বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৩৩ পি.এম
সরকার আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ছানিজনিত অন্ধত্ব (ক্যাটারাক্ট ব্লাইন্ডনেস) নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
তিনি জানান, সরকারি, বেসরকারি ও এনজিও- এই তিন খাতের সমন্বিত উদ্যোগে একটি জাতীয় রোডম্যাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। একই সঙ্গে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে হাইটেক চক্ষু চিকিৎসাসেবা দেশের প্রান্তিক ও গরিব মানুষের কাছে নাগরিক অধিকার হিসেবে পৌঁছে দিতে হবে।
আজ সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে উন্নত চক্ষুসেবা: দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা হ্রাস এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধে কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. এম এ মুহিত বলেন, বাংলাদেশে সরকারি খাত, বেসরকারি উদ্যোগ এবং এনজিও- এই তিন সেক্টরেই চোখে পড়ার মতো ও প্রশংসনীয় কাজ হচ্ছে। তবে আমাদের একটি সমন্বিত ও কমন রিপোর্টিং সিস্টেম নেই, তাই আমরা একটি জাতীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছি। এই খাতটি এক দিনে পরিবর্তন হবে না, তাই আমরা পাঁচ বছর মেয়াদি পার্সপেক্টিভ প্ল্যান নিয়ে এগোচ্ছি।
তিনি জানান, প্রথম বছরেই জেলা হাসপাতালগুলোতে বিদ্যমান আই কেয়ার সুবিধা ও প্ল্যানিং পুনর্মূল্যায়ন করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে আরো নতুন জনবল নিয়োগ এবং জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির জোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সব বয়সের মানুষের কাছে চক্ষুসেবা পৌঁছানোর জন্য বিশেষ দিকনির্দেশনা প্রদান করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্কুলে যাওয়া ছোট ছোট শিশুদের চোখের সমস্যা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় চশমা সরবরাহের জন্য সমন্বিত ক্যাম্পেইন ও প্রোগ্রাম চালানো হবে। প্রতিটি কলকারখানা, অফিস ও প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবী মানুষের চোখের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া হবে এবং চশমা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি বলেন, বয়স্ক মানুষদের ছানি দূর করতে সারা দেশে ক্যাটারাক্ট সার্জারি প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হবে। প্রতি বছর কয়েক লাখ সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে দেশকে ছানিজনিত অন্ধত্বমুক্ত করা সম্ভব বলেও জানান এম এ মুহিত।
তিনি আরও বলেন, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির মতো উদীয়মান চক্ষু সমস্যা চিকিৎসায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে মাঠপর্যায়ে সেবা দেওয়া আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে গেছে। আমরা চাই, হাইটেক আই কেয়ার শুধু শহরের ধনীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাক।
আই কেয়ার খাতের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দক্ষ জনবলের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট এবং ট্রেনিং ক্যাডারের ওপর সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে। দেশে বর্তমানে এনজিও এবং প্রাইভেট খাতের অনেক ভালো ট্রেনিং ইনস্টিটিউশন রয়েছে। আমাদের সরকারি-বেসরকারি সকল ইনস্টিটিউশনের সংখ্যা এবং মান বাড়িয়ে চিকিৎসকদের দক্ষতা অর্জনের পথ সহজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. সৈয়দ মেহবুব উল কাদির। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এআরকে ফাউন্ডেশন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরেন ইনভেস্টর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই বা ফিকি) আয়োজিত ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি ‘ফিকি এফডিআই কনফারেন্স-২০২৬: ড্রাইভিং ফরেন ইনভেস্টমেন্ট ফর জবস অ্যান্ড প্রসপারিটি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে এই এক্সপো পরিদর্শন করেন।
ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
আজ সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও এক্সপো শুরু হয়। এই আয়োজনের লক্ষ্য হল বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ও সমৃদ্ধির জন্য বিদেশি বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করা।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে উত্তরণের পরবর্তী ধাপে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি দেশটি আরও বেশি বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এই প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে কার্যকর সংলাপ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও ইনভেস্টরস এক্সপো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন এফআইসিসিআই বা ফিকির সভাপতি ও বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রুপালী হক চৌধুরী, বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ বিদেশী বিনিয়োগকারীগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র বুধবার সৌদি আরবের সঙ্গে একটি যুগান্তকারী চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে।
এর মাধ্যমে উপসাগরীয় দেশটিতে একটি বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হবে।
তবে ওয়াশিংটন বলছে, চুক্তিতে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ থেকেই মূলত এ যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। বর্তমানে স্থগিত হয়ে থাকা শান্তি আলোচনাতেও বিষয়টি অন্যতম প্রধান বিরোধের কারণ।
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এবং সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুলআজিজ বিন সালমান দুটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এর একটি ‘শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা’ এবং অন্যটি ‘দ্বিপক্ষীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা’ বিষয়ক।
চুক্তি দুটির পূর্ণাঙ্গ পাঠ তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
এক বিবৃতিতে মার্কিন জ্বালানি বিভাগ জানায়, ‘এই দুটি চুক্তি কয়েক দশকব্যাপী, বহু বিলিয়ন ডলারের অংশীদারিত্বের আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে।
এর মাধ্যমে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়া হবে।’
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তির একটি ধারার আওতায় সৌদি আরবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নির্মাণ করতে পারে মার্কিন কোম্পানিগুলো।
তবে জ্বালানি বিভাগের বিবৃতিতে এ ধরণের কোনো ধারার উল্লেখ নেই। এ বিষয়ে এএফপির প্রশ্নেরও কোনো মন্তব্য করেনি বিভাগটি।
চুক্তিটি পর্যালোচনার জন্য কংগ্রেসে পাঠানো হবে। তবে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস এর বাস্তবায়ন ঠেকাবেÑএমন সম্ভাবনা কম।
অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের উভয় দলের আইনপ্রণেতা এবং ইসরাইলের কর্মকর্তারা এ ধরণের প্রকল্পের বিরোধিতা করেছিলেন।
তাদের আশঙ্কা, সৌদি আরব ভবিষ্যতে এ কর্মসূচিকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহার করতে পারে।
তেহরানের মতো সৌদি আরবও দীর্ঘদিন ধরে বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনার অধিকার দাবি করে আসছে। গত বছর দেশটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী পাকিস্তানের সঙ্গে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ওয়াশিংটন চেয়েছে, পারমাণবিক সহযোগিতার যেকোনো চুক্তিকে বৃহত্তর কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ করতে।
এর আওতায় সৌদি আরব ও ইসরাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
-পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারের শঙ্কা-
যুক্তরাষ্ট্র ২০০৯ সালে সৌদি আরবের প্রতিবেশী সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে একটি পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে।
কিন্তু দেশটি নিজস্ব ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করে নাই।
গত মে মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে একটি ড্রোন জেনারেটরে আঘাত হানে। এতে আগুন লাগে।
আরব বিশ্বের এটিই একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
নীতিনির্ধারকদের দীর্ঘদিনের আশঙ্কা, ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে, সেটা পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু করতে পারে।
মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এ ধরণের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘নিশ্চিন্ত থাকুন, এই চুক্তিগুলো পারমাণবিক নিরাপত্তা ও অস্ত্র বিস্তার রোধের সর্বোচ্চ মান বজায় রাখে।
একই সঙ্গে এতে বিশ্বের সর্বোত্তম পারমাণবিক প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানীদের ওপর নির্ভর করা হয়েছে, যার নকশা যুক্তরাষ্ট্রেই তৈরি হয়েছে।’
যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তি আইনের ১২৩ ধারার আওতে যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়েছে।
বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশের সঙ্গে পারমাণবিক সহযোগিতা বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি রয়েছে।
তবে প্রতিটি চুক্তির পরিধি ভিন্ন রকম।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এ ধরনের একটি চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ চলছিল।
এমনকি সৌদি আরবের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সম্ভাবনা নিয়ে কেউ কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে শিক্ষার্থীদের দাবির সমর্থনে আয়োজিত আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে মুম্বাই পুলিশের হাতে বলিউড অভিনেত্রী আয়েশা খানের আটক হওয়ার ঘটনা নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। দিল্লিতে শুরু হওয়া ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপির এই আন্দোলন দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ার পর, শিক্ষার্থীদের সংহতি জানাতে গিয়ে মুম্বাইয়ের দাদারে পুলিশি হেনস্তার শিকার হয়েছেন তিনি।
‘ধুরন্ধর’ ছবির ‘শারারাত’ গানখ্যাত এই অভিনেত্রী প্রায় তিন ঘণ্টা পরে পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি পান। বুধবার বিকেলে মুম্বাইয়ের দাদারে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যান আয়েশা খান। তবে, তার দাবি অনুযায়ী, মিছিল বা কোনো প্রতিবাদ শুরু করার আগেই পুলিশ তাকে এবং তার সঙ্গীদের আটক করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে আয়েশা জানান, তিনি তার দুই নারী বন্ধুর সঙ্গে রাস্তার একপাশে শান্তভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এর আগে তার ভাই এবং অন্যান্য পুরুষ বন্ধুদের পুলিশ ভ্যানে তুলে নেওয়া হয়। তারা কোনো স্লোগান দেননি অথবা কোনো প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেননি, তবুও প্রায় ১৫ জন পুলিশ সদস্য তাদের ঘিরে ধরে জোরপূর্বক ভ্যানে তুলে নেয়।
আটকের পরপরই শেয়ার করা একাধিক ভিডিওতে আতঙ্কিত আয়েশাকে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো নিয়ম না ভেঙে এবং কোনো ধরনের স্লোগান না দিয়ে শুধু শান্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে কেন তাকে আটক করা হল? আটক হওয়ার পর তাকে এবং তার বন্ধুদের ওরলি পুলিশ স্টেশনে নেয়া হয়। এছাড়া, পরে তিনি জানান, শহরের বিভিন্ন থানায় তাদের দলের সদস্যদের আলাদা করে ছড়িয়ে রাখা হয়েছিল। পুলিশ স্টেশনে তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করা হলেও আটক প্রক্রিয়ার সময় হেনস্তা করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
অবশেষে প্রায় তিন ঘণ্টা পরে মুক্তি পেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের আপডেট জানান এই অভিনেত্রী। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি তার ভাইয়ের মুক্তির জন্য অন্য পুলিশ স্টেশনের উদ্দেশে রওনা হন।
প্রসঙ্গত, সিজেপি আয়োজিত এই আন্দোলনের সমর্থনে দেশের একাধিক খ্যাতনামা তারকা সোচ্চার হয়েছেন। দিল্লি ও মুম্বাইয়ের রাজপথে শাবানা আজমি, প্রকাশ রাজ, রত্না পাঠক শাহ এবং নাসিরুদ্দিন শাহের মতো বর্ষীয়ান অভিনয়শিল্পীরাও শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ করার অধিকারের পক্ষে আওয়াজ তুলছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ ২ হাজার ২৪০টি মামলা দায়ের করেছে।
এ অভিযানে ডাম্পিং করা হয়েছে ৪৭৬টি যানবাহন এবং ২৯২টি যানবাহন রেকার করা হয়েছে।
বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ এ তথ্য জানায়।
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, ট্রাফিক–রমনা বিভাগে ১৩০টি মামলা, লালবাগ বিভাগে ১৩৬টি মামলা, মতিঝিল বিভাগে ৩৬৫টি মামলা, ওয়ারী বিভাগে ৩৯১টি মামলা, তেজগাঁও বিভাগে ২৮৭টি মামলা, মিরপুর বিভাগে ৩৩৭টি মামলা, উত্তরা বিভাগে ৩১৩টি মামলা এবং গুলশান বিভাগে ২৮১টি মামলা করা হয়েছে।
এই মামলাগুলোর মধ্যে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীতে সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ