বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:১৮ পি.এম
রাঙামাটির পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব জানিয়েছেন, উজোবাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মধ্যে দুই ঘণ্টা গুলি বিনিময়ের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে রাঙামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার উল্লেখ করেছেন, ‘সাজেকের পর্যটকেরা যখন উজোবাজার এলাকায় পৌঁছান, তখন সড়ক অবরোধকারীরা তাদের বাধা দেয়। সড়ক ছেড়ে দিতে বলার পর তারা প্রথমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আট সদস্য আহত হন। এরপর সন্ত্রাসীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর গুলি চালাতে শুরু করে।’
তিনি আরও জানান, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সশস্ত্র ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় দুই ঘণ্টা থেমে থেমে গোলাগুলি চলে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। ওই এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
পুলিশ সুপার বলেন, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, ‘সাজেক থেকে ফিরে আসা পর্যটকেরা নিরাপদে খাগড়াছড়ি পৌঁছেছেন। পুরো ঘটনার তদন্ত শেষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আঞ্চলিক দুই রাজনৈতিক সংগঠনের বিরোধের কারণে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আজ থেকে রাঙামাটির সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ চলছে। সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন এই অবরোধের ডাক দিয়েছে। এর ফলে সাজেকে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
সড়ক অবরোধের খবর পাওয়ার পর প্রশাসন সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে। এরপর আজ সকাল ৮টার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় প্রায় তিন হাজার পর্যটক খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন। তবে পর্যটকবাহী গাড়িগুলো বেলা ১১টার দিকে উজোবাজার এলাকায় পৌঁছালে অবরোধকারীদের বাধার সম্মুখীন হয়।
পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যারিকেড সরিয়ে পর্যটকদের খাগড়াছড়ির দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় সশস্ত্র ব্যক্তিদের সঙ্গে গোলাগুলি শুরু হয়। তবে সাজেক থেকে ফেরার পর পর্যটকেরা নিরাপদে খাগড়াছড়ি পৌঁছান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও ধর্মচর্চার সঙ্গে শাবানা আজমির সম্পর্ক খুব বেশি ঘনিষ্ঠ নয়। বর্ষীয়ান বলিউড অভিনেত্রী শাবানা আজমি তার স্বামী গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের সঙ্গে ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মতবিরোধের কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছেন।
সম্প্রতি আইআইএমইউএন-এর ইউটিউব চ্যানেলে অনুষ্ঠিত এক আলাপচারিতায় শাবানা উল্লেখ করেন, তার বাবা, প্রখ্যাত কবি ও গীতিকার কাইফি আজমি ছিলেন নাস্তিক। তার মা শওকত কাইফি ধর্ম পালন করতেন, তবে এ বিষয়ে তিনি খুব কঠোর ছিলেন না। এই পারিবারিক পরিবেশ শাবানার ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে বিশেষ প্রভাব ফেলেছে।
শাবানা আরও বলেন, তিনি দৈনন্দিন কথাবার্তায় ‘মাশাআল্লাহ’ এবং ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দগুলো ব্যবহার করেন। কিন্তু এই শব্দগুলো ব্যবহার নিয়ে তার স্বামী জাভেদ আখতার প্রায়ই প্রশ্ন তোলেন। জাভেদের যুক্তি হলো, ব্যক্তির নিজের সিদ্ধান্তে নেয়া কাজের ক্ষেত্রে ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ বলাটা অপ্রাসঙ্গিক।
শাবানার স্বামীও নাস্তিকতায় বিশ্বাসী। গীতিকার জাভেদ আখতার মনে করেন, সমাজে ধর্মের চেয়ে মানব ধর্মই অধিক গুরুত্বপূর্ণ। তবে শাবানার দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে তার স্বামীর কিছু অমিল রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে শাবানা বলেন,
শাবানা বলেন, এসব শব্দ ভাষা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ। তিনি মনে করেন, যদি কেউ ধর্ম পালন করে মানসিক শান্তি পায়, তবে তাকে সেই স্বাধীনতা দেয়া উচিত। অকারণে কারও বিশ্বাসে আঘাত করার প্রয়োজন নেই।
নিজের পরিচয় স্পষ্ট করে শাবানা জানান, তিনি মুসলিম। ঈদ, উর্দু ভাষা এবং মুসলিম খাবারের প্রতি তার ভালো লাগা রয়েছে। তবে তিনি নামাজ পড়েন না এবং ধর্মচর্চার সঙ্গেও তার সম্পর্ক খুব বেশি ঘনিষ্ঠ নয়।
ধর্ম ও ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রসঙ্গে শাবানা বলেন, ধর্ম ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়। ধর্মীয় বিষয়ে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ কাম্য নয় এবং অন্যের বিশ্বাসে অকারণে আঘাত করা অনুচিত।
শাবানা আজমির ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিস্বাধীনতা নিয়ে এ বক্তব্য বর্তমানে নেটদুনিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মদিনার মসজিদে নববীতে ইতিকাফের জন্য অস্থায়ী তাঁবুর পরিবর্তে স্থায়ী ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সংবাদমাধ্যম দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন জানাচ্ছে যে, এখন থেকে ইতিকাফকারীদের জন্য তাঁবু স্থাপনের পরিবর্তে স্থায়ী কক্ষের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, মসজিদে নববীর নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিকেরা জানিয়েছেন যে, ইতিকাফের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সেখানে নতুন অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। স্থায়ী ব্যবস্থা চালু হলে প্রতিবছর ইতিকাফের জন্য তাঁবু স্থাপন ও সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
মসজিদে নববীর একটি অংশ ঘিরে নির্মাণকাজের জন্য সাদা রঙের নিরাপত্তাবেষ্টনী দেওয়া হয়েছে। সেখানে কাজ চলার বিষয়টি উল্লেখ করে সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্মাণ এলাকায় উঁচু ক্রেন এবং শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র স্থাপনের কাজও দেখা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মসজিদে নববীতে ইতিকাফের প্রচলিত পদ্ধতি পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট শ্রমিকেরা।
তবে স্থায়ী কক্ষের চূড়ান্ত নকশা, ধারণক্ষমতা এবং ব্যবস্থাটি কবে থেকে পুরোপুরি চালু হবে, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হয়নি। সূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জ, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : পাকুন্দিয়া উপজেলার ২০২৫ সালের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোনালী স্বপ্ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার সকালে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মো. জালাল উদ্দিন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, সন্তানের অন্যায় আবদার পূরণ করতে গিয়ে অভিভাবকেরা তাদের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন কিনে দিচ্ছেন। কিন্তু মোবাইল কিনে দেওয়ার মাধ্যমে কী তারা সন্তানকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছেন না? তিনি একইভাবে পঞ্চম বা ষষ্ঠ শ্রেণিতে উঠলেই সন্তানকে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার প্রবণতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, মোটরসাইকেল পাওয়ার পর কিশোরদের বন্ধুমহল বড় হয়। একপর্যায়ে মাদকসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ভিপি তৌফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আহমেদ ফারুক খোকন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান খান সুমন ও উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাহীন আলম জনি।
অনুষ্ঠানে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ২৭০ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
সভা শেষে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ৩১ অক্টোবরের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের সফল বাস্তবায়ন, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সার্বিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে গোপালগঞ্জ জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাস্তবায়ন কমিটির নেতারা।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে পুলিশ প্রশাসনের প্রতিনিধিদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও লংমার্চ শৃঙ্খলা বিভাগের প্রধান মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. মো. ফখরুদ্দিন মানিক, গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার হাবিবুল্লাহ, সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির, জামায়াতের ফরিদপুর জেলা আমির মাওলানা বদর উদ্দিন, গোপালগঞ্জ জেলা সাবেক আমির অ্যাডভোকেট আজমল হোসাইন এবং বর্তমান আমির মাওলানা রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে লংমার্চের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক সহযোগিতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
একই সময়ে লংমার্চের সার্বিক সহযোগিতা ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম তারেক সুলতানের সঙ্গে নেতারা বৈঠক করেন।
এ সময় জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি, নড়াইল জেলা আমির আতাউর রহমান বাচ্চু এমপিসহ লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির অন্যান্য নেতাগণও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে লংমার্চের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রশাসন ও বাস্তবায়ন কমিটির মধ্যে সমন্বয় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ