আয় বৃদ্ধি এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধির মতো নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছে কি না, তার ভিত্তিতে এই অতিরিক্ত বেতন নির্ধারণ করা হবে।
সিঙ্গাপুরের মন্ত্রীদের উচ্চ বেতন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে। দেশটির ক্ষমতাসীন দল পিপলস অ্যাকশন পার্টি (পিএপি) স্বাধীনতার পর থেকেই সরকার পরিচালনা করে আসছে। দলটির বিরুদ্ধে সমালোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় হলো মন্ত্রীদের তুলনামূলকভাবে অত্যন্ত উচ্চ বেতন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে ডেভিড ইমনের সাত সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৭ আগস্ট) রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন কামরুল হাসান ওরফে সাগর, মো. তরিকুল ইসলাম ওরফে রোহিত, রিকু, আহমদুল্লাহ ওরফে মাসুম মেম্বার, আহমদ রেজা শাকিল, নুরুল আলম ও মো. মানিক।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
পুলিশ সুপার জানান, ভুক্তভোগী চিকিৎসক এম ওয়াই এফ পারভেজ হাটহাজারী উপজেলার চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের আমান বাজারে অবস্থিত একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চেম্বার পরিচালনা করেন।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদ এবং তার সহযোগী মো. রায়হানের পরিচয়ে চিকিৎসকের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। ১০ লাখ টাকা না পেয়ে অভিযুক্তরা চাঁদার পরিমাণ ২০ লাখ টাকা দাবি করে এবং চিকিৎসককে গুলি করে হত্যার হুমকি দেয়। এই ঘটনার পর গত ৩ সেপ্টেম্বর হাটহাজারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তিনি।
এসপি মাসুদ আলম বলেন, ‘সেই ডায়েরির সূত্র ধরে চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গতকাল রাতে সাতজনকে আমরা আটক করেছি।
আটককৃতরা কারাগারে থাকা সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনের সহযোগী। উল্লেখ্য, ডেভিড ইমন বিদেশে পলাতক বড় সাজ্জাদের সহযোগী।
সাধারণ ডায়েরি থেকে জানা যায়, গত ২ সেপ্টেম্বর রাত ১০টা ৫৪ মিনিটে একটি বিদেশি নম্বর থেকে চিকিৎসককে ফোন করা হয়। অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তি নিজেকে বড় সাজ্জাদ পরিচয় দিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১০ লাখ টাকা প্রস্তুত রাখতে বলেন। অন্যথায় চেম্বারে এসে তাকে হত্যার হুমকি দেন।
পরবর্তীতে বড় সাজ্জাদের সহযোগী মো. রায়হান পরিচয়ে চিকিৎসক পারভেজকে হুমকি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে লিখিত ও অডিও বার্তা পাঠানো হয়।
বার্তায় হুমকি দিয়ে বলা হয়, ‘টাকা না পাঠালে অনেক বড় বিপদ হয়ে যাবে। তোমার পেছনে আমাদের লোক লাগানো আছে। তোমার গাড়ির নম্বরও আছে। ১০০ জন পুলিশ থাকলেও তোমাকে গুলি করে মেরে ফেলব। রোগী সেজে তোমাকে মেরে ফেলা হবে, চেম্বারে গিয়ে।’
নির্ধারিত সময়ে চাঁদা না দেওয়ার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্তরা চাঁদার অঙ্ক দ্বিগুণ করে আবারও হুমকি দেয়। শেষ হুমকিতে বলা হয়, ‘আমি রায়হানকে, তুমি চেনো না। বেয়াদবি করতেছ। ১০ লাখ টাকার বদলে ২০ লাখ টাকা দিতে হবে।’
বিভিন্ন সময়ে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একে-৪৭, এসমএমজি সহ ভারী অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে এসপি মাসুদ বলেন, ‘গ্রেপ্তারদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আমরা এখন পর্যন্ত সব দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। ভারী অস্ত্র নিয়ে তাদের যে তথ্য রয়েছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত বছর পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। প্রতিশোধ নিতে ভারতে এসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় পিসিবিও। দুই দেশের মধ্যে চলমান সম্পর্কের এই টানাপড়োনের মাঝে একটি বড় সুখবর এসেছে।
আসন্ন সাফ গেমসে অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তানে দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। সম্প্রতি পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজে এমন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ভারত আসন্ন ২০২৭ সালের সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন গেমসে অংশগ্রহণের সম্মতি দিয়েছে। এর ফলে দীর্ঘ ২৩ বছর পর পাকিস্তানে এই আঞ্চলিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাটি আবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
পাকিস্তান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (পিওএ) সাধারণ সম্পাদক খালিদ মেহমুদ জানান, ভারত নীতিগতভাবে অংশগ্রহণের সম্মতি প্রদান করেছে এবং তাদের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের বিস্তারিত তথ্য ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে প্রদান করবে।
সাফ গেমস আগামী বছর ৪ এপ্রিল থেকে শুরু হবে এবং ১১ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। এই প্রতিযোগিতাটি পাকিস্তানের তিনটি শহরে অনুষ্ঠিত হবে এবং মোট ২৮টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা হবে। এই আসরে অংশগ্রহণের সম্মতি জানিয়েছে ভারত।
পাকিস্তান সর্বশেষ ২০০৪ সালে ইসলামাবাদে নবম এসএফ গেমসের আয়োজন করেছিল। দীর্ঘ দুই দশক পর এই প্রতিযোগিতার সফল ও নিরাপদ আয়োজনের জন্য দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার নিরাপত্তা ও প্রস্তুতির ব্যবস্থা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ