এস এম সাহান,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:২২ পি.এম
ফরিদপুরের মমিন খাঁর হাট এলাকা থেকে বিশিষ্ট ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী ইউসুফ ফকিরকে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদে এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে চরাঞ্চলবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধনের একটি আয়োজন করা হয়।
এতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ছিলেন যারা খুনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং দাবি জানান দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার।
মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদান করেন প্রফেসর আবদুত তাওয়াব, এবি সিদ্দিকী মিতুল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সেলিম, প্রিন্স আলী, মৃধা প্রিন্স আলী, নিহত ইউসুফ ফকিরের ভাই মোহাম্মদ নাজমুল বেপারী, স্ত্রী বেদানা বেগম এবং ছেলে শাহাদাত হোসেন।
বক্তারা নিশ্চিত করেন, ইউসুফ ফকির হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা এবং তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তারা একই সাথে এই হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রবণতা কমে যাবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পাবে বলেও মন্তব্য করেন।
মানববন্ধন শেষ হওয়ার পর অংশগ্রহণকারীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। পরে তারা ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে ইউসুফ ফকির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান হয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি জানিয়েছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে নিতে কাজ চলছে এবং সরকারে এটি প্রতি পদে বদ্ধপরিকর রয়েছে।
বৃহস্পতিবার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তবে সেই সঙ্গে আমাদের সামর্থ্যও রয়েছে। বাংলাদেশে নিরাপদ বিদেশি বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। ট্যাক্স ও ভ্যাট প্রক্রিয়া সহজ করে বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করার দিকে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি। বাংলাদেশ টেকসই ও স্থায়ী বিদেশী বিনিয়োগ চায় এবং আমরা এক হয়ে কাজ করতে চাই।’
এই সময় তিনি যোগ করেন, ‘বর্তমান সরকার অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে কাজ করে যাচ্ছে। আর দেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর রয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ভ্যাট এবং ট্যাক্স প্রক্রিয়া সহজীকরণ, সরকারি সেবা ডিজিটালাইজেশনসহ বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় সরকার জোর দিচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে আগামী ২৭ জুলাই, এই তথ্যটি জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের সাথে এক আলাপচারিতার সময় তিনি এ কথা বলেন।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ৯ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬’ উপলক্ষে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সকল প্রতিষ্ঠানে ছাত্র এবং ছাত্রীদের ফুটবল দল গঠন ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিটি জানায়, আগামী ৯ আগস্ট চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন করা হবে। সারাদেশে একই তারিখ ও সময়ে একযোগে এই টুর্নামেন্ট শুরু হবে। এ প্রতিযোগিতায় দেশের নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে অনুযায়ী, এ উপলক্ষে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে যোগ্যতার ভিত্তিতে একটি ছাত্র এবং একটি ছাত্রী ফুটবল দল গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গঠিত দলের প্রশিক্ষণের জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষক অথবা প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত অনুশীলনের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার আগ্রহ বৃদ্ধি ও দক্ষ খেলোয়াড় নির্বাচনের লক্ষ্যে শ্রেণিভিত্তিক আন্তঃশ্রেণি ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে। প্রতিযোগিতাটি সফল বাস্তবায়নে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, স্থানীয় ক্রীড়ানুরাগী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং শিক্ষানুরাগীদের সম্পৃক্ত করার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের অনুরোধ জানিয়েছে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ছানিজনিত অন্ধত্ব (ক্যাটারাক্ট ব্লাইন্ডনেস) নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
তিনি জানান, সরকারি, বেসরকারি ও এনজিও- এই তিন খাতের সমন্বিত উদ্যোগে একটি জাতীয় রোডম্যাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। একই সঙ্গে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে হাইটেক চক্ষু চিকিৎসাসেবা দেশের প্রান্তিক ও গরিব মানুষের কাছে নাগরিক অধিকার হিসেবে পৌঁছে দিতে হবে।
আজ সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে উন্নত চক্ষুসেবা: দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা হ্রাস এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধে কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. এম এ মুহিত বলেন, বাংলাদেশে সরকারি খাত, বেসরকারি উদ্যোগ এবং এনজিও- এই তিন সেক্টরেই চোখে পড়ার মতো ও প্রশংসনীয় কাজ হচ্ছে। তবে আমাদের একটি সমন্বিত ও কমন রিপোর্টিং সিস্টেম নেই, তাই আমরা একটি জাতীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছি। এই খাতটি এক দিনে পরিবর্তন হবে না, তাই আমরা পাঁচ বছর মেয়াদি পার্সপেক্টিভ প্ল্যান নিয়ে এগোচ্ছি।
তিনি জানান, প্রথম বছরেই জেলা হাসপাতালগুলোতে বিদ্যমান আই কেয়ার সুবিধা ও প্ল্যানিং পুনর্মূল্যায়ন করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে আরো নতুন জনবল নিয়োগ এবং জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির জোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সব বয়সের মানুষের কাছে চক্ষুসেবা পৌঁছানোর জন্য বিশেষ দিকনির্দেশনা প্রদান করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্কুলে যাওয়া ছোট ছোট শিশুদের চোখের সমস্যা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় চশমা সরবরাহের জন্য সমন্বিত ক্যাম্পেইন ও প্রোগ্রাম চালানো হবে। প্রতিটি কলকারখানা, অফিস ও প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবী মানুষের চোখের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া হবে এবং চশমা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি বলেন, বয়স্ক মানুষদের ছানি দূর করতে সারা দেশে ক্যাটারাক্ট সার্জারি প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হবে। প্রতি বছর কয়েক লাখ সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে দেশকে ছানিজনিত অন্ধত্বমুক্ত করা সম্ভব বলেও জানান এম এ মুহিত।
তিনি আরও বলেন, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির মতো উদীয়মান চক্ষু সমস্যা চিকিৎসায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে মাঠপর্যায়ে সেবা দেওয়া আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে গেছে। আমরা চাই, হাইটেক আই কেয়ার শুধু শহরের ধনীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাক।
আই কেয়ার খাতের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দক্ষ জনবলের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট এবং ট্রেনিং ক্যাডারের ওপর সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে। দেশে বর্তমানে এনজিও এবং প্রাইভেট খাতের অনেক ভালো ট্রেনিং ইনস্টিটিউশন রয়েছে। আমাদের সরকারি-বেসরকারি সকল ইনস্টিটিউশনের সংখ্যা এবং মান বাড়িয়ে চিকিৎসকদের দক্ষতা অর্জনের পথ সহজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. সৈয়দ মেহবুব উল কাদির। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এআরকে ফাউন্ডেশন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ